মঙ্গলবার ১৩ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

মঙ্গলবার ১৩ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

সরকার বিরোধী আন্দোলনে ক্রমশ হার্ডলাইনে বিএনপি

সোমবার, ০১ মার্চ ২০২১
73 ভিউ
সরকার বিরোধী আন্দোলনে ক্রমশ হার্ডলাইনে বিএনপি

কক্সবাংলা ডটকম(২৮ ফেব্রুয়ারি) :: যেটি ধারণা করা হচ্ছে সেটিই হলো।  বিএনপি ক্রমশ সরকারবিরোধী আন্দোলনে হার্ডলাইনে চলে যাচ্ছে। আজ স্থানীয় সরকার নির্বাচন বর্জনের ঘোষণার মধ্য দিয়ে বিএনপি`র সেই হার্ডলাইনের ধারা আরো স্পষ্ট হলো। কিছুদিন ধরে বিএনপির মধ্যে মতদ্বৈধতা চলছিল। বিএনপির একটি বড় অংশই এখন মনে করছে সরকারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে তোলা ছাড়া বাঁচার কোনো বিকল্প পথ নেই।

আর এ কারণেই বিএনপির ভিতর থেকে আন্দোলনের চাপ ছিল। বিএনপির ভিতরে যারা সরকারের সাথে একটি সমঝোতা করে চলার নীতিতে ছিল, তারা ক্রমশ কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সবসময় বিএনপিতে নমনীয়দের মধ্যে ছিলেন এবং সরকারের সাথে সুসম্পর্ক রেখে বিএনপিকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করাই ছিল তার প্রধান কৌশল।

এ কারণেই বিএনপি ২০১৮ নির্বাচনে বিপর্যয়ের পরও বিএনপি আবার সবগুলো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছিল। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল যে, এই নির্বাচনে অংশগ্রহণের মধ্যদিয়ে বিএনপিকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করতে চাইছে। কিন্তু এখন সেই অবস্থান থেকে বিএনপি সরে দাঁড়ালো এবং তারা বলছে যে, এই নির্বাচনগুলোতে যেরকম কারচুপি এবং অনিয়ম হচ্ছে, তার প্রেক্ষিতে তাদের পক্ষে এই নির্বাচনে আর অংশগ্রহণ করা সম্ভব না।

তবে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে যে, বিএনপি হার্ডলাইনে যাওয়ার পিছনে সুনির্দিষ্ট কিছু কারণ রয়েছে। এই কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:

১। সরকারকে চাপে ফেলা: বিএনপি মনে করছে যে, সরকারের সাথে সমঝোতা করার চেয়ে সরকারকে আন্দোলনের মাধ্যমে চাপে ফেললে সরকারের কাছ থেকে দাবি আদায়ে অনেক সহজ হবে। কারণ ঘরে বসে চুপচাপ থাকলে বা চুপচাপ থেকে সরকারের সাথে দেন-দরবার করলে কিছুই অর্জন করা যায় না, এটা বিএনপি বুঝতে পেরেছে। এজন্য আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে সরকারকে চাপে রাখার কৌশল হিসেবে বিএনপি এই হার্ডলাইনে যাচ্ছে বলে বিএনপি নেতারা মনে করছেন।

২। নানা সমস্যায় সরকার: বিএনপি মনে করছেন ১২ বছর বয়সি আওয়ামী লীগ সরকার এখন অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে সবচেয়ে বেশি চাপের মধ্যে রয়েছে। নানা রকম সংকট এবং সমস্যার মধ্যে রয়েছে। বিশেষ করে দূর্ণীতি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, মানবাধিকার সহ বিভিন্ন ইস্যুতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে সরকারের উপর নানারকম চাপ পরছে। আর এই চাপের কারণে এখন যদি সরকার বিরোধী আন্দোলন করা যায় তাহলে সেই আন্দোলনে একটি ইতিবাচক ফল পাওয়া যাবে।

৩। আন্তর্জাতিক মেরুকরণ: বিএনপি মনে করছে যে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যে মেরুকরণ হচ্ছে, সেই মেরুকরণ আওয়ামী লীগের বিপক্ষে যাচ্ছে। বিশেষ করে এখন পশ্চিমা দেশগুলো এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ব্যপারে যে অন্ধ সমর্থন ছিল, সেই সমর্থন তাদের কমে এসেছে। ইতিমধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং মুশতাকের মৃত্যু নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সরকারের সমালোচনা হচ্ছে। আর এই প্রেক্ষিতে বিএনপি মনে করছে যে, আন্দোলনের এখনই সময়।

৪। বিএনপির ঘর গোছানো: বিএনপিকে আন্দোলনের যেতে হচ্ছে নিজের ঘর গোছানোর জন্য। কারণ বিএনপির মধ্যে আন্দোলনের পক্ষের শক্তি এত শক্তিশালী হয়ে উঠছে, এখন যদি বিএনপির প্রধান নেতৃত্ব আন্দোলন না করে তাহলে বিএনপি ভাঙ্গনের মুখোমুখি পরবে। আর এই ভাঙ্গন ঠেকানোর জন্যই বিএনপিকে হার্ডলাইনে যেতে হচ্ছে।

৫। সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি: দেখা যাচ্ছে যে, কর্মীরা আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমেই সংগঠনকে শক্তিশালী করতে চায়। বসে থেকে সংগঠন শক্তিশালী হয়না। এই জন্যই বিএনপি মনে করছে যে আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই। এই জন্যই তারা হার্ডলাইনে যেতে চাইছে।

আর এই সব মিলিয়েই বিএনপি এখপ্ন রাজনীতিতে একটি অনড় অবস্থানে চলে যেতে চাইছে। কিন্তু এই সাংগঠনিক শক্তি নিয়ে শেষ পর্যন্ত বিএনপি কতটুকু এরকম অবস্থানে থাকতে পারবে সেটিই দেখার বিষয়।

খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করলেন তিন নেতা

খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করলেন তিন নেতা

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেছেন দলের তিন নেতা। গতকাল রবিবার রাতে গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে গিয়ে তাঁরা দেখা করেন।

তাঁরা হলেন- বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বাধীনতা সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটি সদস্যসচিব আব্দুস সালাম।

জানা গেছে, আজ সোমবার স্বাধীনতা সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনের বিষয়ে আলোচনা করেছেন ওই তিন নেতা।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৫ মার্চ থেকে সরকার নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার সাজা ছয় মাস স্থগিত করে তাঁকে মুক্তি দেওয়ার পর থেকে তিনি গুলশানে নিজের বাসা ‘ফিরোজায়’ আছেন। প্রথম দফার পর পরিবারের আবেদনে আরো ৬ মাস সাজা মওকুফ করা হয়, যার মেয়াদ আগামী ২৪ মার্চ শেষ হওয়ার কথা।

গুলশানের বাসায় খালেদা জিয়ার ভাই-বোন ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা ছাড়া অন্য কেউ দেখা করতে পারেন না। দলের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়া ‘গৃহবন্দি’ বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

73 ভিউ

Posted ১:২৮ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ০১ মার্চ ২০২১

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com