বুধবার ৮ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

বুধবার ৮ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

সিনহা হত্যা মামলা : কক্সবাজার আদালতে ৫৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন,পরবর্তী তারিখ ১৫, ১৬ ও ১৭ নভেম্বর

বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১
66 ভিউ
সিনহা হত্যা মামলা : কক্সবাজার আদালতে ৫৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন,পরবর্তী তারিখ ১৫, ১৬ ও ১৭ নভেম্বর

বিশেষ প্রতিবেদক :: কক্সবাজারে মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় ষষ্ঠ দফা সাক্ষ্য গ্রহণের শেষ দিনে বুধবার দুই জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষ্য দিয়েছেন।

এ নিয়ে মোট ৮৩ জনের মধ্যে ৫৯ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হলো। মামলার সপ্তম দফায় সাক্ষ্যগ্রহণ আগামী ১৫, ১৬ ও ১৭ নভেম্বর ধার্য্য করা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম চলছে।

বুধবার আদালতে সাক্ষ্য দেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহ ও মো. দেলোয়ার হোসেন শামীম। তামান্না ফারাহর আদালতে এ মামলার ৯ আসামি ও চার সাক্ষীর জবানবন্দি ১৬৪ ধারায় গ্রহণ করা হয়। অন্যদিকে, তিন আসামি ও দুই সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয় দেলোয়ার হোসেন শামীমের আদালতে।

দুই ম্যাজিস্ট্রেট ১৬৪ ধারায় আসামি ও সাক্ষীদের জবানবন্দি সঠিকভাবে, যথাযথ বিধি ও আইনি প্রক্রিয়া মেনে লিপিবদ্ধ করেছেন বলে বুধবার আদালতে তুলে ধরেন। এ সময় আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তাদের জেরা করেন।  আসামিদের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেওয়া বিচারক তামান্না ফারাহকে টানা ৭ ঘণ্টা জেরা করেছেন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) সকাল সোয়া ১০টার দিকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলে আদালতের কার্যক্রম। এ সময় সকাল সোয়া ১০টা থেকে বিকেল পাচঁটা পর্যন্ত টানা সাত ঘণ্টা কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহকে জেরা করেন আসামি ওসি প্রদীপ-লিয়াকতের আইনজীবীরা।

রাতে প্রেস ব্রিফিংয়ে রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম জানান, সিনহা হত্যা মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১৫, ১৬ ও ১৭ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

গত ২৩ আগস্ট থেকে ২৫ আগস্ট প্রথম দফায় পর পর তিন দিন মামলার বাদী অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী সাহিদুল ইসলাম সিফাতের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। সাক্ষ্য গ্রহণের পাশাপাশি আসামি পক্ষের আইনজীবীরা সাক্ষীদের জেরা করেন।

আদালতের বিচারক আলোচিত এই হত্যা মামলার দ্বিতীয় দফা সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন গত ৫ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর। ওই ৪ দিনে ৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন এবং তাদের জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা। এ দফায় যে ৪ জন সাক্ষ্য দেন তারা সবাই ছিলেন হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী।

ওই ৪ সাক্ষী হলেন, মাছ ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী, সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক কামাল হোসেন, মসজিদের মুয়াজ্জিন হাফেজ মোহাম্মদ আমিন ও মসজিদের ইমাম শহীদুল ইসলাম।

এরপর ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর ৩ দিনের ৮ জন সাক্ষ্য দেন। তারা হলেন, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আবদুল হামিদ, ফিরোজ মাহমুদ, শওকত আলী ও মাওলানা জহিরুল ইসলাম, কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা রনধীর দেবনাথ, কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) শাহীন মো. আবদুর রহমান চৌধুরী, সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট আইয়ুব আলী ও টেকনাফের মারিশবুনিয়া গ্রামের মোকতার আহমদ।

এই মামলার মোট ১৫ আসামি হলেন, টেকনাফের বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন পরিদর্শক লিয়াকত আলী, টেকনাফ থানার তৎসময়ে কর্মরত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, তার দেহরক্ষী কনস্টেবল রুবেল শর্মা, টেকনাফ থানার আওতাধীন বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দ দুলাল রক্ষিত, ওই তদন্ত কেন্দ্রের কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন ও আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, টেকনাফ থানার কনস্টেবল সাগর দেব, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শাহজাহান, কনস্টেবল মোহাম্মদ রাজীব ও মো. আবদুল্লাহ, টেকনাফ থানায় সিফাতদের নামে পুলিশের এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত বাদী হয়ে দায়ের করা মামলার সাক্ষী টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর সংলগ্ন মারিশবুনিয়া গ্রামের নুরুল আমিন, মো. নেজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।

এ মামলায় আদালত গৃহীত অভিযোগপত্রে তালিকাভুক্ত মোট সাক্ষী ৮৩ জন। গত ২৭ জুন ফৌজদারি দণ্ডবিধিতে আদালতে সব আসামির উপস্থিতিতে দুপক্ষের শুনানি এবং যুক্তি-তর্ক শেষে মামলাটির চার্জগঠন করেন আদালত।

২০২০ সালের ৩১ জুলাই ঈদুল আজহার আগের দিন আনুমানিক রাত সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এপিবিএন চেকপোস্টে পুলিশ কর্মকর্তা লিয়াকত আলীর গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। হত্যার ৫ দিন পর ৫ আগস্ট সিনহার বড়বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ জনকে আসামি করে কক্সবাজার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিমের আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ মামলায় ৪ মাসেরও বেশি সময় তদন্ত শেষে গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর ১৫ জনকে অভিযুক্ত আসামি ও ৮৩ জনকে সাক্ষী করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কক্সবাজারে র‌্যাব-১৫-এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম। অভিযোগপত্রে সিনহা হত্যাকাণ্ডকে একটি ‘পরিকল্পিত ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

66 ভিউ

Posted ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com