সোমবার ১লা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

সোমবার ১লা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

বাংলাদেশে ফেব্রুয়ারি মাসেই আসছে অক্সফোর্ডের করোনা ভ্যাকসিন : মিলবে ৪২৫ টাকায়

শনিবার, ০২ জানুয়ারি ২০২১
181 ভিউ
বাংলাদেশে ফেব্রুয়ারি মাসেই আসছে অক্সফোর্ডের করোনা ভ্যাকসিন : মিলবে ৪২৫ টাকায়

কক্সবাংলা ডটকম(২ জানুয়ারি) :: নতুন বছরের শুরুতেই এল সুখবর। ব্রিটেনের অক্সফোর্ডের তৈরি অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনার ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়েছে ভারতের বিশেষজ্ঞ প্যানেল। শনিবার (২ জানুয়ারি) থেকেই দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে পরীক্ষামূলক টিকাদান শুরু হবে বলে জানা গেছে।

এদিকে সেরাম ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে বাংলাদেশও শিগগিরই পাবে এ ভ্যাকসিন। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই ভ্যাকসিন দেশে আসবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। করোনা ভ্যাকসিনের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ায় অনেক দেশের তুলনায় কম দামে অল্প সময়ে ভ্যাকসিন পাবে বাংলাদেশ।

শনিবার (২ জানুয়ারি) সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা জানান তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন সর্বোচ্চ ৫ ডলার (বাংলাদেশি টাকায় ৪২৫ টাকা) খরচে পাওয়া যাবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন শিগগিরই অনুমোদন দেবে। এ ভ্যাকসিনে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম বলেও জানান তিনি।

প্রায় ৬ কোটি মানুষের জন্য ভ্যাকসিনের অর্ডার নিশ্চিত করা হয়েছে উল্লেখ করে জাহিদ মালেক বলেন, পর্যায়ক্রমে আরও অর্ডার দেওয়া হবে।তিনি বলেন, অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন ৩ কোটি ডোজই পাওয়া যাবে, প্রথম চালানে আসবে ৫০ লাখ ডোজ।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক আরও বলেন, ‘ভ্যাকসিন পাওয়ার বয়স যাদের হয়েছে, তাদের ভ্যাকসিন দিব।’তবে জনসংখ্যার উল্লেখযোগ্য অংশই ভ্যাকসিন নিতে পারবে না নানা বিধিনিষেধের কারণে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বললেন, ‘১৮ বছরের নিচে যারা আছেন, তাদেরকে ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ এ বয়সের ওপর ভ্যাকসিন ট্রায়াল করা হয়নি পৃথিবীর কোথাও, সেজন্য আমরা দিব না। ১৮ বছরের নিচে আমাদের জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ। অর্থাৎ প্রায় ৪-৫ কোটি। তাদের ভ্যাকসিনের প্রয়োজন হবে না। বিদেশে যারা আছে, তাদেরও হিসেব করেছি। তারা তো বিদেশেই আছে, তাদের তো এ মুহূর্তে ভ্যাকসিনের প্রয়োজন হবে না। প্রায় ৩৫-৪০ লাখ মায়েরা গর্ভবতী থাকেন, তাদের ভ্যাকসিন দিতে হবে না। যারা গুরুতর অসুস্থ, তাদের ভ্যাকসিন দেওয়া যাবে না।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সব মিলিয়ে আমরা দেখেছি ৬ কোটি-সাড়ে ৬ কোটি মানুষের ভ্যাকসিন এ মুহূর্তে প্রয়োজন নাই।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তাহলে হাতে রইল ১০ কোটি লোক। প্রায় সাড়ে ৫-৬ কোটির ব্যবস্থা হয়ে গেছে। আর ৪ কোটি লোকের চিন্তা আমাদের করতে হবে। সে চিন্তা নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। যাতে বাকি দেওয়া যায় সে ব্যাপারে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। সেটাও ইনশাআল্লাহ আমরা দিতে পারবো। যে যে সোর্স থেকে আমাদের দিবে, সে সোর্স থেকে আমরা নিব। আমাদের সকল সোর্সের সাথে কথা বলা আছে।’

ভ্যাকসিন পাওয়ার ক্ষেত্রে কারা অগ্রাধিকার পাবে, তা জাতীয় কমিটি ঠিক করবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

শুক্রবার (১ জানুয়ারি) অক্সফোর্ডের ফর্মুলায় ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি ভ্যাকসিনটির অনুমোদন দেওয়া হয়। এর আগে, প্রতিষ্ঠানটির দুটি দল বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সামনে তাদের ভ্যাকসিনটির বিস্তারিত তুলে ধরে। এর একদিন পরই অনুমোদন দিল ভারতীয় বিশেষজ্ঞরা। এর মধ্য দিয়ে ভারতে অক্সফোর্ডের টিকা কার্যক্রম দ্রুত শুরু করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে সেরাম ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ। এই প্রক্রিয়ার ফলে দেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ভ্যাকসিন আসার পথ সুগম হলো।

এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের জন্য এমন খবর নিঃসন্দেহ আনন্দের, তবে এখন দরকার ভ্যাকসিন প্রয়োগের প্রস্তুতিটা সেরে ফেলা।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রিদওয়ানউর রহমান বলেন, ‘ভ্যাকসিনটা যদি এসে যায় এটা আমাদের জন্য বিরাট সুখবর। এটা পরিমাণগত দিক থেকে আমরা জানি না যে, কী পরিমাণ আসতে পারবে। যদি সঠিক পরিমাণ আসতে পারে এটা মৃত্যুহার কমাতে বিরাট ভূমিকা পালন করবে।’ আর টিকা দেওয়ার প্রতিটি পর্যায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার তাগিদ তাদের।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ বলেন, ‘তালিকা অনুযায়ী যদি একজনের বাড়িতে ৫ জনের টিকা পাওয়ার কথা থাকে। যদি ওই ব্যক্তি প্রভাব খাটিয়ে অন্য আরও ৫০ জন লোককে আনতে না পারে। এসব দিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। এসব দিকে যদি আমরা খেয়াল রাখতে না পারি তখন আমাদের লোকজন অসন্তুষ্ট হবে। তখন অনিয়মের মাত্রাটাও বেড়ে যাবে। এই বিষয়ে আমাদের কঠিন খেয়াল রাখতে হবে।’

প্রতি লটে ৫০ লাখ করে সেরাম থেকে ৩ কোটি ভ্যাকসিন কিনবে বাংলাদেশের বেক্সিমকো।

৮ মাসে সর্বনিম্ন শনাক্ত

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৬৮৪ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত শনাক্ত হলেন ৫ লাখ ১৫ হাজার ১৮৪ জন। শনিবার (২ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গত ৪ মে শনাক্ত হয়েছিলেন ৬৮৮ জন এবং ৯ মে শনাক্ত হন ৬৩৬ জন। অর্থাৎ গত ৯ মে বা প্রায় আট মাস পর এত কম রোগী শনাক্ত হলেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২৩ জন এবং এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৭ হাজার ৫৯৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৯৬৪ জন, এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৫৯ হাজার ৬২০ জন।

181 ভিউ

Posted ৬:২৭ অপরাহ্ণ | শনিবার, ০২ জানুয়ারি ২০২১

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com