buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

রোহিঙ্গাদের জোর করে ফেরত পাঠানো যাবে না : জাতিসংঘ

rohinya-crisis-un-coxbangla.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(৭ ডিসেম্বর) :: মিয়ানমারের রাখাইনে সেনা অভিযানে জাতিগত নিধনযজ্ঞের শিকার হওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সংকট নতুন বিপজ্জনক মোড় নিচ্ছে। রোহিঙ্গাদের রাখাইনে ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও তা পুরোপুরি বাস্তবায়ন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।

মঙ্গলবার জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্থনিও গুতেরেজের মুখপাত্র বলেছেন, রাখাইনে নিরাপদবোধ না করলে জোর করে সেখানে রোহিঙ্গাদের পাঠানো যাবে না।

মঙ্গলবার নিউ ইয়র্কে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টেফানে দুজারিক বলেন, মানুষের যাওয়া উচিত। মানষ বা শরণার্থীদের নিজ বাড়িতে ফিরে যাওয়া উচিত যখন তারা নিরাপদবোধ করবে। তাদের জোর করে পাঠানো উচিত হবে না।

এর আগে ওই দিনই জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান জেইদ রা’দ আল হুসেইন মানবাধিকার কাউন্সিলের বিশেষ অধিবেশনে যথাযথ সময়ের আগে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন।

তিনি জানান, পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত তাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো উচিত নয় বলে মনে করছে কমিশন। ‘যতোক্ষণ পর্যন্ত রাখাইন পরিস্থিতিকে যথাযথভাবে পর্যবেক্ষণ না করা যায়, ততোক্ষণ পর্যন্ত তাদের ফেরত পাঠানো ঠিক হবে না’ মন্তব্য করেন তিনি।

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নির্বিচার গুলি চালিয়ে হত্যা, গ্রেনেডের ব্যবহার, খুব কাছাকাছি অবস্থান থেকে গুলি করা, ছুরিকাঘাত, পিটিয়ে হত্যা এবং ঘরে মানুষ থাকা অবস্থায় তা জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন রাদ আল হোসেন। তিনি প্রশ্ন রেখেছেন, নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সমন্বয়ে গঠিত একটি ভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ হিসেবে এইসব অপরাধের শিকার হওয়ার ঘটনাকে গণহত্যা ছাড়া আর কী বলা যাবে।

গুতেরেজের মুখপাত্রও বলেছেন, জাতিসংঘ মহাসচিব স্পষ্ট করেছেন ও রোহিঙ্গাদের দুর্ভোগে বিষয়ে সোচ্চার হয়েছেন।  তাদের ইচ্ছের বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসনেজাতিসংঘে জড়িত সবাই একমত হবেন বলেই আমি করি। শরণার্থীদের নিজ বাড়ি ফিরে যাওয়া উচিত যখন সেখানে মুক্ত পরিবেশ ও তাদের অধিকারের প্রতি সম্মান জানানো হবে।

এ বছরের ২৫ আগস্ট রাখাইনে সহিংসতা শুরু হওয়ার পর রোহিঙ্গাদের ওপর নিধনযজ্ঞ চালানো শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। হত্যা ও ধর্ষণ থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গা। জাতিসংঘ এই সেনা অভিযানকে ‘জাতিগত নিধনযজ্ঞের পাঠ্যপুস্তকীয় উদাহরণ’ বলে উল্লেখ করেছে।

নিন্দা জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন ও মানবতার পক্ষের মানুষেরা। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে মিয়ানমারের সরকার ও সেনাবাহিনী।সৃষ্ট সংকটে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপের মুখে সম্প্রতি মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করে। তবে চুক্তির পরও রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে প্রবেশ করছে।

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri