শনিবার ১৬ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

শনিবার ১৬ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

হেফাজতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি বিএনপি-জামায়াত জোটের সবাই বাদ

সোমবার, ০৭ জুন ২০২১
67 ভিউ
হেফাজতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি বিএনপি-জামায়াত জোটের সবাই বাদ

কক্সবাংলা ডটকম(৭ জুন) :: হেফাজতে ইসলামের নতুন যে কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে, তাতে রাজনৈতিক নেতা আছেন আগের মতোই। তবে বিএনপি-জামায়াত জোটের শরিক দলগুলোর কোনো নেতাই স্থান পাননি।

হেফাজতের ঢাউস কেন্দ্রীয় কমিটির আকারও ছোট করা হয়েছে। ১৫১ সদস্যের কমিটিকে নামিয়ে আনা হয়েছে ৩৩ সদস্যে।

এর পাশাপাশি ৯ সদস্যের একটি খাস কমিটি করা হয়েছে, যার কাজ যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে। এই কমিটিতে আছেন হেফাজতের শীর্ষ নেতারা।

অরাজনৈতিক দাবি করা হেফাজতের এই কমিটিরও সব নেতা রাজনীতি থেকে মুক্ত নন। তবে পার্থক্য হলো, প্রথমবারের মতো এই কমিটির নেতারা বিএনপি-জামায়াত জোটের শরিক দলের কেউ নন।

এই কমিটির যে নেতারা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, তাদের বেশির ভাগই খেলাফত আন্দোলনের নেতা। এটি হাফেজ্জী হুজুর নামে পরিচিত মোহাম্মদ উল্লার দল। তার নাতি আতাউল্লাহ হাফেজ্জীকে নায়েবে আমির বা সহসভাপতি ঘোষণা করা হয়েছে।

বিএনপি-জামায়াত জোটের শরিকদের বাদ দেয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, যিনি গত কয়েক বছরে উগ্র বক্তব্য দিয়ে দেশজুড়ে একটি সমর্থক গোষ্ঠী তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। তার পাশাপাশি তার দল খেলাফত মজলিসেরও কোনো নেতাকে রাখা হয়নি এই কমিটিতে।

কেবল কেন্দ্রীয় কমিটি নন, জেলা কমিটিতেও এই পরিবর্তনগুলো আসবে বলে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ স্থানীয় কমিটিগুলো থেকেও বিএনপি-জামায়াতের শরিকদের বাদ দেয়া হবে।

ঢাকা মহানগর কমিটি এখনও ঘোষণা করা হয়নি। এখানেও রাজনৈতিকভাবে পরিচিত কাউকে রাখার সম্ভাবনা কম।

বিএনপি-জামায়াত জোটের শরিক বাদ দেয়ার বিষয়টি স্পষ্ট হলেও মহাসচিব নুরুল ইসলাম জিহাদী সরাসরি এভাবে বক্তব্য দিতে নারাজ।

এ বিষয়ে এক প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘বাদ দেয়ার প্রশ্নই নেই। আমাদের এখানে আজকে যারা উপস্থিত হয়েছেন সবাই হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ছিলেন। এর আগে হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন ১৫১ জন। এখন আমরা প্রাথমিক পর্যায়ে ছোট পরিসরে কমিটি করেছি। এর পরে কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে কাদের রাখা হবে, না রাখা হবে।’

যারা কারাগারে আছেন, তাদের অপরাধী মনে করে কমিটিতে রাখা হয়নি কি না- এ বিষয়ে এক প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘কাউকে অপরাধী মনে করার ক্ষমতা আমাদের নেই। অপরাধী মনে করতে পারে আদালত।’

অরাজনৈতিক হেফাজতকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার

সম্পত্তিতে নারীর সমানাধিকারের বিরোধিতার অংশ হিসেবে ২০১০ সালের ১৯ জানুয়ারি যাত্রা শুরু হওয়ার পর এই প্রথম বিএনপি-জামায়াত জোটের প্রভাবমুক্ত হলো কওমি মাদ্রাসাকেন্দ্রিক এই সংগঠনটি।

হেফাজত বরাবর নিজেদের অরাজনৈতিক সংগঠন দাবি করলেও এর শীর্ষস্থানীয় নেতাদের প্রায় সবাই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা আর হাতে গোনা দুই-এক জন ছাড়া বাকি সবাই ছিলেন বিএনপি-জামায়াত জোটের শরিক।

যে কারণে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হেফাজত নানা সময় বিএনপি-জামায়াতের উদ্দেশ্যসাধনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরই কওমি মাদ্রাসার সর্বোচ্চ সনদ দাওরায়ে হাদিসকে ইসলামিক স্টাডিজে মাস্টার্সের সমমান দেয়ার উদ্যোগ নেয়। সে জন্য একটি কমিটি করে আল্লামা শফীকেই করা হয় প্রধান। কিন্তু বিএনপি জোটের শরিক মুফতি ফজলুল হক আমিনী, মুফতি মোহাম্মদ ওয়াক্কাসরা সেই উদ্যোগকে ভণ্ডুল করে দেন।

২০১৩ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনে হেফাজতের কারও বিচারের দাবি ওঠেনি। তার পরেও মঞ্চের সঙ্গে জড়িতদের ফাঁসি দাবি করে ৫ মে ঢাকা অবরোধের কর্মসূচি দেয় সংগঠনটি।

হেফাজতে বিএনপি-জামায়াত জোটের সবাই বাদ

মানবতাবিরোধী অপরাধের হেফাজতের কারও বিচার করা না হলেও তারা মাঠে নামে। আর সফল হলে তখন লাভবান হতো জামায়াত

এই আন্দোলনে হেফাজত সফল হলে জামায়াতের মানবতাবিরোধী অপরাধী নেতারা বেঁচে যেতে পারতেন। কিন্তু হেফাজতের কী লাভ হতো, তা তর্কের ঊর্ধ্বে নয়।

ওই ঘটনার পর পাঁচটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে হেফাজতের নেতারা বিএনপি-জামায়াত জোটের হয়ে কাজ করেছেন প্রকাশ্যেই। শাপলা চত্বরে গণহত্যা চালানো হয়েছে-এমন অভিযোগ তুলে তাদের আবেগী বক্তব্য ভোটারদের মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রভাব বিস্তার করে বলে ধারণা করা হয়। আর সে সময় আলোচিত হয়ে ওঠা সেই নির্বাচনে সবগুলো এলাকাতেই আওয়ামী লীগের পরাজয় হয়, যদিও তার পাঁচ বছর আগে সবগুলো এলাকাতেই জিতেছিল ক্ষমতাসীন দল।

তবে পরে সেই গণহত্যার প্রমাণ দিতে পারেনি হেফাজত আর প্রাথমিকভাবে যারা নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছিল, তাদের অনেকেই জীবিত ফিরে আসেন। আর সরকারের সঙ্গে দূরত্বও কমিয়ে আনে হেফাজত।

শাপলা চত্বরের সেই ঘটনাপ্রবাহের পর অবশ্য আল্লামা শফী আওয়ামী লীগ সরকারের কাছাকাছি আসতে পারেন আর ২০১৭ সালে তার হাতেই কওমি সনদের সরকারি স্বীকৃতির সিদ্ধান্ত তুলে দেয়া হয়।

তবে গত বছরের সেপ্টেম্বরে পরিস্থিতি আবার ঘুরে যায়। ওই মাসের শেষ দিকে হাটহাজারী মাদ্রাসায় হাঙ্গামায় আল্লামা শফীর মৃত্যুর পর নভেম্বরে হেফাজতের যে সম্মেলন করা হয়, তাতে শফীর অনুসারীদের বাদ দেয়া হয়। ১৫১ সদস্যের যে কমিটি করা হয়, তাদের শতাধিক নেতাই বিএনপি-জামায়াতের শরিক দলের নেতা।

১৫ নভেম্বরের সম্মেলনের বিরোধিতা করে শফীপন্থিরা আগের দিন সংবাদ সম্মেলন করেই অভিযোগ করেন, বিএনপি-জামায়াতের দখলে যাচ্ছে হেফাজত। আর কমিটি গঠনের পর তাদের এই অভিযোগ প্রকারান্তরে সত্য বলেই প্রতিভাত হয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে মুক্তিযুদ্ধের বন্ধু ভারতের সরকারপ্রধান নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানোর সমালোচনা করে আসছিল হেফাজত। তবে সফরের তিন দিন আগে ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে নেতারা ঘোষণা করেন, তাদের কোনো কর্মসূচি থাকবে না সেদিন।

হেফাজতে বিএনপি-জামায়াত জোটের সবাই বাদ

সমমনা ইসলামী দলের ব্যানারে ২৫ মার্চ হেফাজত নেতারা ঘোষণা দেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে নরেন্দ্র মোদি ঢাকায় এলে তারা সরকার পতনের ক্ষেত্র প্রস্তুত করবেন

তবে ২৫ মার্চ বায়তুল মোকাররমে সমাবেশ করে হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক বলেন, ‘মোদি ঢাকায় এলে সরকার পতনের ক্ষেত্র প্রস্তুত করা হবে’।

রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সঙ্গে হেফাজতের কী সম্পর্ক সে ব্যাখ্যা কখনও সংগঠনটি দেয়নি। আর এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় থেকে হেফাজতের নেতাদের গ্রেপ্তার শুরু হওয়ার পর থেকে আমির জুনায়েদ বাবুনগরী বারবার বলেন, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় কে থাকবে না থাকবে, সে ব্যাপারে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই।

এর মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সঙ্গে দুই দফা দেখা করে সমঝোতার চেষ্টা করেন হেফাজত মহাসচিব নুরুল ইসলাম জিহাদী। আর ১৫ এপ্রিল বিএনপি-জামায়াত জোটের শরিক নেতায় পরিপূর্ণ কমিটি ভেঙে দেন বাবুনগরী। সেই রাতেই অবশ্য গঠন করা হয় আহ্বায়ক কমিটি।

এরপর থেকেই বলাবলি হচ্ছিল, হেফাজত এখন বিএনপি-জামায়াত জোটের প্রভাবমুক্ত হবে। হলোও তাই।

নতুন কমিটিতে কারা

৩৩ সদস্যের কমিটিতে আমির ও মহাসচিব পদে নতুন মুখ নেই। দুই শীর্ষ নেতা জুনাইদ বাবুনগরী ও নুরুল ইসলাম জিহাদী সরাসরি রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন না আগেও।

নায়েবে আমির হয়েছেন আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, মাওলানা আবদুল হক, মাওলানা সালাহউদ্দীন নানুপুরী, মাওলানা মীযানুর রহমান চৌধুরী, মাওলানা মুহিব্বুল হক, মাওলানা ইয়াহইয়া, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, মাওলানা তাজুল ইসলাম, মুফতি জসিমুদ্দীন।

যুগ্ম মহাসচিব হয়েছেন মাওলানা সাজেদুর রহমান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), মাওলানা আব্দুল আউয়াল, (নারায়ণগঞ্জ), মাওলানা লোকমান হাকীম (চট্টগ্রাম), মাওলানা আনোয়ারুল করীম (যশোর), মাওলানা আইয়ুব বাবুনগরী।

সহকারী মহাসচিব হযরত মাওলানা জহুরুল ইসলাম (মাখজান), মাওলানা ইউসুফ মাদানী (আল্লামা শফীর ছেলে)।

তবে ইউসুফ মাদানী এই পদ ও কমিটি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে মাওলানা মীর ইদ্রিস (চট্টগ্রাম)কে।

অর্থ সম্পাদক হয়েছেন মুফতি মুহাম্মদ আলী (মেখল), সহ-অর্থসম্পাদক মুফতি হাবিবুর রহমান কাসেমী (নাজিরহাট)।

প্রচার সম্পাদক হয়েছেন মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী (সাভার) সহ-প্রচার সম্পাদক মাওলানা জামাল উদ্দীন (কুড়িগ্রাম)।

দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মাওলানা আবদুল কাইয়ুম সোবহানী (উত্তরা, ঢাকা), সহকারী দাওয়াহ সম্পাদক মাওলানা ওমর ফরুক (নোয়াখালী)।

সদস্য হিসেবে রয়েছেন মোবারাকুল্লাহ, (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), ফয়জুল্লাহ্ (মাদানীনগরের পীর), ফোরকানুল্লাহ খলিল (দারুল মা’আরেফ, চট্টগ্রাম), মোশতাক আহমদ, (খুলনা দারুল উলুম), রশিদ আহমদ, (কিশোরগঞ্জ), মাওলানা আনাস (ভোলা), মাহমুদল হাসান (ফতেহপুরী) ও মাহমুদুল আলম (পঞ্চগড়)।

হেফাজত নতুন কমিটির আমির জুনায়েদ বাবুনগরী কোনো রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। মহাসচিব নূরুল ইসলাম জিহাদীরও রাজনৈতিক কোনো পরিচয় নেই। তিনি রাজধানীর খিলগাঁও মাখজানুল উলুম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ।

নতুন খাস কমিটির সদস্য মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী একসময় ইসলামী ঐক্যজোটের সহসভাপতি থাকলেও, ২০১৮ সালে তিনি পদত্যাগ করেন। মীযানুর রহমান চৌধুরী গাজীপুরের কাপাসিয়ার মাদ্রাসা দাওয়াতুল হকের প্রতিষ্ঠাতা। ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত থাকলেও, বিএনপি নেতা আ স ম হান্নান শাহের মৃত্যুর পর আর রাজনীতি করেননি। তিনি কাপাসিয়ার শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন।

নতুন কমিটির নায়েবে আমির আতাউল্লাহ হাফেজ্জী খেলাফত আন্দোলনের আমির। দলটি বিএনপি-জামায়াতের জোটে নেই। এ ছাড়াও নতুন কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মীর ইদ্রিস খেলাফত আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও তিনি এখন রাজনীতিতে নেই।

বিএনপি-জামায়াতের যে সঙ্গীরা বাদ

২০ দলের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলামীর নেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ (মধুপুর), মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ সাদী, মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, মাওলানা বাহাউদ্দীন যাকারিয়া, মাওলানা আনোয়ারুল করিম (যশোর) ও মাওলানা নুরুল ইসলাম খান (সুনামগঞ্জ) জায়গা পাননি।

যদিও সংগঠনটির সাবেক নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল হামিদ পীর সাহেব মধুপুর হেফাজতের আনাসপন্থিদের দলে যোগ দিয়েছেন। গত ২ জুন তাদের এক সংবাদ সম্মেলনে যোগ দেন তিনি।

মামুনুল হক ছাড়াও বাদ পড়েছেন জমিয়ত নেতা জুনায়েদ আল হাবিব ও নাসির উদ্দিন মুনির।

এ ছাড়াও দলটির ফজলুল করীম কাসেমী ও মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দীও কমিটিতে স্থান পাননি।

 

67 ভিউ

Posted ৮:৩৭ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০৭ জুন ২০২১

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com