শনিবার ৫ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

শনিবার ৫ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

‘নোবেল শান্তি পুরস্কার’ : চুড়ান্ত বিবেচনায় শেখ হাসিনা ও মেরকেল

বুধবার, ০৪ অক্টোবর ২০১৭
896 ভিউ
‘নোবেল শান্তি পুরস্কার’ : চুড়ান্ত বিবেচনায় শেখ হাসিনা ও মেরকেল

কক্সবাংলা ডটকম(৪ অক্টোবর) :: ২ অক্টোবর চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার ঘোষণার মধ্যে দিয়ে এ বছর নোবেলের পর্দা উঠেছে। নোবেল পুরস্কারের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার ‘নোবেল শান্তি পুরস্কার’ ঘোষিত হবে আগামী ৬ অক্টোবর, শুক্রবার নরওয়ের সময় সকাল ১১ টায়। বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩ টায়।

নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য ইতিমধ্যে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৩ অক্টোবর থেকে ওই কমিটি চূড়ান্ত নির্বাচনের জন্য রুদ্ধদ্বার বৈঠকে মিলিত হয়েছে। আগামী দুই দিনে তারা শান্তির জন্য এ বছরের সেরা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচন করবেন।

নরওয়ের পার্লামেন্টের আলোচনা এবং নরওয়ের শিক্ষাবিদদের বক্তব্য পর্যালোচনা করে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায় যে, ‘শরণার্থী’ প্রসঙ্গটি এবার নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য সবচেয়ে বড় বিবেচ্য। এ বছর ৩১৮ টি নাম নোবেল শান্তি পুরস্কারের মনোনয়নের জন্য জমা পড়ে। এর মধ্যে ২১৫ জন ব্যক্তি আর ১০৩ প্রতিষ্ঠান। এই তালিকা এখন সংক্ষিপ্ততম হয়ে তিনজনে এসেছে। তবে, ৫ সদস্যের কমিটি এই তিনজনের বাইরে থেকেও কাউকে পুরস্কারের জন্য যোগ্য বিবেচনা করতে পারেন।

এবার নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য অন্যতম আলোচিত নাম বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নরওয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, শেখ হাসিনা, অ্যাঙ্গেলা মেরকেল আর হোয়াইট হেলমেটের মধ্যে থেকে কেউ এই পুরস্কার পেতে পারেন। তবে, শেষ দিকে এসে একক ভাবে না দিয়ে যৌথ ভাবে নোবেল পুরস্কার দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলেছেন, আন্তজার্তিক খ্যাতি সম্পন্ন শিক্ষাবিদ এবং গবেষকরা। নরওয়ের পার্লামেন্টও প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের মেলবন্ধন সৃষ্টির আওয়াজ উঠেছে।

১৯০১ সাল থেকে চালু নোবেল শান্তি পুরস্কারের মধ্যে ২৯ বার যৌথ ভাবে এই পুরষ্কার প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র একবার (১৯২৬ সালে) চারজন যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরষ্কার পান। তিনজনকে শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয় ৪ বার।

নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য শেখ হাসিনার জন্য যে বিবেচনা সংক্ষেপ তৈরি করা হয়েছে, তাতে শুধু রোহিঙ্গা প্রসঙ্গ নয় বরং তার দীর্ঘ শান্তিবাদী রাজনীতি এবং মানবতার ধারাবাহিকতাকে তুলে ধরা হয়েছে। ১৯৮১ সাল থেকে বাংলাদেশে দীর্ঘ গণতন্ত্রের সংগ্রামে তিনি নেতৃত্ব দেন। যে সংগ্রাম ছিল মূলত: রাজনীতি সামরিকরণের বিরুদ্ধে। ১৯৯৭ সালে তার পার্বত্য শান্তি চুক্তি এবং সমুদ্র সীমার শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তিও তাঁর পুরস্কার প্রাপ্তির যৌক্তিকতার জন্য উপস্থাপিত হয়েছে। সর্বশেষ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়াটাকে বলা হয়েছে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এক মাইলফলক।

অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের বিবেচনা সংক্ষেপেও তার উদার নৈতিক রাজনীতি, শরণার্থীদের ব্যাপারে তাঁর মানবিক রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

শেখ হাসিনার জন্য নেতিবাচক ব্যাপার হলো একটিই, তা হলো গত এক দশকে দুবার নোবেল শান্তি পুরস্কার এই উপমহাদেশ থেকে দেওয়া হয়েছে। ২০১৪ সালে ভারতের কৈলাস সত্যার্থী এবং মালালা ইউসুফজাই যৌথ ভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। আর ২০০৬ সালে যৌথ ভাবে পান গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস। একটি অঞ্চল বা গোত্র থেকে বার বার নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়ার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ প্রশ্ন সবসময়ই থাকে। তবে ওসলো বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ‘ শান্তিই আমাদের একমাত্র বিবেচ্য বিষয়। আমার কাজটা দেখি দেশ নয়।’

অন্যদিকে মেরকেলের সবচেয়ে বড় নেতিবাচক দিক হলো, তাঁর নীতি জার্মানিতে নব্য নাৎসিবাদের উত্থান ঘটিয়েছে।

শরণার্থী প্রসঙ্গ যখন সামনে এসেছে তখন, নরওয়ের কয়েকজন শিক্ষাবিদ শেখ হাসিনার সঙ্গে বাংলাদেশকেও যুক্ত করার প্রস্তাব করেছেন। আজ পর্যন্ত কোনো একক দেশ নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়নি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০১২ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পায়। নরওয়ের পার্লামেন্টের একজন সদস্য তাঁর ভাষণে বাংলাদেশের মানুষের আতিথ্য, শান্তির প্রতি ভালবাসা ও মানবিকতাকে বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

সাধারণত: নোবেল শান্তি পুরস্কারের নির্বাচন কঠোর গোপনীয়তার তথ্য সংগ্রহের ভঙ্গি অনেক কিছু বুঝিয়ে দেয়। এবার যেভাবে ওসলোতে শেখ হাসিনা এবং মেরকেল চর্চা হচ্ছে, তাতে বুঝতে অসুবিধা হয় না যে , এরা দুজনই এবার নোবেল পুরস্কার বিবেচনার মঞ্চের মূল নায়ক।

একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ৬ তারিখ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কোথায় থাকবেন, নরওয়ে এবং বিশ্ব মিডিয়া সে সম্পর্কে নিশ্চিত খবর জানতে চাইছে। ৬ অক্টোবর লন্ডন সময় সকাল ১০ টায় শেখ হাসিনা লন্ডনে থাকবেন, তা নিশ্চিত করেছেন। লন্ডনে দু:সময়ের একমাত্র সাথী প্রিয় ছোটবোনের সঙ্গে বসে যদি তিনি এই খবরটি পান, তার চেয়ে আনন্দের আর কি হতে পারে?

896 ভিউ

Posted ১০:০১ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, ০৪ অক্টোবর ২০১৭

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com