মঙ্গলবার ৯ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২৫শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

মঙ্গলবার ৯ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

কুড়িগ্রাম ডিসির কান্ড : সাংবাদিককে নির্যাতন প্রতিবাদ-মানববন্ধন-আল্টিমেটাম

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২০
202 ভিউ
কুড়িগ্রাম ডিসির কান্ড : সাংবাদিককে নির্যাতন প্রতিবাদ-মানববন্ধন-আল্টিমেটাম

কক্সবাংলা ডটকম(১৪ মার্চ) :: কুড়িগ্রামের বাংলা ট্রিবিউনের জেলা প্রতিনিধি আরিফুল ইসলামকে মাদক বিরোধী অভিযানে আটক ও পরে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। অভিযানের সময় মাদকসহ আরিফুল ইসলাম রিগানকে আটক করা হয় বলে দাবি করেছেন অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিন্টু বিকাশ চাকমা।

তবে আরিফুল ইসলামের স্ত্রী মোস্তারিমা সরদার বলেছেন, ‘মধ্যরাতে বাড়ির দরজা ভেঙে ঢুকে আরিফকে পেটানো, জোর করে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। কোনো মাদক পাওয়া যায় নি।’

‘মাদক বিরোধী অভিযানের’ উদ্যোগ জেলা প্রশাসন না মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কুড়িগ্রাম জেলা কার্যালয় নিয়েছিল— তা নিয়ে কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক ও জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালকের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।

গত শুক্রবার রাত ১২টার দিকে তার কুড়িগ্রাম শহরের চড়ুয়াপাড়াস্থ বাড়ি থেকে আটকের পর সাজা দিয়ে জেল হাজতে পাঠানো হয়।

এদিকে মধ্যরাতে মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের অভিযানে অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি আরিফুল ইসলামকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজার ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এ বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক অতিরিক্ত সচিব ও একজন যুগ্ম সচিব জানান, ‘কুড়িগ্রামের বিষয়টি আমাদের জন্য বিব্রতকর। কোনোভাবেই মধ্যরাতে টাস্কফোর্সের অভিযান আইনসম্মত নয়। অবশ্যই টাস্কফোর্সকে সকাল না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে, তাই বিধান রয়েছে। মধ্যরাতে অভিযান ও সাজা দেওয়ার বিষয়টি প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড মাঠপর্যায়ে সরকার ও প্রশাসনের ওপর জনগণের আস্থা কমায় এবং পরিস্থিতি বিরূপ করে তোলে।’

তারা উভয়েই জানান, যেহেতু মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই বিষয়ে অবগত ও বিব্রত, তাই বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে রাতের বেলা এক সাংবাদিককে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে ভ্রাম্যমান আদালতে সাজা দেওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সেখানে রংপুরের অতিরিক্ত কমিশনার পৌঁছেছেন। তাঁকে এ ব্যাপারে প্রতিবেদন আজকালের মধ্যে দিতে বলা হয়েছে।

অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিন্টু বিকাশ চাকমা বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ, আনসার ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে টাস্কফোর্সের অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ অভিযানের সময় মাদকসহ আরিফুল ইসলাম রিগানকে আটক করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের সামনে সে দোষ স্বীকার করায় এক বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

মোস্তারিমার অভিযোগ, ‘কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন তাঁর নিজ নামে একটি পুকুর করেছিলেন। আরিফুল এ বিষয়ে রিপোর্ট করেছিলেন। এ ছাড়া সম্প্রতি একটি নিয়োগে অনিয়ম নিয়ে ডিসির বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলেন। এ সবই তাঁর কাল হয়েছে।’

তবে মোস্তারিমার স্ত্রীর এসব অভিযোগ অস্বীকার করে কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন বলেছেন, ‘আমার নামে কোনা পুকুরের নামকরন হয়নি। এক বছর আগে এমন প্রতিবেদন করেছিলেন আরিফুল। এ জন্য তিনি ক্ষমাও চেয়েছেন। ওটা বিষয় না।’

জেলা প্রশাসক পারভীন সুলতানা বলেন, ‘অ্যাজ ইউজুয়াল টাস্ক ফোর্স অভিযানে গেছে। মাদকদ্রব নিয়ন্ত্রণ অফিসের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে আমার একজন ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশের কয়েকজন ফোর্স, ব্যাটালিয়ান আনসারের পাঁচজন আর মাদকদ্রবের তিনজন ছিলেন। তাদের কাছে লিখিত অভিযোগ ছিল। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই অভিযান হয়। মাদক দ্রব্যই আমাদের কাছে ম্যাজিস্ট্রেট চেয়েছিল।’

তবে আজ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কুড়িগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আবু জাফর বলেছেন, তিনি এলাকায় ছিলেন না। শনিবার দুপুরে কার্যালয়ের পরিদর্শক জাহিদ সাহেব তাঁকে জানিয়েছেন, রাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের অভিযানের কথা বলে নিয়ে যাওয়া হয়।’

আবু জাফরের এই বক্তব্য জেলা প্রশাসককে জানালো হলে তিনি বলেন, ‘মাদকদ্রব্য কার্যালয়ের পক্ষ থেকেই চাওয়া হয়েছিল। তারপর এরা (ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা) বলেছে যে, যাওয়া যাবে। অবশ্য আমি তো কাল ছিলামও না, আমি রৌমারিতে ছিলাম।’

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, তাঁরা বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য রংপুরের বিভাগীয় কমিশনারকে বলেছেন।। আজকালের মধ্যে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামও বলেছেন, বিভাগীয় কমিশনারকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। সেখান থেকে অতিরিক্ত কমিশনারকে ঘটনাস্থলে পাঠানোও হয়েছে।

আরিফের স্ত্রী মোস্তারিমা শুক্রবার রাতের ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, শুক্রবার দিবাগত রাতে ঘুমোনোর আয়োজন চলছে, সেই সময়ে দরজায় আঘাত। কে ডাকছে, এ প্রশ্ন কোনো সাড়া নেই। সন্দেহ তাই বাড়ে। আরিফুল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে ফোন দেওয়ার যখন চেষ্টা করেছেন, তখনই হুড়মুড় করে দরহজা ভেঙে সাত থেকে আটজনের একটি দল ঢুকে পড়ে। তাদের মধ্যে তিনজন জাপটে ধরে আরিফুলকে পেটাতে থাকে। আমাকেও মারার উপক্রম করে, গালিগালাজ চলতে থাকে। একজন আরিফুলকে বলে, ‘তুই খুব জ্বালাচ্ছিস।’

মোস্তারিমা বলেন, শুক্রবারের অভিযানে অন্তত ৪০ জন ছিল। আজ শনিবার জেলা প্রশাসকের অফিসে তাদের ডাকা হয়। পরিবারের কয়েকজনকে সঙ্গে করে নিয়ে যান তিনি। মোস্তারিমার অভিযোগ, সেখানে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার নাজিমউদ্দিন বলেন, ‘পানিতে থেকে কুমিরের সঙ্গে বিবাদ করবেন না।’ তবে নাজিম উদ্দিন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে প্রথম আলোকে বলেন, ‘উনি আমার সম্পর্কে না, অন্য কারও কথা হয়তো বলেছেন। আমি এ ধরণের কথা বলিনি।’

বাংলা ট্রিবিউন ডটকমের প্রধান প্রতিবেদক উদিসা ইমন বলেন, তারা বিষয়টি আইনমন্ত্রী ও যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। আজ শনিবার বন্ধের দিন থাকায় আইনি পদক্ষেপ দিতে পারেননি। আরিফুল ইসলামের জন্য তারা প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপে যাবেন।

চোখ বেঁধে বিবস্ত্র করে পেটানো হয়’

বাংলা ট্রিবিউনের কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি আরিফুল ইসলাম রিগ্যানকে শুক্রবার (১৩ মার্চ) গভীর রাতে বাসার গেট ও ঘরের দরজা ভেঙে ঢুকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে চোখ বেঁধে বিবস্ত্র করে নির্যাতন করা হয়েছে। সে নির্যাতনের ঘটনার পুরো দৃশ্য ভিডিও করে একজন।  শনিবার (১৪ মার্চ) কুড়িগ্রাম কারাগারে আটক আরিফের সঙ্গে দেখা করতে গেলে স্ত্রী মোস্তারিমা সরদার নিতুর কাছে এসব অভিযোগ করেছেন তিনি (আরিফ)। এসময় রাতের ঘটনায় নেতৃত্ব দানকারী কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের আরডিসি (সিনিয়র সহকারী কমিশনার-রাজস্ব) নাজিম উদ্দিনকে চিনে ফেলেন নিতু। তিনি সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, আরডিসি নাজিম উদ্দিনই তার বাসায় হামলার নেতৃত্ব দিয়েছেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে কুড়িগ্রাম কারাগারে সাংবাদিক আরিফুল ইসলামের সঙ্গে দেখা করতে যান তার স্ত্রী মোস্তারিমা সরদার নিতু। সেখানে আরিফুল ইসলাম স্ত্রীকে জানান, মধ্যরাতে তাকে বাসা থেকে জোর করে তুলে আনার পথে জেলা প্রশাসক কার্যালয় পর্যন্ত লাথি-থাপ্পর, ঘুষি মারতে মারতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে প্রথমে তার দুই চোখ কাপড় দিয়ে বেঁধে ফেলা হয়। এরপর প্যান্ট ও গেঞ্জি খুলে তাকে বিবস্ত্র করে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। এসব দৃশ্য ভিডিও করা হয় বলে জানিয়েছেন আরিফুল। তিনি আরও জানান, যারা তাকে নির্যাতন করেছে, তারা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কর্মকর্তা। তাদের দেখতে না পারলেও তাদের সবার গলার স্বর তার মনে আছে।

মোস্তারিমা সরদার নিতু আরও জানান, ‘আমার স্বামী খুবই অসুস্থ। সে ঠিকমতো দাঁড়াতে পারছে না। আমাদের সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলার মতো শক্তি ছিল না তার।’

তিনি আরও জানান, ‘শুক্রবার রাতের অভিযানে আরডিসি নাজিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। তাকে চিনতে পেরে সকাল ১০টার দিকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে গিয়ে ওই কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করি। ওই সময় ওই কর্মকর্তা আমাকে জানান, আমার স্বামী মাদকসেবী, এটা তাদের কাছে প্রমাণ আছে। আমি এর প্রমাণ দাবি করলে তিনি তড়িঘড়ি করে চেয়ার থেকে উঠে চলে যান।’আরডিসি নাজিম উদ্দিন অভিযানে থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি গতরাতে ওয়ার্ক স্টেশনে ছিলাম না।’

সাংবাদিক আরিফকে নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিএফইউজে ও ডিইউজের প্রতিবাদ

সম্প্রতি দেশব্যাপী সাংবাদিক সমাজের ওপর অব্যাহত হামলা-মামলা ও হয়রানি-নির্যাতনে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে)ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)। সংগঠন দুটি বলেছে, ‘কুড়িগ্রামের সাংবাদিক আরিফুল ইসলামকে মধ্যরাতে বাসভবন থেকে একটি মহল তুলে নিয়ে যাওয়ায় সাংবাদিকদের মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করেছে।’
শনিবার (১৪ মার্চ ২০২০) বিএফইউজে সভাপতি মোল্লা জালাল, মহাসচিব শাবান মাহমুদ, ডিইউজে সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু এক যৌথ বিবৃতিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে বিএফইউজে ও ডিইউজের নেতারা বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী ও রিপোর্টার আল-আমীনের মামলা সাংবাদিক সমাজের কাছে কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রকাশিত রিপোর্টে কারও নাম না থাকলেও মানবজমিন সম্পাদক ও রিপোর্টারের বিরুদ্ধে মামলা বাক-স্বাধীনতা তথা সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপের শামিল। এছাড়া বেশ কয়েকদিন যাবৎ সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজল নিখোঁজ থাকলেও তার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনও বক্তব্য না পাওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে সাংবাদিক সমাজ।’

সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে বিএফইউজে ও ডিইউজের বিবৃতি

বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, ‘এসব ঘটনার মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সরকারের সঙ্গে সাংবাদিক সমাজের দ্বন্দ্ব তৈরি করার অপচেষ্টা করছে সংশ্লিষ্ট মহলগুলো। এসব ঘটনার মাধ্যমে বাক-স্বাধীনতার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি বারবার ব্যাহত করার চক্রান্তে ব্যস্ত নানা চিহ্নিত মহল।’

নেতারা এ ধরনের অপচেষ্টাকারীদের সতর্ক করে দিয়ে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা দাবি করেন। তা না হলে চিহ্নিত এ মহলের মুখোশ উন্মোচনে কঠোর আন্দোলন করা হবে বলেন তারা।

কুড়িগ্রামে সাংবাদিক আরিফের মুক্তি চেয়ে মানববন্ধন, আল্টিমেটাম

 কুড়িগ্রামে বাংলা ট্রিবিউনের জেলা প্রতিনিধি আরিফুল ইসলামের মুক্তির দাবিতে সাংবাদিকরা মানববন্ধন করেছে।

শনিবার দুপুরে শহরের শাপলা চত্ত্বর এলাকায় এ মানববন্ধন হয়।

ওই মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন: কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান বিপ্লব, দৈনিক কুড়িগ্রাম খবরের সাংবাদিক এসএম ছানালাল বকসী, কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শ্যামল ভৌমিকসহ অন্যান্য সাংবাদিকরা।

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তার বিরুদ্ধে আনা সব মিথ্যা অভিযোগ প্রত্যাহার করে মুক্তি না দিলে বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দেন সাংবাদিকরা।

এর আগে শুক্রবার মধ্যরাতে বাড়িতে হানা দিয়ে অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি আরিফুল ইসলামকে তুলে নিয়ে এসে মোবাইল কোর্টে ১ বছরের জেল দেয় জেলা প্রশাসন।

শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার পর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিন্টু বিকাশ চাকমার নেতৃত্বে কয়েকজন ম্যাজিস্ট্রেট আনসার সদস্যদের নিয়ে তার শহরের চড়য়া পাড়ার বাড়িতে যায়। একপর্যায়ে দরজা ভেঙে তার ঘরে প্রবেশ করে তার স্ত্রী-সন্তানের সামনেই তাকে মারধর করে ধরে নিয়ে আসে বলে জানায় তার পরিবার।

পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তার বাসায় আধা বোতল মদ ও দেড়শ গ্রাম গাঁজা রাখার অভিযোগে তাকে ১ বছরের কারাদণ্ড দেয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

আরিফুল ইসলামের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন: জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে অনিয়মের সংবাদ পরিবেশন ও ফেসবুকে লেখার কারনে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছেন।

202 ভিউ

Posted ৭:২১ অপরাহ্ণ | শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২০

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com