বৃহস্পতিবার ২০শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

বৃহস্পতিবার ২০শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

বঙ্গোপসাগরে ১০৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান

বুধবার, ০৫ জানুয়ারি ২০২২
59 ভিউ
বঙ্গোপসাগরে ১০৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান

কক্সবাংলা ডটকম :: বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানে অনুসন্ধান চালিয়ে ১৭ থেকে ১০৩ ট্রিলিয়ন কিউবিক ফিট (টিসিএফ) গ্যাস হাইড্রেটের সন্ধান পাওয়া গেছে।

বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এ ছাড়া বঙ্গোপসাগরে বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক শৈবালের সন্ধান পাওয়া গেছে, যেটি মাছ ও পশুখাদ্যের কাঁচামাল এবং সাবান ও শ্যাম্পুর মতো প্রসাধনী পণ্য উৎপাদনে ব্যবহার করা যেতে পারে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘আমরা বছরে ২৮ হাজার কোটি টাকার কাঁচামাল আমদানি করি। এখানে বিনিয়োগ করলে আমরা এগুলো দেশে উৎপাদন করতে পারব।’

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব রিয়ার এডমিরাল (অব.) এম খোরশেদ আলম বলেন, ‘এখানে বড় আকারের বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে। প্রাথমিকভাবে, আমরা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নয়, স্থানীয় কোম্পানিগুলোকে আমন্ত্রণ জানাতে চাই।’

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) ওয়েবসাইটে বলা হয়, সমুদ্রের তলদেশে গ্যাস ও পানির সংমিশ্রণে তৈর হওয়া স্ফটিককে গ্যাস হাইড্রেট বলা হয়। এটা দেখতে বরফের মতো হলেও এতে প্রচুর পরিমাণে মিথেন থাকে।

বঙ্গোপসাগরে গ্যাস হাইড্রেট ও কয়েকশো প্রজাতির সি-উইড আবিষ্কারের ফলে আশার প্রদীপ জ্বলে উঠেছে বাংলাদেশের সামনে। বুধবার বঙ্গোপসাগরে ১৭ থেকে ১০৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস হাইড্রেটের সন্ধান পাওয়ার কথা জানায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ গ্যাস হাইড্রেটে রয়েছে বিপুল পরিমাণ মিথেন।

কপ-২৬-এ ধীরে ধীরে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে সবুজ জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ। সেই রূপান্তরকে মসৃণ করার জন্য আরও দুই দশক প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো জীবাশ্ম জ্বালানির প্রয়োজন দেশের।

এই পরিস্থিতিতে গ্যাস হাইড্রেট আবিষ্কার বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে।

২০১৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের সহায়তায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিট সমুদ্রের মহীসোপানে ৬ হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার পর্যন্ত দুটি জরিপ বিশ্লেষণ করে এবং একান্ত অর্থনৈতিক এলাকায় (ইইজেড) বিপুল সামুদ্রিক সম্পদ চিহ্নিত করে।

গ্যাস হাইড্রেট তথা মিথেন গ্যাস মূলত উচ্চচাপ ও নিম্ন তাপমাত্রায় গঠিত জমাট বরফ আকৃতির এক ধরনের কঠিন পদার্থ। এটি স্তূপীকৃত বালির ছিদ্রের ভেতরে ছড়ানো স্ফটিক আকারে অথবা কাদার তলানিতে ক্ষুদ্র পিণ্ড, শিট বা রেখা আকারে বিদ্যমান থাকে।

সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানোর সময় মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব রিয়ার এডমিরাল খুরশেদ আলম (অব.) গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বাংলাদেশের ইইজেড ও মহীসোপানের সকল এলাকার পূর্নাঙ্গ সিসমিক জরিপ সম্পন্ন করা হলে [গ্যাস হাইড্রেটের] প্রকৃত মজুদ নিরূপণ করা সম্ভব হবে।’

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, জরিপের ফলাফল বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। বিশেষ করে আগামী শতকে জ্বালানি সংকট নিরসনে এবং পরিবেশবান্ধব জ্বালানির উৎস হিসেবে গ্যাস হাইড্রেটের এই বিশাল মজুদ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটি যুগান্তকারী ঘটনা।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পরিবেশবান্ধব জ্বালানির উৎস হিসেবে এরকম বিশাল গ্যাস হাইড্রেট ভবিষ্যতের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে সাহায্য করবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি অতি দ্রুত এই গ্যাস হাইড্রেট উত্তোলনের মাধ্যমে বাংলাদেশ জ্বালানি ক্ষেত্রে নতুন যুগে প্রবেশ করবে।’

বাংলাদেশের কাছে কি হাইড্রেট থেকে গ্যাস উত্তোলনের প্রযুক্তি আছে?

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও ভূতাত্ত্বিক ড. বদরুল ইমাম বলেন, গ্যাস হাইড্রেট থেকে গ্যাস উত্তোলনের প্রযুক্তি বিশ্বে এখনও সহজলভ্য হয়নি। এ কারণে এই বিশাল আবিষ্কার থেকে বাংলাদেশ তেমন লাভবান হতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন, ‘জাপান ও কানাডার মতো কিছু দেশ দরকারি প্রযুক্তির তৈরির চেষ্টা করছে। তবে তারা সফল হলেও বাংলাদেশের এটি পেতে আরও ১০-১৫ বছর সময় লেগে যাবে।’

এছাড়াও এ ধরনের মজুদ থেকে কত শতাংশ গ্যাস উত্তোলন করা যাবে, তা এখনও অজানা বলে মন্তব্য করেন তিনি।

অন্যদিকে পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানান, যেকোনো সামুদ্রিক এলাকায় এ ধরনের গ্যাস হাইড্রেটের উপস্থিতি খুবই স্বাভাবিক।

উদাহরণস্বরূপ, বঙ্গোপসাগরে, বিশেষ করে ভারতের কৃষ্ণ-গোদাভারী অববাহিকায় বিপুল পরিমাণ গ্যাস হাইড্রেটের মজুদের সম্ভাবনা বিষয়ে ভারত ইতিমধ্যে নিশ্চিত হয়েছে।

উদাহরণস্বরূপ, ভারত বঙ্গোপসাগরে বিশেষ করে কৃষ্ণা-গোদাবরী অববাহিকায় বিশাল গ্যাস হাইড্রেট রিজার্ভের সম্ভাবনার কথাও নিশ্চিত করেছে, ভারতের অয়েল অ্যান্ড ন্যাচারাল গ্যাস কর্পোরেশনের তথ্য বলছে।

বাংলাদেশের মোট ২৭টি গ্যাসক্ষেত্রে প্রায় ২৮ ট্রিলিয়ন ঘনফুট মজুদ আছে। এর মধ্যে ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রায় ১৮ দশমিক ২৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছে।

বর্তমানে দেশে ২০টি গ্যাসক্ষেত্র চালু রয়েছে। এগুলো থেকে প্রতিদিন ৩৫০ কোটি ঘনফুট জাতীয় চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ মাত্র ২৩০ কোটি ঘনফুট।

গত দুই দশকে দেশে কোনো উল্লেখযোগ্য গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয়নি। অথচ গ্যাসের চাহিদা আকাশচুম্বী। এ কারণে দেশের নিজস্ব গ্যাসের উৎস দ্রুত কমে আসছে।

গ্যাস সরবরাহের ঘাটতি পূরণে শিল্প ও বিদ্যুৎ উৎপাদন চলমান রাখতে বাংলাদেশ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করছে।

২০১৮ সাল থেকে সরকার দুটি ভাসমান স্টোরেজ রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিটের মাধ্যমে কমপক্ষে ৫০০ এমএমসিএফ/ডি এলএনজি আমদানি করছে।

এ কারণে গভীর সমুদ্রে তেল ও গ্যাস খোঁজা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

গভীর সমুদ্রে তেল ও গ্যাস আবিষ্কার

বঙ্গোপসাগরে যে বিপুল তেল ও গ্যাসের মজুদ থাকার সম্ভাবনা আছে, তা গত দুই দশক ধরে ভারত ও মিয়ানমারের সমুদ্র সম্পদ ব্যবহার থেকেই স্পষ্ট।

ভারত এখন পর্যন্ত অনেকগুলো কূপ খনন করে মোট ৪০ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস আবিষ্কার করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় কূপটি কৃষ্ণ-গোদাভরী অববাহিকায় অবস্থিত ধীরুভাই ডিপ ওয়াটার ব্লকে। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যবিন্দুতে অবস্থিত এই কূপে ২৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস রয়েছে। এখান থেকে ২০০৯ সাল হতে প্রতিদিন ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ঘনফুট উৎপাদন করা হচ্ছে।

অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে রয়েছে ২০০৫ সালে আবিষ্কৃত ২-৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুটের দীনদয়াল গ্যাসক্ষেত্র।

এরপর আরও আটটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করেছে ভারত। মাহান্দি বেসিনে ভারত ৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পেয়েছে। তবে ভারত বেঙ্গল অববাহিকাতেও ৪০টি কূপ খনন করেছে। এই অঞ্চলে দেশটি কোনো গ্যাসক্ষেত্র পায়নি।

অন্যদিকে মায়ানমার ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে মোট ৬ ট্রিলিয়ন ঘনফুট থেকে ১০ ট্রিলিয়ন ঘনফুটের তিনটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করেছে।

গত দশকে আমেরিকান কোম্পানি কনোকোফিলিপসের কাছ থেকে গভীর সমুদ্রে একটি অনুসন্ধানমূলক তেল ও গ্যাস কূপ খননের প্রস্তাব পায় বাংলাদেশ। কনোকোফিলিপস একটি চুক্তির আওতায় ১০ ও ১১ নম্বর ব্লকে একটি সিসমিক সার্ভে করে এবং চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫০ কিলোমিটার দূরে কূপ খননের প্রস্তাব দেয়।

কোম্পানিটি ৫ থেকে ৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার আশা করেছিল। কিন্তু এই পরিমাণ গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল মাত্র ১৭ শতাংশ। এছাড়াও কোম্পানিটি বেশ কিছু আর্থিক শর্ত আরোপ করেছিল। সরকার সেগুলো মেনে নেয়নি। তাই কনোকোফিলিপস ২০১৪ সালে বাংলাদেশ থেকে চলে যায়।

বাণিজ্যিক সম্ভাবনার সি-উইড

নেদারল্যান্ডের সঙ্গে মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের পরিচালিত আরেকটি জরিপে বঙ্গোপসাগরে বিপুল পরিমাণ সি-উইডের সন্ধানও পাওয়া গেছে। এই সি-উইডের বিশাল বাণিজ্যিক সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও দেশে এর ব্যবহার বাড়িয়ে আমদানিনির্ভরতা তো কমানো যাবেই, বিদেশে রপ্তানিও করা যাবে।

গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, বাংলাদেশে পাওয়া বহু প্রজাতির সামুদ্রিক শৈবালের মধ্যে কয়েকটির বিপুল বাণিজ্যিক সম্ভাবনা রয়েছে, যা বাংলাদেশের সুনীল অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

শিল্পক্ষেত্রে বাংলাদেশে পাওয়া নির্দিষ্ট প্রজাতির কিছু সি-উইডের পাঁচটি প্রয়োগ চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হল মাছের খাদ্য, পশুখাদ্য, ফুড অ্যাডিটিভ, প্রসাধনী উপাদান এবং হাই ভ্যালু প্রসাধনী উপাদান।

সমুদ্রভিত্তিক সি-উইডের ওপর করা একটি গবেষণার ফলাফল জানানোর সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটা আরেকটা স্বর্ণখনি। এটার প্রচার প্রয়োজন।’

মন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে শাবান ও শ্যাম্পুর উপাদানসহ বিভিন্ন কাজে বছরে ২৮ হাজার কোটি টাকার শিল্পের কাঁচামাল ব্যবহার করা হচ্ছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে সাবান ও শ্যাম্পুর উপাদানসহ বিভিন্ন কাজে ২৮ হাজার কোটি টাকার শিল্পের কাঁচামাল ব্যবহার করা হচ্ছে।

স্থানীয়ভাবে সি-উইড চাষের বিকাশ করতে পারলে সি-উইডের উদ্বৃত্ত উপাদান রপ্তানি করা ছাড়াও বাংলাদেশ ১৬ হাজার কোটি টাকার উপাদান দেশ থেকেই সরবরাহ করতে পারবে। সি-উইডের অনেক সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

খুরশেদ আলমের নেতৃত্বে মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিট বাংলাদেশের সমুদ্র এলাকায় মেরিন জেনেটিক রিসোর্স (এমজিআর)—অর্থাৎ সমুদ্রের প্রাণিজ ও উদ্ভিদ-সংক্রান্ত সব ধরনের সম্পদের উপস্থিতি, সার্বিক অবস্থান, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তথা বাণিজ্যিকীকরণ যাচাইয়ের লক্ষ্যে গত ০২ বছর ধরে গবেষণা চালিয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।

নেদারল্যান্ডসভিত্তিক গবেষকরা মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ২০২০ সালে বাংলাদেশের সমুদ্র এলাকায় মাঠ পর্যায়ের গবেষণা পরিচালনা করেন।

গবেষণায় বাংলাদেশের একান্ত অর্থনৈতিক অঞ্চলে এমজিআরের এর সার্বিক অবস্থান চিহ্নিত করা, নানা প্রজাতি চিহ্নিত করাসহ অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করা হয়।

ওই ফলাফলের ভিত্তিতে বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থনৈতিক অঞ্চলে ২২০ প্রজাতির সি-উইড, ৩৪৭ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ, ৪৯৮ প্রজাতির ঝিনুক, ৫২ প্রজাতির চিংড়ি, ৫ প্রজাতির লবস্টার, ৬ প্রজাতির কাঁকড়া, ৬১ প্রজাতির সি-গ্রাস চিহ্নিত করা হয়েছে।

পরবর্তীতে এসব প্রজাতির ওপর প্রয়োজনীয় ল্যাবরেটরি টেস্ট নেদারল্যান্ডসে সম্পন্ন করা হয়।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে সি-উইডের বাণিজ্যিক উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনার জন্য হ্যাচারি, ফার্মিং, প্রসেসিং প্ল্যান্ট ও শিল্প-প্রয়োগের প্রয়োজন হবে বলে মন্তব্য করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে খুব সহজে পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতেই সি-উইড উৎপাদন সম্ভব। এর চাষ একদিকে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অবদান রাখবে, অন্যদিকে ভূমিকা রাখবে উপকূলীয় অঞ্চল রক্ষায়ও।

শাহরিয়ার আলম আরও বলেন, সি-উইড চাষের ফলে উপকূল অঞ্চলের মানুষের জন্য সহজ ও নিরাপদ কর্মসংস্থানও তৈরি হবে। সেখানে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নারীকর্মীরও সহজ কর্মসংস্থান হতে পারে।

59 ভিউ

Posted ৭:১৯ অপরাহ্ণ | বুধবার, ০৫ জানুয়ারি ২০২২

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com