রবিবার ১৩ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

রবিবার ১৩ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

মৃত্যুর ঝুঁকি জেনেও বাংলাদেশি তরুণদের বিদেশে পাড়ি

শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২০
370 ভিউ
মৃত্যুর ঝুঁকি জেনেও বাংলাদেশি তরুণদের বিদেশে পাড়ি

কক্সবাংলা ডটকম(২৫ ডিসেম্বর) :: পাঁচ শতাধিক বাংলাদেশি তরুণ এখনও বসনিয়ার বরফ ঢাকা জঙ্গলে অপেক্ষা করছেন ‘স্বপ্নের’ ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টায়। অনেকে হাতের মুঠোয় জীবন নিয়ে আমেরিকার মরীচিকায় ঘুরপাক খাচ্ছেন ভয়ংকর আমাজন জঙ্গলে। অবৈধভাবে ইউরোপ ও আমেরিকায় প্রবেশের পথে রয়েছে মৃত্যুর থাবা। তাছাড়া টাকার জন্য জিম্মি করে নির্যাতন চালানোও নিত্যদিনের ঘটনা। এদিকে দেশের অর্থনীতি আগের চেয়ে অনেক স্থিতিশীল। তার পরও বাংলাদেশি তরুণরা কেন ১৫ থেকে ৩৮ লাখ টাকায় ইউরোপ ও আমেরিকার মোহে মৃত্যুপথে নামছেন? মৃত্যুর ঝুঁকি আছে জেনেও কেন চেষ্টা করছেন বিদেশে পাড়ি জমানোর?

এ প্রশ্নের উত্তর বিদেশগামী তরুণদের অভিজ্ঞতা ও জবানিতেই জানার চেষ্টা করা হয়েছে। সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছে ১২ জনের। তাদের বক্তব্য, শুধু ডলার-ইউরোর মোহ নয়, পড়াশোনা শেষে ‘ভালো’ চাকরির অভাব, কম বেতন, ব্যবসায় ঝুঁকি ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ইত্যাদি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে দেশ ছাড়ছেন তারা। মধ্যপ্রাচ্য, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য প্রায় অবারিত হলেও সেখানে আয়ের সুযোগ কম। তাই দ্রুত সচ্ছলতার খোঁজে মৃত্যুপথে ইউরোপ-আমেরিকায় প্রবেশের চেষ্টা তাদের।

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের জরিপমতে, উন্নত জীবনের জন্য বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার ৮২ শতাংশ তরুণ দেশ ছাড়তে চান। বিদেশের মোহকে পুঁজি করছে দেশি ও আন্তর্জাতিক দালাল চক্র। এ চক্র নিউইয়র্ক, বার্লিন, রোম থেকে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত। ইউরোপ-আমেরিকার পথে যত দেশ, তত দালাল চক্র। লিবিয়া হয়ে সাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশের সুযোগ কমেছে নজরদারিতে; মানব পাচারের নতুন রুট হয়ে উঠেছে বলকান অঞ্চল।

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) তথ্য অনুযায়ী, ভূমধ্যসাগর দিয়ে যত মানুষ ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা করেছে, সেই তালিকায় বাংলাদেশিরা চতুর্থ। আফগানিস্তান, সিরিয়ার মতো যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পরই বাংলাদেশ। চলতি বছরের নয় মাসে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা করতে গিয়ে তিন হাজার ৪৫৫ জন বাংলাদেশি গ্রেপ্তার হয়েছেন।

ইউরোস্ট্যাটের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০৮ থেকে সোয়া এক লাখ বাংলাদেশি অবৈধভাবে এসেছে। ২০১৯ সালে ১২ হাজার ৩০০ বাংলাদেশি ইউরোপে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন।

অবৈধ পথে যুক্তরাষ্ট্র গিয়ে গত ৫ সেপ্টেম্বর ফেরত এসেছেন ১০১ জন। তাদের মধ্যে মাত্র দু’জন ৪০ বছরের বেশি বয়সী। ১১ জন ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সী। বাকি ৮৮ জন ১৯ থেকে ৩০ বছর বয়সী। তাদের মধ্যে তিনজনের সঙ্গে কথা হয় সমকালের। তারা এসএসসি থেকে স্নাতক পাস। তারা বলেছেন, দেশে ‘ভালো’ চাকরি পাননি। মানসম্মানের ‘ভয়ে’ কৃষি বা শ্রমিকের কাজ করা সম্ভব ছিল না। ব্যবসায় সফলতা আসেনি। অতএব, চেষ্টা করেছেন বিদেশে যাওয়ার।

সম্প্রতি কথা হয় যুক্তরাষ্ট্র ফেরত সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের এক তরুণের সঙ্গে। ২৭ বয়সী এ তরুণ এবং তার দুই সঙ্গী নাম প্রকাশে রাজি হননি। ধরা যাক তার নাম জাকির। যুক্তরাষ্ট্রের স্বপ্নে তিনি ২০১৭ সালের ২৯ নভেম্বর দেশে ছেড়েছিলেন ব্রাজিলের উদ্দেশ্যে। স্থানীয় কলেজে স্নাতক তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন তিনি। ২০১৬ সালে পুলিশের চাকরির আবেদন করেছিলেন। আড়াই লাখ টাকা ঘুষ চাওয়া হয়েছিল তার কাছে। চাকরি হয়নি। পড়াশোনার পাশাপাশি বাবার সঙ্গে মুদি দোকান চালাতেন। তাতে পরিবার চলছিল না। স্নাতক পাস করে ভালো চাকরির আশা দুরাশা। তাই জমি বেচে আমেরিকা পাড়ি জমানোর সিদ্ধান্ত নেন।

দালাল ধরে আট লাখ টাকায় প্রথমে ব্রাজিল যান জাকির। বছর দুয়েক দেশটিতে কাটিয়ে গত বছরের ১৯ নভেম্বর লুসিয়া পোর্ট থেকে দালাল ধরে সীমান্ত পেরিয়ে পেরু, ইকুয়েডর, কলম্বিয়া, পানামা, নিকারাগুয়া, হন্ডুরাস হয়ে মেক্সিকোতে প্রবেশ করেন। পথে বারবার দালালদের ডলার দিতে হয়, কয়েকবার মাফিয়াদের খপ্পরেও পড়তে হয় তাদের। কয়েকজনের মৃত্যুও ঘটে।

এরপর মাস খানেক সময় কখনও দালালের মাধ্যমে ট্রাকের মালপত্রের সঙ্গে, কখনও গাড়ির সিটের নিচে লুকিয়ে মেক্সিকোর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত লাগোয়া শহর ম্যাক্সিক্যালিতে পৌঁছান তারা। ৩০ ফুট উঁচু কাঁটাতারে ঘেরা দেয়াল টপকে ‘স্বপ্নের দেশ’ যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকেন জাকির। কিন্তু ধরা পড়ে যান পুলিশের হাতে। ছয় মাস জেলে কাটিয়ে দেশে ফেরত এসেছেন জাকির।

সব খুইয়ে দেশে ফিরে অনুশোচনায় ভুগছেন জাকির। তিনি বলেন, ৩৮ লাখ টাকা খরচ হয়েছে তার পরিবারের। দুই একর জমি বিক্রি করে ছেলেকে যুক্তরাষ্ট্র পাড়ি দেওয়ার খরচ জুগিয়েছেন তার বাবা। তাদের ব্যবসা শেষ হয়ে গেছে।

এমন সব দৃষ্টান্ত থাকার পরও ইউরোপ, আমেরিকায় যাওয়ার চেষ্টায় অনেকেই দেশ ছাড়ছেন। বসনিয়ার জঙ্গলে মাইনাস ১০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় দিনরাত কাটালেও দেশে ফিরতে নারাজ। জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) তাদের খাবার দিলেও পলিথিনের তাঁবুতে দিন কাটাচ্ছেন বাংলাদেশি তরুণরা।

জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে জানিয়েছে, বসনিয়া-ক্রোয়েশিয়া সীমান্তে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নির্মমভাবে পেটানো হয়েছে। সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদক একজন বাংলাদেশিকে পিটিয়ে কপাল ফাটিয়ে দিতে দেখেছেন। ওই তরুণের সারা শরীরে ছিল পেটানোর দাগ। তার পরও তারা দেশে ফিরতে রাজি নন। আশ্রয় চান স্বপ্নের দেশ ইতালি, জার্মানিতে। ইতোমধ্যে তাদের ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা ব্যয় হয়ে গেছে। তাই ফেরার পথ নেই।

সার্বিয়ার প্রতিবেশী স্লোভেনিয়ার নোভা গোরিছা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফলিত পদার্থবিদ্যা বিভাগে উচ্চতর ডিগ্রি নিচ্ছেন বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক রাকিব হাসান রাফি। তিনি জানান, লিবিয়ায় কড়াকড়ির কারণে আবার পাচারের রুট হয়ে উঠেছে পূর্ব ইউরোপের তুলনামূলক দরিদ্র ও দুর্নীতিপ্রবণ বলকান অঞ্চলের বসনিয়া, সার্বিয়া, ক্রোশিয়া, হার্জেগোভিনার মতো দেশ। বাংলাদেশিরা সাধারণত প্রথমে ঢাকা থেকে তুরস্ক হয়ে বলকানের দেশ মেসিডোনিয়ায় আসেন। এরপর নানা দেশ ঘুরে ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানিতে ঢুকেন।

তেমনই একজন রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাববাড়ি গ্রামের তরুণ আকাশ মাহমুদ। তিনি গত ১৫ সেপ্টেম্বর জার্মানি থেকে দেশে ফেরত এসেছেন। ইউরোপের মোহে ১৯ বছর বয়সে দালালের হাত ধরে দেশ ছেড়ে অবৈধভাবে ৯টি দেশের সীমান্ত পেরিয়ে পাঁচ বছরে ১৫ লাখ টাকা খরচ করে জার্মানিতে পৌঁছাতে পেরেছিলেন। তবে তার অনেক পথসঙ্গীর প্রাণ গেছে প্রতিকূল পরিবেশে, সীমান্তরক্ষীদের গুলিতে। গ্রিস, মেসিডোনিয়া, সার্বিয়া, হাঙ্গেরি, অস্ট্রিয়া হয়ে জার্মানিতে যান। কিন্তু পুলিশের হাতে ধরা পড়ে চার বছর জেল ও ক্যাম্পে থেকে দেশে ফেরত এসেছেন তিনি।

আকাশ ও জাকিরদের মতো তরুণরা কেন ইউরোপ-আমেরিকায় যেতে মরিয়া তার ধারণা পাওয়া যায় কর্মসংস্থান চিত্র থেকে। শ্রম মন্ত্রণালয়ের খসড়া জাতীয় কর্মসংস্থা নীতিমালা-২০২০ অনুযায়ী, দেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশের বেশি হলেও কর্মসংস্থানের প্রবৃদ্ধি মাত্র ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ। ৭৮ শতাংশ তরুণ তার চাকরি নিয়ে উদ্বিগ্ন। ২০৩০ সালের মধ্যে বছরে দেশে সাড়ে ১৮ লাখ ও বিদেশে পাঁচ লাখ তরুণের কর্মসংস্থান তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে খসড়ায়। বর্তমানে বছরে ২২ লাখ তরুণ চাকরিবাজারে যুক্ত হচ্ছেন। তাদের মধ্যে দেশে মাত্র পাঁচ লাখের চাকরি হয়।

অভিবাসনবিষয়ক গবেষণা সংস্থা রামরুর নির্বাহী পরিচালক ড. সিআর আবরার সমকালকে বলেছেন, বৈধ পথে ইউরোপ, আমেরিকায় যাওয়ার সুযোগ বাড়লে পরিস্থিতি এমন হতো না। বৈধ পথে যেতে হলে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে হবে। এ জায়গায় অনেক ঘাটতি রয়েছে। মানসম্মত অভিবাসনের দিকে নজর দিতে হবে সরকারকে।

সরকারি পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যানুযায়ী, দেশে ছয় কোটি ৩৫ লাখ কর্মক্ষম মানুষের মধ্যে ২৭ লাখ পুরোপুরি বেকার। ৬৬ লাখ ‘ছদ্ম বেকার’- যারা টুকটাক কাজ করে সামান্য আয় করেন। সরকারি উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিআইডিএসের তথ্যানুযায়ী, মাধ্যমিক থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীদের ৩৩ দশমিক ৩২ শতাংশ সম্পূর্ণ বেকার।

কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেছেন, চাকরির ভীষণ অভাব। যারা অশিক্ষিত তারা যে কোনো দেশে যান মজুরি করতে। শিক্ষিত তরুণরা ছোটেন ইউরোপ, আমেরিকার দিকে।

যারা ফিরে এসেছেন তাদের তথ্য বিশ্নেষণে দেখা গেছে, ইউরোপ, আমেরিকাগামীদের বড় অংশই শিক্ষিত। তারা মধ্যপ্রাচ্য, পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে শ্রমিক হিসেবে যেতে আগ্রহী নন। তাদের বিদেশযাত্রার ক্ষেত্রে পরিবারেরও চাপ কিংবা উৎসাহ রয়েছে। সমকালকে সাক্ষাৎকার দেওয়া ১২ জনই বলেছেন, পরিবার তাদের ব্যবসা করার পুঁজি দেয়নি; কিন্তু বিদেশ যাওয়ার টাকা দিয়েছে।

ইউরো-ডলারের মোহকে মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে দেশান্তরী হওয়ার কারণ মনে করেন ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান। তিনি বলেছেন, অনেকেই আছেন, যাদের দেশে ভালো ব্যবসা ছিল। তা ছেড়ে সাগর, বনজঙ্গল পেরিয়ে বিদেশের পথ ধরেছেন। দেশে কর্মসংস্থানের সংকটের চেয়েও বড় সমস্যা সচেতনতার অভাব। পরিবারই ২০-২৫ বয়সী তরুণের হাতে লাখ লাখ টাকা তুলে দিচ্ছে অবৈধ পথে ইউরোপ-আমেরিকা যেতে।

সিআইডির মানব পাচার সেলে কাজ করা সাবেক এক কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশের গ্রাম থেকে দুবাই, ইরান, তুরস্ক, বলকানের দেশ, ব্রাজিল, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জার্মানি সর্বত্র ছড়িয়ে রয়েছে দালাল চক্রের নেটওয়ার্ক।

পুলিশের সিআইডির মানব পাচার প্রতিরোধ সেলে কাজ করা সহকারী সুপার জিসানুল হক বলেন, তারা পুরো চক্রকে শনাক্ত করেছেন। তথ্যপ্রমাণ জোগাড় করছেন। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যারা দালাল ধরে বিদেশ যায়, তারাই অভিযোগ করে না। ফলে পুলিশের কিছু করার থাকে না।

বায়রার মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরী নোমান বলেন, রিক্রুটিং এজেন্সি কাউকে অবৈধভাবে ইউরোপ-আমেরিকায় পাঠায় না। সেই সুযোগও নেই। এ কাজ দালাল, মানব পাচারকারীদের।

370 ভিউ

Posted ২:২২ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২০

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com