নির্বাচনকে টার্গেট করে কৌশলে বিএনপি

bnp-ec.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(৩০ নভেম্বর) :: অন্য অনেক বিষয় ‘বিবেচনা’ করলেও নির্বাচনকালে সরকারের প্রধান হিসেবে শেখ হাসিনার ব্যাপারে কোনো ‘ছাড়’ দেবে না বিএনপি। দলটি আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে চায়, তবে তা দলনিরপেক্ষ সরকারের অধীন ছাড়া নয়।

এজন্য আর কিছুদিনের মধ্যে নির্বাচনকালে দলনিরপেক্ষ সরকারের একটি রূপরেখা উপস্থাপন করবে তারা। এরপর এ ব্যাপারে ক্ষমতাসীন দল যদি কোনো ‘সমঝোতায়’ না এসে একতরফা নির্বাচনের দিকে যায়, তাহলে পূর্ণ শক্তি নিয়ে মাঠে থাকার প্রস্তুতি নিচ্ছে দলটি।

এ ব্যাপারে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, একাদশ নির্বাচন দলীয় সরকারের অধীনে হলে হবে না। তারা (আওয়ামী লীগ) ক্ষমতায় থাকবেন, ডুগডুগি বাজাবেন, আর সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করবেন। আবার নির্বাচন করে ক্ষমতায় যাবেন- এই স্বপ্ন দেখছেন তারা।

তিনি বলেন, ক্ষমতাসীনরা তো ২০৪১ সাল পর্যন্ত স্বপ্ন দেখে ফেলেছেন। আমরা বলতে চাই, এই সংসদ রেখে কোনো মতেই নির্বাচন সুষ্ঠু হতে পারে না, সংসদ ভেঙে দিতে হবে। এই সরকারকে রেখে নির্বাচন সুষ্ঠু হতে পারে না।

নির্বাচনকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বলেন, সহায়ক সরকার বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার বলেন- মূল কথা হচ্ছে একটা নিরপেক্ষ সরকার থাকতে হবে যারা নির্বাচন কমিশনকে সাহায্য করবে।

বিএনপির প্রতি সহনশীল বুদ্ধিজীবী বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ  বলেন, বিএনপির সাম্প্রতিক সময়ের রাজনীতি বিশ্লেষণ করলে তিনটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

এগুলো হলো- এক. তারা আগামী নির্বাচন কোনোভাবেই দলীয় সরকারের অধীনে হোক, তা চায় না। শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচনে তারা অংশ নেবে না। আবার তাদের অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচন হতেও দেবে না।

দুই. এ নিয়ে সরকারের সঙ্গে একটি সমঝোতা চায়। এ জন্য তারা সংলাপ চায়।

তিন. তারা একই সঙ্গে ‘ফুলসুইংয়ে’ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য প্রার্থী বাছাইসহ বিভিন্ন কাজও চালিয়ে যাচ্ছে।

এতে মনে হচ্ছে, এবার তারা নির্বাচনকে একতরফা হতে দেবে না। এজন্য তারা পাশাপাশি দলকে গুছিয়ে আনতে চাইছে।

এদিকে দেখা যাচ্ছে, বিএনপি যেমন দলনিরপেক্ষ সরকার ছাড়া কোনো নির্বাচনে যাবে না, তেমনি আওয়ামী লীগও বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠানে বদ্ধপরিকর-অনড়। এমতাবস্থায় অনেকেই জানতে চান, ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ যদি দলনিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনে রাজি না হয়, তাহলে বিএনপি কী করবে? আন্দোলন? দাবি আদায়ের সেই সাংগঠনিক সক্ষমতা আছে বিএনপির? কারণ, বিএনপি সাংগঠনিকভাবে আজকে যত শক্তিশালী, তার চেয়েও কয়েকগুণ শক্ত অবস্থানে ছিল দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে।

কেননা, তখন বিএনপি সংসদে প্রধান বিরোধী দলের আসনে ছিল। সংসদে বিরোধী দলের আসনে থাকায় তাদের একটা সাংবিধানিক অবস্থান ছিল। দলের নেতাকর্মীদের নামে এখনকার মতো এত বেশি মামলা ছিল না। তখন ঢাকা ছাড়া দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আওয়ামী লীগের অবস্থান ছিল খুবই ‘নাজুক’।

ওই রকম একটা পরিস্থিতিতে ‘যে করেই হোক’ নির্বাচন করে একাদশ নির্বাচনের দোরগোড়ায় আসার সাফল্য দাবি করতে পারে ক্ষমতাসীন দল। তা ছাড়া আওয়ামী লীগ আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় বর্তমানে একটি শক্তিশালী দলে পরিণত হয়েছে।

বিএনপির অনেক নেতাই মনে করেন, এখন বিএনপির অবস্থা হয়েছে ওই সময়কার আওয়ামী লীগের ‘মতো’। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের এক বছর পর ২০১৫ সালে এর বর্ষপূর্তিকে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ আখ্যা দিয়ে তিন মাসের অব্যাহত কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে শক্তির অপচয় করেছে বিএনপি। এতে দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে হাজার হাজার মামলা।

খালেদা জিয়া তার বিরুদ্ধে আনা দুদকের ‘জিয়া এতিমখানা দুর্নীতি মামলায়’ আত্মপক্ষ সমর্থনে যে বক্তব্য উপস্থাপন করছেন, সেখানে তিনি স্বীকার করেছেন যে, ‘২৫ হাজার মামলায় কেন্দ্রসহ সারাদেশে প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ নেতাকর্মী আসামি। ৭৫ হাজার নেতাকর্মী বিভিন্ন মেয়াদে কারাবরণ করেছেন।’ এতে গত চারটি বছর বিএনপির অবস্থা হয়েছে নাজুক। দলটি প্রায় ১১ বছর নেই ক্ষমতায়।

এতে বিএনপি ঘরানার অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থাও তথৈবচ। এমতাবস্থায় কোনো কর্মসূচিই পালন করতে পারেনি বিএনপি। প্রশাসনের অনুমতি ব্যতিরেকে এমনকি তাদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নয়াপল্টনেও সমাবেশ করতে পারেনি তারা। এমতাবস্থায় বিএনপি একটি ‘সর্বব্যাপী আন্দোলন’ গড়ে তোলার অবস্থায় কি আছে?

বিএনপির নীতিনির্ধারকদের একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে মানবকণ্ঠকে জানান, এটা যে বিএনপি বুঝে না, তা নয়। এজন্যই বিএনপি তার সাংগঠনিক শক্তি ফিরে পেতে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। বিএনপিসহ অঙ্গ-সহযোগী দলগুলোর কমিটি পুনর্গঠনের কাজ চলছে। গেল এপ্রিলে তৃণমূলের অবস্থা জানতে কেন্দ্রীয় ৫১ নেতার নেতৃত্বে ৫১ কমিটি সারাদেশে সভা-সমাবেশ ও উঠান বৈঠক সম্পন্ন করেছে।

এতে বিভিন্ন জায়গায় গ্রুপিংয়ে নিজেদের মধ্যে মারামারি হলেও দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে বহুদিন পর জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন বিএনপি নেতারা। ৫১ কমিটির নেতারা পরে যে পৃথক রিপোর্ট খালেদা জিয়ার কাছে জমা দিয়েছেন, তাতে এসব বিষয় উল্লেখ করেছেন।

এসব রিপোর্টে দলের মধ্যে গ্রুপিং এবং নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সরকারের দায়ের করা মামলাকে দলের কর্মসূচি পালনের ক্ষেত্রে বড় বাধা বলে চিহ্নিত করেছেন তারা। নতুন সদস্য সংগ্রহ ও সদস্য নবায়ন কর্মসূচি চলছে। প্রথমে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হলেও তারপর আরো দু’বার সময় বৃদ্ধি করে এখন তা চলমান রাখা হয়েছে।

এতে যেমন দলের নেটওয়ার্ক তরুণ-তরুণীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার সুযোগ পাওয়া গেছে, তেমনি এর মাধ্যমে দলীয় তহবিল স্ফীত করারও সুযোগ হলো। এভাবে দলকে শক্তিশালী করার একটি প্রক্রিয়া চালাচ্ছে বিএনপি।

এ ছাড়া ওয়ান-ইলেভেনের সময় সংস্কারপন্থি হিসেবে পরিচিত দলের প্রভাবশালী নেতাদের সংগঠনে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছেন খালেদা জিয়া। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে দলের সাবেক এমপি জহির উদ্দিন স্বপন, সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে গুলশানে ডেকে নিয়ে দলে সক্রিয় হওয়ার তাগাদা দিয়েছেন তিনি।

আরো যারা সংস্কারপন্থি রয়েছেন তাদেরও দলে কাজ করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ওয়ান-ইলেভেনে সময় দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে বহিষ্কৃত তিনজনের মধ্যে সাবেক দফতর সম্পাদক মফিকুল হাসান তৃপ্তির বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে, যদিও এ নিয়ে দলের দফতর বিভাগ অবহিত নয়। দলের অন্য কেউই এ বিষয়ে ‘মুখ’ খুলতে চান না।

তবে তৃপ্তির এলাকায় তার সমর্থকদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ হয়েছে বলে জানা গেছে। দলের বহিষ্কৃত অন্য দু’জন হলেন প্রয়াত সাবেক মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়া ও যুগ্ম মহাসচিব আশরাফ হোসেন।

ওই নেতা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেন, বিএনপির রয়েছে বিপুল জনসমর্থন। ‘এই জনসমর্থন’ কীভাবে ভোটের বাক্সে নিয়ে আসা যায়- এটাই এখন বিএনপির চিন্তা বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, এই চিন্তা থেকেই বিএনপি খুব হিসাব করে পা ফেলছে। এজন্য দলটি সরকারের কোনো ফাঁদে পা ফেলছে না।

২০১৫ সালের ওই তিন মাসের লাগাতার আন্দোলনের পর তারা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া বড় কোনো সমাবেশ করেনি। দলটি মনে করে, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি না হলে জনগণ ভয়ভীতিহীনভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে না। এজন্য তারা চায়, দলনিরপেক্ষ সরকার। অর্থাৎ দলীয় সরকারবিহীন একটি সরকার, যারা ‘ক্ষমতার স্টেকহোল্ডার’ হবে না।

দলনিরপেক্ষ সরকার না হলে নির্বাচন কমিশন যতই নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের দিয়ে গঠন করা হোক না কেন নির্বাচনকালে সুষ্ঠুু নির্বাচন অনুষ্ঠানে তাদের কিছুই করার থাকবে না। বিএনপি বর্তমান নির্বাচন কমিশন গঠনে এর ওপর ‘নাখোশ’ থাকলেও তাদের একেবারে নাকচ করে দেয়নি। নির্বাচন কমিশনের সংলাপে অংশ নিয়ে সেখানে তাদের প্রস্তাব তুলে ধরেছে।

বিএনপি এখন নির্বাচনকালে দল নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে অন্য সহযোগী দলগুলোর সঙ্গে ঐক্য করার পাশাপাশি সংগঠনকে শক্তিশালী করার দিকে নজর দিয়েছে। সংগঠনের গ্রুপিং, কোন্দল, মারামারিসহ বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করা হয়েছে। ১২ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দলের সমাবেশের পর সম্প্রতি ভাইস চেয়ারম্যান ও চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টামণ্ডলী বৈঠকে এ ব্যাপারে কড়া বার্তা দিয়েছেন খালেদা জিয়া বলে জানা গেছে। বৈঠকে নির্বাহী কমিটির নেতাদের সবাই যেন দলীয় শৃঙ্খলা মেনে চলে তা জানিয়ে দিতে নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

তা ছাড়া তৃৃণমূল নেতাকর্মীদের সমস্যা, সাংগঠনিক দুর্বলতা ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণগুলো চিহ্নিত করে তা দ্রুত নিরসন এবং মেয়াদোত্তীর্ণ সব স্তরের কমিটি পুনর্গঠনের নির্দেশ দিয়েছে দলটির হাইকমান্ড। কমিটি পুনর্গঠনে আগামী নির্বাচনে সম্ভাব্য দলীয় প্রার্থী ও তৃণমূল নেতাদের মতামতকে প্রাধান্য দিতে বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সক্রিয় ও ত্যাগী নেতারা যাতে বাদ না পড়েন, সে ব্যাপারে দেয়া হয়েছে বিশেষ নির্দেশ। সূত্র জানায়, ভাইস চেয়ারম্যান ও উপদেষ্টাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে সাম্প্রতিক রাজনীতি ও দলের করণীয় বিষয়ে নেতাদের কাছ থেকে মতামত নেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। দুই বৈঠকেই নেতারা দল গোছানোর পক্ষে মত দেন।

তারা বলেন, আন্দোলন বা নির্বাচন উভয়ের জন্যই সংগঠন শক্তিশালী করার বিকল্প নেই। দীর্ঘদিন ধরেই দলের পুনর্গঠন প্রক্রিয়া থমকে আছে। এ ছাড়া কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন এলাকায় অভ্যন্তরীণ কোন্দলের বিষয়টিও বৈঠকে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হয়। আগামী নির্বাচনের আগে এসব কোন্দল নিরসন সম্ভব না হলে নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। নেতাদের এমন মতামতের পরেই সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন খালেদা জিয়া। পুনর্গঠনের সর্বশেষ অবস্থা অবহিত হয়ে দ্রুত এ প্রক্রিয়া শেষ করতে নির্দেশ দেন তিনি।

দলীয় শৃঙ্খলার ব্যাপারে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আজ পর্যন্ত পৃথিবীর ইতিহাসে যত যুদ্ধ জয় সম্ভব হয়েছে, যত আন্দোলন-সংগ্রাম সফল হয়েছে- এসব কিছুর পেছনে ছিল একটা ডিসিপিলিন ফোর্স। যদি শৃঙ্খলাবদ্ধ না হয়, তাহলে কোনো আন্দোলনে বিজয় অর্জন করা যাবে না। আমরা বলেছি, সংগঠন তৈরি করতে হবে, ঘরে ঘরে মানুষের কাছে গিয়ে বলতে হবে কোথায় অন্যায়টা হচ্ছে, কেন আমরা এই কথা বলছি, কেন এই সরকার জনগণের পছন্দ নয়- এসব মানুষকে বলতে হবে।

আজকে ৬০-৭০ টাকা চালের দাম, প্রতিটি দ্রব্যের দাম বেড়ে গেছে, মানুষের জীবনের কোনো নিরাপত্তা নেই। মানুষ গুম হয়ে যাচ্ছে। ছড়িয়ে পড়ুন গ্রামে গ্রামে, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে, মানুষকে সরকারের অন্যায়গুলো বলুন।

অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, বিএনপির চারপাশে আমরা যারা আছি, আমরা চাই বিএনপি নির্বাচন করুক। নির্বাচনে যাওয়ার জন্য যে প্রস্তুতি, সেটা পূর্ণ হোক। সঙ্গে সঙ্গে আন্দোলনও চলুক।

তিনি বলেন, নির্বাচন কখন হবে, কোন পরিস্থিতিতে হবে, আগে সেটা ঠিক হতে হবে। নির্বাচন নিরপেক্ষ হতে হবে। প্রার্থীরা যেন ভোট প্রার্থনা করতে পারেন, ভোটাররা যেন ভোট দিতে পারেন, বিএনপি যেন ঘরে-বাইরে সমাবেশ, মিছিল-মিটিং করতে পারে, সেই পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

Share this post

PinIt
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri