বুধবার ২১শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

বুধবার ২১শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

বিএনপির আন্তর্জাতিক মহলে দৌড়ঝাঁপ : চাপ নেই আ.লীগের ওপর

রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
158 ভিউ
বিএনপির আন্তর্জাতিক মহলে দৌড়ঝাঁপ : চাপ নেই আ.লীগের ওপর

কক্সবাংলা ডটকম(১০ ফেব্রুয়ারি) :: দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত হয়ে কারাগারে যাওয়ায় অনেকটা দিশেহারা বিএনপি। এই চরম সংকটময় মুহূর্তে খালেদার মুক্তি এবং নির্দলীয় সহায়ক সরকারের অধীনে আগামী সংসদ নির্বাচনের দাবি আদায়ের জন্য আন্তর্জাতিক মহলে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে বিএনপি।

অন্যদিকে খালেদা জিয়ার শাস্তি ইস্যুতে এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক কোনও চাপের মুখে পড়তে হয়নি সরকারকে। খালেদা জিয়া তিনদিন কারাবন্দি থাকার পরও এই ইস্যুতে জাতিসংঘের মহাসচিবের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি ছাড়া এখন পর্যন্ত ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ বা সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক কোনও চাপ আসেনি বলে জানিয়েছেন দলটির নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা।

আর বিএনপি খালেদা জিয়ার শাস্তি ইস্যুতে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের কাছে ধরনা দিচ্ছেন দলটির শীর্ষ নেতারা। বিশেষ করে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা হওয়ার পর এ তৎপরতা বেড়েছে। বিএনপির আন্তর্জাতিক সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত শীর্ষনেতারা বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে কটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করছেন।

তারা বাংলাদেশের রাজনীতিসহ সার্বিক পরিস্থিতি কূটনীতিকদের সামনে তুলে ধরছেন। রাজনৈতিক এবং আইনগত পদক্ষেপের পাশাপাশি কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে খালেদা জিয়ার জামিন এবং আপিল প্রক্রিয়া দ্রুত করার চেষ্টা চালাচ্ছে দলটি।

এছাড়া বিদেশে অবস্থানরত বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ রাজনীতিবিদ এবং বিভিন্ন দেশে দলটির প্রবাসী শাখার নেতারাও এ লক্ষ্যে জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, দলের পক্ষে কাজ করা দক্ষ কূটনীতিক রিয়াজ রহমানের ওপর ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে হামলার পর বিএনপির কূটনৈতিক উইংয়ে বড় ধরনের ধাক্কা লাগে। এরপর গ্রেপ্তার হন দলের আরেক কূটনীতিক শমসের মবিন চৌধুরী। একপর্যায়ে তিনি দল ছাড়লে ক‚টনৈতিক উইংয়ে শূন্যতা সৃষ্টি হয়।

২০১৬ সালের মাঝামাঝি গ্রেপ্তার হন শফিক রেহমান। কারামুক্ত হওয়ার পর থেকে তিনি বিশ্রামে রয়েছেন। আরেক কূটনীতিক নেতা সাবিহ উদ্দিন আহমেদের গাড়ি গুলশানে জ্বালিয়ে দেয়ার পর তিনিও এখন অনেক সতর্ক। এভাবেই ভেঙে পড়ে বিএনপির কূটনৈতিক উইং।

এ পরিস্থিতিতে গোপনীয়তা রক্ষা করে বিএনপির পররাষ্ট্রবিষয়ক অ্যাডভাইজরি কমিটি ঢেলে সাজানো হয়। কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেয়া হয় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে।

তার নেতৃত্বে দলটির আন্তর্জাতিক সেলে কাজ করছেন অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আওয়াল মিন্টু, সাবিহ উদ্দিন আহমেদ, বিশেষ সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, আন্তর্জাতিক সম্পাদক এহছানুল হক মিলন, মাহিদুর রহমান, ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম, ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, কেন্দ্রীয় নেতা তাবিথ আওয়াল, এডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার, সহআন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, নজরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, এডভোকেট ফাহিমা নাসরিন মুন্নী ও ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

সূত্র জানায়, উন্নয়ন সহযোগিতায় বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর কূটনীতিকদের সঙ্গে বেশি যোাগযোগ করছে বিএনপি।

বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মধ্যপ্রাচ্যসহ শক্তিধর দেশগুলোর কূটনীতিকদের বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে দলটি।

অন্যদিকে ওইসব দেশে অবস্থানরত বিএনপির প্রবাসী নেতারা দেশের প্রভাবশালী রাজনীতিবিদরে সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। সে দেশের সরকারের সামনে তারা বাংলাদেশের সার্বিক অবস্থা তুলে ধরছেন।

সূত্র জানায়, নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সহায়ক সরকারের অধীনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবি আদায়ের জন্য আন্তর্জাতিক জনমত নিজেদের পক্ষে নেয়ার জন্য স্বাভাবিক গতিতে কাজ করছিল বিএনপির আন্তর্জাতিক সেল। এর মধ্যে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ৫ বছরের সাজা হওয়ার পর নতুন মিশন শুরু করেছে দলটি।

এ মিশনের অংশ হিসেবে ঢাকায় অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক এবং বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং করে দেশের রাজনৈতিক এবং খালেদা জিয়ার মামলার বিষয়ে অবহিত করছে।

এছাড়া ১০০টি দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার এবং ২০টি বিদেশি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে চিঠির মাধ্যমে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি অবহিত করেছে বিএনপি।

বিদেশিদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পাশাপাশি সাংগঠনিক কৌশলের অংশ হিসেবে ব্যক্তিগতভাবে কূটনীতিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন বিএনপির নেতারা।

ঘরোয়া পার্টি, ব্যক্তিগত আড্ডায় কূটনীতিকদের আমন্ত্রণ জানিয়ে তারা আওয়ামী লীগ সরকারকে ‘গণতন্ত্রবিরোধী’ হিসেবে উপস্থাপন করছেন। পাশাপাশি আইন অনুযায়ী খালেদা জিয়ার জামিন এবং দণ্ডাদেশ স্থগিতের পথে সরকার যেন কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে না পারে সে জন্য সহযোগিতা চাচ্ছেন।

সূত্র জানায়, বিএনপির আন্তর্জাতিক কোরের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা প্রতিদিনই কূটনীতিকদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করছেন। গত শুক্রবার রাজধানী ঢাকার অন্তত তিনটি স্থানে একাধিক দেশের ক‚টনীতিকের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজনসহ তিনজন নেতা।

গুলশানের একটি অভিজাত হোটেলে ৯ দেশের কূটনীতিকের সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেন সাবেক মন্ত্রী বর্তমানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য। উত্তরার একটি হোটেলে কয়েকটি দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন দলটির একজন আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক। গুলশানে নিজের বাসায় ৫ দেশের কূটনীতিকের সঙ্গে বৈঠক করেন বিএনপির আরেক নেতা।

সূত্র জানায়, ক‚টনৈতিক তৎপরতা জোরদার করার অংশ হিসেবে বিএনপি ভারতের সঙ্গেও নতুন করে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করছে। এ জন্য ২০ দলীয় জোটের শরিক জামায়াতে ইসলামের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখছে দলটি।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সৌদি আরব, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের বিএনপির প্রবাসী নেতারা ওই সব দেশের রাজনীতিবিদদের সঙ্গে লবিং করে সুবিধা আদায়ের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

কূটনীতিকদের সঙ্গে যোগাযোগে ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছে বিএনপি। দলটির একাধিক নেতা জানিয়েছেন, বিদেশি কূটনীতিকরা আগামীতে বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চান। এ লক্ষ্যে তারা কাজ করছেন। খালেদা জিয়ার সাজা পরবর্তী সরকারের কার্যক্রম এবং সব দলের অংশগ্রহণে যাতে একাদশ সংসদ নির্বাচন নিরপেক্ষ হয় সে জন্যও তারা সুপারিশ তৈরি করছেন।

আন্তর্জাতিক চাপ নেই আ.লীগের ওপর

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শাস্তি ইস্যুতে এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক কোনও চাপের মুখে পড়তে হয়নি সরকারকে। খালেদা জিয়া তিনদিন কারাবন্দি থাকার পরও এই ইস্যুতে জাতিসংঘের মহাসচিবের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি ছাড়া এখন পর্যন্ত ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ বা সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক কোনও চাপ আসেনি বলে জানিয়েছেন দলটির নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা।

এছাড়া ঢাকা সফররত যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসনও বিষয়টি নিয়ে কোনও মহলে আলোচনা তোলেননি বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। তারা জানিয়েছেন, বিদেশি শক্তিগুলোর সমালোচনার মুখোমুখি পড়তে পারে, এমন ধারণা থেকে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়  প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রেখেছিল।

দেশের প্রচলিত আইনে তহবিল তসরুপের অভিযোগে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দায়ের করা মামলায় আদালত খালেদা জিয়াকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। এখানে সরকারের কোনও সম্পৃক্ততা নেই। এমন জবাবই তৈরি করা হয়েছিল সরকারের পক্ষ থেকে। তবে সেই জবাব এখন পর্যন্ত কেউকে দেওয়ার প্রয়োজন পড়েনি।  বিদেশি মহলে জবাব দেওয়ার প্রয়োজন হলেই এই জবাব দেওয়া হবে বলেও জানান আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা।

দলটির নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা বলছেন, এই ইস্যুতে বিদেশি গণমাধ্যমগুলো যে সংবাদ পরিবেশন করেছে, তা সরকারের জন্যে ইতিবাচক হয়েছে। বিদেশি গণমাধ্যম কোনও নেতিবাচক সংবাদ পরিবেশন করেনি। তবে বিএনপি সরকারকে বিদেশি চাপে ফেলার চেষ্টা করেছে বলেও অভিযোগ করেন ক্ষমতাসী দলের নেতারা।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারক খান বলেন, ‘এই ইস্যুতে আন্তর্জাতিকভাবে কোনও চাপ নেই দল কিংবা সরকারের ওপর।’ তিনি বলেন, ‘আমি পৃথিবীর অন্তত দশটি সংবাদ মাধ্যম দেখেছি, এই নিয়ে কোনও নেতিবাচক সংবাদ বা সরকারের ওপর দোষারোপ করে কোনও সংবাদ পরিবেশন করা হয়নি।’

ফারুক খান বলেন, ‘বিদেশি কোনও শক্তির নেতার ফোন ও বক্তব্যও দেখা যায়নি।’ তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার দণ্ড হয়েছে দেশের প্রচলিত আইনে, এটি স্পষ্ট।’

জানতে চাইলে দলটির সভাপতিমণ্ডলীর আরেক সদস্য কাজী জাফরউল্যাহ বলেন, ‘বিষয়টি রাজনৈতিক ছিল না। এটা আইন আদালতের ব্যাপার। প্রচলিত আইনে দীর্ঘ সময় নিয়ে বিচার হয়েছে। এরপর খালেদা জিয়াকে দণ্ড দিয়েছেন আদালত। এখানে চাপ সৃষ্টির কিছু নেই বলেই কোনও বিদেশি চাপ সরকারের ওপর ছিল না।’ তিনি বলেন, ‘বিদেশি চাপ আসার কোনও কারণ তারা পায়নি বলে দেয়নি।’

আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ বলেন, ‘‘খালেদা জিয়ার দণ্ড আদালতের বিষয়, আদালত তথ্য-প্রমাণ দেখে রায় দিয়েছে। এখানে সরকারের কিছুই করার ছিল না। এটা বিদেশিরা জানে, মামলায় সরকারের পক্ষ থেকে ‘ইনজাস্টিস’ হয়নি। তাই তাদের প্রতিক্রিয়া নেই।’’ তিনি বলেন, ‘বিএনপি বিদেশিদের কাছে ধন্য দিয়েছে, কিন্তু সুবিধা আদায় করতে পারেনি।’

 

 

 

 

উল্লেখ্য, দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে এ মামলার অপর আসামি তার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ বাকি পাঁচজনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে এবং এর পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। রায়ের পর খালেদা জিয়াকে রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাকে সেখানেই রাখা হবে। আর তারেক রহমান সাজাপ্রাপ্ত পলাতক হিসেবে বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করছেন।

158 ভিউ

Posted ২:১২ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com