মঙ্গলবার ৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

মঙ্গলবার ৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

পুঁজিবাজারে ওরিয়ন গ্রুপের ধ্বস : এক দিনেই সূচক পড়ল প্রায় ১ শতাংশ

সোমবার, ১৪ নভেম্বর ২০২২
61 ভিউ
পুঁজিবাজারে ওরিয়ন গ্রুপের  ধ্বস : এক দিনেই সূচক পড়ল প্রায় ১ শতাংশ

কক্সবাংলা ডটকম(১৪ নভেম্বর) :: অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে নানা গুঞ্জন, গুজবের মধ্যে টানা পতনমুখী পুঁজিবাজারে এক দিনেই সূচক পড়ল প্রায় ১ শতাংশ। ফ্লোর প্রাইসের বাধার কারণে যেসব কোম্পানির শেয়ারদর কমা সম্ভব কমেছে প্রায় সবগুলোর।

এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পড়েছে ওরিয়ন গ্রুপের আলোচিত দুটি কোম্পানির শেয়ারদর। যেগুলোর দর টানা বৃদ্ধি তৈরি করেছিল বিস্ময়, কিন্তু বছর শেষে লভ্যাংশ এসেছে নগণ্য। এই গ্রুপের চারটি কোম্পানির সবগুলোই দর হারিয়েছে, সেই সঙ্গে কমেছে যেগুলোর শেয়ারদর কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই বাড়ছিল ক্রমাগত।

সপ্তাহের দ্বিতীয় কর্মদিবসেও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বা ডিএসইর সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৫১ পয়েন্ট। আগের দিন কমে প্রায় ৪৮ পয়েন্ট। ফলে দুই দিনেই কমল ১০০ পয়েন্ট।

এদিন নতুন করে আরও কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারদর নামল ফ্লোর প্রাইসে। সব মিলিয়ে প্রায় ৩০০ কোম্পানির শেয়ার এখন বেঁধে দেয়া সর্বনিম্ন দরে হাতবদল হচ্ছে।

এদিন বেড়েছে কেবল ১৯টি কোম্পানির শেয়ারদর, বিপরীতে কমেছে ৬৮টির দর। ফ্লোর প্রাইসে থাকা ২৫৬টি বেঁধে দেয়া সর্বনিম্ন দরে লেনদেন হয়েছে। বাকি ৪৬টি কোম্পানির একটি শেয়ারেরও ক্রেতা ছিল না।

দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচকের অবস্থান দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ২৫৩ পয়েন্ট, যা গত ১৭ আগস্টের পর সর্বনিম্ন। সেদিন সূচক ছিল ৬ হাজার ২৪১ পয়েন্ট। তবে সে সময় পুঁজিবাজার ছিল ঊর্ধ্বমুখী।

এতদিন যে কোম্পানিগুলোর ভালো পারফরমেন্স ছিলো, সে কোম্পানিগুলোর শেয়ারও এখন ক্রমাগতই কমছে। যার কারণে এখন শেয়ারবাজারে বড় পতন হচ্ছে। এই পতন অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই সবগুলো কোম্পানির শেয়ার ফ্লোর প্রাইসে আসবে।

সোমবারের দরপতনে সূচকের অবস্থান নেমে গেছে গত ১৭ আগস্টের কাছাকাছি

এদিন পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত একঝাঁক কোম্পানি গত সেপ্টেম্বরে সমাপ্ত হওয়া প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এসব কোম্পানির মধ্যে সিংহভাগেরই ব্যবসা আগের বছরের তুলনায় খারাপ হয়েছে। মৌলভিত্তির একাধিক কোম্পানি লোকসান দিয়েছে। কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের বিষয়টি।

টাকার অবমূল্যায়ন ছাড়াও আমদানি মূল্য ক্রমেই বাড়তে থাকার মধ্যে রেমিট্যান্স ও রপ্তানির নিম্নগতির কারণে রিজার্ভ ক্রমেই কমছে। বাজেট ঘাটতি মোকাবিলায় আইএমএফের কাছ থেকে যে ঋণ পাওয়া যাবে, সেটি আসবে কয়েক কিস্তিতে দীর্ঘমেয়াদে, সে জন্য আবার নানা শর্ত পূরণ করতে হবে। বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে স্বল্প সুদের ঋণের আলোচনা এখনও শেষ হয়নি।

এর মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাংক নিয়ে গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। বলাবলি হচ্ছে, ব্যাংকগুলো দেউলিয়া হয়ে যাবে, সবাই যেন টাকা তুলে নেয়। গুজব এতটাই প্রভাবিত করছে যে বাংলাদেশ ব্যাংককে রীতিমতো বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলতে হয়েছে, মানুষের আমানত সব নিরাপদে আছে। ব্যাংক বন্ধ হয়ে যাওয়ার কোনো শঙ্কাই নেই।

অর্থনীতি নিয়ে মানুষের মধ্যে উৎকণ্ঠার প্রভাব ‘অপরিপক্ব’ পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর অভাবে ভোগা পুঁজিবাজারে ব্যক্তি শ্রেণির বিনিয়োগকারীরা নানা সময় গুজব-গুঞ্জনে প্রভাবিত হয়ে অস্থিরতা দেখান। সেই বিষয়টি আবার ঘটছে।

ট্রেজার সিকিউরিটিজের শীর্ষ কর্মকর্তা মোস্তফা মাহবুব উল্লাহ মনে করেন,বাংলাদেশ ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিটি পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদেরকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে। তিনি ‘সামগ্রিক অর্থনৈতিক সংকটের কথা বিবেচনা করেই মানুষ চিন্তিত। আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো যখন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মানুষ নিশ্চিন্ত থাকতে বলে, তাদের পুঁজি নিরাপদে রয়েছে বলে জানায়, তখন মানুষ আরও বিচলিত হয়ে পড়েন। ফলে সার্বিক অর্থনৈতিক অবস্থার প্রতিফলন পুঁজিবাজারে দেখা যাচ্ছে।’

কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউজের বিনিয়োগকারীদের সাথে কথা বলে কিছু ভিন্ন তথ্য জানা গেছে। বিনিয়োগকারীরা বলছেন, শেয়ারবাজারে ফ্লোর প্রাইস একটি সাময়িক পদক্ষেপ। এই পদক্ষেপ কিছু সময়ের জন্য পতন ঠেকাতে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ফ্লোর প্রাইস এখন দীর্ঘ মেয়াদি পদক্ষেপে রূপ নিয়েছে। যা এখন শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টদের গলার কাঁটাতে পরিণত হয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি কখন ফ্লোর প্রাইস তুলে দিবে তার কোন নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেয়নি। এ বিষয়ে কোন চিন্তাও করছে না সংস্থাটি। বিষয়টিকে ভালোভাবে নিচ্ছে না শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টরা।

তারা বলছেন, তবে কি বিএসইসি সবগুলো কোম্পানির শেয়ারদর ফ্লোর প্রাইসে এনে তারপর পদক্ষেপ নেবে। দীর্ঘদিন যাবত সিংহভাগ কোম্পানির শেয়ার ফ্লোর প্রাইস থাকায় মাত্র কিছু কোম্পানির শেয়ার নিয়ে চলতে পারে না শেয়ারবাজার। এতদিন যে কোম্পানিগুলোর ভালো পারফরমেন্স ছিলো, সে কোম্পানিগুলোর শেয়ারও এখন ক্রমাগতই কমছে। যার কারণে এখন শেয়ারবাজারে বড় পতন হচ্ছে। এই পতন অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই সবগুলো কোম্পানির শেয়ার ফ্লোর প্রাইসে আসবে।

ওরিয়নের ধপাস

এদিন ডিএসইতে সূচক যতটা কমেছে তার প্রায় এক তৃতীয়াংশই কমিয়েছে ওরিয়ন গ্রুপের চার কোম্পানি।

নয় মাসেরও কম সময়ে শেয়ারদর ১০ গুণ হয়ে যাওয়ার পর ওরিয়ন ইনফিউশন যে আর্থিক প্রতিবেদন ও লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে, তা ব্যাপকমাত্রায় হতাশ করেছে শেয়ারধারীদের। একই দশা ওরিয়ন ফার্মার, যে কোম্পানির শেয়ারদর তিন মাসে দ্বিগুণ বেড়ে যাওয়ার পর এমনিতেই আছে পতনের ধারায়।

এই দুটি কোম্পানির শেয়ারদরই এদিন সবচেয়ে বেশি কমেছে এবং সূচক পতনের প্রধান দুই অনুষঙ্গও এই দুটি।

এর মধ্যে শেয়ার প্রতি ২ টাকা ১০ পয়সা আয় করে এক টাকা নগদ ও প্রতি ১০টি শেয়ারের বিপরীতে একটি বোনাস শেয়ার ঘোষণা করা ওরিয়ন ইনফিউশনের শেয়ারদর কমেছে সবচেয়ে বেশি ১২০ টাকা ৭০ পয়সা বা ১২.৫৮ শতাংশ।

গত ২০ জুনও কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ৮০ টাকা। বিস্ময়কর উত্থানে অক্টোবরের শেষে ছুঁয়ে যায় এক হাজার টাকা।

গুঞ্জন ছিল কোম্পানির ব্যবসা বেশ ভালো হয়েছে, লভ্যাংশ হিসেবে আসবে দারুণ ঘোষণা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা যায় আগের বছরের তুলনায় শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে কেবল ৭৩ পয়সা।

লভ্যাংশের ঘোষণার কারণে এদিন শেয়ারটির কোনো মূল্যসীমা ছিল না। আগের দিন দর ছিল ৯৫৯ টাকা ২০ পয়সা। দিন শেষে দাঁড়িয়েছে ৮৩৮ টাকা ৫০ পয়সায়। এক পর্যায়ে নেমে যায় ৮১৭ টাকায়।

এই কোম্পানিটির দরপতনে ডিএসইতে সূচক কমেছে ৫.০৩ পয়েন্ট।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দর কমলেও সূচক সবচেয়ে বেশি ৬.৬৬ পয়েন্ট কমিয়েছে ওরিয়ন ফার্মা। এই কোম্পানিটির শেয়ারদর গত ২৮ জুলাই ফ্লোর প্রাইস দেয়ার দিন ছিল ৭৮ টাকা ৭০ পয়সা। কিন্তু অস্বাভাবিক উত্থানে সেপ্টেম্বরের শেষে উঠে যায় ১৫৬ টাকা ৫০ পয়সায়।

অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই শেয়ারদর ছিল পতনমুখি। এর মধ্যে রোববার কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ যে লভ্যাংশ ঘোষণা করে, তাতে দেখা যায়, এবার কোম্পানির আয় গত বছরের চেয়ে কমেছে, সেই সঙ্গে কমেছে লভ্যাংশ।

আগের বছর কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি ৪ টাকা ১ পয়সা আয় করে ১ টাকা ২০ পয়সা লভ্যাংশ দিয়েছিল। এবার শেয়ার প্রতি আয় কমে হয়েছে ৩ টাকা ৬২ পয়সা, লভ্যাংশের ঘোষণা এসেছে এক টাকা।

পুঁজিবাজারে করুণ চিত্র, ওরিয়ন গ্রুপের ধপাস
এদিন সবচেয়ে বেশি হতাশ করেছে ওরিয়ন গ্রুপের দুই আলোচিত কোম্পানি, সেগুলোর একটির শেয়ারদর ছয় মাসে ১০ গুণের বেশি বেড়েছে

আগের দিন শেয়ারদর ছিল ১১৬ টাকা ৯০ পয়সা। মূল্যসীমা না থাকার দিন দর কমেছে ১৩ টাকা ৯০ পয়সা বা ১১.৮৯ শতাংশ। দিন শেষে দর দাঁড়িয়েছে ১০৩ টাকা যা গত ৬ সেপ্টেম্বরের পর সর্বনিম্ন।

একই গ্রুপের আরেক কোম্পানি বিকন ফার্মার দর কমেছে ৭ টাকা ১০ পয়সা বা ২.৫১ শতাংশ। গত ৩১ জুলাই ফ্লোর প্রাইস দেয়ার পর ২৪৬ টাকা ৯০ পয়সা থেকে অল্প কয়েক দিনে ৩৯৩ টাকায় উঠে যাওয়ার পর লভ্যাংশ মনঃপুত না হওয়ার পর দর কমছেই। দিন শেষে দর দাঁড়িয়েছে ২৭৫ টাকা ৫০ পয়সা, যা এক পর্যায়ে নেমে যায় ২৬০ টাকা ১০ পয়সায়।

এই কোম্পানিটির দরপতনে সূচক কমেছে ৩.৩৬ পয়েন্ট।

গ্রুপের অপর কোম্পানি কোহিনূর ক্যামিকেলস এবার লভ্যাংশ বাড়ালেও তা প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। গত ৩১ জুলাই ফ্লোর প্রাইসের প্রথম দিন শেয়ারদর ৩৮৩ টাকা ৬০ পয়সা থেকে তরতর করে বাড়তে বাড়তে সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে ৭৫৭ টাকা ৪০ পয়সায় উঠে যা।

সেখান থেকে পড়তে পড়তে দিন শেষে দর দাঁড়িয়েছে ৫০৩ টাকা ৮০ পয়সায়, যদিও দিনের এক পর্যায়ে দর নেমে এসেছিল ৪৮৭ টাকা ৭০ পয়সায়।

ঝড় গেছে অন্য যেগুলোর ওপর দিয়ে

ওরিয়ন গ্রুপই কেবল নয়, ফ্লোর প্রাইস দেয়ার পর অস্বাভাবিক দর বেড়েছিল যেসব কোম্পানির, সেগুলোর পতনের হারও এখন বেশি।

সোমবার তৃতীয় সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ দর কমেছে সিনোবাংলার ইন্ডাস্ট্রিজের, যেটির দর ফ্লোর প্রাইসের প্রথম দিন ৫৪ টাকা ৫০ পয়সা থেকে নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে উঠে যায় ৯৩ টাকা ৮০ পয়সায়। সর্বোচ্চ এই দর থেকে ২০ পয়সা কমে বর্তমান দর ৭৩ টাকা ৮০ পয়সা।

নতুন তালিকাভুক্ত নাভানা ফার্মার শেয়ারদর ৯.৯৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৯৫ টাকা ৭০ পয়সা, যেটি সম্প্রতি লাফিয়ে লাফিয়ে ১৩২ টাকায় উঠে যায়।

পঞ্চম সর্বোচ্চ ৯.৯২ শতাংশ কমে জেএমআই হসপিটালের শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ৮১ টাকা ৭০ পয়সা। এই কোম্পানির শেয়ারদর ফ্লোর প্রাইস দেয়ার পর ৭১ টাকা ১০ পয়সা থেকে বেড়ে হয়ে যায় ১৪২ টাকা ৮০ পয়সা।

বসুন্ধরা পেপার মিলের দর ৯.৭৭ শতাংশ কমে হয়েছে ৯৬ টাকা ১০ পয়সা। ফ্লোর প্রাইস দেয়ার পর এই কোম্পানির শেয়ার দর ৫০ টাকা ৯০ পয়সা থেকে বেড়ে হয়ে যায় ১২৬ টাকা।

৯.৭৬ শতাংশ কমে বিডিকমের শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা ৯০ পয়সায়। এই কোম্পানিটির শেয়ারদর ফ্লোর প্রাইসে ৩০ টাকা ৮০ পয়সা থেকে কারণ ছাড়াই বেড়ে ৭৯ টাকা ৯০ পয়সায় উঠে গিয়েছিল।

অষ্টম সর্বোচ্চ ৮.৭৯ শতাংশ কমে জেনেক্স ইনফোসিসের শেয়ারদর ৯৭ টাকা ৫০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। কোম্পানিটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে পাঁচ বছরের চুক্তি করার পর শেয়ারদর তরতর করে বাড়ছিল। গত এক মাসে ৬৮ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১১৬ টাকায় উঠে গিয়েছিল।

নবম সর্বোচ্চ দর কমেছে আইএসএনের। ৮.৭৫ শতাংশ কমে বর্তমান দর দাঁড়িয়েছে ৫৬ টাকা ৩০ পয়সা। সম্প্রতি কোম্পানিটির শেয়ারদর লাফিয়ে লাফিয়ে ৭৬ টাকা ৪০ পয়সায় উঠে গিয়েছিল।

প্রথম প্রান্তিকে তিন গুণ আয় দেখানো জেমিনি সি ফুড ছিল দরপতনের সর্বোচ্চ তালিকায়। ৮.৭৪ শতাংশ কমে শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ৪০৪ টাকা ১০ পয়সা।

ফ্লোর প্রাইসে কোম্পানটির শেয়ারদর ৩১৬ টাকা ৮০ পয়সা থেকে বেড়ে হয়ে যায় ৬৩৮ টাকা ৯০ পয়সা। বিনিয়োগকারীরা অবশ্য ৩০ শতাংশ বোনাস শেয়ার পেতে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট শেষ হয়েছে।

আরও ছয়টি কোম্পানির শেয়ারদর ৮ শতাংশের বেশি, ৫টির দর ৭ শতাংশের বেশি, ৬টির দর ৬ শতাংশের বেশি, ৪টির দর ৫ শতাংশের বেশি, ২টি করে কোম্পানির দর ৪ ও ৩ শতাংশের বেশি কমেছে। ২ শতাংশের বেশি কমেছে ৫টি কোম্পানির দর।

 

61 ভিউ

Posted ৪:১৭ অপরাহ্ণ | সোমবার, ১৪ নভেম্বর ২০২২

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com