বুধবার ২৮শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

বুধবার ২৮শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কেমন আছে রোহিঙ্গারা

সোমবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৭
200 ভিউ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কেমন আছে রোহিঙ্গারা

কক্সবাংলা ডটকম(১৫ অক্টোবর) :: মিয়ানমার সেনাবাহিনীর গণহত্যা থেকে বাঁচতে রোহিঙ্গারা দেশটি ছেড়ে পালিয়ে যেতে মরিয়া। গত কয়েক মাসে ৫ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা মিয়ানমার ছেড়ে পালিয়ে গেছে। যদিও মিয়ানমার ছেড়ে যাওয়া অধিকাংশ রোহিঙ্গার আশ্রয় হয়েছে বাংলাদেশে তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ কিছু রোহিঙ্গা যুক্তরাষ্ট্রেও পারি জমিয়েছে। শিকাগোর উত্তরে রজার পার্ক এলাকায় প্রায় ৪শ রোহিঙ্গা পরিবারের বাস যা যুক্তরাষ্ট্রে রোহিঙ্গাদের সবচেয়ে বড় সমাবেশ। ছবিতে মার্কিন ভূমিতে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের জীবনের গল্প দেখা যাবে। সূত্র ‍নিউ ইয়র্ক টাইমস।

রমজান মাসে পশ্চিম ডেভন এভিনিউ’র দক্ষিণ এশিয়ার দোকান ও রেস্টুরেন্টগুলোতে রোহিঙ্গারা।

আবদুল সামাদ দুই বছর আগে তার বাবাকে সঙ্গে নিয়ে মিয়ানমার থেকে মালয়শিয়া হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে এসে পৌঁছান। সামাদ তার মা ও সন্তানদের মিয়ানমারে ফেলে এসেছে।

সামাদ লেক মিশিগানে তার স্ত্রী বিবির সাথে। ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রে তাদের দেখা হয়।

লাইলা ও তার স্বামী অন্য এক দম্পতির সাথে এপার্টমেন্ট ভাগাভাগি করে বাস করে। তাদের দেখা হয়েছিল মিয়ানমার ছেড়ে আসার পথে নৌকায়।

লাইলা নবিহাউজেন (২০) তার পাঁচ বছরের শিশুর যত্ন নিচ্ছে।

তিন রোহিঙ্গা যুবক  ঈদুল আযহার উদযাপনের প্রস্তুতি সেরে নিচ্ছে।

রজার পার্কে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান।

বিয়ের অনুষ্ঠানে হাফিজা (১৮)। আরো অনেকের মত তারও জন্ম মালয়শিয়াতে, যেখানে তার বাবা মা মিয়ানমার থেকে সংঘাতের সময় পালিয়ে আসে।

আবদুল আজিজ (৩৯ ) রজার পার্কের বাসায় তার মেয়ে, আরিনার (৪) সাথে। আজিজ কিশোর বয়সে মিয়ানমারের রাখাইন স্টেটে তার পরিবারকে ছেড়ে নিরাপদ জীবনের আশায় মালয়শিয়া ‍পারি জমায়। শেষবার তার পরিবারের সাথে কথা দুই মাস আগে, যখন সে জানতে পারে তার মায়ের গুরুতর অসুস্থতার কথা। তারপর থেকে তার পরিবারের সাথে তার আর যোগাযোগ হয়নি।

কার্টিস হোয়াইট (৩০) শিকাগোর একটি খামারে রোহিঙ্গা পুরুষদেরকে গরু জবাইয়ে সাহায্য করছে। এখানকার হালাল মাংস রোহিঙ্গা সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের বার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিতরণ করা হবে আর বেচে যাওয়া অবশিষ্ট মাংস পরিবারগুলো তাদের বাড়িতে নিয়ে যাবে।

রোহিঙ্গা সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের বার্ষিকী উপলক্ষ্যে শিশুরা বিশেষ খাবার খাচ্ছে। কেন্দ্রটি এ এলাকায় নতুন আসা রোহিঙ্গাদের নানা রকম সহায়তা দিয়ে থাকে। এখান থেকে নতুন রোহিঙ্গাদের ইংরেজির পাশাপাশি ইসলামী শিক্ষা দেয়া হয়। তাছাড়া বিয়ে বা বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানের আয়োজনও করে এই কেন্দ্র। তারা রোহিঙ্গাদের নথিপত্র তৈরির কাজে, স্বাস্থ্য বীমা পেতে সহায়তা দিয়ে থাকে এবং অনুবাদক সরবরাহ করে থাকে।

হাসিনা জহির আহমেদ (১৯ ) আট মাসের অন্ত:সত্ত্বা। ১৬ বছর বয়সে রাখাইন স্টেটের মুংগডো গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে আসে।

রোহিঙ্গা সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কাছে একটি রোহিঙ্গা পরিবার।

মানচিত্রে রোহিঙ্গা সংকট

মানচিত্রে রোহিঙ্গা সংকট

তাদেরকে বলা হয় ‘বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত সংখ্যালঘু নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী’। কয়েক শত বছর ধরে মূলত মুসলিম সংখ্যাগুরু রোহিঙ্গারা বৌদ্ধ সংখ্যা গরিষ্ঠ ‍মিয়ানমারে বাস করছে।

নিচের মানচিত্রে দেখা যাবে বিশ্বে রোহিঙ্গাদের অবস্থান যেখানে আছে তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারের রাখাইন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের কক্সবাজার এবং এশিয়ার আরো কিছু দেশ যেখানে তারা ১৯৭০ সাল থেকে আশ্রয়ের সন্ধানে পাড়ি জমায়।

১৯৪০ সালে মিয়ানামারের জন্মলগ্ন থেকে রোহিঙ্গারা দেশটির সেনাদের দ্বারা নিপীড়নের শিকার হচ্ছে।

২০১৬ সালে মিয়ানামারের সেনা পোস্টে হামলার অভিযোগে দেশটির সেনাবাহিনী নৃশংস অভিযান শুরু করে যার ফলে প্রাণ বাঁচাতে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণ করতে বাধ্য হয়।

২০১৭ সালের আগস্ট মাসেও একই ধরণের হামলার অভিযোগে মিয়ানমারে আবার শুরু হয় নির্মম সেনা অভিযান এবং তারপর থেকে প্রাণ বাঁচাতে লাখো রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচাতে আশ্রয় নিয়েছে বাংলাদেশে।

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অধিকাংশই আশ্রয় নিচ্ছে বাংলাদেশের কক্সবাজারে।

file_5
file_5
file_6
file_6

কোন কোন দেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে?
১৯৭৭ সালে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার সেনাদের নির্মম অভিযান শুরুর পর থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে গেছে। যাদের অধিকাংশেরই ঠাই মিলেছে বাংলাদেশে। তবে এশিয়ার অন্যান্য দেশ এবং মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশেও আশ্রয় পেয়েছে বেশ কিছু রোহিঙ্গা।

Untitled-1_2
Untitled-1_2

মিয়ানমারে আর কোন সংখ্যালঘু নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী আছে কি?
সরকারি হিসেবে মিয়ানমারে ১শ ৩৫টি সংখ্যালঘু নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী আছে। অথচ ১৯৮২ সাল থেকে মিয়ানমার সরকার শুধুমাত্র রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দিতে অস্বীকিৃতি জানিয়ে আসছে।

Untitled-1_3
Untitled-1_3

কোন কোন গ্রামে আক্রমন চালানো হয়েছে?
অ্যামনেস্টি ইনটারন্যাশনাল এর তথ্য মতে, ২৫ আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত উত্তর রাখাইনের ৮০টির বেশি গ্রামে মিয়ানমার সেনা এবং উগ্র বৌদ্ধরা আগুন দেয়। মিয়ানমার সরকারের মতে, প্রায় ৪০ শতাংশ রোহিঙ্গা গ্রাম তথাকথিত ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশনের’ লক্ষ্যবস্তুতে পরিনত হয়েছে। রাখাইন রাজ্যের মোট ৪৭১টি গ্রামের মধ্যে এখন ১৭৬টি গ্রাম জনশূন্য এবং আরো ৩৪টি গ্রাম ‘আংশিকভাবে পরিত্যক্ত’।

Untitled-1_4

 

200 ভিউ

Posted ১:৩৭ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৭

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com