
কক্সবাংলা ডটকম :: আবারো লিওনেল মেসির জাদু। আবারো ইন্টার মায়ামির প্রথম কোনোকিছু অর্জন। মেসি ম্যাজিকে ভর করে ইন্টার মায়ামি ক্লাব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপ প্লে-অফের ইস্টার্ন কনফারেন্স ফাইনালে পৌঁছেছে। সেমিফাইনালে এফসি সিনসিনাটিকে ৪-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে মেসির মায়ামি।
ম্যাচে একটি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে মেসি করিয়েছেন তিন গোল। দ্বিতীয়ার্ধে জোড়া গোল করেছেন তাদের আলেন্দে। ১৯ বছর বয়সী তরুণ তুর্কি মাতেও সিলভেত্তি করেছেন একটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট।
ইন্টার মায়ামি তাদের শেষ ১৮০ মিনিটে পারফরমেন্স নিয়ে গেছে নতুন উচ্চতায়। মেসি এই পুরো পোস্ট সিজনে ৬টি গোল ও ৬টি অ্যাসিস্ট করেছেন। অর্থাৎ, দলের সবকটি গোলে আছে মেসির অবদান। টানা দ্বিতীয় এমএলএস এমভিপি জেতার পথেও আছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। নিয়মিত মৌসুমের রেকর্ড (২৯ গোল ও ১৯ অ্যাসিস্ট) প্লে-অফেও বজায় রয়েছে তিনি।
খেলার শুরুটা সমানতালে চললেও ১৯তম মিনিটে জর্ডি আলবার দারুণ ইন্টারসেপশন থেকে গড়া আক্রমণে এগিয়ে যায় মায়ামি। বাম দিক দিয়ে সিলভেত্তির চোখজুড়ানো ক্রসে দৌড়ে এসে ঝড়ো হেড দেন মেসি; রোমান সেলেনতানোর সেটা ঠেকানোর কোনো সুযোগই ছিল না।
বিরতির পর আরো বিধ্বংসী রূপে ধরা দেন মেসি। ৫৭ মিনিটে অলেন্দের বুদ্ধিদীপ্ত টার্নে তৈরি আক্রমণে বল পেয়ে মেসি এক টাচেই সিলভেত্তিকে বানিয়ে দেন নিখুঁত শটের মঞ্চ। তরুণ ফরোয়ার্ডের বাঁকানো শটে ব্যবধান হয় ২–০।
এরপর আসে অলেন্দের ব্রেস—৬২ ও ৭৪ মিনিটে দু’টি দুর্দান্ত ট্রানজিশন গোল। দু’বারই আক্রমণ শুরু করেন মেসি—একবার প্রতিপক্ষের পা থেকে বল কাড়েন, আর শেষ পাস দু’বারই আসে তার জাদুময় বুট থেকে।
নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেও শুরুতে লুইস সুয়ারেজকে না নামানোর সিদ্ধান্ত এদিন পুরোপুরি সফল প্রমাণিত করেন হাভিয়ের মাচেরানো। মেসিকে ঘিরে তরুণদের গতিময় আক্রমণ সিনসিনাটিকে পুরোপুরি বিপর্যস্ত করে ফেলে।
ফিলাডেলফিয়া ও নিউইয়র্ক সিটি এফসির মধ্যকার আরেক সেমিফাইনালের বিজয়ীর মুখোমুখি হবে মায়ামি।

Posted ১২:৫৬ অপরাহ্ণ | সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
coxbangla.com | Chanchal Das Gupta