বৃহস্পতিবার ২৮শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

বৃহস্পতিবার ২৮শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

স্বপ্নের পদ্মা সেতু : জোড়ার অপেক্ষায় পদ্মার দুই পার

বুধবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২০
701 ভিউ
স্বপ্নের পদ্মা সেতু : জোড়ার অপেক্ষায় পদ্মার দুই পার

কক্সবাংলা ডটকম(৮ ডিসেম্বর) :: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭। আজ থেকে তিন বছর দুই মাস আট দিন আগের এই তারিখ কেউ কেউ হয়তো সারা জীবন মনে রাখবে। কারণ পদ্মা সেতু। সেদিনই পদ্মা সেতুর প্রথম স্প্যান বা ইস্পাতের কাঠামোটি বসানো হয়। একে একে ৪০টি স্প্যান বসে গেছে। আর বাকি আছে একটি।

দ্বিতলবিশিষ্ট পদ্মা সেতুতে এসব স্প্যান বসছে ৪২টি পিয়ার বা খুঁটির ওপর। স্প্যানের ভেতর দিয়ে চলবে ট্রেন আর ওপর দিয়ে চলবে যানবাহন। মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্ত আর শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের মিলনের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমের ২১ জেলা ঢাকার সঙ্গে সহজ যোগাযোগের আওতায় চলে আসবে।

মাঝপদ্মায় ঢেউয়ের দাপট আর স্রোতের টান এড়ানোর জন্য সেতুর একটি খুঁটির আড়ালে নৌকা লাগিয়ে জাল টানার অপেক্ষায় ছিলেন জাজিরার জেলে জলিল হাওলদার। গত সোমবার পদ্মা সেতুর কাজের অগ্রগতি দেখতে যাওয়ার সময় তাঁর সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলছিলেন, ‘এ-ও সোম্ভাব! চোখে দেখেও মনে অয় না, ঘোর লাগে। শ্যাখের বেটি হরলোটা কী!’

‘শ্যাখের বেটি’ মানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বব্যাংক দুর্নীতির প্রশ্ন তুলে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি ফিরিয়ে নেওয়ার পর নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ এই সেতু ঘিরে উন্নয়নের যে স্বপ্ন দেখে আসছিল, সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে তাঁর এই দ্ব্যর্থহীন ঘোষণায় উজ্জীবিত হয় মানুষ।

পদ্মা সেতুর জোগানদার শ্রমিক শরীয়তপুরের ডামুড্যার মজিদ মাঝি আঙুলের কর গুনে বলছিলেন, ‘সাড়ে সাত বছর আগে যেদিন কাম করতে আইলাম আমরা, সেদিন মনে হৈছিলো বেডারা সব পাগল, এই দইরার ওপর নাকি ব্রিজ বানাইবো! ব্রিজ, তা-ও আবার দোতলা। বাস চলবো, ট্রেনও চলবো। নাতি-পুতির কাছে বলতে পারবো, এই বিশাল ব্রিজ বানানোর সঙ্গে আমিও ছিলাম।’

পদ্মা সেতুকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে উন্নয়নের নানা উদ্যোগ চলছে। সেতু এলাকা ও আশপাশে এরই মধ্যে কলকারখানা স্থাপনের উদ্যোগ চোখে পড়ছে। দেশের অর্থনীতিতেও এই সেতুর প্রভাব হবে উল্লেখযোগ্য।

বাকি আছে একটি স্প্যান : শীতের সকালে দূর থেকে যখন পদ্মা সেতুর কাঠামো নজরে এলো তখন মনে হয়েছে, কুয়াশা ভেদ করে চলে গেছে একটি সরু রেখা। কাছাকাছি হতেই চোখের সামনে ফুটে উঠল ইস্পাতের কাঠামোটি। মাঝখানে শুধু একটুখানি জায়গা ফাঁকা। এই ফাঁকা জায়গায় বসবে সেতুর সর্বশেষ ৪১তম স্প্যানটি। এরই মধ্যে স্প্যানটি ভাসমান ক্রেনে করে মাওয়ার কুমারভোগ এলাকার কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে নিয়ে আসা হয়েছে। যেকোনো দিন সেটি বসানো হবে ১২ ও ১৩ নম্বর খুঁটির ওপর। তাহলেই জুড়ে যাবে বিশাল পদ্মার দুই পার।

৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটির ওপর প্রথম স্প্যানটি বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু। এরপর তিন বছরে একে একে বসানো হয় ৪০টি স্প্যান। প্রতিটি স্প্যান ১৫০ মিটার দীর্ঘ। ৪১টি স্প্যান মিলে মূল সেতুর দৈর্ঘ্য হয় ৬.১৫ কিলোমিটার। দুই পারে আরো ৩.১৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়কসহ সেতুর মোট দৈর্ঘ্য ৯.৩০ কিলোমিটার। চার লেনের সেতুর প্রস্থ ৭২ ফুট।

পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প ব্যবস্থাপক দেওয়ান আবদুল কাদের বলেন, এবার বিজয় দিবসের আগেই সেতুর শেষ স্প্যান বসবে।

জানা গেছে, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে বৃহস্পতিবার অথবা পরদিন স্প্যানটি বসানোর সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন কর্মকর্তারা।

চালু হবে কবে : মূল পদ্মা সেতুর কাজ শুরু হয় ২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাসে। সেতুর নকশা করেছে আমেরিকান মাল্টিন্যাশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্ম এইসিওএম নামের একটি প্রতিষ্ঠান। মূল সেতুর নির্মাণকাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কম্পানি (সিএমবিইসি)। নদীশাসনের কাজ করছে চীনের আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন। সেতু ও নদীশাসনের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে কোরিয়ান এক্সপ্রেসওয়ে। মাওয়া ও জাজিরায় পদ্মার উভয় তীরে সংযোগ সড়কের নির্মাণকাজ যৌথভাবে করছে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান আবদুল মোনেম লিমিটেড ও মালয়েশিয়াভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এইচসিএম। সংযোগ সড়ক ও সার্ভিস এলাকার পরামর্শক হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর স্পেশাল ওয়ার্কার্স অর্গানাইজেশন।

সেতুর মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তে যানবাহন সেতুতে ওঠার জন্য এবং সেতু থেকে নামার জন্য দুই দিকে ভাগ করা হয়েছে সংযোগ সড়ক। এটি মূলত ভায়াডাক্ট বা ডাঙায় সেতুর অংশ। দুই প্রান্ত মিলিয়ে সেতুর এই অংশের দৈর্ঘ্য ৩.১৫ কিলোমিটার। মাঝখান দিয়ে চলে যাবে ট্রেনলাইন। জাজিরা প্রান্তে থাকছে টোল প্লাজা।

উভয় তীরে সংযোগ সড়ক ১৪ কিলোমিটার। নদীশাসনের এলাকা ১২ কিলোমিটার। পদ্মা সেতুতে বসবে দুই হাজার ৯১৭টি সড়ক স্লাব। এরই মধ্যে বসানো হয়েছে এক হাজার ২৮৫টি স্লাব। মাওয়া ও জাজিরার সংযোগ সেতুতে বসাতে হবে ৪৮৪টি সুপারগার্ডার; এর মধ্যে বসানো হয়েছে ৩১০টি। রেল সড়কের জন্য আলাদা স্লাব বসানো হচ্ছে।

পদ্মা সেতুতে থাকছে গ্যাসলাইন, বিদ্যুৎ সংযোগ ও ফাইবার অপটিক্যাল। বাগেরহাটের রামপাল ও পটুয়াখালীর পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আসা বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে।

সোমবার সকালে একটি দল সেতুর কাজ দেখতে যায়। স্পিডবোটে পদ্মা পাড়ি দিয়ে জাজিরা এলাকায় শেষ প্রান্তের কিছুটা আগে সিঁড়ি বেয়ে সেতুর ওপর উঠেছিলেন দলের সদস্যরা। গাইড তাঁদের বলছিলেন, ‘আমাদের উঠতে হবে ভূমি থেকে ১৬ তলার ওপরে।’ দ্রুতই পা বাড়িয়ে তাঁরা ওপরে পৌঁছেন। দূর থেকে যেটিকে সরু রেখা মনে হয়েছিল, সেটিই এখন বিশালত্ব নিয়ে চোখের সামনে। ওপরে চলছে স্লাব বসানোর কাজ। রীতিমতো এক বিশাল সড়ক। চার লেন, মানে একই সঙ্গে পাশাপাশি চলতে পারবে চারটি বড় আকারের যান। এর পরও জায়গা থাকবে সেতুতে।

পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলীর সরবরাহ করা সর্বশেষ তথ্যে জানা যায়, মূল সেতুর বাস্তব কাজের অগ্রগিত ৯১ শতাংশ, নদীশাসনকাজের ৭৫.৫০ শতাংশ, সংযোগ সড়ক ও সার্ভিস এলাকার কাজের শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৮২.৫০ শতাংশ। আগামী ডিসেম্বরে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে পদ্মা সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

প্রকল্প ব্যবস্থাপক দেওয়ান আবদুল কাদের কালের কণ্ঠকে বলেন, সার্বিকভাবে সেতুতে যান চলাচল শুরু করতে পারবে ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে।

নানা বাধা-বিপত্তি : বহুল আলোচিত পদ্মা সেতু প্রকল্পটির যাত্রা শুরু হয় ২০০৭ সালে। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ওই বছরের ২৮ আগস্ট ১০ হাজার ১৬১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করেছিল। পরে আওয়ামী লীগ সরকার এসে রেলপথ সংযুক্ত করে ২০১১ সালের ১১ জানুয়ারি প্রথম দফায় সেতুর ব্যয় সংশোধন করে। কাজ শেষ হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ ধরা হয়েছিল ২০১৩ সাল। প্রকল্পের অর্থ ঋণ হিসেবে জোগান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল পাঁচটি সংস্থা।

সংস্থাগুলো হলো এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), বিশ্বব্যাংক, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা), ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক ও আবুধাবি ডেভেলপমেন্ট গ্রুপ। এর মধ্যে বিশ্বব্যাংক ১২০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। আর জাইকার দেওয়ার কথা ছিল ৪১.৫ কোটি ডলার। কিন্তু বিশ্বব্যাংক দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে ২০১২ সালের ২৯ জুন অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি প্রত্যাহার করে নেয়। বিশ্বব্যাংকের অভিযোগ ছিল, কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান এসএনসি-লাভালিনকে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করার জন্য পদ্মা সেতু সংশ্লিষ্ট কিছু লোক তাদের কাছ থেকে ঘুষ নিতে চেয়েছিল।

এ নিয়ে কানাডার আদালতে একটি মামলাও করা হয়। কাল্পনিক দুর্নীতির অভিযোগে ওই সময়ের সেতুসচিব মোশাররফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়, মন্ত্রিত্ব ছাড়তে হয় যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে। কানাডায় গ্রেপ্তার করা হয় এসএনসি-লাভালিনের কর্মকর্তা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক কানাডিয়ান নাগরিককে। পরবর্তী সময়ে কানাডার আদালত দুর্নীতির অভিযোগ অসত্য বলে রায় দেন।

বিশ্বব্যাংক প্রতিশ্রুতি প্রত্যাহারের পর ২০১২ সালের ১০ জুলাই জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণে তাঁর সরকার আর কোনো দেশ বা সংস্থার কাছে স্বেচ্ছায় সহায়তা চাইবে না। কেউ স্বেচ্ছায় দিতে চাইলে ভালো। এর পরই দেশের নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের কাজ এগোতে থাকে। ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের মূল সেতুর নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেন।

শুরুর বাধা পেরিয়ে কাজ শুরুর পর কাদামাটির কারণে পাইলিংয়ে সমস্যা দেখা দেয়। পরে সেতুর ২২টি পিয়ারে একটি করে পাইলের সংখ্যা বাড়ানো হয়। এসব খুঁটিতে ছয়টি পাইল অন্যান্য পিয়ারের মতোই কিছুটা বাঁকা করে বসানো হয়। এই ছয়টি পাইলের মধ্যে ৭ নম্বর পাইল সরাসরি সোজাভাবে বসানো হয়। ওই সময় পদ্মা সেতু প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রধান অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেছিলেন, মূল বা গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল সেতুর পাইল ডাইভিং। এটি সম্পন্ন হয়েছে। এখন তো প্রকল্পের কাজ দ্রুত চলছে। পাশাপাশি প্রমত্তা পদ্মার ভাঙন, স্রোত আর নাব্যতা সংকট বিভিন্ন সময় সেতুর কাজে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার কুমারভোগে কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে গত ৩১ জুলাই ভাঙন দেখা দেয়। প্রায় ৩.৩৪ হেক্টর এলাকা নদীতে বিলীন হয়ে যায়। ভেসে যায় ১৯২টি রেলের গার্ডার। যানবাহন চলাচলের পথ তৈরির কংক্রিটের ১২৫টি স্ল্যাবও ভেসে গেছে। চলমান করোনা মহামারিও কাজের অগ্রগতিকে থমকে দেয়।

বাড়তে পারে ব্যয় : কয়েকবার পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ ও ব্যয়ের ঘোষণা দেওয়া হলেও নির্ধারিত সময় ও ব্যয়ে কাজ সম্পন্ন হয়নি। সেতুর ঠিকাদার নিয়োগের পর বলা হয়েছিল, ২০১৮ সালে নির্মাণকাজ শেষ হবে। ২০১১ সালে নির্ধারণ করা ব্যয় সংশোধন করে পরবর্তী সময়ে ধরা হয় ২০ হাজার ৫০৭ কোটি টাকা। ২০১৮ সালে এসে ব্যয় বাড়িয়ে ধরা হয় ৩০ হাজার ১৯৩.৩৯ কোটি টাকা। গত ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পে মোট খরচ হয়েছে ২৪ হাজার ১১৫.০২ কোটি টাকা।

প্রকল্পের ব্যয় বাড়ার আভাস দিলেন পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের ব্যবস্থাপক দেওয়ান আবদুল কাদের। তিনি বলেন, পদ্মা একটি জটিল প্রকৃতির নদী, নির্মাণকাজ করতে গিয়ে নানা ধরনের প্রাকৃতিক বিপত্তির সম্মুখীন হতে হয়েছে, যে কারণে ব্যয় ও সময় বেড়েছে। তিনি বলেন, পদ্মা বহুমুখী সেতুর প্রথম চুক্তির সময়ে ভ্যাট ও ট্যাক্স ধরা হয়েছিলো ১০.৫ শতাংশ। এখন সরকার ভ্যাট ও ট্যাক্স ধার্য করেছে ১৫ শতাংশ। যখন চুক্তি হয়, সে সময়ে এক ডলারের মূল্যমান ছিল ৭৮.৩ টাকা। এখন ডলারের মূল্যমান বেড়ে হয়েছে ৮৪.৯৫ টাকা। প্রকল্পের বরাদ্দ থেকে এই অতিরিক্ত অর্থ বেশি যাচ্ছে। বাড়তি পাইলিংয়ের কারণেও ব্যয় বেড়েছে।

701 ভিউ

Posted ৪:০২ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২০

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com