বুধবার ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

বুধবার ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

বাংলাদেশ-ভারতের ‘সোনালি অধ্যায়’ রচনা চলমান রয়েছে

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২০
16 ভিউ
বাংলাদেশ-ভারতের ‘সোনালি অধ্যায়’ রচনা চলমান রয়েছে

কক্সবাংলা ডটকম(২৭ জুলাই) :: ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. জয়শঙ্কর বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রগতিশীল দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে আমাদের দুই দেশের সম্পর্কের ‘সোনালি অধ্যায়’ রচনা চলমান রয়েছে। বিশ্বের খুব কম দেশের মধ্যেই আমাদের মতো ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের অংশীদারিত্ব এই অঞ্চলে সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের ক্ষেত্রে আদর্শ হিসেবে বিবেচিত। বিশ্বাসের ভিত্তিতে এই সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।

২৭ জুলাই বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ১০টি লোকোমোটিভ হস্তান্তর উপলক্ষে আয়োজিত ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে তিনি এসব বলেন। জয়শঙ্কর বলেন, বাংলাদেশ-ভারত ক্রমবর্ধমান বহুমুখী সহযোগিতার মধ্যে রয়েছে পর্যটন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সুরক্ষা, শক্তি, সংস্কৃতি এবং পরমাণু বিজ্ঞানের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি, মহাকাশ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং মানুষে মানুষে শক্তিশালী সম্পর্ক। বাংলাদেশ গত কয়েক বছরে অবিশ্বাস্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে এবং সব আর্থ-সামাজিক সূচকে নতুন মানদন্ড স্থাপন করেছে। ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং প্রতিবেশী হিসেবে, বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধিতে ভারত আনন্দিত।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কভিড-১৯ মহামারীর প্রাদুর্ভাব বিশ্বকে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে, বিশেষ করে আমাদের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথেও নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে। ভারত এই জটিল সময় মোকাবিলায় বাংলাদেশের জনগণকে সহযোগিতা করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

কভিড মহামারী আমাদের সামগ্রিক সহযোগিতার গতি স্তিমিত করতে পারেনি। মহামারীর কারণে পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থার প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করার লক্ষ্যে আমাদের উদ্ভাবনী সমাধান বের করতে হয়েছে। চট্টগ্রাম হয়ে কলকাতা থেকে আগরতলা পর্যন্ত কনটেইনার কার্গো পরীক্ষামূলক পরিচালনার সফল সমাপ্তি প্রকৃতপক্ষে একটি যুগান্তকারী উন্নয়ন, কারণ এটি কেবল আমাদের ঐতিহ্যবাহী নৌপথ সংযোগকেই পুনরায় প্রাণবন্ত করে তোলেনি বরং পারস্পরিক অর্থনৈতিক সুবিধাও বয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারত বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উন্নয়নের অংশীদার। ভারত বিশ্বের যে কোনো দেশের প্রতি যে ঋণ সহায়তা দিয়ে থাকে, তার মধ্যে সর্বোচ্চ হচ্ছে বাংলাদেশকে প্রদত্ত ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের কাছাকাছি অনন্য হ্রাসকৃত ঋণ সুবিধা। এই প্রকল্পগুলো বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে সহায়তা করবে, যা পরবর্তীস্তরের অর্থনৈতিক উল্লম্ফনের জন্য অত্যাবশ্যক। চলমান এই প্রকল্পগুলোকে ত্বরান্বিত করতে আমাদের একসঙ্গে কাজ করা দরকার। সমৃদ্ধি ও বিকাশের বন্ধু হিসেবে, আমরা একত্রে কিছু প্রতিবন্ধকতারও মুখোমুখি হয়েছি।

আমি তাই দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, আমাদের অংশীদারিত্ব একটি সমৃদ্ধ এবং শান্তিপূর্ণ দক্ষিণ এশিয়া গড়ার মূল চাবিকাঠি হবে। দুই দেশের অংশীদারিত্ব প্রকৃতপক্ষেই অনুকরণীয় হয়ে উঠুক এবং আমাদের বন্ধুত্বের বন্ধনকে আরও জোরদার করুক। এই ঐতিহাসিক মুজিববর্ষে এটি হবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন।

ভারতের দেওয়া ১০টি রেল ইঞ্জিন উপহার পেল বাংলাদেশ রেলওয়ে

ভারত সরকারের অনুদান হিসেবে দেওয়া ১০টি লোকোমোটিভ পেয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। সোমবার (২৭ জুলাই) দুপরে রেল ভবনের সম্মেলন কক্ষে এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে লোকোমোটিভগুলো হস্তান্তর করা হয়।

রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকর, ভারতীয় রেল, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী পিয়ুস গয়াল বক্তব্য দেন।

লপথ মন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, অব্যাহত যাত্রীবাহী ট্রেনের চাহিদা বৃদ্ধির কারণে নতুন অনেকগুলো কোচ আমদানি করা হয়। পাশাপাশি ভারতীয় পণ্য পরিবহনের জন্য ভারত থেকে লোকোমোটিভ আনার বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করা হয়। ২০১৯ সালের আগস্ট মাসে সরকারিভাবে ভারত সফরের সময় উভয় দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে লোকোমোটিভ সরবরাহের বিষয়ে আলোচনা হয়।

এছাড়া একই সালের অক্টোবরে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে যৌথ বিবৃতির (প্যারা-২৭) আলোকে ভারতীয় রেলওয়ে বাংলাদেশ রেলওয়েকে ১০টি লোকোমোটিভ অনুদান হিসেবে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

টেকনিক্যাল বিষয়ের শর্তাবলীসহ (রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচালন) অন্যান্য বিষয়গুলো উভয় দেশের রেল কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে নির্ধারণ করার পর সোমবার হস্তান্তরের তারিখ নির্ধারিত হয়। এটি বাংলাদেশের দর্শনা এবং ভারতের গেদে পয়েন্ট দ্বারা বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

এ লোকোমোটিভগুলো পাওয়ার ফলে বাংলাদেশ রেলওয়ের ইঞ্জিন চাহিদা কিছুটা কমবে এবং পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে অধিকসংখ্যক যাত্রীবাহী এবং মালবাহী ট্রেন চালানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, কানেক্টিভিটির মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি পায় বলে আমরা বিশ্বাস করি এবং এ জন্য সরকার জলপথ, স্থলপথ, রেলপথ ও আকাশপথে কানেক্টিভিটি বাড়াচ্ছে।

এ সময় সংসদ সদস্য ও রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য আসাদুজ্জামান নূর, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম রেজা, রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. শাসমুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

16 ভিউ

Posted ৮:৫১ অপরাহ্ণ | সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২০

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.