
নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া(১৫ আগস্ট) :: পেকুয়ায় শোক সমাবেশে বক্তারা বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুসহ ৭৫ এর ১৫ আগস্ট কালো রাত্রিতে জাতির যে সব শ্রেষ্ট সন্তানদের খুন করা হয়েছে পৃথিবীর ইতিহাসে তা নৃশংস ও নিষ্টুর হত্যাকান্ড। সে দিন ঘাতকরা সর্বকালের শ্রেষ্ট বাঙ্গালী জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুকে খুন করে এ দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা ও গণতন্ত্রকে স্তমিত করে। সমস্ত বিবেক ও মানবতা ভূলুন্ঠিত হয়েছিল। দুনিয়ার সবচেয়ে জঘন্য ও নির্মম হত্যাকান্ড এ ১৫ আগষ্টের বর্বরতা।
ইনডেমনেটি অধ্যাদেশ জারি করে এ হত্যার পথ রুদ্ধ করেছিল। দুনিয়ার ইতিহাসে এ অধ্যাদেশ ছিল কালো আইন। পৃথিবীর কোন বিবেক ও আইন এ নিষ্টুর অধ্যাদেশকে সমর্থন করেনি। স্বৈরশাসক মোস্তাক ও জিয়ার সরকার এ আইনকে পার্লামেন্টে নিয়ে আসে। পৃথিবীর সকল জাতি এ আইনকে ঘৃনাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে।
বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় অধিষ্টিত হয়েছিলেন বলে এ আইন বাতিল করা হয়েছে। জঘন্যতম একটি দায়ী থেকে জাতিকে মুক্ত করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর খুনীদের বিচার হয়েছে। তবে এখনো মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত ৪ নরঘাতক বিদেশের মাটিতে পলাতক আছে। শোক সমাবেশ থেকে আমরা আহবান করছি পলাতক এ চার খুনীকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা হউক।
১৫ আগষ্ট মহান জাতীয় শোক দিবস উদযাপন উপলক্ষে উপরোক্ত কথাগুলো বলেছেন পেকুয়ায় আ’লীগ নেতৃবৃন্দ।
বুধবার ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের কর্মসুচী হাতে নেয় পেকুয়া উপজেলা আ’লীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠন। ওই দিন দুপুরে পেকুয়া উপজেলা আ’লীগের উদ্যোগে শোক সমাবেশ অনুষ্টিত হয়। পেকুয়া সমবায় কমিউনিটি সেন্টারে এ সমাবেশ অনুষ্টিত হয়।
উপজেলা আ’লীগ সহসভাপতি বশির আলম (বশির মেস্ত্রীর) সভাপতিত্বে ও যুবলীগ পেকুয়া উপজেলার সহসভাপতি জিয়াবুল হক জিকুর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা আ’লীগ সদস্য এস,এম গিয়াস উদ্দিন, উম্মে কুলসুম মিনু, পেকুয়া উপজেলা আ’লীগ সাধারন সম্পাদক আবুল কাসেম, উপজেলা আ’লীগের দপ্তর সম্পাদক খানে আলম, যুবলীগ সাধারন সম্পাদক মো: বারেক, রাজাখালী ইউপির চেয়ারম্যান ছৈয়দ নুর, স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি ওসমান গণি মেম্বার, সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, ওলামালীগ সভাপতি ইউনুছ কাদেরী, মহিলা আ’লীগ সভাপতি মর্জিনা বেগম মেম্বার, যুবলীগ যুগ্ম সম্পাদক সাংবাদিক জালাল উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক মুহাম্মদ হাসেম, তাঁতীলীগ সভাপতি জায়েদ মোর্শেদ, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি কফিল উদ্দিন বাহাদুর, আ’লীগ নেতা ফোরকান ইলাহী, হেলাল উদ্দিন, জাকিরুল ইসলাম, ছাত্রলীগ যুগ্ম সম্পাদক আমিনুর রশিদ প্রমুখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বারবাকিয়া ইউনিয়ন আ’লীগ সাধারন সম্পাদক কামাল হোসেন, রাজাখালীর সম্পাদক আবুল কাসেম আজাদ, মগনামার সাধারন সম্পাদক রশিদ আহমদ, টইটং আ’লীগের সভাপতি ছরওয়ার কামাল চৌধুরী, শিলখালীর সাধারন সম্পাদক বেলাল উদ্দিন, উপজেলা আ’লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক নুরুল কবির মেম্বার, সদর আ’লীগ সম্পাদক বেলাল উদ্দিন বিএসসি, তাঁতীলীগ সাধারন সম্পাদক মো: ইসমাইল, যুগ্ম সম্পাদক আতিক উদ্দিন, ওলামালীগ সম্পাদক হাসান রব্বানী, ওলামালীগ নেতা জাকের উল্লাহ জালালী, মাওলানা মোস্তাক আহমদ কুতুবী, আ’লীগ নেতা আবু তৈয়ব, শেখ আহমদ, নুরুচ্ছফা, টইটং আ’লীগ নেতা আবদুল গফুর, আ’লীগ নেতা আমিরুল খালেদ চৌধুরী, জাহাঙ্গীর আলম, আবুল কালাম, নাছির উদ্দিন, মাহাবুব ফকির, আবদুল মান্নান, হারুন, করিম, মৎস্যজীবি লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম মেম্বার, কৃষকলীগ নেতা আলমগীর, মাষ্টার নিজাম উদ্দিন, নাছির উদ্দিন, আফতাব উদ্দিন বাবুল, সৈনিক লীগ নেতা দিদারুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগ যুগ্ম সম্পাদক সাংবাদিক নাজিম উদ্দিন, সহসভাপতি আহমদ হোসাইন, দপ্তর সম্পাদক রেজাউল করিম, প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক শাখাওয়াত হোসাইন সুজন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফরহাদুজ্জামান, যুবলীগ নেতা সেকান্দর, আবদুল করিম, হোসাইন মো: বাদশা, ছওয়ার মেম্বার, মহিউদ্দিন, মনছুর, শাহজাহান, লিয়াকত, মীর্জা বাহাদুর, মামুন, রিদুয়ান, রহিম, আফতাব উদ্দিন, নাজেম, কোরবান আলী, মহিলা আ’লীগ নেত্রী হাসিনা বেগম মেম্বার, ছেনুয়ারা বেগম মেম্বার, জন্নাতুল তাহমিনা শিমু, ফাতেমা বেগম, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শহিদুল ইসলাম শাহেদ, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা জকরিয়া, শাহজাহান মিয়া, পারভেজ উদ্দিন নিশান, সালাহ উদ্দিন রানা, সোহেল রানা, ইমরুল হাসান ইমরু, পারভেজ, হানিফ, রিয়াদ, শওকত, মোক্তার প্রমুখ। ওই দিন জাতীয় শোক দিবস উদযাপনকে ঘিরে পেকুয়া উপজেলা আ’লীগ ব্যাপক প্রস্তুতি ও কর্মসুচী বাস্তবায়ন করে। সকালে দলীয় কার্যালয়ে খতমে কোরআন, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাত পরিচালনা হয়েছে। সকাল ১০ টার দিকে এক বিশাল শোক র্যালী সড়ক প্রদক্ষিন করে।
উপজেলা আ’লীগ সাধারন সম্পাদক আবুল কাসেম এর নেতৃত্ব দেয়। দুপুরের দিকে পেকুয়া সমবায় কমিউনিটি সেন্টারে গণভোজ আয়োজন করে। এ সময় প্রায় ৪ হাজারেরও বেশী লোকজন গণভোজে অংশ নেয়।
টইটংয়ে গণভোজে ৬ হাজার মানুষকে খাওয়ালেন চেয়ারম্যান জাহেদ
——————–
টইটংয়ে গণভোজে ৬ হাজার মানুষকে খাওয়ালেন ইউপির চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারন সম্পাদক জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী। মহান শোক দিবস উদযাপন উপলক্ষে টইটং ইউনিয়ন আ’লীগ ও ইউনিয়ন পরিষদ ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহন করে। এ সময় গণভোজ অনুষ্টিত হয়।
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালনে চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী বিশাল পরিসরে গণভোজের আয়োজন করে। ওই দিন সকালে গণভোজ অনুষ্টিত হয়। ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে আ’লীগসহ সর্বস্তরের লোকজন গণভোজে অংশ নেয়। এ সময় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টান মাদ্রাসা,স্কুল,এতিমখানার শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার বিলি করা হয়েছে।
টইটং উচ্চ বিদ্যালয়, বটতলী শফিকিয়া মাদ্রাসা, বনকানন মাদ্রাসা, আহেলিয়া মাদ্রাসা, জালিয়ারচাং বড় মাদ্রাসা, ইক্বরা স্কুল এন্ড কলেজ, সোনাইছড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, টইটং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বটতলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ এ ইউনিয়নের সকল শিক্ষা প্রতিষ্টানের ছাত্র-ছাত্রী এ কর্মসুচীতে সামিল হয়েছেন।
এ সময় সকল শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার বিতরন করেছেন। আ’লীগের সকল স্তরের নেতা-কর্মী ও সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা গণভোজে অংশ নেয়। খতমে কোরআন, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাত পরিচালনা হয়েছে। সকালে জাতীয় শোক র্যালী সড়ক প্রদক্ষিন করে। এ ইউনিয়নের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ন সড়কে শোক র্যালী প্রদক্ষিন হয়েছে। চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী শোক র্যালীর নেতৃত্ব দেন।

Posted ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট ২০১৮
coxbangla.com | Chanchal Das Gupta