পেকুয়ায় মদের কারখানায় পুলিশের অভিযান : মদ ও উপকরণ উদ্ধার

p18.jpg

মো: ফারুক,পেকুয়া(১৮ মে) :: কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকায় চোলাই মদ তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। অভিযানে জড়িত কাউকে আটক করতে না পারলেও ৫ লিটার চোলাই মদ, মদ তৈরির বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম ও উপকরণ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে মৃত কবির আহমদের পুত্র চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইসমাঈলের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য আইনে মামলা রুজু করেছে। যার মামলা নং ১২/১৭ইং।

গত বুধবার (১৭ মে) রাত ১০টার দিকে পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মনজুর কাদের মজুমদারের নেতৃত্বে এএসআই সজীব চৌধুরীসহ একদল পুলিশ টইটং ইউনিয়নের কাটা পাহাড় এলাকার মৃত কবির আহমদের পুত্র চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইসমাঈলের বসত ঘরে এ অভিযান পরিচালনা করে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মোহাম্মদ ইসমাঈল স্থানীয় টইটং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নবী হোসেনের মেয়ের জামাই। সে দীর্ঘদিন ধরে তার শ্বশুরের প্রভাব কাটিয়ে এলাকায় মদ ও ইয়াবার ব্যবসা করে আসছিলেন। এমনকি সাংবাদিকরা তার বিরুদ্ধে এর আগে রিপোর্ট করায় মোঠোফোনে হত্যারও হুমকি প্রদান করেছিলেন সে।

এদিকে পুলিশের অভিযান নিয়েও এলাকাবাসী প্রশ্ন তুলেছে। অভিযানের সময় সে বাড়ির আশেপাশেই ছিল। অথচ তাকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। তাকে আটক করে আইনের আওতায় আনতে পারলে এলাকায় মাদক বিকিকিনি অনেকাংশে কমে যেত।

অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মনজুর কাদের মজুমদার বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই চোলাই মদ তৈরির কারখানায় অভিযান চালানো হয়। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মদ কারখানা মালিক মোহাম্মদ ইসমাঈলসহ তার অপর সহযোগীরা পার্শ্ববর্তী গহিন অরণ্যে পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।

তবে তার বাড়ি থেকে ৫লিটার চোলাই মদসহ তৈরির সরঞ্জাম (প্লাস্টিকের দুটি ড্রাম, সিলভারের তিনটি পাতিল ও প্লাস্টিকের বালতি) ও দুই ধরণের তরল রাসায়নিক উপকরণ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের (নং-১২)করা হয়েছে।

Share this post

PinIt
scroll to top
bahis siteleri