buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু

matarbari-deep-sea-port-blue-print-coxbangla.jpg

কক্সবাংলা রিপোর্ট(২৯ জুন) :: কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়িতে দেশের প্রথম বহুমুখী ও সমন্বিত গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের দ্বার উন্মোচিত হচ্ছে। ইতিপূর্বে কক্সবাজারের সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের কথা বলা হলেও সেটি এক্সক্লুসিভ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে সূত্রে জানা যায়।

জাইকা মাতারবাড়িতে দেশের বৃহত্ কয়লা বিদ্যুত্ কেন্দ্র নির্মাণে অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ শুরু করতে গিয়ে বহুমুখী গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করে। ইতিমধ্যে এর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু করেছে বলে জানা যায়। জাইকার উদ্যোগে গত মে মাসের প্রথম সপ্তাহে ব্যাংককে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক এবং ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়।

ওই বৈঠকে জাইকা ছাড়াও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল (বেজা), চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, রেলওয়ে, পেট্রোবাংলা, বিপিসিসহ বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ যোগদান করেন। তা ছাড়া গত ১৮ জুন নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান কক্সবাজারে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ সরকারের ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানান।

সংসদে মন্ত্রী জানান, জাইকা কর্তৃক মাতারবাড়িতে বহুমুখী গভীর সমুদ্র নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালিত হচ্ছে। সমীক্ষা প্রতিবেদন পাওয়ার পর সার্বিক দিক বিবেচনা করে নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে। এ ছাড়া জাপানের ‘প্যাসিফিক কনসালট্যান্টস ইন্টারন্যাশনাল (পিবিআই)’ কর্তৃক টেকনো ইকোনোমিক ফিসিবিলিটি স্টাডি’ করা হয়েছিল বলে জানান।

এদিকে জানা যায়, জাইকা আয়োজিত ব্যাংকক বৈঠকে তাদের পক্ষ থেকে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের ক্ষেত্রে সমন্বিত বন্দর ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা যায় কি না তার প্রস্তাব করা হয়। তাদের প্রস্তাব অনুযায়ী নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিবের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক), পায়রা বন্দর, বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ, অর্থ মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দুজন বিশেষজ্ঞ নিয়ে অন্তত ১০ সদস্যের কমিটি গঠনের কথা বলা হয়।

তা ছাড়া মাতারবাড়িতে দেশি-বিদেশি ৮টি প্রতিষ্ঠান তাদের স্থাপনা ও জেটি নির্মাণের জন্য সরকারের নিকট আগ্রহ প্রকাশ করেছে। জ্বালানি এবং এলএনজি গ্যাস সেক্টরের এই ৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে জাপান, চীন ও হংকংয়ের ১টি করে প্রতিষ্ঠান, ভারতের তিনটি প্রতিষ্ঠান, সিঙ্গাপুরের ১টি প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)।

জানা যায়, দেশের যত বন্দর রয়েছে তার মধ্যে মাতারবাড়ি এলাকায় সবচেয়ে বেশি ধারণ ক্ষমতার জাহাজ ভেড়ানো সম্ভব হবে। মাতারবাড়িতে বন্দর নির্মিত হলে তাতে প্যানামেক্স জাহাজ অর্থাত্ ৬০ হাজার টন পণ্যবাহী জাহাজ ভেড়ানো সম্ভব হবে। অন্য কোনো বন্দরে এ ধরনের জাহাজীকরণ বা পণ্য খালাসের সুবিধা অনুপস্থিত। দেশের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে ৯ দশমিক ৫ মিটার গভীরতার জাহাজ ভেড়ানো সম্ভব। অন্যদিকে মাতারবাড়ি বন্দর নির্মিত হলে তাতে ১৪ থেকে ১৮ মিটার গভীরতার জাহাজ ভেড়ানো সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্ট বন্দর বিশেষজ্ঞদের মতে মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের অবকাঠামোগত উপযোগিতার কতগুলো ক্ষেত্র প্রস্তুত হয়েছে। চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে টানেল নির্মাণ এবং কক্সবাজারের সঙ্গে সংযোগ সড়ক নির্মাণের ফলে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের দূরত্ব ৮০ কিলোমিটার কমে যাবে। আবার রেল কর্তৃপক্ষ মাতারবাড়ি পর্যন্ত রেল সংযোগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। অন্যদিকে মাতারবাড়িতে জাইকার অর্থায়নে ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ কেন্দ্র স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে।

জানা যায়, মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর জাপানের কাশিমা পোর্টের আদলে করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং তা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণাধীন হবে।

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
en English Version bn Bangla Version
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri