শুক্রবার ৩রা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

শুক্রবার ৩রা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

তুমব্রুর নো ম্যান্স ল্যান্ডে নিরাপত্তাহীনতায় রোহিঙ্গারা : আতঙ্কে স্থানীয়রা

বুধবার, ০৭ মার্চ ২০১৮
191 ভিউ
তুমব্রুর নো ম্যান্স ল্যান্ডে নিরাপত্তাহীনতায় রোহিঙ্গারা : আতঙ্কে স্থানীয়রা

আব্দুল হামিদ,নাইক্ষ্যংছড়ি(৬ মার্চ) :: বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু কোনার পাড়ায় বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে নো ম্যানস ল্যান্ডে ছয় হাজার আশ্রয় নেয়া অসহায় রোহিঙ্গাদের সরে যেতে বারবার হুমকি দিয়ে আসছে মিয়াানমারের সেনা ও সীমান্ত রক্ষীরা।

কিন্তু ওপারে সশস্ত্র বিজিপি ও সেনা এবং এপারে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে থাকায় এরা না পারছে নিজ দেশে ফিরতে না পারছে বাংলাদেশে ঢুকতে। ফলে তারা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। ৫ মার্চ সোমবার সকালে তুমব্রু শূন্যরেখায় আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা এসব জানান এ প্রতিবেদকের নিকট।

এদিকে সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে পদক্ষেপ নিচ্ছে মিয়ানমার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ভুল তথ্যের ভিত্তিতে মিয়ানমার সীমান্তে সৈন্য সমাবেশ ঘটিয়েছিলো। এখন সীমান্ত থেকে ভারী অস্ত্র সরিয়ে নিয়েছে তারা।

আগামী ২৭ মার্চ থেকে পূর্ব চুক্তি অনুযায়ী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষী (বিজিপি) সীমান্তে যৌথ টহল দেবে বলে জানিয়েছেন তিনি। সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনায় নো ম্যানস ল্যান্ডে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে এখনো উৎকন্ঠা ও আতঙ্ক দেখা দেয়। রোহিঙ্গাদের এসব ঘটনার কারনে সীমান্তের স্থানীয়রাও নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন।

তবে শুক্রবার (২ মার্চ) দুই দেশের প্রতিনিধিদলের মধ্যে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকের পর নো ম্যানস ল্যান্ড থেকে মিয়ানমার সেনাদের সরিয়ে নিলে পরিস্থিতি একটু শান্ত হয়। কিন্তু এখনো সেই সরিয়ে নেওয়া কোন রকম পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছেনা। আরও দিন দিন সেনা ও সীমান্তরক্ষীদের আনাগুণা বাড়তে থাকা এসব ঘটনা লক্ষ করা যাচ্ছে বলে রোহিঙ্গা নেতা আরেফ মোহাম্মদ জানান।

তিনি বলেন, মিয়ানমার তাদের সৈন্যদের সরিয়ে নেয়নি। শুধু আন্তর্জাতিক মহলের চোখ ফাঁকি দেওয়ার জন্য তারা নো ম্যানস ল্যান্ডে আসা-যাওয়া থেকে বিরত রয়েছে।

কিন্তু রাতের বেলায় সেনা, বিজিপি ও রাখাইন যুবকেরা শূন্যরেখায় এসে তাদের বস্তির ঝুপড়িতে ইট, পাটকেল, পাথর, গাছের গুড়ি ও খালি মদের বোতল নিক্ষেপ করছে। এসব কিছু ঝুপড়ির পলিথিন ছিড়ে ঘুমন্ত ছেলে/মেয়েদের উপর পড়েছে। ফলে বস্তিজুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে শূন্যরেখায় আশ্রিত রোহিঙ্গাদের যেকোনো নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার দাবী জানান ওই রোহিঙ্গা নেতা।

ঘুমধুম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান একে জাহাঙ্গীর আজিজ জানান, শূন্যরেখায় অবস্থিত রোহিঙ্গাদের কারণে তুমব্রু সীমান্তের মানুষ স্বাভাবিক জীবন যাপনের অভ্যাস হারিয়ে ফেলেছে।

তিনি বলেন, বস্তির রোহিঙ্গাদের তাড়ানোর জন্য মিয়ানমার সেনারা প্রতি রাতেই সীমান্ত এলাকায় এসে ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে থাকে। এমনকি তারা সীমান্তের নো ম্যানস ল্যান্ড অতিক্রম করার চেষ্টা করলে এপারে গ্রামগুলোতে ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তিনি নো ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের হয় স্বদেশে ফেরত, নয়তো যে কোনো নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার দাবি জানান।

অন্যদিকে কক্সবাজার ৩৪ বিজিবি’র উপ-অধিনায়ক মেজর ইকবাল আহমেদ জানিয়েছেন, মিয়ানমার যেসব অতিরিক্ত সেনা সদস্য সীমান্তে মোতায়েন করেছিল শনিবার সকাল ৯টা থেকে অপসারণ করে তাদের নির্ধারিত ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে সীমান্তের যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য বিজিবি সদস্যদের সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

191 ভিউ

Posted ১:৪৬ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, ০৭ মার্চ ২০১৮

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com