উখিয়ার পালংখালীতে ইয়াবা কারবারিদের হাতে গুলিবিদ্ধ রাসেলের পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি

homki-dead.jpg

বার্তা পরিবেশক(৬ আগষ্ট) :: কক্সবাজারের উখিয়ার পালংখালীর থাইংখালী পুটিবনিয়া সন্ত্রাসি হামলার ঘটনায় বিচার চেয়ে অস্ত্র উদ্বারের দাবি উঠেছে। সংগঠিক ঘটনার জের ধরে বাদি পক্ষকে আসামি পক্ষ ও তাদের সাঙ্গপাঙ্গরা প্রতিনিয়ত হুমকি-দমকি অব্যাহত রেখেছে।

উল্লেখিত এলাকার হাজী জালাল আহমদের পুত্র মাষ্টার জয়নাল আবেদিন উখিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ বরাবরে দায়েরকৃত এজাহারে জানিয়েছেন, তার ভাই রাসেল উদ্দিন পুটিবনিয়া এলাকার আবদুল খালেকের কাছ থেকে মাছের প্রজেক্ট ইজারা নিয়ে একবছর যাবত মাছ চাষ করে আসছেন। গত কিছুদিন ধরে এলাকার কিছু অপরাধি রাসেলের মাছের ঘের এলাকা দিয়ে ইয়াবা পাচার করলে সে দেখে বাঁধা সৃষ্টি করেন। নিষেধ করাতে ওইসব অপরাধিরা ক্ষিপ্ত হয়ে রাসেলকে খুন করবে মর্মে হুমকি দিয়ে আসছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় রাসেল ঘর থেকে মাছের ঘেরের দিকে যাওয়ার পথে বিগত ১ আগষ্ট বিকেলে ওইসব ইয়াবা কারবারি অপরাধিরা লোহার রড, অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তার উপর হামলা চালায়। ঘটনাস্থলে অপরাধি আবদুর রশিদ প্র: আবদু ডাকাতের হাতে থাকা বন্দুক দিয়ে রাসেলের বুকে গুলি করে গুরুতর আহত করে। পরে অপরাপর অপরাধি কিচির দিয়ে বেপরোয়া আঘাত করে রাসেলকে।

পরিশেষে উপযুর্পরি মারধর ও গুলি-পিন্টারের আঘাতে জর্জরিত রাসেলকে ঘটনাস্থল থেকে অপহরণ পুর্বক পালংখালী গোলামবারির রাস্তা নামক স্থানে ফেলে চলে যায়। পরে খবর পেয়ে রাসেলকে ভাই ও বাবা হাজী জালাল আহমদ এবং মেম্বার নুরুল হকসহ উদ্বার করে প্রথমে উখিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে গুরুতর আবস্থায় চিকিৎসা দেয়া হয়।

থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে হোছন আহমদের পুত্র আবদুর রশিদ প্র: আবদু ডাকাত, আফলাতুন প্র: ধইন্যার পুত্র রাসেল উদ্দিন ও সেলিম উদ্দিন, নুরুল বশরের পুত্র আবদুল শুক্কুর ও শামসুল আলম মিস্ত্রির পুত্র সাইফুল ইসলামসহ আরো কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়।

এদিকে অভিযোগ পাওয়া যায়, এসব অভিযুক্তদের পাশাপাশি তাদের পালিত সাঙ্গপাঙ্গরাও প্রতিনিয়ত বাদি পক্ষকে প্রাণনাশের হুমকি-দমকি দিচ্ছে।

এদিকে অপরাধি মোস্তাক আহমদের পুত্র রুবেলের কাছ ঘটনার সময় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্বারের দাবি উঠেছে এবং ওই অবৈধ অস্ত্র উদ্বার না হওয়া পর্যন্ত আটককৃত তার মা আনোয়ারাকে না ছাড়ার দাবি উঠেছে।

তাছাড়া ডাকাত রশিদের মামা সরকারি চাকুরিজীবিনজির আহমদ সর্দারের পুত্র বকতেয়ার ও সিএনজি চালক শাহ আলম এবং বন আশ্রয়দাতা ইউছুফের বিরুদ্ধে এ ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শক্তিধর সিন্ডিকেট এলাকায় ইয়াবা ব্যবসাসহ নানা অপরাধে জড়িত বলে খবর পাওয়া গেছে।

উল্লেখিত ঘটনায় সুষ্টু বিচার চেয়ে বাদি পক্ষ (মাষ্টার জয়নাল আবেদিন) পুলিশ সুপার ও উখিয়া থানা ওসির হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

Share this post

PinIt
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri