izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

ষড়যন্ত্র করল কাছের লোকরাই : প্রধানমন্ত্রী

pm-cry.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(১৭ মে) :: ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘ঘরের ভেতর থেকে শত্রুতা না করলে বাইরের শত্রু সুযোগ পায় না। যারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের অনেকেই আমাদের বাসায় আসা যাওয়া করতো। এরা কেউ দূরের না, এরাই ষড়যন্ত্র করল।’

শেখ হাসিনার ৩৭তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা শুভেচ্ছা জানাতে গণভবনে গেলে তাদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন তিনি। প্রায় এক ঘণ্টার বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ‘‘১৫ আগস্টের পর একটা অপপ্রচার ছিল, ‘পরিবার খারাপ ছিল’, সে জন্য তাকে হত্যা করা হয়েছে।’’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘একাত্তরে পরাজিত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর যারা দোসর ছিল তাদের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে ১৫ আগস্টের এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল। যারা এ দেশের স্বাধীনতাই চায়নি, তারাই এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়। দুর্ভাগ্য এটাই, আমার বাবার কেবিনেটের মন্ত্রী খন্দকার মোশতাকসহ দলের অনেকেই জড়িত ছিল এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে।
ডালিম, ডালিমের শাশুড়ি, ডালিমের বউ, ডালিমের শালি— এরা ২৪ ঘণ্টা আমাদের বাসায় পড়ে থাকতো। আমাদের বাসাতেই খাওয়া-দাওয়া করত। মেজর নূর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে জেনারেল ওসমানীর এডিসি ছিল। কামালও তার সঙ্গে একই পদে ছিল। এরা তো খুব চেনা মুখ। কর্নেল ফারুক কেবিনেটের অর্থমন্ত্রী মল্লিক সাহেবের শালির ছেলে। এভাবে যদি দেখি, এরা কেউ দূরের না। এরাই যড়যন্ত্র করল। এ ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জিয়াও জড়িত ছিল।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘জিয়ার পারিবারিক সমস্যা ছিল। সেনাবাহিনীতে এক পদ তৈরি করে তার সমস্যার সমাধান করে দেওয়া হয়েছিল। সে সপ্তাহে একবার তার স্ত্রীকে নিয়ে ওই ৩২ নম্বরের বাড়িতে যেত। আন্তরিকতা নয়, চক্রান্তটাই ছিল তাদের লক্ষ্য। সত্যি কথা বলতে কী, সেটা আমরা কেউ বুঝতে পারিনি। আমরা খোলামেলা মন নিয়ে মানুষের সঙ্গে মিশতাম, সবার জন্য আমাদের দরজা খেলা ছিল।’

পঁচাত্তর-পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ হত্যাকাণ্ডের লক্ষ্য ছিল ইতিহাসের পরিবর্তন, মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা, স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করা। বিজয়কে একেবারে অর্থহীন করে দেওয়া। মোশতাক তিন মাসও ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। যারা এভাবে বেঈমানি করে তারা টিকে থাকতে পারে না। মোশতাক রাষ্ট্রপতি হওয়ার স্বার্থে জিয়াউর রহমানকে সেনাপ্রধান করেছিল। এতে স্পষ্ট হয়, তাদের মধ্যে একটা যোগসূত্র ছিল এবং ষড়যন্ত্র ছিল।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাবার হত্যাকাণ্ডের খবর সহ্য করাটা কঠিন ছিল। ১৬ তারিখে ড. কামাল হোসেন এলেন হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী সাহেবের বাসায়। রেহানা ছোট, সে বললো চাচা আপনি মোশতাকের মন্ত্রিত্ব নেবেন না। হুমায়ুন রশিদ সাহেব প্রেস কনফারেন্সের ব্যবস্থা নিলেন, কিন্তু ড. কামাল হত্যার নিন্দা জানিয়ে একটা কথাও বললেন না। হুমায়ুন রশিদ সাহেব নিজে আমাদের নিয়ে প্রেসের সামনে হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানান। মিসেস গান্ধীকে খবর পাঠিয়ে আমরা ভারতে এলাম; দেশের কাছে থাকলে হয়তো ডিটেইল খবর পাবো— এই আশায়। একেক সময় একেক খবর পেতাম। ২৪ আগস্ট দিল্লীতে পৌঁছাই। মিসেস গান্ধী আমাদের ডাকলেন। ওনার কাছ থেকে শুনলাম, কেউ বেঁচে নেই।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যেভাবে একদিনে সব হারিয়েছি, অন্য কারও ক্ষেত্রে এমন হোক— এটা চাই না। এটা যে কী কষ্টের, সেই যন্ত্রণা কাউকে বোঝানো যাবে না।’

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের কথা বলতে গিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৭ মে যেদিন ফিরি, সেদিন লাখো মানুষ পেয়েছি। যাদের রেখে গিয়েছিলাম, তাদের কাউকে পাইনি।’

Share this post

PinIt
scroll to top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri