শনিবার ১৩ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

শনিবার ১৩ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

বাংলাদেশের যা কিছু অর্জন তা এসেছে আওয়ামী লীগের হাত ধরেই

শুক্রবার, ২৪ জুন ২০২২
39 ভিউ
বাংলাদেশের যা কিছু অর্জন তা এসেছে আওয়ামী লীগের হাত ধরেই

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :: ‘প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই মানুষের পাশে থেকেছে আওয়ামী লীগ। আর এটা করতে গিয়ে দলটির নেতাকর্মীদের বারবার জেল—জুলুম সহ্য করতে হয়েছে। দেশের যা কিছু অর্জন তা জাতির পিতা এবং তাঁর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে এসেছে। দেশের এই উন্নয়নের গতিধারা অব্যাহত থাকলে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যেই ক্ষুধা—দারিদ্র্যমুক্ত ও উন্নত—সমৃদ্ধ স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশে পরিণত হবে।’

বৃহস্পতিবার বিকালে পাবলিক লাইব্রেরীর শহীদ দৌলত ময়দানে আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

সভায় নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ‘বাঙালি জাতি কখনো স্বাধীন ছিলনা। কখনো দিল্লি, কখনো মুর্শিদাবাদ ও কখনো করাচি থেকে শাসন করা হয়েছে। এর বাইরে প্রায় ২০০ বছর ব্রিটিশ এবং ২৩ বছর পাকিস্তানিরা সরাসরি শাসন করেছে। পাকিস্তানি শাসনামলে ১৯৪৯ সালে ২৩ জুন আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে আওয়ামী লীগ এ দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে এগিয়ে আসে। ৫২ ভাষা আন্দোলন, ৫৪ যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ৬২ শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬ ছয়দফা আন্দোলন ও ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে ৭০ এর নির্বাচনে এই দেশের মানুষ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্টতা প্রদান করেছে।

৭০ এর নির্বাচনে বিজয় লাভ করলেও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা হস্তান্তর না করায় একাত্তর সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে এই দেশের মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে। দীর্ঘ ৯ মাস মুক্তির সংগ্রামে ৩০ লক্ষ শহীদ ও ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে জাতি স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীনতা পরবর্তী দেশ পুনর্গঠনের কাজ শুরু হলে পঁচাত্তরের ১৫ আগষ্ট জাতির পিতাকে স্বপরিবারে হত্যা করা হয়। হত্যার পরবর্তী সময়ে জিয়া ও খন্দকার মোশতাক গং ক্ষমতা দখল করে এ দেশে লুটপাটের রাজনীতি শুরু করে। ৮১ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরে আসেন। এবং মানুষের অধিকার আদায় ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন শুরু করে।

দীর্ঘ ২১ বছর পর ৯৬ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাসীন হয়ে গণতন্ত্র, ভাত ও ভোটের অধিকার নিশ্চিত করেন। ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় এসে পুনরায় জিয়া—এরশাদের মতো খালেদা জিয়াও লুটপাট ও হত্যার রাজনীতি শুরু করে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘জিয়া, এরশাদ ও খালেদা জিয়া আইয়ুব, ইয়াহিয়া এবং মোনায়েমের প্রতিচ্ছবি। তাঁরা ধর্মকে ব্যবহার করে দেশে জঙ্গিবাদের আস্তানা সৃষ্টি করেছে। তারা বার বার জাতির সাথে প্রতারণা করেছে। লুটপাট করেছে দেশের সম্পদ। হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে। বিএনপি নামক দলটির এমন আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে মানুষ তাদের পর পর ৩ বার জাতীয় নির্বাচনে প্রত্যাখান করেছে। বর্তমানে তারা দেশের উন্নয়নসহ দেশবিরোধী বিভিন্ন কর্মকান্ডে বিরোধীতা লিপ্ত হয়েছে। যে কারণে দেশের মানুষ তাদের আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না।’

বক্তারা বলেন, ‘নানা ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আওয়ামী লীগ সরকার স্বপ্নের পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছে। কিন্তু এটা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে বিএনপি। দুর্নীতিবাজরা প্রশ্ন তোলে কী করে! তারা নানা প্রকল্পে দুর্নীতি করেছে। জনগণের জন্য তো কিছুই করেনি। আওয়ামী লীগ নিজের নয়, দেশের জনগণের ভাগ্য গড়তে এসেছে। করছেও তা—ই। খালেদা জিয়ার রেখে যাওয়া নম্বর ওয়ান দুর্নীতির অবস্থান থেকে এখন বাংলাদেশকে মর্যাদাশীল অবস্থানে নিয়ে এসেছে। মধ্য আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশ।’

জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ—সভাপতি সাবেক সাংসদ অধ্যাপিকা এথিন রাখাইনের সভাপতিত্বে ও উপ প্রচার সম্পাদক কাউন্সিলর এম. এ মনজুরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগ নেতা সালাহ উদ্দিন আহমদ সিআইপি, রেজাউল করিম, মাহবুবুল হক মুকুল, এড. রনজিত দাশ, নুরুল আবছার চেয়ারম্যান, এড. তাপস রক্ষিত, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. নজিবুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল কর, জেলা যুবলীগের সভাপতি সোহেল আহমদ বাহাদুর, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হামিদা তাহের, এড. সৈয়দ রেজাউর রহমান, আসিফুল মওলা, ডাক্তার পরিমল কান্তি দাশ, জানে আলম পুতু, জেলা শ্রমিক লীগের আহবায়ক শাহেদুল আলম রানা, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মারূফ আদনান, জেলা মৎস্যজীবী লীগের আহবায় মাস্টার আবদুর রহিম।

সভার শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন জেলা ওলামা লীগ সভাপতি মাওলানা নুরুল আলম সরকার।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ইউনুছ বাঙালি, ড. নুরুল আবছার, এটিএম জিয়া উদ্দিন চৌধুরী, আমিনুর রশীদ দুলাল, বদরুল হাসান মিলকী, মিজানুর রহমান, মৎস্যজীবী লীগের সদস্য সচিব মোহাম্মদ তৈয়ব, পৌর আওয়ামী লীগের ১২টি ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সাধারণ নেতাকর্মী।

39 ভিউ

Posted ১:২২ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, ২৪ জুন ২০২২

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com