চকরিয়ায় একটি লোপ কাটিং বদলে দিলো হাজারো মানুষের জীবন…

ck14st.jpg

এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া(১৪ জুন) :: স্যাটেলাইট থেকে নেওয়া ছবির সাহায্যে বিস্তারিত বলি। মাতামুহুরি নদীর একটি অংশ গিয়েছে চকরিয়া উপজেলার চিরিঙ্গা ইউনিয়নের সওদাগরঘোনা অংশের উপর দিয়ে। গুগল আর্থ থেকে নেওয়া ছবিটি খেয়াল করুন। হলুদ চিহ্নিত ঝ অ ই ঊ অংশটি হলো মাতামুহুরির নদীর বর্তমান অববাহিকা। কিন্তু আজ থেকে বছর দেড়েক আগেও নদীটির গতিপথ এতটা মসৃণ ছিল না।

পূর্বে নদীটি ঝ অ ই ঊ পয়েন্টে সরাসরি প্রবাহিত হতো না। সেক্ষেত্রে নদীটি অ থেকে ট হয়ে ই পয়েন্ট দিয়ে প্রবাহিত হতো। সাদা চিহ্নিত বাড়তি ট অংশে নদীর পরিভ্রমণের কারণে প্রতিবছর সওদাগর ঘোনা, চরণদ্বীপ,বুড়িপুকুর সহ একটি বড় এলাকা বন্যায় প্লাবিত হতো। পানি বন্দি হতো হাজারো মানুষ। বন্যার প্রভাবকে লাল রং দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছে।

কিন্তু চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আলহা জাফর আলমের সময়োপযোগী সিদ্ধান্তে নদীর অংশটিতে একটি লোপ কাটিং করা হয়। অর্থাৎ অ পয়েন্ট থেকে ই পয়েন্ট পর্যন্ত সোজাসোজি নদী খনন করে সাদা চিহ্নিত বাড়তি ট অংশটি বাদ দেওয়া হয়। ট অংশটি রক্ষা করতে তৈরী করা হয় দুটি বাঁধ। এতে এ বছর হাজারো মানুষ অতি বর্ষণেও নিরাপদে পবিত্র রমজানে ইবাদত বন্দেগী করতে পারছে।

চিরিঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান (২) শেখ সালাহ উদ্দিন এ বিষয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে গিয়ে তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেন, “সওদাগরঘোনার সকল নারী জাফর সাহেবের জন্য দোয়া করছে, এই রমজানে বন্যার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য। আল্লাহ ওনাঁকে হাজার বছর বাঁচিয়ে রাখুক।

অনুলিখন: চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম (বিএ অর্নাস এমএ)’র ছেলে তানভীর আহমেদ ছিদ্দিকী তুহিন, মালয়েশিয়া প্রবাসী স্টুডেন্ট।

 

Share this post

PinIt
scroll to top
bahis siteleri