বুধবার ২৮শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

বুধবার ২৮শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

বিশ্বে করোনা-আক্রান্তে মৃত ৭০ হাজারেরও বেশি : বরিস জনসনের স্বাস্থ্যের অবনতি

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২০
70 ভিউ
বিশ্বে করোনা-আক্রান্তে মৃত ৭০ হাজারেরও বেশি : বরিস জনসনের স্বাস্থ্যের অবনতি

কক্সবাংলা ডটকম(৬ এপ্রিল) :: কোনও ভাবেই রাশ টানা যাচ্ছে না করোনা আক্রান্তের সংখ্যায়। জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গোটা বিশ্বে ইতিমধ্যে আক্রান্ত ১২ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। মোট আক্রান্ত ১২ লক্ষ ৮৯ হাজার ৩৮০। মৃত্যু হয়েছে ৭০ হাজার ৫৯০ জনের।

আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে শীর্ষস্থানে রয়েছে আমেরিকা। প্রতি মুহূর্তে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। সেখানে মোট আক্রান্ত ৩ লক্ষ ৩৭ হাজার ৯৩৩ জন। মৃত্যুর সংখ্যা সাড়ে ৯ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে।

আমেরিকার পরেই রয়েছে স্পেন। এই প্রথম আক্রান্তের সংখ্যায় ইটালিকে টপকে গেল তারা। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ৩৫ হাজার ৩২। তবে আশার আলো এই যে, গত রাত থেকে মৃত্যুর সংখ্যা খুব একটা বাড়েনি। এর পরেই রয়েছে ইটালি (১ লক্ষ ২৮ হাজার ৯৪৮ জন)। জার্মানিতে আক্রান্তের সংখ্যা এক লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। অন্য দিকে, ফ্রান্সে আক্রান্ত ৯৩ হাজার ৭৮০।

মৃত্যুর নিরিখে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি ইটালিতে। সেখানে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ১৬ হাজারের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। তার পরেই রয়েছে স্পেন। সেখানেও হু হু করে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। প্রায় সাড়ে ১২ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে সেখানে। তৃতীয় স্থানে রয়েছে ফ্রান্স। সেখানে মৃতের সংখ্যা ৮ হাজার ছাড়িয়েছে। বিশ্ব জুড়ে করোনার এই তাণ্ডবের মধ্যেই অবশ্য আশার আলো দেখা যাচ্ছে। আড়াই লক্ষেরও বেশি মানুষ করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

এদিকে ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আমেরিকায় মৃত্যু হয়েছে আরও ১২০০ জনের। যা চিন্তার ভাঁজ বাড়াচ্ছে ট্রাম্পের কপালে। জন হপকিন্স-এর তথ্য অনুসারে শেষ ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ১২০০ জনের।

চিন, ইউরোপ, ইরানের পর ভাইরাসের যুদ্ধক্ষেত্র এখন ট্রাম্পের দেশ আমেরিকা। মারণ করোনার দাপটে এখনও পর‍্যন্ত মার্কিন মুলুকে প্রায় ৭ হাজার লোক মারা গিয়েছেন। প্রতিদিনই মৃত্যু মিছিল অব্যাহত ট্রাম্পের দেশে।

জানা গিয়েছে, মারণ করোনা গত বছর ডিসেম্বর মাসের শেষদিকে চিনের উহান প্রদেশে প্রথম ছড়িয়ে পড়েছিলো। আর সেই সময় উহান প্রদেশ সহ চিনের বিভিন্ন অংশ থেকে প্রায় ৪ লক্ষ ৩০ হাজার মার্কিন নাগরিক বিমানে করে আমেরিকা এসেছিলেন। ফলে চিন সেই সময় ভাইরাস সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য চেপে যাওয়ায় এই ৪ লক্ষ ৩০ হাজার মার্কিন নাগরিকদের কোনও রকম পরীক্ষা নিরিক্ষা ছাড়াই দেশে প্রবেশ করানো হয়েছে। ফলে এমন অবস্থায় গভীর সংকটে ট্রাম্পের দেশ আমেরিকা।

রবিবার আমেরিকার নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত তথ্যে নতুন এই খবর জানা গিয়েছে।

বরিস জনসনের স্বাস্থ্যের অবনতি?

১০ দিন ধরে করোনাভাইরাসজনিত সংক্রমণে ভোগার পর রবিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। ছোটখাটো কিছু স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে ডাউনিং স্ট্রিটের পক্ষ থেকে দাবি করা হলেও ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান দিয়েছে ভিন্ন আভাস। যুক্তরাজ্যের বর্তমান করোনা পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে গার্ডিয়ান দাবি করেছে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যের অবনতি হয়েছে। ভাইরাসজনিত সংক্রমণ না বাড়লে কিংবা চিকিৎসকরা ‍উদ্বেগ প্রকাশ না করলে এ মুহূর্তে বরিস হাসপাতালে ভর্তি হতেন না।

বরিস জনসন

দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাজ্যে কোভিড-১৯ এ আক্রান্তদের মধ্যে যারা সুস্থ হয়েছেন তাদের বেশিরভাগেরই সময় লেগেছে এক সপ্তাহ। এমনকি পরীক্ষা না করালে অনেকে হয়তো বুঝতেই পারতেন না যে তাদের করোনা হয়েছে। করোনার লক্ষণ দেখা গেলে বাড়িতে থাকতে, বিশ্রাম নিতে ও প্যারাসিটামল খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ৮০ ভাগের ক্ষেত্রে এ প্রক্রিয়াতেই সংক্রমণ সেরে যেতে দেখা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বাস্থ্য দফতরের পরামর্শ হলো, সপ্তাহ শেষে যদি শুষ্ক কাশি, শরীরের তাপমাত্রা, অবসাদ ভাব না যায় কিংবা সেগুলো আরও বেড়ে যায় তবে আক্রান্তদের চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। সুস্বাস্থ্যের অধিকারী এবঙ উচ্চ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন মানুষেরা আক্রান্ত হওয়ার প্রথম সপ্তাহেই ভাইরাসকে মোকাবিলা করতে সক্ষম হন। বিপত্তি তৈরি হয় অসুস্থতা দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়ানো মানুষদের ক্ষেত্রে। এসময়ে আক্রান্তের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভাইরাসটির প্রতি অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং এতে নিজের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গই আঘাতপ্রাপ্ত হয়। আর তাই গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তিরা এক্ষেত্রে অঙ্গ প্রত্যঙ্গের অকার্যকারিতার কারণে মারা যান।

দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী যে সময়ে আক্রান্ত হয়েছেন সে সময়েই আক্রান্ত হয়েছিলেন ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক। তবে হ্যানকক এক সপ্তাহের মাথায় সুস্থ হয়ে গেলেও সুস্থ হতে পারেননি বরিস জনসন।  ফুসফুস ও রক্ত পরীক্ষাসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি। ডাউনিং স্ট্রিট জানিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাকে সেখানে চিকিৎসার জন্য একরাত থাকতে হতে পারে। এটিকে রুটিন চেকআপ ও সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছে ডাউনিং স্ট্রিট। তবে গার্ডিয়ান বলছে, হাসপাতালে এখন যে ধরনের চাপ, তাতে ছোটখাটো সমস্যার জন্য বরিস হাসপাতালে ভর্তি হতেন না। ছোটখাটো পরীক্ষা ডাউনিং স্ট্রিটে বসেই করানো যেতো।

ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট ফর হেলথ এন্ড কেয়ার এক্সসিলেন্স এর শুরুর দিকের গাইডলাইন অনুযায়ী যে লক্ষণগুলি দেখলে রোগীদেরকে হাসপাতালে পাঠানোর জন্য চিকিৎসকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল-

বিশ্রামে থাকা অবস্থাতেও ঘন ঘন নি:শ্বাস বা তীব্র শ্বাসকষ্ট

কাশির সঙ্গে রক্ত যাওয়া

ঠোঁট বা মুখ নীল হয়ে যাওয়া

শীত শীত ভাব লাগা, গায়ের চামড়া ফ্যাকাসে হওয়া

পড়ে যাওয়া কিংবা জ্ঞান হারিয়ে ফেলা

প্রস্রাব কম হওয়া বা না হওয়া

70 ভিউ

Posted ১০:৫৯ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২০

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com