শুক্রবার ১৮ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

শুক্রবার ১৮ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

বাংলাদেশ থেকে পাচার অর্থ উদ্ধারে অগ্রগতি নেই

বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২০
95 ভিউ
বাংলাদেশ থেকে পাচার অর্থ উদ্ধারে অগ্রগতি নেই

কক্সবাংলা ডটকম(২৩ ডিসেম্বর) :: প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচারের তথ্য দিচ্ছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা। তবে পাচার হওয়া বিপুল পরিমাণ অর্থ থেকে উদ্ধার হয়েছে সামান্য। এ পর্যন্ত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর ২১ কোটি টাকা এবং ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের প্রায় ২১ কোটি টাকা দেশে ফেরত এসেছে। এর বাইরে কয়েকটি দেশে বাংলাদেশ থেকে পাচার করা হয়েছে এমন অভিযোগে কয়েকজনের ৩৭ কোটি টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ফ্রিজ বা অবরুদ্ধ রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে থাকা বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বা বিএফআইইউ প্রধানত অর্থ পাচার প্রতিরোধ এবং দেশের ভেতরে ও বাইরে থেকে এ-সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদানের কাজ করে। অন্যদিকে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে এ বিষয়ে মামলার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দায়িত্বপ্রাপ্ত। ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের এ পর্যন্ত ৪৭টি মানি লন্ডারিং মামলার চার্জশিট দিয়েছে দুদক। আর ৮৮টি মামলা অনুসন্ধান ও তদন্ত পর্যায়ে রয়েছে।

অন্যদিকে, এনবিআরের শুল্ক্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এ পর্যন্ত ৯০টি মানি লন্ডারিং মামলা করেছে। চার্জশিট দিয়েছে চারটি মামলার এবং একটি মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে। সিআইডিও দেড় শতাধিক মানি লন্ডারিং মামলার তদন্ত করছে। এসব সংস্থার কর্মকর্তারা বলছেন, অর্থ পাচারের অনুসন্ধান, মামলা, তদন্ত ও মামলার বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার জন্য দক্ষ লোকবলের অভাব রয়েছে। নিম্ন আদালত, উচ্চ আদালত ও আপিল বিভাগ প্রতিটি স্তরেই অনেক সময় লেগে যায়। যে দেশে অর্থ পাচার হয়েছে সেখানকার আদালত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অর্থের উৎস, পাচার এবং বাংলাদেশের মালিকানা প্রমাণ করতে হয়। সেখানেও দীর্ঘ সময় লাগে।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, সংস্থাটি যেসব মামলা করেছে তার মধ্যে ৩৯টি মামলার ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের কাছে পারস্পরিক আইনি সহযোগিতার অনুরোধ (এমএলএআর) জানিয়েছে। একই ধরনের সহযোগিতা চেয়েছে অনুসন্ধানাধীন ১৬টি অভিযোগের ক্ষেত্রে। দুদকের আবেদনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের আট লাখ আট হাজার ৫৩৮ ব্রিটিশ পাউন্ড, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোরশেদ খানের এক কোটি ৬০ লাখ হংকং ডলার এবং তারেক রহমানের বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের চার লাখ ১৮ হাজার ৮৫৩ ব্রিটিশ পাউন্ড বিভিন্ন দেশ ফ্রিজ করে রেখেছে।

বিএনপির সাবেক এমপি মোসাদ্দেক হোসেন ফালুর ৪৯ লাখ ৪০ হাজার টাকার শেয়ার দুবাইয়ে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আবজাল হোসেনের ৯ লাখ ২৯ হাজার ৬৭০ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত এবং তার স্ত্রী রুবিনা খানমের ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫২০ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ওই দেশে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৫৯ হাজার ৩৪১ ব্রিটিশ পাউন্ড যুক্তরাজ্যের স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।

সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের যুক্তরাজ্যে অর্থ পাচারের বিষয়টি নিশ্চিত হতে দেশটির কাছে আইনি সহায়তা চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক। এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ওয়াহিদুল হকের ১৬৫ কোটি টাকা পাচারের বিষয়ে দুবাইয়ে, আল-আরাফাহ্‌ ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান বদিউর রহমানের এক কোটি ৬৮ লাখ টাকা পাচারের বিষয়ে সিঙ্গাপুরে এবং বিএনপির মোসাদ্দেক আলীর ১৪৯ কোটি টাকা পাচারের তথ্য চেয়ে দুবাইয়ের সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে আইনি সহায়তা চেয়ে চিঠি দিয়েছে দুদক।

এ ছাড়া ক্যাসিনোকাণ্ড ফাঁসের পর বহিস্কৃত যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূইয়ার পাঁচ কোটি ৫৮ লাখ টাকা পাচারের বিষয়ে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের কাছে আইনি সহায়তা চেয়েছে দুদক। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রে জাপান বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রিন্টিংয়ের পরিচালক সেলিম প্রধানের ১২ কোটি টাকা, অস্ট্রেলিয়াতে বিসিবির পরিচালক লোকমান হোসেন ভূঁইয়ার চার কোটি ৩৪ লাখ টাকা, বহিস্কৃত যুবলীগ নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের তিন কোটি টাকা ও মমিনুল হক সাঈদের চার কোটি ৪৭ লাখ টাকা পাচারের বিষয়ে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার কাছে আইনি সহায়তা চেয়েছে দুদক। এসব সহায়তার বিষয়ে কোনো দেশ থেকে এখনও পর্যন্ত জবাব পাওয়া যায়নি।

দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, পাচার করা টাকা ফেরত আনার প্রক্রিয়া বেশ জটিল। যৌক্তিক কারণেই আদালতে মামলা নিষ্পত্তি হতে সময় লাগছে। এরপর থাকে আপিল। সেখানেও অনেক সময় চলে যায়। যে কারণে অনেক মামলা হলেও চূড়ান্ত ফলাফল কম। তিনি বলেন, বিভিন্ন মামলার কারণে বিদেশে কয়েক কোটি টাকা ফ্রিজ বা অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। মামলাগুলো নিষ্পত্তি হলে জব্দ করা টাকা সরকারের কোষাগারে জমা হবে।

বিএফআইইউ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছর পর্যন্ত পাঁচ বছরে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ৮৪২টি সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্যবিনিময় হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে অন্য দেশে অর্থ পাচার সন্দেহে ৭১৫টি ঘটনার তথ্য চাওয়া হয়। আর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশ থেকে ১২৭টি ঘটনার তথ্য নিয়েছে।

বিএফআইইউর প্রধান আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান বলেন, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার প্রক্রিয়া অনেক সময়সাপেক্ষ ও জটিল। অর্থ ফেরতের জন্য সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে প্রথম দেশের আদালত থেকে রায় পেতে হবে। ওই রায় অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশে পাঠাতে হবে। সেখানকার অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস ওই দেশে মামলার পর রায় আমাদের পক্ষে এলে অর্থ ফেরত আনা যায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, পাচার অর্থ উদ্ধারের জন্য লাগাতার লেগে থাকতে হবে। এ জন্য বিএফআইইউ, দুদক, সিআইডি, এনবিআর ও অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়কে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সব সংস্থা একযোগে কাজ না করে শুধু একটা চিঠি দিয়ে দায়িত্ব শেষ মনে করলে চলবে না। বরং তথ্য পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য লেগে থাকতে হবে। নিখুঁত তদন্ত করে মামলা করতে হবে।

আমদানি-রপ্তানির আড়ালে অর্থ পাচারের ঘটনা অনুসন্ধান, তদন্ত ও মামলার দায়িত্ব এনবিআরের অধীন সংস্থা শুল্ক্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের। ২০১৯ সাল থেকে এই অধিদপ্তর এ বিষয়ে কাজ করছে। ইতোমধ্যে ৫০টির বেশি মামলা করেছে সংস্থাটি। চারটি মামলার চার্জশিটও দিয়েছে। এই অধিদপ্তরের অধীনে আলাদা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ দপ্তর গঠনের প্রস্তাব করা হলেও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এখনও তার অনুমোদন দেয়নি।

এই অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অর্থ পাচার রোধ ও পাচার করা অর্থ ফেরত আনার জন্য যে ধরনের সাহসী, উদ্যমী ও দক্ষ টিম থাকা দরকার, তা বর্তমানে নেই।

পাচার নিয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর তথ্য: ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটির (জিএফআই) প্রাক্কলন অনুযায়ী কর ফাঁকি দিতে, অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ বিদেশে পাচার করতে, কোম্পানির মুনাফা লুকাতে এবং অন্যান্য কারণে পণ্য আমদানি ও রপ্তানিতে অনেক সময় পণ্যের প্রকৃত মূল্য না দেখিয়ে বাংলাদেশ থেকে বছরে অন্তত ৫০ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে যায়। করের স্বর্গ বলে পরিচিত দেশে মুনাফা এবং সম্পদ স্থানান্তর করে বাংলাদেশ থেকে বছরে প্রায় ছয় হাজার কোটি টাকার কর ফাঁকি দিচ্ছেন বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানি ও ব্যক্তি পর্যায়ের করদাতারা। সম্প্রতি ট্যাক্স জাস্টিজ নেটওয়ার্ক নামে একটি আন্তর্জাতিক ফোরাম এ প্রাক্কলন করেছে।

এর আগে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশে নামসর্বস্ব কোম্পানি খুলে অর্থ পাচারের তথ্য অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের সংগঠন আইসিআইজে প্রকাশ করে। আইসিআইজে ২০১৩ সালে অফশোর কোম্পানির উদ্যোক্তা এমন ৩২ জন বাংলাদেশির নাম প্রকাশ করে। ২০১৬ সালে আইসিআইজের পানামা পেপারসের ডাটাবেজে ৫৬ জন বাংলাদেশির নাম রয়েছে। ২০১৭ সালে প্যারাডাইস পেপারসে ২১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম পাওয়া যায়। ২০১৮ সালে একই পেপারসের সংযোজনীতে ২২ বাংলাদেশির নাম পাওয়া যায়।

ফেরত আনার প্রক্রিয়া: বিএফআইইউ জানিয়েছে, প্রথমে অর্থ পাচারের ব্যাপারে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকতে হবে। তিনি যে দেশে পাচার করেছেন, সেখানকার দায়িত্বশীল সংস্থা থেকে সঠিক তথ্য পেতে হবে। তথ্য পাওয়ার পর তা তদন্ত পর্যায়ে নেওয়া যেতে পারে। তবে এখানেও সমস্যা আছে। দুই দেশের ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট যে তথ্য আদান করবে তা আদালতে বা অন্য কোনোভাবে প্রকাশ করা যাবে না। এ ধরনের তথ্য প্রকাশ করলে এগমন্ড গ্রুপের সদস্যপদ হারাতে হবে। এ জন্য প্রাথমিক তথ্য পাওয়ার পর তা অনুসন্ধানে নিশ্চিত হলে তখন মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স অধ্যাদেশের অধীনে মামলা করার মতো বা আদালতে উপস্থাপনের উপযোগী তথ্য আনতে হবে। এই তথ্য পেলে তখন আদালতে উপস্থাপন করা যাবে।

আদালতে দোষী প্রমাণিত হলে তখন যে দেশে অর্থ পাচার হয়েছে, সেখানে পাঠিয়ে অর্থ জব্দ করা যাবে। এরপর দুই দেশের ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের মধ্যে সমঝোতা বা চুক্তি থাকলে সেই চুক্তির অধীনে টাকা ফেরত চাইতে হবে। বিএফআইইউ বিশ্বের ৭২টি দেশের এ ধরনের সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করেছে। এ ছাড়া এগমন্ড গ্রুপের সদস্য হিসেবে ১৬৬টি দেশের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। এপিজির সদস্য হিসেবে ৪৪টি দেশের ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট থেকে তথ্য আদান-প্রদান করার সুযোগ রয়েছে। আবার কর আদায়ের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কিছু দেশের সঙ্গে চুক্তি রয়েছে।

এ ছাড়া এক দেশের অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস অন্য দেশের অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস বা দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির পাসপোর্ট নম্বরসহ তথ্য সরবরাহ করে অর্থ ফেরত আনতে পারে। এ ক্ষেত্রে যে দেশের কাছে তথ্য চাওয়া হয়, সেই দেশের ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট তথ্য যাচাই-বাছাই করে কোনো অসামঞ্জস্য না পেলে অর্থ ফেরত দিয়ে থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিদেশের আদালতে পাচার হওয়া অর্থ যদি ঘুষ, দুর্নীতি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের মতো অপরাধমূলকভাবে উপার্জিত হওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত না হয়, তাহলে তাকে চূড়ান্তভাবে অপরাধ বিবেচনা করা হয় না।

ফেরত ৪১ কোটি টাকা: আরাফাত রহমান কোকোর নামে সিঙ্গাপুরে থাকা টাকা প্রথমে ফেরত আসে ২০১২ সালে নভেম্বরে। প্রথম দফায় ২০ লাখ ৪১ হাজার ৫৩৪ দশমিক ৮৮ সিঙ্গাপুরি ডলার দেশে ফেরত আনে দুদক। বাংলাদেশি টাকায়, যা ১৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা। এরপর ২০১৩ সালের ৩ জানুয়ারি দ্বিতীয় দফায় ২৩ হাজার ৮০০ সিঙ্গাপুরি ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৫ লাখ টাকা দেশে ফেরত আনা হয়। তৃতীয় দফায় ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট সিঙ্গাপুর ওভারসিস ব্যাংক থেকে ৯ লাখ ৫৬ হাজার ৩৮৭ মার্কিন ডলার বাংলাদেশে পাঠানো হয়। পরে ১৮ আগস্ট সোনালী ব্যাংকের রমনা করপোরেট শাখায় এ অর্থ দুদকের ‘স্টোলেন রিকভারি অ্যাসেট’ হিসেবে জমা হয়। বাংলাদেশি টাকায় এর পরিমাণ সাত কোটি ৪৩ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। এ অর্থ বহুজাতিক কোম্পানি সিমেন্স থেকে ঘুষ হিসেবে নিয়েছিলেন কোকো। সিঙ্গাপুর থেকে মামুনের পাচার করা ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার টাকা ফেরত এনে সোনালী ব্যাংক ক্যান্টনমেন্ট শাখার অ্যাকাউন্টে ফেরত আনা হয়। পরে সেই টাকা ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা করা হয়। টঙ্গী ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে খাদিজা কনস্ট্রাকশনকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার সুবাদে সাত লাখ ৭৫ হাজার ডলার ঘুষ নেন মামুন ও তারেক রহমান।

95 ভিউ

Posted ২:১৬ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২০

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com