buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

পেকুয়ার রাজনীতি : সাংগঠনিক শক্তিতে একট্টা বিএনপি, বিভক্তি আওয়ামীলীগে

politics-cox-LOGO-coxbangla.jpg

মো:ফারুক,পেকুয়া(২৭ নভেম্বর) :: পেকুয়া উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা একট্টা হয়ে দলীয় কার্যক্রম চালাচ্ছেন। বিএনপি ও সহযোগি সংগঠনের ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ের কমিটি প্রস্তুত করে প্রস্ততি নিতেও শুরু করেছে জাতীয় নির্বাচনের। এ বিষয়টি দলীয় উর্ধ্বতম নেতারা সার্বক্ষনিক মনিটরিং করছে বলে তৃণমূলের নেতারা জানিয়েছেন।

সূত্রে জানা গেছে, বাহাদুর শাহকে সভাপতি আর ইকবাল হোছাইনকে সাধারণ সম্পাদক করে সদ্য গঠিত হয়েছে উপজেলা বিএনপির কমিটি। বিগত কমিটিতেও তারা ছিলেন সভাপতি সম্পাদক। গঠন করা হয়েছে উপজেলা যুবদল, শ্রমিকদল, সেচ্ছাসেবকদল আর ছাত্রদলের কমিটি। ওয়ার্ড পর্যায়ের কমিটিও সভা সমাবেশ করে গঠন করছেন তারা। লক্ষ্য আগামী জাতীয় নির্বাচন। কেন্দ্রীয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদের (বর্তমানে ভারতে অবস্থান) নির্দেশে তারা একট্টা।

হাইকমান্ডের নির্দেশ অমান্য করেননা স্থানীয় নেতারা। যার কারণে উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে বেশি সংখ্যক প্রতিনিধি তাদের দখলে। আগামী সংসদ নির্বাচনের দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশে তারা কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন।

অন্যদিকে দুই পক্ষের গ্রুপিং, দ্বন্দ্ব আর ভারপ্রাপ্ত সভাপতির পদ নিয়ে পেকুয়া উপজেলা আ’লীগ ও সহযোগি সংগঠনের করুণ দশার সৃষ্টি হয়েছে। সাংগঠনিক কার্যক্রমও চলছে বিভক্ত হয়ে। এক নেতা প্রতি অন্য নেতার বিষেদাগার চলছে প্রকাশ্যে। যার প্রভাব পড়তে পারে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমন অভিমত প্রকাশ করেছেন তৃণমূলের দলীয় নেতাকর্মীরা।

জানা গেছে, বিশাল সম্মেলনের মাধ্যমে পেকুয়া উপজেলা আ’লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন প্রয়াত (ঘাতকের হাতে নিহত) আ.ক.ম শাহাবউদ্দিন ফরায়েজী আর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন আবুল কাশেম। তারা দুজন অনেক চেষ্টার ফলেও উপজেলা আ’লীগের পূর্নাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করাতে পারেনি তৎকালীন জেলা সভাপতি(ভারপ্রাপ্ত) এ্যাডঃ আহমদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আহমদ (সিআইপি) এর কাছ থেকে। তবে সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম বিভিন্ন সভায় কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে বলে জানালেও কমিটিতে শুধু মাত্র ভারপ্রাপ্ত সভাপতির সাক্ষর রয়েছে বলে সূত্রে জানা গেছে।

তার মধ্যে ঘাতকের হাতে নির্মমভাবে সভাপতি শাহাবউদ্দিন ফরায়েজী নিহত হলে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মনোনয়ন নিয়ে দেখা দেয় চরম বিরোধ। উপজেলা কমিটির মাধ্যমে প্রয়াত মাষ্টার আজমগীর চৌধুরীকে আর জেলা কমিটির মাধ্যমে বর্তমান উপদেষ্টা কমিটির সদস্য এ্যাডঃ কামাল হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মনোনীত করা হয়।

এ নিয়ে উপজেলা আ’লীগের কার্যালয়ে এ্যাডঃ কামাল হোসেনকে লাঞ্চিত করলে তিনি আড়ালে চলে যান। এরপর মাষ্টার আজমগীর চৌধুরী প্রয়াত হলে শাহনেওয়াজ চৌধুরী বিটুকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মনোনীত করে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো: বারেককে নিয়ে দলীয় কার্যালয় কেন্দ্রীক কার্যক্রম চলাচ্ছে সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম। দলীয় কর্মসূচি থেকে শুরু করে স্থানীয় সভা সমাবেশ পালন করছে দলীয় কার্যালয়ে। তাদের সাথে একট্টা হয়ে বিভিন্ন সভা সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখছেন চকরিয়া উপজেলা আ’লীগ সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আলম।

ইতিমধ্যে কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে মর্মে ঘোষনা দিয়ে জেলা কমিটির উপদেষ্টা সদস্য এ্যাডঃ কামাল হোসেন, সদস্য এসএম গিয়াস উদ্দিন, উম্মে কুলসুম মিনু, সাবেক উপজেলা আ’লীগ নেতা এম. শহিদুল্লাহর নেতৃত্বে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমকে নিয়ে দলীয় কার্যক্রম চালাচ্ছে চৌমহুনীস্থ দলীয় অফিস কেন্দ্রীক। তাদের সভা সমাবেশে যোগ দিচ্ছেন জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান, সহসভাপতি আমজাদ হোসেন, রেজাউল করিম, শিল্প ও বানিজ্যে বিষয়ক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ মিথুন, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক কমর উদ্দিন আহমদ, সদস্য জিয়া উদ্দিন চৌধুরী ও চকরিয়া উপজেলা আ’লীগের সহসভাপতি ফজলুল করিম সাঈদী।

বিভিন্ন সভা সমাবেশ ছাড়াও ষ্পষ্ট হয়ে ওঠেছে সদ্য প্রয়াত উপজেলা আ’লীগের নেতা ফুরিদুল আলমের শোক সভা পালন নিয়ে। দুই পক্ষই আলিদাভাবে পালন করেন শোক সভা।

তৃণমূলের কয়েকজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, পেকুয়ায় আ’লীগের যতেষ্ট কর্মী সমর্থক রয়েছে। জায়গা জমি আর আর্থিক লেনদেন নিয়ে কোন গ্রুপিং নাই শুধু পদবী গ্রুপিংয়ে কারণে ক্ষতবিক্ষত হচ্ছে দলীয় নেতাকর্মীরা। যার প্রভাব পড়ছে বিগত ইউপি সদস্য, চেয়ারম্যান ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে। গ্রুপিংয়ের কারণে অনেক নেতা হেরে গেছেন নির্বাচনে। এ অবস্থা চলতে থাকলে আগামী সংসদ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি সুবিধা ভোগ করবে বিএনপি।

এর থেকে উত্তোরণের জন্য আগামী সংসদ নির্বাচনের জন্য যারা প্রার্থী মনোনয়ের জন্য লবিং করছে তাদের ভুমিকা রাখার দরকার। সবাইকে নিয়ে বসে গ্রুপিং বন্ধ করা দরকার। উপকারটা তাদেরই হবে। এছাড়াও জেলা কমিটির সভাপতি সম্পাদকের নেতৃত্বে উপজেলা কমিটিকে নতুন করে সাজিয়ে দলীয় চাঙ্গাভাব ফিরিয়ে আনতে পারবে বলে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আশাবাদী।

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
en English Version bn Bangla Version
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri