buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

পেকুয়ায় কিশোরীর অকাল মৃত্যু : স্বামী আটক

Dead.jpg

নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া(১৩ অক্টোবর) :: পেকুয়ায় কিশোরীর অকাল মৃত্যু হয়েছে। এ মৃত্যুকে ঘিরে দিনভর নানা জটিলতা ও নাটকীয়তা দেখা দেয়। কিশোরীর সাথে এক কিশোরের বিবাহ হয়। তারা দুইজনেই পেকুয়া জিএমসির শিক্ষার্থী। অপরিনত বয়সে দু’জনের মধ্যে মন দেওয়া নেওয়া হয়। প্রেমিক সপ্তম শ্রেনীর ছাত্র প্রেমিকা ৮ম শ্রেনীতে পড়ে। একই বিদ্যালয়ের দু’শিক্ষার্থীর মাঝে গভীর প্রেমের সম্পর্ক তৈরী হয়। এক পর্যায়ে দু’জন পালিয়ে গিয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে। ছেলের পরিবার এ বিবাহ মেনে নেয়নি।

প্রেমিকাকে নিয়ে প্রেমিক চট্রগ্রাম শহরে অবস্থান নেয়। জীবিকার তাগিদে বর একটি বেসরকারী কৌম্পানীতে চাকুরী নেয়। সেখানে বাসা ভাড়া নেয় স্বামী-স্ত্রী। গত দু’মাস আগে তারা পালিয়ে গিয়ে বিবাহ করেছেন।

১৩ অক্টোবর প্রেমিক ইয়াসমিন আক্তার(১৬) এর মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করেছে। এ মৃত্যুকে ঘিরে সন্দেহের অবতারনা দেখা দেয়।

এতে করে পুলিশ সন্দেহজনক ইয়াসমিন আক্তারের স্বামী সাইফুল ইসলামকে(১৫)আটক করে। তবে উপযুক্ত তথ্য প্রমানাদি ও স্বাক্ষী প্রমান শেষে সন্ধ্যায় আটককৃত সাইফুল ইসলামকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, ইয়াসমিন আক্তার কয়েক দিন আগে থেকে জন্ডিস রোগে মারাত্মক আক্রান্ত হন। ওই দিন স্বামী তাকে চট্রগ্রাম শহর থেকে গ্রামের বাড়ি পেকুয়া সদরে নিয়ে আসেন। এ সময় দুপুরের দিকে তার অবস্থার অবনতি হয়। তাকে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে দুপুরের দিকে কর্মরত চিকিৎসক ইয়াসমিনকে মৃত ঘোষনা করেন।

এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্বামী তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে সর্বত্র প্রচার করা হয়। এ সময় পুলিশ ওই মহিলার স্বামীকে সন্দেহজনক আটক করে। জন্ডিসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই মহিলার পিতা শাহজাহান। তিনি তার মেয়ের এ মৃত্যুকে স্বাভাবিক বলে নিশ্চিত করেছেন। পরে সন্ধ্যার দিকে মরদেহ তার পিতার কাছে হস্তান্তর করেছেন। আটককৃত স্বামীকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সাইফুল সদর ইউনিয়নের বাইম্যাখালী এলাকার কামাল হোসেনের ছেলে বলে জানা গেছে।

উজানটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এম, শহিদুল ইসলাম জানায়, মেয়ের বাবা নিশ্চিত করেছেন জন্ডিসে তার মৃত্যু হয়েছে। সদর ইউপি চেয়ারম্যান এম, বাহাদুর শাহ জানায়, আমরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছি। স্বামী তাকে হত্যা করে নি। জন্ডিস হয়েছিল।

পেকুয়া থানার ওসি জহিরুল ইসলাম জানায়, সন্দেহ থাকায় ওই ছেলেকে থানায় আনা হয়েছিল। মেয়ের অভিভাবক এমনকি পিতা-মাতাকে এ বিষয়ে আইনী সহায়তার জন্য পুলিশ তৎপর ছিল। তাদের সরাসরি বক্তব্য মেয়েটির অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় নি। জন্ডিসে মারা গেছেন বলে তার পিতা নিশ্চিত করেছেন।

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
en English Version bn Bangla Version
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri