izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

‘বস-২’ ছবির গান নিয়ে ‘একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়ে গেছে’

farea.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(৭ জুন) :: ‘বস-২’ ছবির একটি গান নিয়ে তোলপাড় শুরুর পর সবকিছু থেকে নিজেকে খানিকটা গুটিয়ে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। তবে এর মাঝে গেল রোববার কলকাতায় অনুষ্ঠিত টেলিসিনে অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে পারফর্ম করে আবার স্বরূপে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। পরদিন দেশে ফিরেই টকিজের মুখোমুখি হয়ে বিতর্কিত সেই গানটি নিয়ে প্রথমবারের মতো নিজের অবস্থান খোলাসা করলেন।  আলাপচারিতায় নুসরাত এসব নিয়ে যা বললেন, তা তুলে ধরা হলো—

কলকাতায় অনুষ্ঠিত টেলিসিনে অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে পারফর্ম করলেন। কেমন প্রতিক্রিয়া পেলেন?

শেষের কয়েকটা দিন মনটা ভীষণ খারাপ ছিল। কিন্তু এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে খুবই ভালো লাগছে। বিশেষ করে উপস্থাপক যখন আমার নাম ঘোষণা করলেন, তখন সেখানকার দর্শকরা দাঁড়িয়ে চিত্কার করে করতালি দিচ্ছিলেন। এমন প্রতিক্রিয়া দেখে নিজেকে আরো এগিয়ে নিতে বেশ উত্সাহিত বোধ করছি।

বেশ কয়েক দিন আপনার পারফর্ম করা একটা গান নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। সেটা নিয়ে এখন পর্যন্ত নিজের অবস্থান প্রকাশ করেননি—

শুরুতেই বলতে চাই, সব ধরনের চরিত্রে অভিনয় করা একজন শিল্পীর গুণ। শিল্পী হিসেবে এ যোগ্যতা আমারও থাকা উচিত। তবে কোন চরিত্রে কীভাবে নিজেকে পর্দায় তুলে ধরব, সে সিদ্ধান্ত কিন্তু আমার একার নয়, পরিচালক-প্রযোজনা সংস্থাই বেশি ভূমিকা রাখে। সিনেমা নির্মাণে যারা জড়িত, তারা সবাই ব্যাপারটা নিয়ে অবগত যে, সিনেমায় সবকিছু একজনের হাতে থাকে না। সেটা গান থেকে শুরু কাপড় নির্বাচন সবখানে। যাহোক, আমার বিশ্বাস, সিনেমাটা দেখলেই সবার ভুল ভেঙে যাবে— এখানে কাউকে কোনো ধরনের আঘাত করার উদ্দেশ্য ছিল না। আমার শুধু চেষ্টা ছিল, নিজের কাজে একটা নতুনত্ব আনার। এজন্য টানা তিন মাস পরিশ্রম করেছিলাম গানটিতে পারফর্ম করার জন্য।

গানটি মুক্তির পর চারদিক থেকে যখন ব্যাপক সমালোচনা আসছিল, তখন কোন পরিস্থিতির মধ্যে ছিলেন?

এ রকম নেতিবাচক কথাবার্তা শুরু হওয়ার পর কিছুটা সময়ের জন্য মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলাম। বারবার মনে হচ্ছিল, এটা আমি কি করলাম! আবার গানটা নিয়ে আমার অনেক আশা ছিল। এমনকি গানটি মুক্তি দেয়ার একরাতের মধ্যে অসংখ্য ভিউয়ার দেখে খুশিও হয়েছিলাম। কিন্তু পরের দিন যখন বুঝতে পারলাম, ব্যাপারটা অনেকেই নেতিবাচকভাবে নিয়েছে, তখন ভীষণ মুষড়ে পড়েছিলাম। এর প্রধান কারণ ছিল, আনুষ্ঠানিকভাবে এটাই আমার প্রথম আইটেম সং। পরিশ্রম যেমন করেছি, প্রত্যাশাও তেমন ছিল।

গানটির পরিবেশন নিয়ে যারা নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, তাদের উদ্দেশে কী বলবেন?

একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়ে গেছে, এটা মানছি। আর আমার ভক্তদের বলতে চাই, আমি এমন কিছু কখনই করব না, যেটা তাদের কষ্ট দেয়। কারণ আমি যত কিছুই করি না কেন, তা শুধু তাদের চাহিদা, ভালো লাগার কথা বিবেচনা করেই করি। নিজের কথা ভেবে আদৌ কিছু করিনি।

আপনার কাছে আইনি নোটিসও গিয়েছিল। এ নিয়ে কোনো জবাব দিয়েছেন কি?

না, এ নিয়ে তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া দিইনি। তবে একটা বিষয় আমার জন্য ইতিবাচক যে, অন্য কিছু নয়, আমার কাজ নিয়ে সমালোচনা হয়েছে। আজ যদি কাজের বাইরে আমার ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা হতো, সত্যিই হতাশ হতাম। এখন আমি নিজেকে আরো এগিয়ে নেয়ার সুযোগ পাচ্ছি। কারণ আমার কাজ নিয়ে সমালোচকরা আলোচনা করছেন, ভুল ধরিয়ে দিচ্ছেন।

এ ঘটনায় একটা বিষয় নজরে এসেছে, তাহলো, আপনার ভক্তরাই আপনার ওপর নাখোশ হয়েছেন।

বড় বেশি দুশ্চিন্তা হচ্ছে, ভক্তরা আমাকে ভুল বুঝল কিনা। কারণ তারাই আমার অনুপ্রেরণা ও সাহস। আমার কোনো পিছুটান নেই যে, মিডিয়াতেই কাজ করতে হবে। আমি এখানে কাজ করি ভক্তদের জন্যই। এ কারণেই যখন দেখলাম, আমার সবচেয়ে বড় শক্তি (ভক্ত) যখন আমার ওপর ক্ষেপে গেছে, রাগ করেছে, সত্যি কথা বলতে কী আমি কষ্ট পাচ্ছিলাম।

বলিউডে এ ধরনের ঘটনা অহরহ ঘটে। অনেক ক্ষেত্রে তা স্বাভাবিকভাবেই দেখা হয়। আবার সেখানে আপনার অভিনয়েরও কথা ছিল। সেখানেও যদি এমন উপস্থাপন থাকত, সেক্ষেত্রে তা কেমন হতো?

এখন মনে হচ্ছে, বলিউডে কাজ না করে ঠিকই করেছি। যখন বলিউড থেকে প্রস্তাব এসেছিল, তখন কিন্তু চিন্তা করেছিলাম এমন পরিস্থিতির কথা যে, আমার দেশের দর্শক হয়তো আমাকে ওভাবে নিতে অনিচ্ছুক। তবে সত্যি বলতে কি, যিনি ‘বস-২’ ছবির কস্টিউম ডিজাইন করেছেন, তিনি বাংলাদেশে আগে যেসব গান হয়েছে, সেগুলো দেখেই ডিজাইন করেছিলেন। আমার মনে হয়, এ রকম আইটেম সং সবাই সচরাচর করে। এই পয়েন্ট অব ভিউ থেকে দেখলেও এখানে কাউকে দোষ দেব না।

অনেকে অভিযোগ করেছে গানটি রিমেক করা—

একটা কথা বলি, নিশ্চয়ই আমরা সবাই কোথাও না কোথাও থেকে অনুপ্রাণিত তো হই। অ্যাঞ্জেলিনা জোলিও কালো কাপড় পরেন আর আমিও কালো কাপড় পরি। তার মানে এই নয় যে, আমি তাকে অনুকরণ করছি। একটা কথা সবাইকে বলতে চাই, গানটা এ ছবির মূল দুই চরিত্র আয়েশা (নুসরাত ফারিয়া) ও সূর্য (জিত্) মধ্যকার একটা কথোপকথন, এটা প্রতীকী গান। তারা কোনো একটা কারণে একটা ছদ্মবেশ নেয় এবং এ অবস্থার মধ্যেই দুজনের কথোপকথন হয়। এ উপস্থাপন একটু অন্য রকম করতেই এমনভাবে আয়োজন করা হয়েছে।  তো এটা যদি অডিয়েন্স খেয়াল করে দেখে, তাহলে তারা নিশ্চয়ই ভুল বুঝবেন না।

Share this post

PinIt
scroll to top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri