সোমবার ২রা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

সোমবার ২রা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

পেকুয়া মগনামা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি নিয়ে আওয়ামীলীগ-বিএনপি দ্বন্দ¦

শনিবার, ২৪ মার্চ ২০১৮
363 ভিউ
পেকুয়া মগনামা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি নিয়ে আওয়ামীলীগ-বিএনপি দ্বন্দ¦

মো: ফারুক,পেকুয়া(২৪ মার্চ) :: দিনদিন অস্থির হয়ে উঠছে পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মগনামা উচ্চ বিদ্যালয়। দুই কমিটির দ্বন্দ্বের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী এ বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ। এদিকে কমিটির দ্বন্দ্বে স্কুলের একাধিক শিক্ষক জড়িয়ে পড়ায় তাদের ইন্ধনে স্কুলের পরিবেশ আরো ঘোলাটে হচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। এমনকি কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বের মধ্যে একটি পক্ষ কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জড়ানোর পাঁয়তারা করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। আগের সভাপতি জেলা আওয়ামীলীগের নেতা এবং বর্তমান সভাপতি বিএনপি নেতা হওয়ায় দুই কমিটির দ্বন্দ্বে এখন রাজনৈতিক প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এতদিন স্কুলটির পরিচালনা কমিটির সভাপতি ছিলেন, কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক আবু হেনা মোস্তফা কামাল। আর বর্তমানে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতিকে মাত্র ১ ভোটে হারিয়ে নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাফায়েত আজিজ রাজুর ছোটভাই বিএনপি নেতা রিয়াজুল করিম চৌধুরী।

জানাযায়, ২০১৭ সালের ২ অক্টোবর বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় অনুষ্ঠিত হয় অভিভাবক সদস্য নির্বাচন। এতে স্কুলের অভিভাবক নাজিম উদ্দিন, আবু তৈয়ব, হাসনাত আব্বাসী, আবুল কাশেম ও সকিনা পারভিন সদস্য নির্বাচিত হন। এরপরে ৬ অক্টোবর পরিচালনা পরিষদের সভাপতি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু সভাপতি পদ নিয়ে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের আশংকা দেখা দিলে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও নির্বাচনের প্রিসাইডিং অফিসার আফম হাসান কমিটির সদস্যদের নিয়ে উপজেলা পরিষদে তার কার্যালয়েই ভোট গ্রহণ করেন। ওই নির্বাচনে মগনামা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি খাইরুল এনামকে হারিয়ে ১ ভোটের ব্যবধানে পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা শাফায়েত আজিজ রাজুর ছোটভাই রিয়াজুল করিম চৌধুরী মগনামা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন। একইভাবে তার মা মনোয়ারা করিম চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে ওই স্কুলের স্থায়ী দাতা সদস্য পদে ছিলেন।

এরইমধ্যে মনোয়ারা করিম চৌধুরী দাতা সদস্য নন মর্মে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের আশ্রয় নেন মগনামা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি সোলতান মোহাম্মদ রিপন চৌধুরী। তার অভিযোগ মতে স্কুল পরিচালনা কমিটির দাতা সদস্য হিসেবে বিধিতে যেসব শর্ত দেয়া আছে কতিথ দাতা সদস্য মনোয়রা করিম চৌধুরীর সেসব শর্তের কোন কিছুই পূরণ না করে নামকাওয়াস্তে দাতা সদস্য হিসেবে বসে আছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, মনোয়ারা করিম ১৯৯৪ সালে একটি ভাউচারের মাধ্যমে মাত্র ১২ হাজার টাকা স্কুলের নামে দান করে স্থায়ী দাতা সদস্য হিসেবে পদে আছেন। কিন্তু স্কুল পরিচালনা বিধিমালা অনুযায়ী একজন স্থায়ী দাতা সদস্য হতে হলে নির্বাচনের কমপক্ষে ৬ মাস আগে এককালীন নূন্যতম ২ লক্ষ টাকা অনুদান দিতে হয়। আর অস্থায়ী দাতা সদস্য হতে হলে এককালীন ২০ হাজার টাকা অনুদানের বিধি রয়েছে। রিপন দাবি করেন, তিনি স্কুলের একাডেমিক ভবন নির্মাণের জন্য ০.০৪১ শতক জমি দান করেছেন যার বর্তমান বাজার মূল্য ২ লক্ষ টাকার উপরে।

রিপন জানান, দাতা সদস্য কে হবেন সে বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় স্কুলের পরিচালনা কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ অবৈধ। আর তাই ‘জোর পূর্বক অনুষ্ঠিত’ ওই নির্বাচনের বিরুদ্ধে আমি শিক্ষা বোর্ডে অভিযোগ করায় নতুন কমিটিটি এখনো অনুমোদন দেয়নি বোর্ড।মূলত কমিটি অনুমোদন হওয়া না হওয়া নিয়েই দুপক্ষের দ্বন্দ্ব চরম আকার ধারণ করেছে।

এদিকে নতুন পরিচালনা কমিটির অনুমোদন না আসায় স্কুলের প্রধান শিক্ষক আখতার আহমদকে পরিচালনা কমিটির নবনির্বাচিত সদস্যরা প্রতিনিয়ত বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনকি নতুন সভাপতি ও বিএনপি নেতা রিয়াজুল করিম চৌধুরী প্রধান শিক্ষককে গত ১৮ মার্চ টেলিফোনে হত্যার হুমকী দিয়েছেন বলে গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এসময় সভাপতি তাকে কমিটি অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত স্কুলে আসলে দেখে নেয়ার হুমকি দিলে স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে তোলপাড় শুরু হয়। স্কুলের সাধারণ শিক্ষকরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বিএনপি নেতা রিয়াজু আমাদের প্রধান শিক্ষক আখতার আহমদকে মোবাইলে হুমকি দেয়ার পরদিনই ১৯ মার্চ সকালে স্কুল গেইটে কমিটির অপর সদস্য আওয়ামীলীগ নেতা নাজিম উদ্দিন সহ বেশ কয়েকজন মারমুখি অবস্থান নেন।

এসময় তারা প্রধান শিক্ষক স্কুলে আসলে তাকে মেরে তাড়িয়ে দেবেন বলেও প্রকাশ্যে হুমকি ধমকি দিতে থাকেন। কিন্তু সঠিক সময়ে প্রধান শিক্ষক আখতার আহমদ স্কুলে এসে প্রত্যহিক সমাবেশে অংশ নিলে নতুন কমিটির সভাপতির নেতৃত্বে কয়েকজন সদস্য প্রাত্যহিক সমাবেশ চলাকালীন বক্তব্যরত প্রধান শিক্ষকের হাত থেকে মাইক কেড়ে নিয়ে লাইনে দাঁড়ানো শিক্ষার্থীদের সামনে প্রধান শিক্ষককে অশ্রাব্য ভাষায় গালি গালাজ করে লাঞ্চিত করেন এবং ‘কুলাঙ্গার শিক্ষক’ বলে গালি দিয়ে শিক্ষার্থীদেরকেও শাসানোর চেষ্টা করে।

এসময় শিক্ষার্থীরা তাদের প্রধান শিক্ষককে গালি দেয়ায় উত্তেজিত হয়ে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু করলে অনুনুমোদিত সভাপতি এবং সদস্যরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে বলে প্রত্যক্ষদর্শীসূত্র জানায়।

এ বিষয়ে সরেজমিনে স্কুলে গিয়ে ৯ম ও ১০ম শ্রেণির কয়েকজন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে জানতে চাইলে তারা জানান, বিএনপি নেতা রিয়াজুল করিম প্রায়সময় স্কুলের ক্লাস চলাকালীন সময়ে তার কয়েকজন সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে স্কুলে এসে প্রধান শিক্ষককে কমিটি অনুমোদন না হওয়ার অযুহাত তুলে অহেতুক অশ্রাব্য ভাষায় উচ্চস্বরে গালিগালাজ করে যান।

১৯ মার্চ প্রাত্যহিক সমাবেশ চলাকালীন সভাপতি ও সদস্য নাজিম উদ্দিন আমাদের প্রধান শিক্ষক স্যারকে ‘কুলেঙ্গার শিক্ষক’ বলায় স্কুলের শিক্ষার্থীরা তাদের উপর ক্ষিপ্ত হয় এবং তাৎক্ষনিক বিক্ষোভ শুরু করলে তারা স্কুল ক্যাম্পাস ছেড়ে পালিয়ে যায়।

এ প্রসঙ্গে বিএনপি নেতা রিয়াজুল করিম চৌধুরীর কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রধান শিক্ষকে মোবাইলে হুমকীর কথা স্বীকার করে বলেন, “প্রধান শিক্ষক বেশ কয়েকদিন স্কুলে না আসায় তাকে ফোন করি এবং কথার ছলে আমাদের কমিটি অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত আর স্কুলে না আসতে বারণ করি।” তবে মোবাইলে হত্যার হুমকি দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি।

এ বিষয়ে আওয়ামীলীগ নেতা নাজিম উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, “আমি আওয়ামীলীগ নেতা এবং একজন অভিভাবক। নতুন কমিটির সদস্যও নির্বাচিত হয়েছি। কিন্তু আমাকে স্কুলের কোন অনুষ্ঠানে দাওয়াত দেয়া হয়না। আমাদের কমিটিও অনুমোদন হচ্ছেনা। সেকথা বলতে গিয়ে রাগান্বিত হয়ে হেড়মাষ্টারকে কিছু খারাপ ভাষায় কথা বলেছেন বলে স্বীকার করেন তিনি।

সাধারণ শিক্ষকদের একাংশ অভিযোগ করেন, স্কুলের বিতর্কিত দুই শিক্ষক আবু বক্কর ও আবদুস সাত্তার নতুন কমিটির সদস্যদের ফুঁসলিয়ে স্কুলের পড়ালেখার স্বাভাবিক পরিবেশ বিনষ্ট করার পাঁয়তারা করছেন।

জানাযায়, বিতর্কিত শিক্ষক আবু বক্কর ২০০৯ সালে ওই স্কুলের এক ছাত্রীকে যৌন হয়রাএিছাড়াওন ও মোবাইল ফোনে উত্তক্ত করার দায়ে সাময়িকভাবে বহিষ্কার হয়েছিলেন। স্কুলের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাসিক বেতন উত্তোলন করে ২১ হাজার টাকা স্কুলের ফান্ডে জমা না দিয়ে নিজের পকেটে পুরে নেয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

অপর শিক্ষক আবদুস সাত্তারের এর বিরুদ্ধে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি খাইরুল এনামের ভগ্নিপতি পরিচয় দিয়ে স্কুলে সরকারী দলের নাম ভাঙ্গিয়ে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাসিক বেতনের ১৭ হাজার টাকা আত্মসাতের একই অভিযোগও রয়েছে। আর এ দুই বিতর্কিত শিক্ষকের সাথে হাত মিলিয়ে নতুন কমিটির সভাপতি বিএনপি নেতা রিয়াজুল করিম স্কুলের পড়ালেখার স্বাভাবিক পরিবেশ বিনষ্ট করছেন বলে অভিযোগ তাদের। একাডেমিক বিষয়ে অনুনুমোদিত কমিটির অযাঁচিত হস্তক্ষেপের ফলে সাধারণ শিক্ষকরা সবসময় আতংকিত থাকেন বলে জানান তারা।

আতংকগ্রস্ত শিক্ষকরা নাম প্রকাশ না করার জোরালো শর্ত দিয়ে জানান, নতুন কমিটি এখনো অনুমোদন না এলেও স্কুলের সব বিষয়ে প্রভাব খাটান এক বিএনপি নেতা। এমনকি ২০১৮ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের নির্বাচনী পরীক্ষার পর খাতা মূল্যায়ন কমিটির কাছ থেকে খাতা কেড়ে নিয়ে প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর ছাড়াই সবাইকে পাশ করিয়ে নিজেই রেজাল্ট টাঙ্গিয়ে দেন রিয়াজুল করিম। তাছাড়া ওই স্কুলের মহিউদ্দিন নামের এক অতিরিক্ত শিক্ষক ৮ম শ্রেণির ২ ছাত্রী নিশু আক্তার ও রেহেনা বেগমকে বেত্রাঘাত করে রক্তাক্ত করার ঘটনায় সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক বেত্রাঘাত করার দায়ে ওই শিক্ষককে প্রধান শিক্ষক অব্যহতি দিলেও পরদিন প্রধান শিক্ষককে শাসিয়ে জোর করে আবারো তাকে স্কুলে ক্লাস করতে দেয় বিএনপি নেতা রিয়াজু।

এমন ঘটনা কোন প্রতিষ্ঠানে নজিরবিহীন উল্লেখ করে শিক্ষকরা বলেন, বিধি অনুযায়ী স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি একাডেমিক বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করার কোন সুযোগ নেই। এ প্রসঙ্গে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আফম হাসান জানান, “একজন সভাপতির কাজ কি সে সম্পর্কে নির্বাচিত পরিচালনা কমিটির সভাপতির অজ্ঞতার কারণেই এ ঘটনাগুলো ঘটছে। আমি যেকোন প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সদস্যদেরকে তাদের কর্ম সম্পর্কে পরিচালনা বিধি পড়ে কাজে হাত দেয়ার অনুরোধ জানাই।

স্কুলটির পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক আবু হেনা মোস্তাফা কামাল চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, স্কুল পরিচালনার বিধি অনুযায়ী নতুন কমিটি অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত পুরোনো কমিটিই বলবৎ থাকবে এবং তারাই স্বাভাবিক কাজকর্ম পরিচালনা করবে। নতুন কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকায় শিক্ষা বোর্ড তাদের কমিটি অনুমোদন দেয়নি। এ নিয়ে অহেতুক প্রধান শিক্ষককে শারিরীক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে শিক্ষার পরিবেশকে অস্থিতিশীল করে তুলছে কতিপয় বিএনপি নেতারা। আমি এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক আখতার আহমদ বলেন, “৪ বছর আগে আমি এ প্রতিষ্ঠানে যোগদান করার পর থেকেই একটি মহল প্রতিনিয়ত স্কুলের পড়ালেখার স্বাভাবিক পরিবেশ বিনষ্ট করার অপচেষ্টা করে আসছে। এরপরও গত ৪ বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমে ফলাফলের দিক দিয়ে একেবারে তলানী থেকে উর্ধ্বমূখি করতে পেরেছি। মাত্র ৫ হাজার টাকার ব্যালেন্স থাকা এ স্কুলে ৪ বছরে ২০ লক্ষাধিক টাকার উন্নয়ন হয়েছে। আমি যোগদানের আগে বহুবছর ধরে স্কুলের স্বীকৃতিটি পর্যন্ত নবায়ন করা হয়নি। আমি তাই করেছি। স্কুলের মালিকনাধীন জমি জমার কাগজপত্রের কোন ঠিক ঠিকানা ছিলনা। আমি সবকিছু ঠিক করেছি।”

তিনি বলেন, “আমার স্পষ্ট বক্তব্য হচ্ছে, আমার বিরুদ্ধে সুনিদৃষ্ট কোন অভিযোগ থাকলে তার বিভাগীয় তদন্ত করে আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হোক। অর্থ আত্মসাতের কোন অভিযোগ থাকলে অডিট করে তা প্রমাণ করা হোক। কিন্তু তা না করে আমাকে হুমকী ধমকি দিয়ে মানসিক ভাবে নির্যাাতন করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এমনকি ওই কুচক্রি মহল সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়ে আমার উপর হামলাও চালিয়েছিল। এ বিষয়ে আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি। বর্তমানেও চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছি। আমি এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”

363 ভিউ

Posted ১১:২৭ অপরাহ্ণ | শনিবার, ২৪ মার্চ ২০১৮

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com