সোমবার ১৭ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

সোমবার ১৭ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

প্রধানমন্ত্রীর অনুমতির অপেক্ষায় লকডাউনের সিদ্ধান্ত

রবিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২১
70 ভিউ
প্রধানমন্ত্রীর অনুমতির অপেক্ষায় লকডাউনের সিদ্ধান্ত

কক্সবাংলা ডটকম(৩ এপ্রিল) :: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রোধে ‘লকডাউনের’ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামীকাল সোমবার থেকে সারাদেশে এক সপ্তাহ লকডাউন থাকবে। গতকাল শনিবার সকালে রাজধানীর নিজের সরকারি বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সরকারের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। লকডাউনে কী কী খোলা থাকবে তা সরকারি প্রজ্ঞাপনে বিস্তারিত জানা যাবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, লকডাউনে শুধু জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠানগুলো খোলা থাকবে। শিল্পকারখানাও খোলা থাকবে। শ্রমিকরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে পালা করে কাজ করবেন। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীও সরকারি প্রজ্ঞাপনে বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে বলে কথা জানান।  রোববার এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হবে বলে সরকারি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (জেলা ও মাঠ প্রশাসন অনুবিভাগ) শেখ রফিকুল ইসলাম বলেন, লকডাউনের বিধিনিষেধ-সংক্রান্ত সারসংক্ষেপ শনিবার রাতে চূড়ান্ত করা হয়েছে। রোববার সকালে তা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হবে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

সারাদেশে এক সপ্তাহের জন্য লকডাউনের অনুমতি প্রার্থনার ফাইল অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। হয়তো শনিবার (৩ এপ্রিল) রাতেই বৈঠকের সামারিসহ ফাইল প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পৌছনো হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এখন চলছে ফাইল তৈরির কাজ। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পাওয়ার পর এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

শনিবার বিকালে লকডাউনের রূপরেখা তৈরিতে জরুরি বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানা গেছে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এমন একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, সোমবার ভোর ৬টা থেকে পরবর্তী ৭ দিনের জন্য লকডাউনের প্রস্তাব করা হয়েছে। একইসঙ্গে শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিল্পকারখানা পরিচালনারও প্রস্তাব করা হয়েছে।

শনিবার (৩ এপ্রিল) সকালে সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, করোনা ঠেকাতে সারা দেশে সোমবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরপরই বিকালে জরুরি বৈঠক ডাকেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসসহ সকল মন্ত্রণালয়, ও বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়াও লকডাউন বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক সংস্থা ও দফতরের উচ্চপদস্থ কর্মারা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে লকডাউনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। চূড়ান্ত করা হয়েছে লকডাউন বাস্তবায়নের কৌশল। এছাড়া শিল্প প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা হলে সেখানে শ্রমিকরা কিভাবে কারখানায় আসবে এবং কিভাবে কাজ করবে তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা শেষ করে তার জন্য কৌশলও চূড়ান্ত হয়েছে।

অপরদিকে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছে শিল্প কারখানা খোলা রেখে সারাদেশে একযোগে লকডাউন দেওয়ার বিষয়ে কাজ চলছে।

এদিকে লকডাউনের ঘোষণার পর রাজধানীর বাজার, রেল, বাস, লঞ্চস্টেশনে মানুষের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সাত দিনের ছুটিতে অনেকে গ্রামে ফিরে যাচ্ছেন। আবার কাজে ঢাকায় আসা অনেকে গ্রামে ফিরছেন। তবে সবচেয়ে বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে রাজধানীর নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর বাজারগুলোতে। এই ভিড় আরও উচ্চহারে সংক্রমণের ভয় জাগাচ্ছে।

এদিকে সংক্রমণ পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে রাজধানীর কভিড-১৯ ডেডিকেটেড হাসপাতালগুলো ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। প্রায় ৯৮ শতাংশ শয্যায় রোগী ভর্তি হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, সংক্রমণের লাগাম টেনে ধরতেই তড়িঘড়ি লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকারের হাইকমান্ড। সেতুমন্ত্রীর ঘোষণার আগ পর্যন্ত লকডাউনের বিষয়ে সংশ্নিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোও অবগত ছিল না।

এর আগে করোনা সংক্রমণের মুখে গত বছরের ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ‘সাধারণ ছুটি’ ঘোষণা করেছিল সরকার। পরে দফায় দফায় ওই ছুটি বাড়িয়ে ৩১ মে পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। সে হিসেবে সরকারিভাবে গতকালই প্রথম ‘লকডাউনের’ ঘোষণা এলো।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের অনেকের ধারণা, আপাতত সাত দিন লকডাউনের কথা সরকারিভাবে বলা হলেও ধাপে ধাপে এটি বাড়বে। কারণ সাত দিন লকডাউনের বিষয়টি বিজ্ঞানসম্মত নয়। সুতরাং এটি বাড়াতে হবে। তাদের অভিমত, কিছু প্রতিষ্ঠান বন্ধ আবার কিছু প্রতিষ্ঠান খোলা রেখে লকডাউনের সিদ্ধান্তও বৈজ্ঞানিক নয়। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের যে ভাবনা থেকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে, এতে তা কমবে না। বরং নানা অব্যবস্থাপনা তৈরি হতে পারে। এতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক ও স্বাস্থ্যগত- দুটিই বিপর্যস্ত হতে পারে বলে মনে করেন তারা।

এদিকে গত চব্বিশ ঘণ্টায় প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আরও ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় মোট ৯ হাজার ২১৩ জনের মৃত্যু হলো। একইসঙ্গে গত চব্বিশ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৫ হাজার ৬৮৩ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৬ লাখ ৩০ হাজার ২৭৭ জনে পৌঁছাল। একইসঙ্গে গত চব্বিশ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ১৫ শতাংশ। এর বিপরীতে করোনা সংক্রমিত আরও ২ হাজার ৩৬৪ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এর মধ্য দিয়ে করোনা সংক্রমিত মোট ৫ লাখ ৪৯ হাজার ৭৭৫ জন সুস্থ হয়ে উঠলেন।

দেশে গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়। গত ১ এপ্রিল তা ৬ লাখ ছাড়িয়ে যায়। পরদিন ২ এপ্রিল ৬ হাজার ৮৩০ জন নতুন রোগী শনাক্তের কথা জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এক দিনে দেশে এ মহামারিতে এটাই সর্বোচ্চ সংক্রমণ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিনের মাথায় গত বছরের ১৮ মার্চ একজনের মৃত্যু হয়। চলতি বছরের ৩১ মার্চ মৃতের সংখ্যা ৯ হাজার ছাড়িয়ে যায়। গত বছরের ৩০ জুন এক দিনে ৬৪ জনের মৃত্যু হয়। এক দিনে এ রোগে এটিই সর্বোচ্চ প্রাণহানি।

খোলা থাকবে সরকারি অফিস-আদালত, তবে উপস্থিতি থাকবে সীমিত : লকডাউনে কী কী বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে, সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে গতকাল বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে জরুরি ভার্চুয়াল বৈঠক করেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবরা। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউসও ওই বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক সূত্র  জানায়, সন্ধ্যা ৬টায় ওই বৈঠক শেষ হয়। বৈঠকে লকডাউনের বিষয়ে একাধিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। ওইসব সিদ্ধান্তের সারসংক্ষেপ তৈরি করে তা অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হবে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে তা প্রজ্ঞাপন আকারে জারি হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এবার লকডাউনে গত বছরের মতো সরকারি অফিস-আদালতে সাধারণ ছুটি থাকবে না। তবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি থাকবে ৫০ শতাংশেরও কম। কর্মস্থলে যেতে হবে ব্যক্তিগত গাড়িতে বা সংশ্নিষ্ট দপ্তরের যানবাহনে। জনসাধারণের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এক জেলা থেকে আরেক জেলা এবং এক উপজেলা থেকে আরেক উপজেলায় জনসাধারণের চলাচল ‘কঠোরভাবে’ নিয়ন্ত্রিত থাকবে। এ জন্য বাস-ট্রেন ও লঞ্চ বন্ধ থাকবে। বন্ধ থাকবে সব আন্তঃজেলা গণপরিবহন।

জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এসব নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করবে। বন্ধ থাকবে সব ধরনের শপিংমলও। তবে পাড়া-মহল্লার দোকানপাট সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। মসজিদ, মন্দিরসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকবে না। তবে লকডাউন চলাকালীন ঘরে নামাজ ও অন্য ধর্মাবলম্বীদের ঘরে বসে প্রার্থনা করতে হবে। আগামী এক সপ্তাহ চলবে এভাবে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আপাতত সাত দিনের লকডাউন দেওয়া হচ্ছে। তবে লকডাউনের শেষের দিকে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, এই সাত দিন মানুষকে ঘরের মধ্যে রাখতে পারলে সংক্রমণ রোধ করা সম্ভব হবে। অন্যথায় সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়বে।

আগে সাধারণ ছুটির সময় শ্রমজীবী মানুষের জন্য বিভিন্ন ধরনের সহায়তার ব্যবস্থা ছিল। এবারও সেই ব্যবস্থাগুলো অব্যাহত রাখা হবে কিনা জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেগুলো নিয়ে চিন্তাভাবনা করা রয়েছে। প্রজ্ঞাপনে এসব বিষয়ে বিস্তারিত থাকবে বলে জানান তিনি।

এর আগে ২৯ মার্চ সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয়সহ সব ক্ষেত্রে সব ধরনের জনসমাগম সীমিত করাসহ ১৮ দফা নির্দেশনা দেয় সরকার। এরপর সেগুলো বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা ও কড়াকড়ির ঘোষণা আসতে থাকে। তবে পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় লকডাউনের ঘোষণা এলো।

সাত দিনের লকডাউনে কাজ হবে না, মত বিশেষজ্ঞদের : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডা. রশিদ-ই মাহবুব  বলেন, একজনের শরীরে ভাইরাস সংক্রমিত হলে ১৪ দিনের মধ্যে তা প্রকাশ পায়। অর্থাৎ ভাইরাসের সংক্রমিত করার সময়কাল এক থেকে ১৪ দিন বিবেচনা করা হয়। তাহলে সাত দিনের লকডাউন কেন? আবার লকডাউন মানে তো সবকিছু পুরোপুরি বন্ধ রাখা। কিন্তু অফিস-আদালত ও শিল্প কারখানা চালু রেখে লকডাউন হয় কীভাবে? এ ধরনের লকডাউন দিয়ে কী হবে?

প্রায় একই অভিমত ব্যক্ত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ বলেন, ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়ানোর সময়কাল ১৪ দিন ধরা হয়। এক দফার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে হলে নূ্যনতম ১৪ দিন। আর দ্বিতীয় ধাপের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে হলে ২৮ দিন লকডাউন করা প্রয়োজন ছিল। সাত দিন পর লকডাউন তুলে নিলে তা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে কোনো কাজে আসবে না বলে মনে করেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, সংক্রমণ বাড়তে থাকায় জাতীয় কারিগরি কমিটির পাশাপাশি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকেও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আংশিক অথবা পুরো লকডাউনের সুপারিশ পাঠানো হয়েছিল।সংক্রমণ পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করলে লকডাউন দেওয়ার চিন্তা সরকারের আগেই ছিল বলে উল্লেখ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রথমে ১৮ দফার যে প্রস্তাব করা হয়েছিল, তা অনেক ভেবেচিন্তে এবং অনেকের সঙ্গে পরামর্শ করে করা হয়েছিল। সরকার শুরুতে সব প্রস্তাব বাস্তবায়ন করেনি। এখন আস্তে আস্তে সবকিছু কঠোর করা হচ্ছে।

70 ভিউ

Posted ৪:০১ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২১

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com