
মো: ফারুক,পেকুয়া(১১ সেপ্টেম্বর) :: পেকুয়ায় দীর্ঘদিনের ভোগদখলীয় জমিতে রোপিত ধানের চারা নষ্ট করে ক্ষতি সাধণ করলেন দূর্বৃত্তরা। চাঁদার দাবীতে ধানের চারা নষ্ট করেন বলে ভুক্তভোগিদের অভিযোগ। এ নিয়ে দুই পক্ষে উত্তেজনা দেখা দেওয়ায় সংঘর্ষের আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা।
সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে সদর ইউনিয়নের পশ্চিম বাইম্যাখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জমির মালিক বাইম্যাখালী এলাকার মৃত তৈয়ম গোলালের পুত্র নুরুল হোসেন বলেন, আমার নামে রেকর্ড/ খরিদ সূত্রে ও আমার পুত্র বেলাল উদ্দিনের নামে ক্রয় সূত্রে প্রাপ্ত ৮৫শতক জমি থাকলেও ৮১শতক জমি দখল প্রাপ্ত হয়ে ভোগদখল করে আসছি। যার খতিয়ান নং ৭৬৫।
আমার পাওয়া জমির মধ্যে কম থাকলেও একই এলাকার মৃত আলী আহমদের পুত্র ছৈয়দ নুর, মোঃ নুর, আহমদ নুর ও সামশুল আলম চাঁদা দাবী করে ভোগদখলীয় জমি জবর দখলের চেষ্টা করে আসছিল।
জবর দখল চেষ্টা অব্যাহত রাখায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কক্সবাজার আদালতে ১৪৪ধারা মতে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন করি। যার স্বারক নং ৬২১/১৮।
তারপরও জবর দখল করার চক্রান্ত অব্যাহত রাখলে আমার পুত্র জয়নাল আবদীন বাদি হয়ে পেকুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা নিউটন বড়ুয়া দুই পক্ষের প্রতিনিধি নিয়ে একাধিক বৈঠক করে জমি আমাদের বলে প্রতিয়মান হয়। সর্বশেষ ওই জমি রোপন করতে গেলে চাঁদা দিতে হবে হুমকি প্রদর্শন করে দূর্বৃত্তরা।
সর্বশেষ আমরা ধান রোপন করি। একদিন পর রাতের আধারে উল্লেখিত ব্যক্তিরা ধানের চারা সম্পূর্ন নষ্ট করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। এখন হুমকি দিচ্ছে আমরা এর প্রতিবাদ করলে প্রাণে মেরে ফেলবে।
জয়নাল আবদীন বলেন, আমাদের পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া জমিতে ধান রোপন করতে গেলে সামশুল আলম গংয়ের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দেওয়ায় আমাদের ৬শতক জমির ধানের চারা রাতের আধারে নষ্ট করে ক্ষতি সাধন করে তারা।
এছাড়াও বিগত কিছুদিন আগে তারা ইউপি কার্যালয়ের মাধ্যমে অভিযোগ দায়ের করে আমাদের কাছ থেকে ১৬শতক জমি জবর দখল করে। এমনকি বিএস ১০৩০ খতিয়ানের ১৩শতক জমি জোরপূর্বক জবর দখল করে। যার সৃজিত খতিয়ান নং-২২৭৮।
এরপরও তারা আমাদের জমিতে রোপিত ধানের চারা নষ্ট করে দেয়। এবিষয়ে আমরা আদালতের মাধমে আইনগত ব্যবস্থা নিব।

Posted ১:৩৬ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮
coxbangla.com | Chanchal Das Gupta