শুক্রবার ৯ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

শুক্রবার ৯ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

পুঁজিবাজারে ১ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেন : ফ্লোর প্রাইস কোম্পানির ছড়াছড়ি!

মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২২
56 ভিউ
পুঁজিবাজারে ১ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেন : ফ্লোর প্রাইস কোম্পানির ছড়াছড়ি!

কক্সবাংলা ডটকম(২০ সেপ্টেম্বর) :: চলতি সপ্তাহের প্রথম দুই কার্যদিবসে ঊর্ধ্বমুখিতার পর গতকাল সূচকের পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে দেশের পুঁজিবাজারে। এদিন লেনদেনের শুরুতে প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক সূচকে উত্থান দেখা গেলেও শেষ দেড় ঘণ্টার বিক্রয়চাপের কারণে পয়েন্ট হারিয়েছে সূচক। সূচক কমলেও বিনিয়োগকারীরা বিপুল পরিমাণ শেয়ার বিক্রির কারণে গতকাল এক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে ডিএসইতে। দেশের আরেক পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) গতকাল সূচক বাড়লেও দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ কমেছে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, গত কয়েকদিনের উত্থানের কারণে গতকাল পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতা বেশি ছিল। তাছাড়া দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক কারণে তালিকাভুক্ত কোম্পানির আর্থিক ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এমন শঙ্কায় অতিসাবধানী বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছেন। এসব কারণে শুরুর দিকে সূচকে উত্থান হলেও শেষ বেলার বিক্রয়চাপের কারণে পুঁজিবাজারে দরপতন হয়েছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের পতনে লেনদেন শেষ হয়েছে। তবে সূচকের পতনের দিনেও হাতবদল হয়েছে ২ হাজার ৮৩২ কোটি ৩০ লাখ ৭৪ হাজার টাকার শেয়ার, যা ২০১০ সালের মহাধসের পর সপ্তম সর্বোচ্চ লেনদেন। ২০২০ সালে পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়ানোর পর গত বছরের আগস্টের তিনটি এবং সেপ্টেম্বরের তিনটি কর্মদিবসে এর চেয়ে বেশি লেনদেন হয়। এ যেন আকাশ থেকে মাটিতে পতন।

আজ বেলা একটা পর্যন্ত লেনদেন আড়াই হাজার কোটি টাকা ছুঁই ছুঁই, সূচক তখন পর্যন্ত বেড়েছে ৭০ পয়েন্ট। শুরুতেই ৫০ পয়েন্ট বেড়ে যাওয়ার পর এই উত্থানে গত ৯ মে’র অবস্থানকে ছাড়িয়ে যায় কি না, এমন অপেক্ষার মধ্যে হঠাৎ নিম্নমুখী প্রবণতা। কেবল ৫০ মিনিটে ৭৪ পয়েন্টের পতন দেখল বিনিয়োগকারীরা। সপ্তাহের তৃতীয় কর্মদিবসে এই চিত্রই বলে দেয় উত্থান পর্বেও দেশের পুঁজিবাজার স্বাভাবিক আচরণ করছে না। এই পতনের মূল কারণ অবিশ্বাস্য উত্থানে থাকা ওরিয়ন গ্রুপের একটি কোম্পানির দরপতন।

বিনিয়োগকারীরা যখন রুদ্ধশ্বাসে সূচকের এই নব অভিযাত্রা প্রত্যক্ষ করছিল, ঠিক সেই সময়ে আচমকা শুরু হয় জুয়াড়ি শেয়ারগুলোতে বিক্রির হুলস্থুল। সঙ্গে সঙ্গে সূচক উল্টোপথে দৌড় শুরু করে। মাত্র ৫০ মিনিটের দৌড়ানিতেই ৭০ পয়েন্টের ঊর্ধ্বমুখী সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৪ পয়েন্টের বেশি পতনে চলে যায়। সূচকের এমন অবিশ্বাস্য পতনে বিনিয়োগকারীরা বিহ্বল হয়ে পড়েন। তাদের মনে ফের অজানা আতঙ্ক ভর করে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পতনের এই অবিশ্বাস্য পতনের পেছনে কিছু জুয়াড়ি শেয়ার দায়ী। যেগুলো গত কয়েকদিন ধরে পাগলা ঘোড়ার মতো ছুটে চলছে। শেয়ারগুলোর মধ্যে রয়েছে ওরিয়ন গ্রুপের ওরিয়ন ইনফিউশন, ওরিয়ন ফার্মা, বিকন ফার্মা, কোহিনূর কেমিক্যাল, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন-বিএসসি, জেএমআই হসপিটাল, জেএমআই সিরিঞ্জ, বিডকম, ইস্টার্ন হাউজিং, শাইনপুকুর সিরামিক, ইউনিক হোটেল, জেনেক্স ইনফোসিস, নাহি অ্যালুমিনিয়াম, আরডি ফুড ইত্যাদি।

তারা বলছেন, কোম্পানিগুলোর শেয়ারদর আগের দিনের মতো আজও দিনের মধ্যভাগে সর্বোচ্চ দরে লেনদেন হতে দেখা যায়। বেলা ১টার সময় প্রায় সব শেয়ারই বিক্রেতা সংকটে হয়ে হল্টেড হয়ে যায়। কোম্পানিগুলোর শেয়ারে এই সময়ে হল্টেড প্রাইসে লাখ লাখ ক্রেতার অবস্থান দেখা যায়। কিন্তু কিছু বুঝে ওঠার আগেই কোম্পানিগুলোর শেয়ারে হঠাৎ শুরু হয় বিক্রির হুলস্থুল। এতে জুয়াড়ি শেয়ারগুলোর দাম টানা নামতে থাকে, পাশাপাশি নামতে থাকে সূচকও। দিনশেষে সূচক পড়ে যায় ১৪ পয়েন্টের বেশি। যদিও লেনদেন শেষে সমন্বয়ের ফলে পতন স্থির হয় ৪ পয়েন্টে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, চিহ্নিত কিছু কোম্পানি এখন পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। কোম্পানিগুলোর দর বাড়লে বাজারের সূচক বাড়ছে, আবার কোম্পানিগুলোর লেনদেন কমলে বাজারের লেনদেনও কমছে। কোম্পানিগুলোর ক্রস ট্রেডের কারণে লেনদেনে উল্লম্ফনও ঘটছে। আবার সিরিয়াল ট্রেডিংয়ের কারণে দামও আকাশচুম্বী হচ্ছে। তারা বলছেন, বর্তমানে লেনদেন ও সূচকের উত্থানের প্রভাব বাজারের অন্যান্য শেয়ারগুলোতে পড়ছে না। যা বাজারের জন্য মোটেও শুভ নয়। বাজার যে স্বাভাবিকভাবে চলছে না, এটা তার স্পষ্ট প্রমাণ।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, আজ লেনদেনের শীর্ষে থাকা বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৩৪২ কোটি ৫ লাখ ৮৭ হাজার টাকার। এরপর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে ওরিয়ন ফার্মার ৩২৭ কোটি ২৫ লাখ ১৭ হাজার টাকার। তৃতীয় সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান শিপিং করপোরেশনের ১৫৫ কোটি ৪৫ লাখ ৮০ হাজার টাকার। এই তিন কোম্পানিই লেনদেনের বিশাল অংশ দখল করে রেখেছে।

লেনদেন দখলের শীর্ষে অন্য জুয়াড়ি কোম্পানিগুলো হলো- জেএমআই হসপিটাল, ইস্টার্ন হাউজিং, শাইনপুকুর সিরামিক, জেনেক্স ইনফোসিস, নাহি অ্যালুমিনিয়াম, কোহিনূর কেমিক্যাল। লেনেদেনের শীর্ষে অন্যান্য কোম্পানির মধ্যে ছিল লাফার্জহোলসিম, একমি ল্যাবরেটরিজ, বেক্সিমকো ফার্মা।

আজ ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৮৩২ কোটি ২৩ হাজার টাকা। যা গত ১ বছর ১৩ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেন। এর আগে ২০২১ সালে ৭ নভেম্বর লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ৮৬৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা। তার আগের দিন ৬ নভেম্বর লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ৯০১ কোটি ৫২ লাখ টাকা।

সর্বোচ্চ লেনদেনের দিনেও আজ তালিকাভুক্ত ৩৮৬ কোম্পানির মধ্যে ৪২টি কোম্পানির কোনো লেনদেন হয়নি। আরও ৪৮টি কোম্পানির লেনদেন হয়েছে ১০০টি শেয়ারের নিচে। যেখানে তিন কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে প্রায় সোয়া ৮০০ কোটি টাকা, সেখানে প্রায় শতাধিক কোম্পানির লেনদেন হয়েছে প্রতিটি দশ হাজার টাকার নিচে। আজ ডিএসইতে ৭২টি কোম্পানির দাম বেড়েছে, বিপরীতে কমেছে ১৫৬টির। ১৪৫টি কোম্পানির লেনদেন হয়েছে আগের দিনের দরে। এর মধ্যে সিংহভাগই ফ্লোর প্রাইসের কোম্পানি। যা স্বাভাবিক বাজারের দৃষ্টান্ত বহন করে না।

বিনিয়োগকারীরা বলছেন, যেখানে লভ্যাংশ ঘোষণার অন্যতম শীর্ষ কোম্পানি ব্রিটিশ অ্যামেরিকান টোব্যাকো, স্কয়ার ফার্মা, গ্রামীণফোনের মতো শক্ত মৌলভিত্তির কোম্পানিগুলোর শেয়ার ফ্লোর প্রাইসে বা ফ্লোর প্রাইসের কাছাকাছি লেনদেন হচ্ছে, সেখানে দুর্বল মৌলের জুয়াড়ি শেয়ারগুলো দিনের পর দিন সর্বোচ্চ দরে লেনদেন হচ্ছে। চোখের পলকে শেয়ারগুলোর দর দুইগুন থেকে তিনগুন দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। আলাদিনের প্রদীপে যেন শেয়ারগুলো আলোতে ভাসছে।

ফ্লোর প্রাইসের ফেরা কোম্পানির ছড়াছড়ি!

পুঁজিবাজারে একদিকে চলছে বড় উত্থান, অন্যদিকে বাড়ছে পতনে নামা এবং ফ্লোর প্রাইসে ফেরা কোম্পানির ছড়াছড়ি।  প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক বেড়েছে প্রায় ৬৬ পয়েন্ট। তারপরও আজ যতগুলো কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে, কমেছে তার দেড় গুণ। এ ছাড়া আজও ফ্লোর প্রাইসে ফিরেছে ২১ প্রতিষ্ঠান। আগের দিন রোববারও উত্থানের বাজারে ১৭টি প্রতিষ্ঠান ফ্লোর প্রাইসে ফিরেছে।

আজ যে ২১টি প্রতিষ্ঠান ফ্লোর প্রাইসে ফিরে এসেছে, সেগুলো হলো এক্সিম ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, সামিট পাওয়ার, ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স, পিপলস ইন্স্যুরেন্স, পূরবী ইন্স্যুরেন্স, ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স, প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স, মাইডাস ফাইন্যান্স, বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম, লিবরা ইনফিউশন, লুব রেফ ইন্ডাস্ট্রিজ, আরগন ডেনিম, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ, রেনউইক যজেনশ্বর, খুলনা প্রিন্টিং, রানার অটো, জিবিবি পাওয়ার এবং এমবিএলফাস্ট মিউচুয়াল ফান্ড এবং আইবিবিএল-২ বন্ড।

আগের দিন যে ১৭ প্রতিষ্ঠান ফ্লোর প্রাইসে ফিরে এসেছিল সেগুলো ছিল: ড্রাগন সোয়েটার, আলহাজ টেক্সটাইল, ভিএএমএলআরবি মিউচুয়াল ফান্ড, ইউনাইটেড ফাইন্যান্স, এবি ব্যাংক, ওয়েস্টার্ন মেরিন, পদ্মা অয়েল, শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, এসকে ট্রিমস, এনসিসি ব্যাংক, সায়হাম কটন, ডেসকো, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ, ডমিনেজ স্টিল, তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ, রেনাটা, স্কয়ার ফার্মা এবং আইবিবিএল বন্ড।

আজ লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ৮৮টির। বিপরীতে দর কমেছে ১৫৫টির। দর অপরিবর্তিত রয়েছে ১২৮টির। যেগুলোর প্রায় সবই ফ্লোর প্রাইসে অবস্থান করছে। এরপরও সূচকে বড় উত্থান রয়েছে। সূচকের এমন অস্বাভাবিক উত্থানে আগের দিনের মতোই লেনদেন ও দর বৃদ্ধিতে শীর্ষে রয়েছে ওরিয়ন গ্রুপের কোম্পানি। সর্বোচ্চ সীমার কাছাকাছি দর বাড়ার কারণে ১৬ দশমিক ২৮ পয়েন্ট সূচক বাড়িয়েছে ওরিয়ন গ্রুপের কোম্পানি বিকন ফার্মা। লেনদেন হয়েছে ১৮ কোটি ২৩ লাখ টাকার বেশি শেয়ার।

এদিকে, ওরিয়নের লাগামহীন আরেক কোম্পানি ওরিয়ন ফার্মার ২৪০ কোটি ৫ লাখ টাকার বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সঙ্গে সূচকে যোগ করেছে ৬ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট। এ দুই কোম্পানি সূচক বাড়াতে অবদান রেখেছে ২৩ দশমিক ১৫ পয়েন্ট। লেনদেনে শীর্ষে থাকা বেক্সিমকো লিমিটেড সূচক বাড়িয়েছে ১৩ দশমিক ৬৫ পয়েন্ট। গ্রুপের আরেক কোম্পানি বেক্সিমকো ফার্মা সূচকে যোগ করেছে ৪ দশমিক ৯৫ পয়েন্ট। এ দুই কোম্পানি মিলে সূচক বাড়িয়েছে ১৮ দশমিক ৬০ পয়েন্ট।

আজ বেক্সিমকো লিমিটেডের সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে ২৭৮ কোটি ৬৯ লাখ টাকার বেশি শেয়ার। আর বেক্সিমকো ফার্মার ২১ কোটি ৪৯ লাখ ৪০ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর বাইরে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, জেএমআই হসপিটাল, শাপইনপুকুর সিরামিকস, ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের লেনদেন হয়েছে ৫০ থেকে ১০০ কোটি টাকার মধ্যে।

আজ ডিএসইর লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৯৮৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকার, যা আগের দিনের চেয়ে ১৭৫ কোটি ৯১ লাখ টাকা বেশি। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৮১৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা। লেনদেনের এমন উত্থানের দিনেও আজ ১৬ প্রতিষ্ঠানের কোনো লেনদেন হয়নি। ১০টির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৪টি করে; ১০ থেকে ১০০টির মধ্যে শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১০টির।

অন্যদিকে, ১০০ থেকে ১ হাজারের মধ্যে শেয়ার লেনদেন হওয়া কোম্পানি ছিল ৮টি। এছাড়া, ৩০টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১০ হাজারের নিচে। অন্যান্য শেয়ারে আগ্রহ কম থাকলেও গুটি কয়েক কোম্পানির শেয়ারের ওপর ভর করে লেনদেন আগের দিনের চেয়ে আজ আরও কিছুটা বেড়েছে।

পুঁজিবাজারের এমন ভারসাম্যহীন লেনদেন ও উত্থান সম্পর্কে বাজার বিশ্লেষকরা বলেন, ইনডেক্স যেভাবে মুভ করছে এবং যেভাবে টার্নওভার গড়াচ্ছে, তাতে স্পষ্টভাবে বোঝা যায়, এটা স্মুথ টার্নওভার নয়। এমন অবস্থায় সতর্ক অবস্থানে থেকে বুঝেশুনে বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ করতে হবে। কারণ মার্কেটটা এখন ‘ফ্লাইং মার্কেট’।

56 ভিউ

Posted ৫:৫২ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২২

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com