
নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া(৪ ডিসেম্বর) :: পেকুয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় স্কুল ছাত্র ও লবণ চাষীসহ ২ জন আহত হয়েছে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
৪ ডিসেম্বর সোমবার বিকেল ৩ টার দিকে উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের বাজারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন বারবাকিয়া ইউনিয়নের বোধামাঝিরঘোনা এলাকার আনোয়ার হোসেন প্রকাশ ভিডিপি আনোয়ারের ছেলে লবণ চাষী শাহাব উদ্দিন(৪৮) ও তার ছেলে পেকুয়া জিএমসি ইনষ্টিটিউশনের ৬ষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্র শহিদুল ইসলাম(১৩)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ওই দিন দুপুরে সাহাব উদ্দিন বুধামাঝির ঘোনা নিজ বাড়ি থেকে সাঁকো পার হয়ে মগনামা ইউনিয়নের বাজারপাড়ায় মৌলভী মাবুদের দোকানে চা নাস্তা করছিলেন।
এ সময় বুধামাঝিরঘোনা এলাকার সাজ্জাদ ও মাসুদসহ ১০/১৫ জনের দুবৃর্ত্তরা তাকে পিটিয়ে জখম করে। এ সময় ওই দুবৃর্ত্তরা লবণ চাষী সাহাব উদ্দিনকে প্রাণনাশ চেষ্টা চালায় বলে তিনি জানান।
তিনি আরো জানায়, তারা ধারালো অস্ত্র স্বস্ত্র নিয়ে আমাকে অপহরন চেষ্টা চালায়। আমি আর্তচিৎকার করি। এ সময় উপস্থিত লোকজন এসে আমাকে উ্দ্ধার করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ২য় দফায় তারা বুধামাঝিরঘোনা গিয়ে সাহাব উদ্দিনের ছেলে ৬ষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্র শহিদুল ইসলামকে পিটিয়ে আহত করে।
স্থানীয়রা জানায়, প্রায় আড়াই একর জমি নিয়ে মোক্তার হোসেন গংদের সাথে সাহাব উদ্দিনের ভাই শেফায়াত গংদের বিরোধ চলছিল। জমি মগনামায়। সাহাব উদ্দিন থাকেন বারবাকিয়ায় আশ্রয়কেন্দ্রে। শেফায়াত মোক্তার হোসেন গংদের বিরুদ্ধে জেলা যুগ্ম জজ আদালতে মামলা করে। যার নং ৪৩০/১৭। ওই দিন দুপুরের দিকে জারিকারক মোক্তার হোসেন গংদের সমন জারি করে।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আসামীরা বাদী শাফায়াতের বড় ভাই সাহাব উদ্দিন ও তার ছেলেকে পিটিয়ে আহত করে।
সাহাব উদ্দিন জানায়, তারা আমাকে প্রতিনিয়ত মেরে ফেলার হুমকি দেয়। বাড়ি ঘর ছেড়ে চলে যেতে হুংকার দিচ্ছে।

Posted ৭:৩৩ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭
coxbangla.com | Chanchal Das Gupta