buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

রোহিঙ্গা নিপীড়িন : প্রান বাঁচাতে এসে প্রাণ গেল ১ নারীর : ৪ শিশুই এখন এতিম

Shahid-Ukhiya-Pic-07-10-2017-1.jpg

শহিদুল ইসলাম,উখিয়া(৭ অক্টোবর) :: চিত্রের ৪ শিশু ও মহিলাটি মিয়ানমারের রোহিঙ্গা পরিবার।মিয়ানমার জান্তা সরকারের দমন নিপীড়নের শিকার হয়ে দুই শিশু ছেলে,দুই কন্যা শিশু নিয়ে প্রাণ বাচাঁতে এপারে গত ২৫ দিন পুর্বে পালিয়ে আসেন।

মহিলাটির নাম রহিমা খাতুন, বয়স ২৭ কি ২৮ হবে এমন বর্ণনা দিলেন মহিলার আপন সহোদর ছোট ভাই হাসমত উল্লাহ।মিয়ানমারে তাদের বাড়ি মংডু থানার হাইসসুরাতা ইউনিয়নের চান্ডিলইল্যা গ্রামে।স্বামী নুরুল আলম গত কয়েক মাস আগে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে আরেকটি বিয়ে করেন।

ফলে তেমন একটা যোগাযোগ ছিলনা স্ত্রী রহিমা খাতুনের সাথে। ভরণপোষণ দিতনা সন্তানদের। মিয়ানমার থেকে ১মাস বয়সের কন্যা শিশু ইয়াছমিন সহ আরো ৩ শিশু সন্তান এনায়েত উল্লাহ (১১),আজমত উল্লাহ (৯) ও রেসমিন (৭)কে নিয়ে মিয়ানমার থেকে টেকনাফের নাফ নদীর জলসীমা পাড়ি দেন গত ২৫ দিন আগে।

কয়েকটি স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে ১৫ দিন পার করে গত ১০ দিন পুর্বে আশ্রয় নেন উখিয়ার বালুখালী কাস্টমস স্টেশনের পশ্চিমে রাস্তার পাশে জনৈক মুফিজুর রহমানের বন্ধ ব্যবসা ঘরের বারান্দায়।

মিয়ানমারে নিজের ঘরে জন্ম নেওয়া সর্বশেষ এক কন্যা সন্তান (ইয়াছমিন) জন্ম পরবর্তী এপারের(৭ অক্টোবর)পর্যন্ত যার বয়স মাত্র দুইমাস পুর্ণ হতে চলছে। মিয়ানমারে সন্তান প্রসব যন্ত্রণা, তার মাঝে জান্তা সরকারের দমন নিপীড়ন।

দুই মিলিয়ে এক বিভিষিকাময় পরিস্থিতিতে স্বামী পরিত্যক্তা মহিলাটি ৪ সন্তানের আহার যোগাড় আর নিজের চিকিৎসা নিয়ে মহা বিপর্যস্ত ছিলেন। বালুখালীর এক ধর্মপ্রিয় যুবক মুফিজের সহযোগিতায় চিকিৎসা সেবাও দেয়া হয়। নিয়ে যাওয়া হয়েছিল কুতুপালং এমএসএস হাসপাতালে।

কয়েকদিন চিকিৎসা সেবা নিয়ে আশ্রয়স্থল কাস্টমস স্টেশনে মুফিজের বন্ধ ব্যবসা ঘরের বারান্দায় (৭ অক্টোবর) ভোর ৪ টায় মৃত্যুর কাছে হার মেনে না ফেরার জগতে চলে যান হতভাগী স্বামী পরিত্যক্তা রহিমা খাতুন। মহিলাটি মৃত্যুকালে অবুঝ এই ৪ শিশু সন্তান রেখে যান। কেউ জানেনা ৪ এতিম সন্তানের ভবিষ্যৎ কি?। একদিকে বাবা থেকেও নেই। হারালেন মা জননীকে। এই অবুজ ৪ শিশু সন্তানের স্বজন বলতে এখন দুই মামা, এক খালাম্মা রয়েছে। তারাও আশ্রিত রোহিঙ্গা।

কারা দেখবে ৪ এতিম শিশুর জীবন ব্যবস্থা এই প্রশ্ন বার -বার ঘুরপাক খাচ্ছে প্রত্যক্ষদর্শীদের জনমনে?। বালুখালীস্থ শাহপুরীরদ্ধীপ হাইওয়ে পুলিশের সিপাহী সন্তোষ চাকমা সহ অন্যরা মিলে নগদ দেড় হাজার এবং স্থানীয় যুবক মুফিজের সহযোগিতায় দাফন কার্য সম্পন্ন করা হয়।

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri