শনিবার ১৯শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

শনিবার ১৯শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

২০১৯-২০ অর্থবছরে কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে রাজস্ব আয় ১৭ শতাংশ বৃদ্ধি

রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২০
58 ভিউ
২০১৯-২০ অর্থবছরে কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে রাজস্ব আয় ১৭ শতাংশ বৃদ্ধি

কক্সবাংলা রিপোর্ট/হেলাল উদ্দিন(৪ জুলাই) :: কক্সবাজারের টেকনাফ বন্দরে রাজস্ব আয় বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে।গত অর্থবছরের ন্যায়  সদ্য সমাপ্ত  ২০১৯-২০ অর্থবছরেও টেকনাফ বন্দরে রাজস্ব ১৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য এ বন্দরের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ১৫০ কোটি ৯ লাখ নির্ধারণ করে দিলেও আদায় হয়েছে ১৬১ কোটি ১০ লাখ ৪৩ হাজার টাকা।এর ফলে অতিরিক্ত ১১ কোটি ১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা বেশি আদায় হয়েছে। প্রসঙ্গত, টেকনাফ স্থল বন্দর দিয়ে মিয়ানমার হতে কাঠ, হিমায়িত মাছ, শুটকি, আচার, মসলা, গবাদি পশু সহ নানা পণ্য আমদানী হয়ে থাকে। অপরদিকে গার্মেন্টস পণ্য, প্লাস্টিক সামগ্রী, ঔষধ, সিমেন্ট মিয়ানমারে রপ্তানী হয়ে থাকে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাজস্ব আদায়ে সবসময় এগিয়ে থাকে টেকনাফ বন্দরের কাস্টমস হাউজ। ১৯৯৫ সাল থেকে বন্দরটি চালুর পর মায়ানমারের সঙ্গে এ পথেই বাংলাদেশের বেশিরভাগ বাণিজ্য হয়েছে।মায়ানমার থেকে গাছ, চাল, পেঁয়াজ, মাছসহ আমদানি করা পণ্যের পরিমাণ ৯০ শতাংশ হলেও বাংলাদেশ থেকে যায় মাত্র ১০ শতাংশ। যা কারণে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েই চলেছে। প্রতিবছর এ বন্দর দিয়ে এক হাজার কোটি টাকার অধিক পণ্য আমদানি হওয়ায় সরকার প্রায় দুইশ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করে।বন্দরের ধারণ ক্ষমতা ৫০ হাজার  টন হলেও সেখানে সব সময় পণ্য মজুত থাকে প্রায় ৫০০মেট্রিক টনের মতো। বর্তমানে বন্দরে ২টি পণ্যাগার, ১টি ওপেন ইয়ার্ড,১টি কোল স্পেস, ১টি ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ড রয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

টেকনাফ বন্দর সূত্র জানায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১৪৭ কোটি ৯৪ লাখ টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে  আদায় হয়েছিল ১৭৯ কোটি ৫৬ লাখ ৯১ হাজার টাকা। অতিরিক্ত আদায় হয়েছিল ৩১ কোটি ৬২ লাখ ৯১ হাজার টাকা । সদ্য সমাপ্ত  ২০১৯-২০ অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৫০কোটি ৯ লাখ টাকা।আর ৪ হাজার ৮০৫টি বিল অব এন্ট্রির বিপরীতে মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি হয়েছে ১হাজার ১১১ কোটি ৬১ লক্ষ ৭৭ হাজার টাকা। আর রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৬১ কোটি ১০ লাখ ৪৩ হাজার টাকা।এর ফলে অতিরিক্ত ১১ কোটি ১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা বেশি আদায় হয়েছে। তবে গত বছরের অতিরিক্তের চেয়ে ২০ কোটি টাকা কম আদায় হয়েছে।

সদ্য সমাপ্ত ২০১৯-২০ অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের পরিসংখ্যানে দেখা যায়-২০১৯ সালের  জুলাই মাসে ৩৫৭টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি হয়েছে ৬৮ কোটি ৬৪ লাখ ৩৬ হাজার টাকা।আর ৯ কোটি ৯৭ লাখ টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৪ কোটি ৭০ লাখ ১২ হাজার টাকা।

আগস্ট মাসে ২৩১টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি হয়েছে ৪৩ কোটি ৫৮ লাখ ৬২ হাজার টাকা।আর ১১ কোটি ৬৬ লাখ টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আদায় হয়েছে ১১ কোটি ৬৪ লাখ ৯১ হাজার টাকা।

সেপ্টেম্বর মাসে ৩৬০টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি হয়েছে ৬৪ কোটি ৭৩ লাখ ০৩ হাজার টাকা।আর ৬ কোটি ৫৮ লাখ টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আদায় হয়েছে ১০ কোটি ৯৪ লাখ ১৩ হাজার টাকা।

অক্টোবর মাসে ৫০৩টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি হয়েছে ১২৭ কোটি ৯৩ লাখ ২৬ হাজার টাকা।আর ১০ কোটি ৭৮ লাখ টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আদায় হয়েছে ১০ কোটি ৮২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা।

নভেম্বর মাসে ৪৮৪টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি হয়েছে ১২৫ কোটি ৫৪ লাখ ৯৯ হাজার টাকা।আর ১১ কোটি ২৮ লাখ টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৩ কোটি ৫৩ লাখ ০৬ হাজার টাকা।

ডিসেম্বর মাসে ৫১৬টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি হয়েছে ১১৫ কোটি ১০ লাখ ৭৭ হাজার টাকা।আর ১৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আদায় হয়েছে ২০ কোটি ৯৭ লাখ ৯৯ হাজার টাকা।

২০২০ সালের জানুয়ারী মাসে ৬২৯টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি হয়েছে ১৪৭ কোটি ৮৯ লাখ ৬৮ হাজার টাকা।আর ১৭ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আদায় হয়েছে ২০ কোটি ৪৮ লাখ ৯৯ হাজার টাকা।

ফেব্রুয়ারী মাসে ৭৮২টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি হয়েছে ২২৯ কোটি ২৩ লাখ ১৭ হাজার টাকা।আর ১৫ কোটি ৬৯ লাখ টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৯ কোটি ৪২ লাখ ৮ হাজার টাকা।

মাচ মাসে ৪১৯টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি হয়েছে ৯০ কোটি ৮৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা।আর ১৮ কোটি ৪০ হাজার টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৩ কোটি ৩৮ লাখ ৪২ হাজার টাকা।

এপ্রিল মাসে ১৪২টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি হয়েছে ৩৪ কোটি ২২ লাখ ২৫ হাজার টাকা।আর ১২ কোটি ২০ লাখ টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আদায় হয়েছে মাত্র ২ কোটি ৬৯ লাখ ৭ হাজার টাকা।

মে মাসে ১৫০টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি হয়েছে ৩৪ কোটি ৯২ লাখ ৩৪ হাজার টাকা।আর ১৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আদায় হয়েছে মাত্র ৫ কোটি ৫৫ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

সবশেষ জুন মাসে ২৩২টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি হয়েছে ২৮ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার টাকা।আর ৮ কোটি ৫২ লাখ টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে নাটকীয়ভাবে রাজস্ব আদায় বেড়েছে ১৬ কোটি ৯৩ লাখ ৬৬ হাজার টাকা।

বিশ্লেষনে দেয়া যায়,টেকনাফ সীমান্তে বাণিজ্যে মাচ,এপ্রিল ও মে মাসে করোনা মহামারী ও লকডাউনের কারণে প্রায় ২৪ কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি দেখা দেয়। এরমধ্যে মার্চ  মাসে ৫ কোটি,মে মাসে প্রায় ৮ কোটি ও এপ্রিলে ১১ কোটি টাকা রাজস্ব ঘাটতি হয়।কিন্তু সদ্য সমাপ্ত জুন মাসে মাত্র ২৯ কোটি টাকার পণ্য আমদানি থেকে প্রায় ১৭ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়।তবে জুন মাসে ৫হাজার ২শত ১৩টি গরু ৩হাজার ৩শত ১২টি মহিষসহ ৮হাজার ৫শত ৮৫টি গবাদিপশু মিয়ানমার থেকে এসেছে। এগুলো থেকে ৪২লাখ ৬২হাজার ৫শত টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে।

টেকনাফ বন্দরে দীঘদিন আমদানি-রফতানি জড়িত মাহি এন্ড ব্রাদ্রাস স্বত্বাধিকারী ব্যবসায়ী হাশেম কক্সবাংলাকে বলেন,করোনা মহামারিতে গত দেড় মাস ব্যবসায়ীরা ক্ষতির সম্মুক্ষিন হয়েছে। এর মধ্যে মিয়ানমারে ৫ জুলাই থেকে এক মাসের লকডাউন শুরু হচ্ছে।এর ফলে তারা ক্ষতির মুখে পড়বেন।তিনি আরও বলেন, ‘যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়াতে এ বন্দর দিয়ে সবাই ব্যবসা করতে চান। কিন্তু এখানকার অবকাঠামোগত সমস্যা,জেটি সমস্যা,ক্রেন সমস্যা ও লেবার  সমস্যার কারণে সুষ্ঠু বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বষাকালে পণ্য লোড-অনালোড বন্ধ থাকা সপ্তাহে সাত দিন ২৪ ঘণ্টা বাণিজ্য সেবা চালু থাকলেও ব্যবসায়ীরা তার সুফল পাচ্ছেন না।যেমন বষাকালে পণ্য লোড-অনালোড বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীরা ব্যপক ক্ষতির সম্মুক্ণি হন।তাই বন্দরে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের প্রসার ঘটাতে হলে বৈধ সুবিধা দেওয়া ও অবকাঠামো উন্নয়নের বিকল্প নেই।

টেকনাফ স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এহতেশামুল হক বাহাদুর কক্সবাংলাকে বলেন, এ বন্দরে ৫০ থেকে ৬০ জন ব্যবসায়ী মিয়ানমারের সাথে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে জড়িত। সীমিত কয়েকটি পণ্যের পিয়াজ.আদা,মাছ আমদানীর জন্য ৫০ হাজার ডলার এবং অন্যান্য পণ্যের জন্য মাত্র ৩০ হাজার ডলার এলসি করা যায়। কিন্তু মুক্ত বাণিজ্যের যুগে এলসি আরও বৃদ্ধি না করলে বন্দরে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে ধীরে ধীরে হৃাস পাবে। এরই মধ্যে মিয়ানমারে ৫ জুলাই থেকে এক মাসের লকডাউন শুরু হচ্ছে।যার কারনে একমাস আমাদানী-রপ্তানী বন্ধ হয়ে যাবে। এর ফলে তারা ক্ষতির মুখে পড়বেন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ থেকে কিছু পণ্য রপ্তানি হলেও মিয়ানমার থেকে বেশি পণ্য আমদানী করা হয়।কিন্ত অধিক পন্য রপ্তানি না করতে পারলে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিবে।বাংলাদেশের অনেক পন্য আছে যেগুলো মিয়ানমার চীন ও থাইল্যান্ড থেকে আমদানী করে। তাই সরকারের উচিত মিয়ানমারে রফতানি বৃদ্ধিতে কাযকরী পদক্ষেপ গ্রহন করা।

টেকনাফ কাস্টমস হাউজের শুল্ক কর্মকর্তা আবছার উদ্দিন জানান, পণ্য চালান ও খালাসে কাস্টমসে আগের চেয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বেড়েছে। শুল্ক ফাঁকি বন্ধে কড়াকড়ি আরোপ করায় রাজস্ব বেশি আদায় হচ্ছে। শুল্ক ফাঁকির সঙ্গেও কেউ কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।এছাড়া বন্দরের ব্যবসায়ীদের বৈধ সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে কাস্টমস আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বলেও জানান তিনি। তিনি আরও জানান,প্রতি সপ্তাহে মাছ ও কাঠভর্তি দু-তিনটি কার্গো মিয়ানমারের আকিয়াব বন্দর থেকে টেকনাফ আসছে।২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রতি মাসে আমদানি পণ্যের বিপরীতে সরকারের রাজস্ব আয় গড়ে ১৩ কোটি টাকা। যার কারণে অতিরিক্ত ১১ কোটি ১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা বেশি আদায় হয়েছে। এর পাশাপাশি বন্দরে বেড়েছে ছোট জাহাজের আগমন, নির্গমন ও পণ্য খালাস।তবে করোনার মহামারির প্রভাবে মার্চ  মাসে ৫ কোটি,মে মাসে প্রায় ৮ কোটি ও এপ্রিলে ১১ কোটিসহ মোট ২৪ কোটি টাকা রাজস্ব ঘাটতি না হলে রাজস্ব আয় আরও বাড়তে পাড়ত।তাই করোনার প্রভাব কেটে না যাওয়া পর্যন্ত বন্দরে পণ্য আমদানি ও রফতানি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে সময় লাগতে পারে।আর এর প্রভাব পড়বে রাজস্ব আদায়েও।

 

 

58 ভিউ

Posted ৩:১২ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২০

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com