বৃহস্পতিবার ৩রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

বৃহস্পতিবার ৩রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

দক্ষিণ এশিয়ায় আন্তর্জাতিক রাজনীতির নতুন মেরুকরণ

শনিবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৮
264 ভিউ
দক্ষিণ এশিয়ায় আন্তর্জাতিক রাজনীতির নতুন মেরুকরণ

কক্সবাংলা ডটকম(১৪ এপ্রিল) :: রাশিয়ার কাছ থেকে পাকিস্তানের অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র বিরোধী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও জঙ্গিবিমান কেনার সিদ্ধান্ত থেকেই স্পষ্টভাবে বোঝা যায় দক্ষিণ এশিয়ায় আন্তর্জাতিক রাজনীতির মেরুকরণ কতটা পাল্টে গেছে।

ভারত ও পাকিস্তানের বিগত দিনের পরীক্ষিত বন্ধুদের সঙ্গে থাকা  উষ্ণ সম্পর্ক এখন শীতল হয়ে গেছে। অন্যদিকে নিজেদের মধ্যে থাকা সম্পর্ক বাদে প্রতিবেশী অন্যান্য দেশের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক লক্ষণীয়ভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যার পেছনে রয়েছে এ অঞ্চলে পূর্ব বনাম পশ্চিম দ্বন্দ্বের কারণে দেখা দেওয়া নতুন শঙ্কা।

বিগত সময়ের তুলনায় বর্তমানে পাকিস্তান ও রাশিয়ার সম্পর্ক সবচেয়ে মধুর। তার কারণ ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের একই রকম নাটকীয় পরিবর্তন। যুক্তরাষ্ট্র এখন দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতকেই তার ‘কৌশলগত অংশীদার’ মনে করে, যা ১৯৭০-৭১ সালে কল্পনা করা অসম্ভব ছিল। ওই সময় বাংলাদেশ স্বাধীনতার জন্য পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছিল এবং যুক্তরাষ্ট্র সেই প্রেক্ষিতে তার সপ্তম নৌবহর পাঠিয়েছিল বঙ্গোপসাগরে।

এ পরিস্থিতির কারণে নিশ্চিতভাবেই ভারতের পূর্বেকার নিরপেক্ষ থাকার পররাষ্ট্রনীতি পশ্চিমা শক্তিগুলোর সঙ্গে এককালে থাকা পাকিস্তানের তুলনায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে দুই দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষই তাদের নিজ নিজ দেশের নতুন পররাষ্ট্রনীতির বিষয়ে সমালোচনায় সরব রয়েছে। দুই দেশের কোনও দেশেই এই পরিবর্তনের সঙ্গে জড়িত নীতিনির্ধারকরা এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে জনগণের মতামত জানার চেষ্টা করেননি। অথচ তারা দাবি করেন, দেশগুলোতে গণতন্ত্র কার্যকর রয়েছে।

নিজের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে পাকিস্তান বর্তমানে রাশিয়ার নকশায় নির্মিত অত্যাধুনিক ট্যাংক কেনার কথা ভাবছে। এর আগে দেশটি রাশিয়ার কাছ থেকে চারটি যুদ্ধ হেলিকপ্টার ও পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে থাকা জেএফ-৭ যুদ্ধবিমানের জন্য নতুন ইঞ্জিন কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ওই দুই দেশ যৌথ সামরিক মহড়াও করেছে, যা ভারতের ভ্রূ-কুঞ্চিত করেছে। তাছাড়া পাকিস্তানের ভেতর দিয়ে দীর্ঘ পাইপলাইন যাওয়ার প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত থাকা একটি ১ হাজার কোটি ডলারের বিস্তারিত জ্বালানি চুক্তিও চূড়ান্ত হওয়ার পথে।

এমন দ্বিপক্ষীয় সিদ্ধান্ত আপাতত তেমন কিছু প্রমাণ না করলেও তা রাজনীতিবিদদের মধ্যে থাকা তাৎক্ষণিক ইতিহাস রচনা-চেষ্টার বিপদের কথাই মনে করিয়ে দেয়। পর্যবেক্ষকরা ভালো করেই স্মরণ করতে পারবেন সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী পিপিপির প্রধান বেনজির ভুট্টোর গর্ব করে দেওয়া ভাষণের কথা। প্রবল হর্ষধ্বনি দিতে থাকা আমেরিকান দর্শক শ্রোতাদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেছিলেন, ‘আপনাদের যুক্তরাষ্ট্র ও আমাদের পাকিস্তান কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করে সোভিয়েত ইউনিয়নকে পরাজিত করেছে। স্বাধীন জাতি হিসেবে টিকে থাকার তাদের ইচ্ছাকেই আমরা যৌথভাবে নষ্ট করে দিয়েছি!’ আফগান যুদ্ধ পরবর্তী ওই সময়টাতে রুশ বাহিনী একদিকে দিকভ্রান্ত হয়ে পিছু হটছিল, অন্যদিকে চেচেনিয়া রাশিয়া ভেঙে চলে যাওয়ার হুমকি দিচ্ছিল। এমন কি খোদ মস্কোতে অনেক বিস্ফোরণ ও সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছিল।

রাজনৈতিক ভাগ্য কীভাবে বদলে গেছে, বিশেষ করে সেই সময়ের পর নতুন করে জেগে ওঠা রাশিয়ার জন্য! আজ যদি পিপিপি নেত্রী বেঁচে থাকতেন তাহলে রুশ-পাকিস্তান সম্পর্ক বিনির্মাণের এই কালে নিঃসন্দেহে তাকে ২০১৮ সালের ‘লেডি রিপ ভ্যান উইংকেল’ মনে হতো।

এটা বলে রাখা জরুরি, রাশিয়ার নতুন মিত্র হয়ে ওঠার এই প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানের লাভ হয়েছে অনেক। এই নতুন সম্পর্কের কারণে পাকিস্তান ঘৃণা করতে ভালোবাসে তার যে প্রতিবেশী ভারতকে, তার সঙ্গে সমানে সমান থাকার উদ্যম টিকিয়ে রাখতে পেরেছে। পাকিস্তান একই সঙ্গে ন্যাটোবিরোধী এসসিও-এর (সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন) দলে যোগ দিতে পেরেছে এবং ইরানের সঙ্গে একযোগে কাজ করে যাচ্ছে। চীনের সঙ্গে মাখামাখি থাকাটাও পাকিস্তানের জন্য বাড়তি রাজনৈতিক সুবিধা এনে দিয়েছে।

ইসলামি জঙ্গি গোষ্ঠীদের মদদ দিয়ে চলায় ইতিমধ্যেই পাকিস্তানের ওপর বিরক্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন। আর এ বিষয়টি তাদেরকে অখুশি করার জন্য যথেষ্ট। অবশ্য সর্বপরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বস্ত মিত্র পশ্চিম এশিয়ার সৌদি আরবকে অখুশি করার ঝুঁকি নেয়নি পাকিস্তান। প্রথম দিকে না বললেও পরে ইয়েমেন সীমান্তে রিয়াদের নেতৃত্ব কাজ করার জন্য শিয়া নাগরিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত সৌদি আরবে সেনা পাঠাতে রাজি হয়েছে পাকিস্তান।

ফলে তাদের সব অর্থনৈতিক সমস্যা ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ভাবমূর্তি সঙ্কট থাকার পরেও পাকিস্তানি নেতারা একঘরে হয়ে পড়েননি। একের পর এক পরিবর্তনে মানিয়ে নিতে অভ্যস্ত পাকিস্তানি প্রশাসন নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় এক ক্ষমতা বলয় থেকে ওপর ক্ষমতা বলয়ের দিকে ঝুঁকে পড়তে প্রস্তুত। কিন্তু তাদের নেতারা নিন্দুক ও সমালোচকদের শক্তিশালী জবাব দেওয়ার সময় কূটনৈতিক শিষ্টাচার মেনে চলতে পারেন না।

মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে, যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিকে বিদ্রূপ করে পাকিস্তানি জেনারেলরা ওয়াশিংটনকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, বিশ্বস্ত মিত্র হিসেবে চীন তাদের পক্ষে থাকবে। তারা আসলে একরকম উস্কানি দিয়েই কথা বলেছিলেন। সিরিয়া ও ইউক্রেনের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে তারা বলেছিলেন, ক্ষমতার বিচারে পশ্চিম আসলে দুর্বল হয়ে পড়েছে। সামরিক ও অর্থনৈতিক দিক দিয়ে চীন ও রাশিয়ার বলয় এখন বেশি শক্তিশালী।

কলকাতাভিত্তিক বিশ্লেষক চারুব্রত রায় বলেছেন, ‘পাকিস্তান যে পশ্চিমা বিশ্বকে চটাতে আর ভয় পায় না এবং তাদের সেনা কর্মকর্তারা যে তা প্রকাশে পিছপা হতে চায় না, এটিই তার প্রথম স্পষ্ট ইঙ্গিত।

সাম্প্রতিক সময়ের ঘটনাপ্রবাহও ভূমিকা রেখেছে। যা মিসেস ভুট্টো বুঝতে পারেননি তা হলো, ইউএসএসআরের পতনের মাধ্যমে একটি খর্বিত রাজনৈতিক প্রভাবসম্পন্ন রাশিয়ান ফেডারেশনের জন্ম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাকিস্তানের কৌশলগত গুরুত্ব কমে গিয়েছিল। পশ্চিমা বিশ্বের জন্য দক্ষিণ এশিয়াতে ক্রমেই প্রভাবশালী হতে থাকা চীনের বিরুদ্ধে পাল্টা শক্তি হিসেবে ভারতকে গড়ে তোলা তখন স্পষ্টতই অনেক বেশি জরুরি হয়ে দেখা দিয়েছিল।

ডানপন্থী দল ভারতীয় জনতা পার্টি দেশটির ক্ষমতায় এলে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বাড়তে থাকে। ২০০৫ সালে দ্বিপাক্ষিক পরমাণু সমঝোতা স্বাক্ষরিত হওয়ার পর থেকে ভারতের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীগুলোর সঙ্গে যৌথ মহড়ায় অংশ নিয়েছে। ২০০৫ সালের পর কয়েক বছরের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ১০ হাজার কোটি ডলার থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার কোটি ডলারে উন্নীত করার বিষয়ে দুপক্ষই একমত হয়েছিল। সি-১৩০, সি-১৭ ও পি-৮০ বিমান ক্রয়ের প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত থাকা ১ হাজার কোটি ডলারের প্রতিরক্ষা চুক্তির বিষয়েও সমঝোতা হয়েছিল। তাছাড়াও, চীন যাতে ভারত মহাসাগর অঞ্চলে প্রভাব বিস্তার করতে না পারে সেজন্য যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ভারত ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রেখে কাজ করার বিষয়ে একমত হয়েছিল।

স্পষ্টতই এর উদ্দেশ্য ছিল চীনকে এই শক্তিশালী বার্তা দেওয়া যে শুধু তারই সামরিক শক্তি আছে তা নয়। এসসিওতে ভারতের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এবং ব্রিকসে দেশটির সদস্যপদ থাকলেও ভেতরে ভেতরে ঘটতে থাকা ঘটনাপ্রবাহ চীন-ভারত সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। গোলাবারুদের যুদ্ধ ১৯৬২ সালে থেমে গেলেও কিছু দিন পর পর সীমান্তে উত্তেজনাও দেখা দেয়।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ঝুঁকে পড়ার নতুন মেরুকরণ বিজেপির ২০১৪ সালে ক্ষমতায় যাওয়ার পর থেকে শুরু হয়নি। ভারতে এ প্রক্রিয়া কংগ্রেস শাসনামলে মনমোহন সিং ভারতের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে সূচিত হয়েছিল। একজন সাবেক কূটনীতিক বলেছেন, ‘ভারতের বেছে নেওয়া মতো অন্য কোনও সুযোগও খুব একটা ছিল না।

৯০-এর দশক ও তার পরের দশকে আমাদের ঐতিহ্যবাহী পুরনো মিত্র রাশিয়ার অবস্থা খুব দুর্বল দেখাচ্ছিল। আর যুক্তরাষ্ট্র ক্রমেই এক মেরুকেন্দ্রিক বিশ্বের নেতৃত্ব নেওয়ার দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। পাকিস্তানকে নিয়মিত অস্ত্র সরবরাহ করতে থাকা এবং নিজে ক্রমেই শক্তিশালী হতে থাকা চীনের পক্ষ থেকে ভারতের স্বার্থরক্ষার বিষয়ে অধিকতর উদার হওয়ার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল না। এরকম পরিস্থিতিতে স্বল্প সময়ের মধ্যে হামলার জন্য নিজেদের সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত রাখা চীনের আক্রমণের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে জোটবাঁধা ছাড়া ভারতের আর কি করার ছিল?’

ভারতের বর্তমান পররাষ্ট্রনীতির বামপন্থী সমালোচকরা অভিযোগ করেছেন, চীনের বিরুদ্ধে ভারতকে সহায়তা করার নামে যুক্তরাষ্ট্র ঘনিষ্ঠ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্থাপনের ফলে অর্জিত সুবিধাগুলো ভোগ করে যাচ্ছে, বিশেষ করে আর্থিক দিক থেকে। যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ভারতের (সামান্য পুরাতন) অস্ত্র ক্রয়ের বিষয়টি নিষ্কণ্টক করার বদলে প্রেসিডেন্ট ওবামা ভারত সফরকালে নিশ্চিত করেছিলেন, দুর্বল প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টিংহাউসের কাছ থেকে ভারতকে যেন ৫ বছর ধরে যন্ত্রপাতি কিনতে হয়।

একই ধারা বজায় রেখেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তিনি যতই মাখামাখি করুন না কেন, শেষ পর্যন্ত না তিনি ভারতীয় দক্ষ পেশাজীবীদের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করতে ভূমিকা রেখেছেন, আর না কর্মক্ষেত্রে তাদের পদোন্নতি নিশ্চিতে ভূমিকা রেখেছেন।

বরং, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মোটরসাইকেল ও অন্যান্য কিছু পণ্যের ওপর থাকা ভারতীয় শুল্কের বিষয়ে সমালোচনা করেছেন, যদিও কয়েকটি পণ্যের ওপর থেকে ভারত ইতিমধ্যেই শুল্ক হ্রাস করেছে। উন্নত প্রযুক্তির আধুনিক অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে ভারতের সঙ্গে কোনও আলোচনা করে না দেশটি, যেখানে জাপান ও ইসরায়েল বিনা ক্লেশে এফ-৩৫ এর মতো যুদ্ধবিমান কিনতে পারে। বারবার অনুরোধ করার পরও ওবামা ও ট্রাম্পের কেউই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ভারতের প্রবেশ সহজ করার অনুরোধে সাড়া দেননি। এমনকি উন্নত প্রযুক্তি হস্তান্তরের অনুরোধেও কোন সমর্থন দেননি।

অপরদিকে, রাশিয়া ইতোমধ্যেই তার সর্বাধুনিক মিগ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছে ভারতের কাছে। বাংলাদেশও এতে আগ্রহ দেখিয়েছে। এসব তথ্য কি ইঙ্গিত দেয়? পশ্চিম পশ্চিমই থাকবে আর পূর্ব পূর্বই থাকবে, পশ্চিমা বিশ্বের এই ঔপনিবেশিককালের মানসিকতা কি টিকেই থাকবে? সে বিচারের ভার পাঠকের হাতেই রইল।

264 ভিউ

Posted ৬:৩১ অপরাহ্ণ | শনিবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৮

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com