বৃহস্পতিবার ৬ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

বৃহস্পতিবার ৬ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

ভেঙে যাচ্ছে হেফাজত?

রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১
78 ভিউ
ভেঙে যাচ্ছে হেফাজত?

কক্সবাংলা ডটকম(১৮ এপ্রিল) :: বেশকিছুদিন ধরেই হেফাজতের ভাঙনের সুর শোনা যাচ্ছে। বিশেষ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে সারাদেশে তাণ্ডব চালানোর পরও সরকারের নীরব অবস্থান হেফাজতের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। হেফাজত চেয়েছিলো এই তাণ্ডবের জবাবে সরকার কঠোর অবস্থানে যাবে এবং তখন দেশের পরিস্থিতিতি অস্থিতিশীল হবে। কিন্তু সরকার তা না করে বরং পরিস্থিতি ঠান্ডা হওয়ার পর অ্যাকশনে যাচ্ছে।

আর এর অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে হেফাজতের অনেক নেতা গ্রেফতার হয়েছেন এবং গ্রেফতার আতঙ্কে রয়েছেন দলটির আমির জুনায়েদ বাবুনগরীও। আর সর্বশেষ হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও বেশ কিছুদিন ধরে গুঞ্জন চলছিলো। আর এই অ্যাকশনটা এমন একটা সময় হচ্ছে যখন দেশে লকডাউন চলছে।

হেফাজতের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন ধরেই হেফাজতের শীর্ষ নেতৃত্বের কর্মকাণ্ডে হেফাজত কর্মীরা অনেকটাই নাখোশ। একটা বিষয় পরিস্কার হয়েছে যে হেফাজত নেতারা নিজেদের রক্ষা করতে হেফাজতকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হচ্ছে না। বিশেষ করে হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক গ্রেফতার হওয়ার পর নতুন করে আলোচনা হচ্ছে হেফাজত ভাঙনের বিষয়ে।

এ ছাড়া হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতারের পর কারা কীভাবে নেতৃত্ব দেবেন সেসব বিষয়ে কোনো নির্দেশনা নেই। ফলে হেফাজতে তৃণমূল থেকে শীর্ষ পর্যায়ে পর্যন্ত ভাঙনের গুঞ্জন উঠেছে। যদিও এর জন্য অনেকে বাবুনগরী এবং মামুনুল হককে দায়ি করছেন।

বিশ্লেষকর বলছেন, হেফাজত আগে থেকেই কোনো রাজনৈতিক দূরদর্শিতা সম্পন্ন পরিকল্পনা করেনি। এরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দল কিংবা মৌলবাদী শক্তির পরামর্শে নিজেদের কর্মীদের দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার দিকে ধাবিত হতো। হেফাজতের মূল শক্তি হচ্ছে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। তাদেরকে মগজ ধোলাই করে তারা নিজেদের ফায়দা নিয়েছে। বিভিন্ন ভাবে সরকারের এবং বিরোধীদের সঙ্গে সখ্যতা করে সুযোগ সুবিধার নিতে ব্যস্ত ছিলো হেফাজতের শীর্ষ নেতৃত্ব।

বিশেষ করে হেফাজতের প্রয়াত আমির আল্লামা শাহ আহমেদ শফির মৃত্যুর পর থেকে হেফাজতে টালমাটাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং হেফাজত তার আদর্শচ্যুত হয়। এরপর থেকে নানাভাবে প্রভাবিত হয়ে হেফাজত সরকাবিরোধী এজেন্ডা নিয়ে সামনে আগায়। আর এ কারণেই এখন হেফাজতের এই দশা। জনমনে একটাই প্রশ্ন ঘুড়পাক খাচ্ছে তাহলে কি হেফাজত ভেঙে যাচ্ছে। তবে এই পরিস্থিতিতে হেফাজত কীভাবে নিজেদের শীর্ষ নেতাদের নিরপাদ রেখে তৃণমূলের কর্মীদের একত্রিত করে ধরে রাখাবে সেটাই দেখার বিষয়।

কৌশলের খেলায় সরকারের কাছে হেরে যাচ্ছে হেফাজত

কৌশলের খেলায় সরকারের কাছে হেরে যাচ্ছে হেফাজত

হেফাজতকে দমন করার জন্য সরকার ভিন্নমুখী কৌশল নিয়েছিল। আর এই কৌশলের খেলায় হেফাজত সরকারের কাছে এখন পর্যন্তও পরাজিত হয়েছে। তবে সরকারের দায়িত্বশীল নীতিনির্ধারক মনে করছেন যে, এখনো খেলা শেষ হয়ে যায়নি। হেফাজত পাল্টা আঘাত হানার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। সতর্ক থাকতে হবে সরকারকে। সরকার হেফাজতের ব্যাপারে প্রথম কৌশল নিয়েছিল তাদের সাথে একটা সমঝোতার নীতি গ্রহণ করে। তাদেরকে বলেছিল যে বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্য নিয়ে তারা যেন বাড়াবাড়ি না করে।

এজন্য সরকারের একাধিক মন্ত্রী এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা হেফাজতের সাথে বৈঠকও করেছিল। দ্বিতীয় দফায়ও সরকার সমঝোতার চেষ্টা করেছিল। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফর নিয়ে তারা যেন কোন উস্কানিমূলক পরিস্থিতি সৃষ্টি না করে সেজন্য তাদেরকে অনুরোধ জানিয়েছিল। হেফাজতও সেই সময়ে কথা রেখেছিল যে নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরে তারা কোন অশান্তি তৈরি করবে না কিন্তু বাস্তবে ঘটেছে উল্টো। এর পর থেকে সরকার হেফাজতের কৌশলেই হেফাজতকে পরাস্ত করার পরিকল্পনা নেয়। সেই পরিকল্পনা এখন পর্যন্ত সফল বাস্তবায়ন হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, হেফাজতকে ঘায়েল করার জন্য সরকার ত্রিমুখী কৌশল গ্রহণ করছে। প্রথমত, হেফাজতকে বিভক্ত করা। যেন হেফাজতের মধ্যে পরস্পর অবিশ্বাস, সন্দেহ তৈরি হয়। ফলে তারা যেন সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান গ্রহণ করতে না পারে। দ্বিতীয়ত, হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের ধীরে ধীরে গ্রেফতার করা। প্রথমদিকে হেফাজতের যারা শীর্ষ পদে নাই তাদেরকে গ্রেফতার করা অর্থাৎ যারা রাস্তায় তাণ্ডব করতে পারবে, বিভিন্ন রকম রাজনৈতিক অশান্তি তৈরি করতে পারবে তাদেরকে গ্রেফতার করে শীর্ষ নেতাদেরকে দুর্বল করা। পরে শীর্ষ নেতাদেরকে গ্রেফতার করা। তাহলে শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতারের কোন প্রতিবাদ হবে না। সেই ধারাবাহিকতায় এখন মামুনুল গ্রেফতার হয়েছেন, জুনায়েদ বাবুনগরী গ্রেফতারের অপেক্ষায় আছেন।

তৃতীয়ত, হেফাজতের বিরুদ্ধে একটি জনমত তৈরি করা এবং হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতারের পক্ষে একটি জাতীয় দাবি তৈরি করা। যেভাবে সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারে গণজাগরণ মঞ্চ তৈরি করেছিল। সেই ক্ষেত্রেও সরকার আগে সফল হয়েছে। ধর্মান্ধ মৌলবাদী গোষ্ঠী ছাড়া প্রায় সর্বস্তরের মানুষ এখন হেফাজতের এইসব দায়িত্বজ্ঞানহীন নেতাদের গ্রেফতারের দাবি করছেন। এর ফলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষের শক্তি ঐক্য হয়েছে।

অন্যদিকে সরকারের বিরুদ্ধে হেফাজতের কৌশল ছিল সরকারকে চাপে রাখা, সরকারকে হুমকি দেওয়া এবং মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদেরকে সামনে রেখে সরকারবিরোধী আন্দোলনের জন্য একটা উস্কানি দেওয়া। কিন্তু হেফাজতের এই কৌশল কাজে দেয়নি। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা গত তিন বছরে অনেক কিছু পেয়েছে। বিশেষ করে কওমি মাদ্রাসার স্বীকৃতির পর মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা এখনো তাদের ক্যারিয়ারের ব্যাপারে মনোযোগী হচ্ছে। এরকম বাস্তবতা হেফাজতের নেতাদের কথাই শুনছেন না মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা।

তাছাড়া এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যুগে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যখন অভাব-অনটনে দিন কাটায় তখন হেফাজতের নেতারা এবং মাদ্রাসার শিক্ষকরা আরাম-আয়েসে দিন কাটাচ্ছে, একাধিক গাড়ি বাড়ি এবং আর্থিক তহবিল তছরুপের অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। এই বিষয়গুলো সূক্ষ্মভাবে প্রচারিত হওয়ার ফলে হেফাজতের নেতাদের উপর আগে যে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের আস্থা ছিল সেই আস্থাটাও নষ্ট হয়ে গেছে।

কাজেই সামগ্রিক পরিস্থিতিতে হেফাজত যে কৌশল নিয়ে সরকারকে চাপে ফেলতে চেয়েছিল সেই কৌশলটি ব্যর্থ হয়েছে। হেফাজতের একমাত্র কৌশল ছিল তাদের মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের শক্তি দিয়ে সরকারকে ভয় দেখানো। কিন্তু সেই শক্তিকে আগে দুর্বল করে সরকার এখন সাঁড়াশি আক্রমণ করছে এবং হেফাজতের অধিকাংশ শীর্ষ নেতা এখন গ্রেফতারের তালিকায় রয়েছে। আর এখানেই এখন পর্যন্ত সরকারের কৌশল বিজয়ী হয়েছে। তবে হেফাজতের নেতারা মনে করছেন যে, লকডাউন এবং রোজার কারণে তারা সরকারের বিরুদ্ধে কোন কঠোর অবস্থানে যেতে পারছেন না। কিন্তু ঈদের পরেই তারা সরকারবিরোধী একটি বড় ধরনের আন্দোলনের চেষ্টা করবে। সেটা সরকার কিভাবে দমন করা সেটাই দেখার বিষয়।

প্রকাশ্যে হেফাজত, নেপথ্যে কারা?

বাংলাদেশ হেফাজত ইসলাম। একটি কওমি মাদ্রাসা ভিত্তিক সংগঠন। যে সংগঠনটি ২০১০ সালের ১৯ জানুয়ারি আল্লামা শফীর হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতের ঢাকা চলো কর্মসূচি সহ, পাঠ্যপুস্তক সংশোধন, বিভিন্ন স্থানে ভাস্কর্য সরিয়ে নেওয়ার মতো আন্দোলনের মাধ্যমে তারা আলোচনায় আসে। আস্তে আস্তে হেফাজতের সাথে সরকারের একটি ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছিলো এবং হেফাজতের বিভিন্ন দাবি সরকার মেনে নিচ্ছিলো। আল্লামা শফী অনেক বিচক্ষণতার সঙ্গেই সব কিছু সামাল দিয়ে সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখে। সরকার এরই মধ্যে কওমি মাদ্রাসাকে স্বীকৃতি দেয়। ফলে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের একটি ভবিষ্যৎ দেখা দেয় এবং তারা বিভিন্ন স্থানে নিজেদের ক্যারিয়ার গঠনের স্বপ্ন দেখতে থাকে। কিন্তু এরই মধ্যে আল্লামা শফীর মৃত্যু সব কিছু ওলট পালট করে দেয়।

আল্লামা শফীর মৃত্যুর পর হেফাজতে আল্লামা শফী পন্থীরা, যারা সরকারের সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে চলত তারা আর জায়গা পায়নি। বরং জুনায়েদ বাবুনগরীরা হেফাজত রীতিমতো দখল করে ফেলেছে। এই সময় বাবুনগরীর অনুসারীরাই হেফাজতের নতুন নেতৃত্বে সব পদগুলো দখল করে ফেলে। হেফাজতের আমির হওয়ার পর থেকে তিনি একের পর এক উগ্রবাদী নীতি এবং কৌশল গ্রহণ করছেন এবং সরকারকে চ্যালেঞ্জ করে কাজ করছিলেন। এই ধারাবাহিকতায় জুনায়েদ বাবুনগরী বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতা করেছিলেন। সে সময় সরকারের একটি অংশও হেফাজতের সঙ্গে আপোষ, সমঝোতা করেছিলো। কিন্তু গত ২৬ এবং ২৭ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে দেশের বিভিন্ন স্থানে একাত্তরের কায়দায় তাণ্ডব চালায় হেফাজত। আর তখনই বোঝা যায় যে, এক হেফাজতে এ ধরনের কাজ হচ্ছে না। বিশেষ করে যে ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করা হয়েছে ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তা দেখে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছিলো যে এটি শুধু একা হেফাজত করে নি। হেফাজতের ওপরে অন্য কিছুর ছায়া রয়েছে। যে ছায়ার জোরেই তারা এই ধরনের তাণ্ডব চালিয়েছে দেশজুরে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, হেফাজতকে সামনে রেখে একটি সরকারবিরোধী মহল এ ধরনের আন্দোলনের পৃষ্ঠপোষকতা করে যাচ্ছে। যারা হেফাজতের কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে সামনে রেখে মূলত রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চাইছে। তারা মনে করছে হেফাজতের আন্দোলনে সরকার পতন হলে তাদের পাকাপাকিভাবে একটি জায়গা তৈরি হবে এবং তারা লাভ করতে পারবে। আর এই জন্যই তারা এইগুলো করছে। আর এই সমস্ত কর্মকাণ্ডকে বাস্তবায়ন করছে হেফাজতের উগ্রবাদী নেতা জুনায়েদ বাবুনগরী।

জুনায়েদ বাবুনগরী এমনিতেই আওয়ামী বিরোধী হিসেবে পরিচিত। তার সঙ্গে জামায়াত এবং স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির ঘনিষ্ঠতার রয়েছে। জুনায়েদ বাবুনগরী হেফাজতের দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই বিভিন্ন সরকারবিরোধী গোষ্ঠী জুনায়েদ বাবুনগরীকে উস্কে দেন এবং তারা হেফাজতকে সামনে রেখে এটা সরকারবিরোধী আন্দোলনের স্বপ্ন দেখেন। আর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা গত ২৬ এবং ২৭ মার্চ ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যে তাণ্ডব হয়েছে তার প্রেক্ষিতে এটি এখন স্পষ্ট যে জুনায়েদ বাবুনগরীর রাজনৈতিক অভিলাষ কতটুকু। আসলে বিএনপি-জামায়াত হেফাজতের উগ্রবাদী নেতাদের দেশব্যাপী এই সমস্ত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য অর্থ সহায়তা করে যাচ্ছে। তারা নেপথ্যে থেকে সরকার বিরোধী এই ধরনে কর্মকাণ্ডের সঙ্গে লিপ্ত।

প্রথমে তারা গোপনে হেফাজতকে সমর্থন জানালেও ২৬ এবং ২৭ মার্চের ঘটনার পর তাদের অবস্থান দেশবাসি প্রত্যাক্ষ করেছে। তারা প্রকাশ্যেই হেফাজতের পক্ষে কথা বলেছে এবং হেফাজতকে সমর্থন জানিয়েছে। এখন যখন হেফাজতের ব্যাপারে সরকার কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে তখন আর বিএনপি-জামায়াতের নেতাদের টিকিটিও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আসলে বিএনপি-জামায়াতের এখন সেই ধরনের রাজনৈতিক শক্তি না থাকার কারণে তারা এখন পরগাছার রুপ ধারণ করেছে। যখন যেখানে সরকার বিরোধী আন্দোলনের আভাস পাচ্ছেন তখনই তাদের ওপর ভর করছে বিএনপি-জামায়াতের ভূত।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আল্লামা শফী সব সময় রাজনৈতিক ধারার বাহিরে থেকে হেফাজতকে একটি সন্মানের জায়গায় নিয়ে গিয়েছিলো। কিন্তু হেফাজতে বর্তমান আমির জুনায়েদ বাবুনগরীর রাজনৈতিক অভিলাষ রয়েছে। আর বর্তমান হেফাজকের নেতারাও বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন থেকে এসেছে। ফলে হেফাজতে রাজনীতিকরণ হয়েছে। যার ফলেই তাদের ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছে বিএনপি-জামায়াতের মতো রাজনৈতিক দল। তারা হেফাজতকে প্রকাশ্যে রেখে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টায় ব্যস্ত। ফলে সরকারের উচিৎ হবে হেফাজতের নেপথ্যের শক্তিকেও খুঁজে বের করা এবং তাদের চিহ্নিত করা।

78 ভিউ

Posted ৯:৩২ অপরাহ্ণ | রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com