সোমবার ১৪ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

সোমবার ১৪ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

বছর শেষে আশার আলো : অনুমোদন পেল অক্সফোর্ড টিকা, পাবে বাংলাদেশের মানুষও

বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২০
167 ভিউ
বছর শেষে আশার আলো : অনুমোদন পেল অক্সফোর্ড টিকা, পাবে বাংলাদেশের মানুষও

কক্সবাংলা ডটকম(৩০ ডিসেম্বর) ::  বছর শেষে দেখা যাচ্ছে আশার আলো। ব্রিটেনে অনুমোদন পেল অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার যৌথ উদ্যোগে তৈরি করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন কোভিশিল্ড। ব্রিটিশ ওষুধ ও স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা MHRA-এর প্রস্তাব অনুযায়ী, বরিস জনসনের নেতৃত্বাধীন সরকার এই কোভিশিল্ডকে অনুমোদন দিয়েছে।সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে, এই টিকাটি সাধারণ ফ্রিজেই সংরক্ষণ করা যায়, যেখানে ফাইজার-বায়োঅ্যানটেকের টিকাটি সংরক্ষণ করতে হয় -৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায়।

অ্যাস্ট্রাজেনেকার জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে , বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) থেকে ব্রিটেনে ভ্যাকসিনেশন শুরু করে ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ সামনে আনা হবে। নতুন বছর থেকে পুরোদমে টিকাকরণের কাজ চলবে। আশা করা হচ্ছে নতুন বছরে কিছুদিন পর থেকে কোটি কোটি ডোজ সরবরাহ করা যাবে। ব্রিটিশ মন্ত্রী মাইকেল গভের মতে, ভ্যাকসিনের অনুমোদন দেশের কঠোর লকডাউনকে কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে।

অ্যাস্ট্রাজেনেকার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পাসকেল সোরিয়ট বলেছেন, আমরা মনে করি ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা বাড়ানোর উইনিং ফর্মুলা আমরা পেয়ে গেছি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিয়ন্ত্রকদের বেঁধে দেওয়া মান বজায় রাখতে পেরেছি আমরা। অক্সফোর্ড ভ্যাকসিনের বৈশ্বিক প্রভাব অনেক বেশি হবে বলেও মনে করেন তিনি।

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনার টিকা প্রকল্পের অন্যতম অংশীদার ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট। এই টিকা ভারতেই উৎপাদন করছে সংস্থাটি। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন চেয়ে ইতিমধ্যে ভারত সরকারের কাছে আবেদন করেছে সেরাম ইনস্টিটিউট। আর ভারতে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পেলে তা বাংলাদেশের মানুষও পাবে। এ নিয়ে এরই মধ্যে সমঝোতা চুক্তিও স্বাক্ষর হয়েছে।

এদিকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন ২০২১ সালের জানুয়ারির মাঝামাঝিই বাংলাদেশে চলে আসতে পারে ভ্যাকসিন।  বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) বিসিপিএস অডিটরিয়াম হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত ডাটা মিডিয়া ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সম্মানসূচক স্বীকৃতি অর্জন উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন আনতে গত ৫ নভেম্বর সরকার চুক্তি করছিল। আজ যুক্তরাজ্য সরকার সেই অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন রাষ্ট্রীয়ভাবে অনুমোদন দিয়েছে। এটি অবশ্যই আমাদের জন্য সুখবর। এরপর বিশ্ব  স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন হওয়া মাত্রই সেটি ভারতের পাশাপাশি আমরাও পেয়ে যাবো।

তিনি আরও বলেন, এরপর আগামী জুন মাসের মধ্যেই গ্যাভী ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক আরও ৫-৬ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেশে চলে আসবে।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ভ্যাকসিন ট্রায়ালে অংশ না নেওয়ায় ১৮ বছরের নিচে দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষকে ও গর্ভবতী প্রায় ৩৫ লাখ মায়েদেরকে ভ্যাকসিন দেওয়া না লাগলে ৫-৬ কোটি ভ্যাকসিন প্রয়োগেই দেশ অনেকটা নিরাপদ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

এ সময় তিনি ব্লুমবার্গের স্বীকৃতিকে ছোট করে দেখার কোন সুযোগ নেই উল্লেখ করে বলেন, ‘ব্লুমবার্গ কেবল দেশের অর্থনৈতিক সফলতা দেখেই রিপোর্টটি করেনি। প্রতিষ্ঠানটি করোনা মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় জনবল, অবকাঠামো, টিকাদান সক্ষমতা, চলাফেরা নিয়ন্ত্রণের মতো গুরুত্বপূর্ণ অন্তত ১০টি মেট্রিক্স বিবেচনা করে এই ফলাফল ঘোষণা করেছে। কাজেই এই ফলাফল আমাদের জন্য এক বিরাট অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, তবে এই ফলাফলে আত্মতুষ্টিতে না ভুগে আরও গতিশীলভাবে কাজে নেমে পড়তে হবে বলে উপস্থিত চিকিৎসকদের জানান।

উল্লেখ্য, এই টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের সময় কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াজনিত ঘটনা ঘটেনি। প্রথম ডোজ ও দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার মধ্যেকার সময়ের পার্থক্য ছিল ১৪ দিন। এরমধ্যে কোনও স্বেচ্ছা সেবকের দেহে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া না দেখা যাওয়ায়, ভ্যাকসিন নিয়ে আশাবাদী ব্রিটেনবাসী।

অন্যদিকে ভ্যাকসিন অনুমোদন পাওয়ায় উচ্ছ্বাস চেপে রাখতে পারেননি রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। টুইটারে এ দিন সেই উচ্ছ্বাসও প্রকাশ করেন তিনি। বলেন, “এই হল ব্রিটিশ বিজ্ঞানের জয়। এবার আমরা যত বেশি সংখ্যাক মানুষকে পারব টিকাকরণ কর্মসূচির আওতায় আনব।”

যদিও ব্রিটেনে আগেই মিলেছিল করোনা ভাইরাসের নতুন স্ট্রেন । যা নিয়ে সারা বিশ্বে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। নতুন স্ট্রেন উঠে আসায় ব্যাপক হারে চিন্তা বেড়েছে ব্রিটেনের। বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্ভবত নতুন স্ট্রেনের জেরেই এই দেশ করোনার দ্বিতীয় ধাক্কার মুখোমুখি হচ্ছে। বলা হচ্ছে, করোনা ভাইরাসের নতুন স্ট্রেন আগের ভাইরাসের চেয়ে ৭০ শতাংশ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

তবে শুধু ব্রিটেন না বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মিলছে এই আরও সংক্রামক করোনার স্ট্রেন। করোনা ভাইরাসের নতুন যে রূপ সেগুলিকেই বৈজ্ঞানিক ভাষায় স্ট্রেন বলা হচ্ছে। এই স্ট্রেন ঘিরে সমগ্র বিশ্ব এই মুহূর্তে রীতিমতো আতঙ্কে রয়েছে। বেশ কয়েকটি দেশ ট্র্যাফিক বন্ধ করে দিচ্ছে। কোথাও আবার লকডাউন ঘোষণা করা হচ্ছে।

 

167 ভিউ

Posted ৪:৩০ অপরাহ্ণ | বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২০

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com