শনিবার ১৬ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

শনিবার ১৬ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

ফিরে দেখা ২০১৯ : কক্সবাজার-১ আসনের সাংসদ জাফরের একবছরে ব্যর্থতা থাকলেও অনেকটা সফল

মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯
27 ভিউ
ফিরে দেখা ২০১৯ : কক্সবাজার-১ আসনের সাংসদ জাফরের একবছরে ব্যর্থতা থাকলেও অনেকটা সফল

মোঃ ফারুক,পেকুয়া(৩০ ডিসেম্বর) :: ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চকরিয়া-পেকুয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনের মাঠে থাকা সালাউদ্দিন আহমেদ পত্নী হাসিনা আহমেদকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে সাংসদ নির্বাচিত হয় আওয়ামী লীগের প্রার্থী নৌকা প্রতীকের জাফর আলম।

সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান থেকে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ছিল রাজনৈতিক স্থীতিবস্থা বজায় রেখে সাবেক সাবেক সাংসদ এর বরাদ্ধকৃত কাজকে তরান্বিত করা এবং নতুন প্রকল্প অনুমোদন করা।

এছাড়াও চকরিয়া-পেকুয়াকে উন্নয়নের রুল মডেল করার জন্য নতুন নতুন উন্নয়ন প্রকল্প সৃষ্টি করা। এ ক্ষেত্রে কিছুটা ব্যর্থতা থাকলেও অনেকটা সফল হয়েছে বলে স্থানীয় এলাকাবাসী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সুশীল সমাজের ধারণা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে চকরিয়া-পেকুয়ায় ব্যাপক গুলিবর্ষণ, হানাহানি ও রাজনৈতিক মামলা ছিল নিত্যব্যাপার। অস্থীতিশীল অবস্থায় ছিল আইন শৃংখলা পরিস্থিতি। এমনকি এক প্রতিপক্ষ অপর প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে অস্ত্র ও ইয়াবা ব্যবহার ছিল নিত্যব্যাপার। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসনও ছিল নিরব ও অসহায়।

এরই মাঝে অনুষ্ঠিত হয় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এক সময়ের বিএনপির দূর্গ হিসাবে পরিচিত চকরিয়া-পেকুয়ায় নৌকার মনোনীত প্রার্থী ছিল চকরিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জাফর আলম। ধানের শীষ এর মনোনীত প্রার্থী ছিল কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদের স্ত্রী কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য হাসিনা আহমেদ।

৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে হাসিনা আহমেদকে ২লাখ ১৯ হাজার ৭০৩ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে সাংসদ নির্বাচিত হন জাফর আলম। ১৯৭৩ সালে আ’লীগ থেকে ডা. শামশুদ্দিনের পর বাংলাদেশ আ’লীগের নৌকা প্রতীক থেকে ২০১৮ সালে জাফর আলম নির্বাচিত হওয়ার পর তার প্রতি সাধারণ জনগণের প্রত্যাশাও ছিল অনেক। চকরিয়া-পেকুয়ার বিভিন্ন সংবর্ধনা অনুষ্টানে তিনি দুই উপজেলাকে উন্নয়নের ক্ষেত্রে সারাদেশের রোল মডেল করার ঘোষণাও দেন। তার আগে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল রাজনৈতিক সহবস্থান বজায় রাখা।

সাংসদের উদ্যোগে চকরিয়া-পেকুয়ার থানা সমূহে হওয়া বিভিন্ন মামলায় নিরহ লোকদের বাদ দিয়ে দেন। তিনি চেয়েছেন রাজনৈতিক পরিবেশ শান্ত বজায় রাখতে পারলে উন্নয়ন তরান্বিত করা হবে। বন্ধ হয়ে গেল হানাহানি। থানা প্রশাসনের ওসিদের সাথে বৈঠক করে বললেন ডাকাত, সন্ত্রাস, অস্ত্রবাজ, দখলবাজদের নিয়ন্ত্রনে সম্ভাব্য সবকিছু করতে হবে। সাংসদের কথায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঝটিকা অপারেশন চালিয়ে অপরাধ নিয়ন্ত্রন করেন স্থানীয় প্রশাসন। চকরিয়া-পেকুয়ায় অতিতের রেকর্ড ভঙ্গ করে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি ব্যাপক উন্নতি হয়। বেশ কয়েকজন স্বীকৃত অপরাধী নিহত ও আটক হয়।

শান্তিপূর্নভাবে দলীয় কর্মসূচি পালন শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দরা। নিজ দলের ভিতর ঐক্যবদ্ধতা আনতেও কাজ শুরু করেন। এ ক্ষেত্রে সফলতাও অর্জন করেন জাফর আলম। চকরিয়া উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদি ও পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমকে কাছে টেনে নেন। তারা দুইজন নৌকা প্রতীকের বাইরে গিয়ে ভিন্ন প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।

সাংসদ ঘোষণা দেন, উন্নয়ন প্রকল্প তরান্বিত করতে আ’লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। সর্বশেষ পেকুয়ার আইন শৃংখলা সভায় আ’লীগকে ঐক্যবদ্ধতার কথা বললে সবাই এক বাক্যে তা মেনে নেন।

সাবেক সাংসদ মোঃ ইলিয়াছ এর বরাদ্ধকৃত উন্নয়ন প্রকল্প তরান্বিত করা

সাংসদ মোঃ ইলিয়াছ যখন সাবেক হয়ে সাংসদ হিসাবে জাফর আলম যখন দায়িত্ব নেন তখনই বেশ কিছু উন্নয়ন প্রকল্প চালু হবে অথবা চালু অবস্থায় ছিল। এ সমস্ত প্রকল্পগুলোর উন্নয়ন তরান্বিত করতে কাজগুলো পরিদর্শন শুরু করেন সাংসদ জাফর আলম। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে দ্রুত শেষ করার তাগদা প্রদান করেন। তবে পেকুয়ার সবচেয়ে বড় প্রকল্প বেড়িবাঁধ নির্মাণ প্রকল্প ঠিকাদারের অবহেলায় চলমান কাজ বন্ধ থাকায় সাধারণ জনগণের আক্ষেপ রয়েছে। চকরিয়া-পেকুয়া উপজেলার বেশ কয়েকটি সড়কের উন্নয়ন তরান্বিত করতে গিয়ে ঠিকাদার সংস্কার কাজ শুরু করার প্রাথমিক কাজ হিসাবে ইট খুলে রাখলেও গত ১বছর ধরে সংস্কার করা হয়নি। যার কারণে সাধারণ জনগণের দূর্ভোগের শেষ নাই। এ ক্ষেত্রে ঠিকাদারকে দায়ী করার পাশাপাশি সাংসদকে তদারকি বাড়ানোর দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

তবে পেকুয়া বাজারের সবচেয়ে বড় দুঃখ বাজার সড়কটি আরসিসিতে উন্নতিকরণের তদারিক ছিলও দেখার মত। এছাড়াও চকরিয়া মাতামুহুরী সেতুর দীর্ঘদিনের দুঃখ লাগবে দ্রুত কাজ শুরু করতে তার ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। এছাড়াও মাতামুহুরী নদী খনন কাজে তদারকি বাড়িয়ে ভূমিকা পালন করে চলছেন তিনি। যা বর্তমানে চলমান রয়েছে।

জাফর আলমের নিজ উদ্যোগে চকরিয়া-পেকুয়ায় বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্পের অনুমোদন ও বাস্তবায়ন

বরইতলি থেকে মগনামা পর্যন্ত ২৩ কিলোমিটার বানৌজা শেখ হাসিনা ঘাঁটি মহাসড়কটি তার একক প্রচেষ্টায় অনুমোদন হয়। গত ৫নভেম্বর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একেনেক বৈঠকে ৩৬১ কোটি টাকার প্রকল্পটি অনুমোদন দেন। প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে উজানটিয়া স্টীমার ঘাট সড়ক, সোনালী বাজার থেকে উজানটিয়া সাইক্লোন শেল্টার সড়ক ১ কোটি ১৯লাখ ও গোদার পাড়া কমিউনিটি ক্লিনিক ভবনের জন্য ২৮লাখ টাকার বরাদ্ধ কাজের উদ্বোধন করেন।

দুই’শটি আশ্রয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু করেন। সদর আলেকদিয়া পাড়ায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ পুনঃ নির্মাণ করেন। ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর, পেকুয়া পল্লী বিদ্যুতের সাব-জোনাল অফিসের কাজ বাস্তবায়ন, বেশরাতুল উলুম মাদ্রাসার ভবনের কাজ বাস্তবায়ন, বারবাকিয়ায় মডেল মসজিদের কাজ শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে।

এছাড়াও সংসদ নির্বাচনের আগে পেকুয়া উপজেলায় আ’লীগের দলীয় কার্যালয় করে দেন নিজ প্রচেষ্টায়। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অস্বচ্ছল ব্যক্তিদের দেওয়া হয়েছে লাখ লাখ টাকার অনুদান। বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের দেওয়া হয়েছে আর্থিক অনুদান, টেউটিন ও ঘর। তবে ঠিকাদারের অবহেলায় উজানটিয়া-করিমদাদ মিয়া ও বারবাকিয়া মাদ্রাসা সড়কটির কাজ বন্ধ থাকায় জনগণের দূর্ভোগ লাগবে দ্রুত কাজ শুরু করতে হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এছাড়াও পেকুয়াবাসীর প্রাণের দাবী পেকুয়াকে পৌরসভায় উন্নতিকরণের পাশাপাশি সোনালী ব্যাংক প্রতিষ্টা, খাদ্য ঘোদাম র্নিমাণ, লবণ পরিশোধন কেন্দ্র, বাস টার্মিনাল, উপজেলা প্রশাসনের সমস্ত দপ্তরের শূন্যপদ পুরণ ও গামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগীতা কামনা করেছেন এলাকাবাসী। বর্তমানে সাংসদের প্রচেষ্টায় পেকুয়ার জন্য বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানা গেছে।

পহরচাঁদা ফাজিল মাদ্রাসায় বহুতল ভবন নির্মাণ, ডুলাহাজারা রিংভিং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভবন নির্মাণে ৯৮ লাখ, হারবাং গুনামেজু বৌদ্ধ বিহারের নতুন ভবনের জন্য ১ কোটি ৫০লাখ, চকরিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ভবন নির্মাণ, পৌরসভার মগবাজারে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে সেট নির্মাণ, কাটাখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১ কোটি ৫০লাখ টাকার ভবন, ফাশিঁয়াখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৯৮ লাখ টাকার ভবন ও ১০ লাখ ব্যয়ে পৌরসভার সৎ সঙ্গ মন্দির ভবন নির্মাণে সরকারী অনুদান প্রদান করেন। হারবাং কোরবানিয়া ঘোনায় নিজ নামে প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পূর্ববড় ভেওলায় ২ কোটি ৪লাখ টাকার বহুমুখী আশ্রয়ন প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে।

পৌরসভার গ্রামীন ব্যাংক থেকে সিকদার পাড়া মসজিদ পর্যন্ত ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়ক বাস্তবায়ন, ইয়াংচা-মানিকপুর-শান্তিবাজার মহাসড়ক নির্মাণে ৫৭৫৮.১২ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন হয় একনেক বৈঠকে। কাকারা ইউপি সংযোগ সড়ক ৫২ লাখ টাকা, কৈয়ারবিল নতুন মসজিদ সড়কের কাজ ৭২ লাখ টাকা ব্যয়ে উদ্বোধন করা হয়। এছাড়াও মাতারবাড়ি থেকে চকরিয়ার ফাশিঁয়াখালী সড়কটির কাজ শুরু করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। নতুন আদালত ভবনের কাজ চলমান রেখেছেন। পৌরসভায়ও বেশ কয়েকটি সড়ক উন্নয়নের কাজ শেষ করেছেন।

মাতামুহুরীকে উপজেলায় উন্নতিকরণ

সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর নির্বাচনী ওয়াদা ছিল মাতামহুরীর ৭ ইউনিয়নকে উপজেলায় উন্নতিকরণ। যা গত ২৪ অক্টোবর সরকারী এক প্রজ্ঞাপনে উপজেলায় উন্নতিকরণ করা হয়। এটি সম্পূর্ন বাস্তবায়ন হলে, গ্রামীণ অবকাঠামো, শিক্ষা, চিকিৎসা, যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন হবে। এছাড়াও চিংড়ি ও লবণ চাষীরা বেশ লাভবান হবে।

স্থানীয় বেশ কয়েকজন সাধারণ জনগণ ও রাজনৈতিক নেতারা জানান, বাংলাদেশ আ’লীগ থেকে জাফর আলম এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর এলাকাবাসীর প্রত্যাশা অনেক। কারণ সরকারও রয়েছে আ’লীগের। গত ১বছরে এলাকার উন্নয়নে তিনি যেভাবে চেষ্টা করেছেন তা খুব ভাল। সামনে আরো ৪টি বছর রয়ে গেছে। পেকুয়ায় শুরু হয়েছে সাব-মেরিন নৌঘাঁটি। কর্মসংস্থান হবে অনেক মানুষের। তাতে চকরিয়া-পেকুয়ার শিক্ষিত যুবকেরা চাকরি করতে পারলে অনেক উপকৃত হবে।

এছাড়াও এসআলম গ্রুপও দ্রুত তাদের প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে পেকুয়ায়। এখানেও অনেক জনবলের দরকার। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চকরিয়া-পেকুয়ার লোকজন চাকরি পেলে ভাল হবে। আর সরকার যেভাবে উন্নয়ন প্রকল্পের প্রতি শেখ হাসিনা গুরুত্ব দিয়েছে তাতে এমপির হাত ধরে চকরিয়া-পেকুয়া উন্নয়নের রোল মডেল হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এবিষয়ে জানতে চাইলে পেকুয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দীর্ঘদিন কয়েক দশক পর আমরা নৌকার মনোনীত প্রার্থী হিসাবে জাফর আলমকে সাহেবকে এমপি হিসাবে পেয়েছি। গত ১বছরে এমপি সাহেব বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শেষ করেছেন এবং চলমানও রয়েছে। আমি নির্বাচিত হওয়ার পর অল্প কয়েকদিন হয় পরিষদের কার্যক্রম শুরু করেছি। এমপি মহোদয় বলেছেন, পেকুয়াকে উন্নয়নের রোল মডেল করতে যা যা করার করবেন। আমরা পেকুয়াবাসীও এমপির সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে পেকুয়াকে এগিয়ে নিতে চাই।

এবিষয়ে জানতে চাইলে চকরিয়া-পেকুয়ার সাংসদ জাফর আলম বলেন, চকরিয়া-পেকুয়াবাসী আমাকে এমপি নির্বাচিত করেছে উন্নয়নের জন্য। আপনারা জানেন এ সরকার উন্নয়নের সরকার। আমার সীমিত সময়ের মধ্যে চেষ্টা করেছি চকরিয়া-পেকুয়ার জনগণের সেবা নিশ্চিত করা। পেকুয়ায় বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প ইতোমধ্যে শুরু হবে। আর সোনালী ব্যাংক, খাদ্য ঘোদামসহ বেশ কিছু অভাব পুরণে কাজ শুরু করে দিয়েছি। কোন অভাব চকরিয়া-পেকুয়ায় থাকবে না ইনশাল্লাহ।

27 ভিউ

Posted ১:১৫ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com