বুধবার ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

বুধবার ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

বঙ্গবন্ধুর সেই ঘোষণা মোদির কণ্ঠে : বাংলাদেশকে দাবিয়ে রাখা যাবে না

শনিবার, ২৭ মার্চ ২০২১
81 ভিউ
বঙ্গবন্ধুর সেই ঘোষণা মোদির কণ্ঠে : বাংলাদেশকে দাবিয়ে রাখা যাবে না

কক্সবাংলা ডটকম(২৬ মার্চ) :: মুজিববর্ষ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনের মঞ্চে দাঁড়িয়ে ১৯৭১ সালের প্রেক্ষাপট আর আজকের বাংলাদেশের পার্থক্যটা তুলে ধরলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাকিস্তানের নাম উল্লেখ না করে তিনি বললেন, ‘একটি স্বৈরাচারী সরকার তার নিজের নাগরিকদের ওপর গণহত্যা চালিয়েছিল। তাদের ভাষা, তাদের কণ্ঠস্বর ও পরিচয়কে চূর্ণ করছিল। অপারেশন সার্চলাইটের নিষ্ঠুরতা, নিপীড়ন ও অত্যাচারের বিষয়টি নিয়ে বিশ্বের যতটা সোচ্চার হওয়া উচিত ছিল তা হয়নি।’

মোদি বলেন, ‘এত কিছুর মাঝেও এখানে এবং আমাদের ভারতীয়দের জন্য আশার যে এক কিরণ দেখা গেল—তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।’ ১০ দিনব্যাপী ‘মুজিব চিরন্তন’ অনুষ্ঠানের শেষ দিন গতকাল শুক্রবার ঢাকায় জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছিলেন সভাপতি। অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী তাঁর দেশের পক্ষে বঙ্গবন্ধুকে গান্ধী শান্তি পুরস্কার প্রদান করেন। শেখ হাসিনাকে সঙ্গে নিয়ে পুরস্কার গ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধুর আরেক কন্যা শেখ রেহানা।

নরেন্দ্র মোদি তাঁর বক্তৃতায় বলেন, বঙ্গবন্ধুকে গান্ধী শান্তি পুরস্কার দেওয়া ভারতের জনগণের জন্য গর্বের।

বঙ্গবন্ধুকে উদ্ধৃত করে মোদি বলেন, ‘বাংলাদেশ ইতিহাসে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবেই টিকে থাকবে, বাংলাকে দাবিয়ে রাখতে পারে, এমন কোনো শক্তি নেই।’ বঙ্গবন্ধুর এই ঘোষণা বাংলাদেশের অস্তিত্বের বিরোধিতাকারীদের জন্য একটি সতর্কবার্তা ছিল এবং বাংলাদেশের সামর্থ্যের ওপর বিশ্বাসও ছিল।

নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘আমি আনন্দিত যে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বে তার সক্ষমতা প্রদর্শন করছে। যাঁরা বাংলাদেশ গঠনে আপত্তি করেছিলেন, যাঁরা এখানকার মানুষকে নিচু চোখে দেখতেন, যাঁরা বাংলাদেশের অস্তিত্ব নিয়ে সন্দিহান ছিলেন, বাংলাদেশ তাঁদের ভুল প্রমাণ করছে।’

বাংলাদেশের জাতীয় দিবস, স্বাধীনতা ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রার এই গুরুত্বপূর্ণ পর্বে ভারতকে অন্তর্ভুক্ত করায় ধন্যবাদ জানান নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ দুই দেশের সম্পর্ক আরো জোরদার করছে। ১৩০ কোটিরও বেশি ভারতীয় ভাই-বোন তাদের ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে বাংলাদেশের জন্য।

নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানজিকে শ্রদ্ধা জানাই, যিনি সোনার বাংলার স্বপ্নের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করেছেন। আমাদের ভারতীয়দের জন্য এটি গর্বের বিষয় যে আমরা শেখ মুজিবুরজিকে গান্ধী শান্তি পুরস্কারে সম্মানিত করার সুযোগ পেয়েছি।’

বাংলাদেশিদের বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী বীর শহীদদের স্মরণ করেন। তিনি শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, শিক্ষাবিদ রফিকউদ্দিন আহমেদ, ভাষাশহীদ সালাম, রফিক, বরকত, জব্বার ও শফিউরকে স্মরণ করেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশিদের পাশে থাকা ভারতীয় সেনাবাহিনীর সেই সাহসী সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘তাঁরা মুক্তিযুদ্ধে রক্ত দিয়েছিলেন, আত্মত্যাগ করেছিলেন এবং স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে খুব বড় ভূমিকা রেখেছিলেন। ফিল্ড মার্শাল স্যাম মানেকশ’, জেনারেল অরোরা, জেনারেল জ্যাকব, ল্যান্স নায়েক অ্যালবার্ট এক্কা, গ্রুপ ক্যাপ্টেন চন্দন সিং, ক্যাপ্টেন মোহন নারায়ণ রাও সামন্তসহ এমন অনেক বীর রয়েছেন যাঁদের নেতৃত্ব ও সাহসের কাহিনি আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়।’ মোদি আরো বলেন, বাংলাদেশ সরকার এই বীরদের স্মরণে আশুগঞ্জে একটি স্মৃতিসৌধ উৎসর্গ করেছে।

নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতাসংগ্রামে অংশ নেওয়া আমার জীবনের প্রথম আন্দোলনগুলোর মধ্যে একটি। আমার বয়স তখন ২০-২২ বছর ছিল, যখন আমি ও আমার অনেক সহকর্মী বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতার জন্য সত্যাগ্রহ করেছিলাম। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সমর্থন করায় আমি গ্রেপ্তার হয়েছিলাম এবং কারাগারেও গিয়েছিলাম। অর্থাৎ বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য যতটা আকুলতা এখানে ছিল, ততটা আকুলতা সেখানেও ছিল।’

মোদি বলেন, ‘এখানে পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক সংঘটিত জঘন্য অপরাধ ও নৃশংসতার চিত্রগুলো আমাদের বিচলিত করত এবং রাতের পর রাত নির্ঘুম করে রাখত।’

শুক্রবার জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছ থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে গান্ধী শান্তি পুরস্কার ২০২০ গ্রহণ করেন শেখ রেহানা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন	- পিএমও

শুক্রবার জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছ থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে গান্ধী শান্তি পুরস্কার ২০২০ গ্রহণ করেন শেখ রেহানা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন – পিএমও

মোদি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সাধারণ মানুষ, কৃষক, যুবক, শিক্ষক ও শ্রমিক সবাই এক হয়ে মুক্তিবাহিনী গঠন করে। তাই আজকের এই দিন মুজিববর্ষ, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন, তাঁর আদর্শ ও সাহসকে স্মরণ করার জন্যও আদর্শ একটি দিন।’ তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতাসংগ্রামে ভারতের প্রতিটি কোণ থেকে, প্রতিটি দল থেকে সমর্থন মিলেছিল। ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধীজির প্রয়াস ও মাহাত্ম্যপূর্ণ ভূমিকা সর্বজনবিদিত।’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটি একটি আনন্দময় কাকতালীয় ঘটনা যে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর আর ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বছর একসঙ্গে পড়েছে। আমাদের উভয় দেশের জন্যই একবিংশ শতাব্দীর আগামী ২৫ বছর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা ঐতিহ্যের অংশীদার, আমরা উন্নয়নেরও অংশীদার। আমরা লক্ষ্যও ভাগাভাগি করি, চ্যালেঞ্জগুলোও ভাগাভাগি করি। আমাদের মনে রাখতে হবে, বাণিজ্য ও শিল্পে যেখানে আমাদের জন্য একই ধরনের সম্ভাবনা রয়েছে তেমনি সন্ত্রাসবাদের মতো সমান বিপদও রয়েছে। এই জাতীয় অমানবিক ঘটনাবলির পরিকল্পনাকারী ও বাস্তবে রূপদানকারী শক্তিগুলো এখনো সক্রিয় রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই তাদের থেকে সাবধানে থাকতে হবে এবং তাদের মোকাবেলা করার জন্য সংগঠিতও হতে হবে। আমাদের উভয় দেশেই গণতন্ত্রের শক্তি রয়েছে, এগিয়ে যাওয়ার সুস্পষ্ট দূরদর্শিতা রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ অগ্রযাত্রা এই পুরো অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য সমান জরুরি।’

নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘আজ ভারত আর বাংলাদেশ দুটি দেশের সরকারই এই সংবেদনশীলতা উপলব্ধি করছে আর সেদিকেই অর্থবহ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা প্রমাণ করেছি যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও সহযোগিতা থাকলে সব সমস্যারই সমাধান করা যায়। আমাদের স্থল সীমান্ত চুক্তি এর সাক্ষী।’

মোদি বলেন, “করোনার এই দুঃসময়েও দুটি দেশের মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক বজায় রয়েছে। আমরা ‘সার্ক কভিড তহবিল’ গঠনে সহযোগিতা করেছি, নিজেদের মানবসম্পদের প্রশিক্ষণে সহায়তা করেছি। ভারত খুবই আনন্দিত যে ভারতের তৈরি টিকাগুলো বাংলাদেশের ভাই-বোনদের কাজে লাগছে।”

নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারে দুই দেশের তরুণদের মধ্যে আরো উন্নত যোগাযোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে তিনি বাংলাদেশের ৫০ জন তরুণ উদ্যোক্তাকে ভারতে আমন্ত্রণ জানানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন। এর পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশি যুবকদের জন্য সুবর্ণ জয়ন্তী বৃত্তিও ঘোষণা করেন।

নরেন্দ্র মোদি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দুই দেশের লড়াই আরো জোরদারের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি যে ভারত ও বাংলাদেশ দ্রুতগতিতে একসঙ্গে অগ্রগতি করবে। আমি আবারও আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই। আপনারা আমার প্রতি যে হৃদ্যতা দেখিয়েছেন, ভারতের প্রতি এই ভ্রাতৃত্ব, আপনাদের আন্তরিকতা আমি প্রতিটি ভারতীয়র কাছে পৌঁছে দেব! ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী চিরঞ্জীবী হবে।’

অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান, জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের শুভেচ্ছাবার্তা প্রচার করা হয়। বিশ্বদরবারে বাংলাদেশ বড় ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ গত পাঁচ দশকে সামাজিক অগ্রগতিতে বড় ভূমিকা রেখেছে। তাদের এ উন্নতির জন্য আমি অভিনন্দন জানাই। আরো অভিনন্দন জানাতে চাই বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হওয়ায়।’ তিনি বলেন, বিশ্বদরবারে বাংলাদেশ বড় ভূমিকা রাখছে। জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা মিশনে সবচেয়ে বেশি সদস্য বাংলাদেশের। বাংলাদেশ লাখো রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। এর জন্য তাদের ধন্যবাদ।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অগ্রগতির উদাহরণ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অগ্রগতির একটি উদাহরণ। দেশটি আশা ও সুযোগ-সুবিধার একটি চমৎকার স্থান। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ১০ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দেওয়া বাংলাদেশ মানবাধিকারের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এ সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশের পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র। জলবায়ু সংকট নিরসনে কাজ করতে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতির প্রশংসা করে যুক্তরাষ্ট্র এবং এতেও যুক্তরাষ্ট্র শরিক হবে।

জো বাইডেন বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বকে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করে, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার বিষয়গুলো এ বন্ধুত্বকে আরো শক্তিশালী করেছে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, ‘বাংলাদেশ বর্তমানে অর্থনৈতিক উন্নয়নশীল রাষ্ট্র। আমরা বাংলাদেশের সমৃদ্ধির স্বপ্নের সঙ্গে থাকতে চাই।’ তিনি আরো বলেন, ‘১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে (যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়) এসেছিলেন, যা আমাদের দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বের সূচনা ছিল। গত ৫০ বছরে এ বন্ধুত্ব আরো দৃঢ় হয়েছে।’ বরিস জনসন বলেন, যুক্তরাজ্যে ছয় লাখেরও বেশি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাগরিক রয়েছে। তারা যুক্তরাজ্যের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, এ সময়ে বাংলাদেশ যা অর্জন করেছে তা অসাধারণ।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একজন অসাধারণ নেতা ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে গভীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে পুতিন বলেন, ‘আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার জন্য যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের গঠনমূলক সহযোগিতা আরো বেশি বৃদ্ধি পাবে বলে আমি আশা করি।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত রাষ্ট্রনায়ক বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘আপনার পিতা বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান জাতির জন্য সংগ্রাম ও ত্যাগের মাধ্যমে বিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত রাষ্ট্রনায়কদের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছেন।’ স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানে তাঁকে দাওয়াত দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কারণে আমার আসা সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আমি বাংলাদেশে আসতে চাই।’ এরদোয়ান বলেন, ‘আমাদের জনগণের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন রয়েছে। আমরা একই ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের, যা আমাদের সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করছে।’ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও তাঁর বার্তায় বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এর বাইরে ব্রিটিশ যুবরাজ চার্লসও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে বাণী দিয়েছেন।

81 ভিউ

Posted ২:২১ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, ২৭ মার্চ ২০২১

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com