Home কক্সবাজার মহেশখালীতে চলছে নির্বিচারে পাহাড় কাটাঁ

মহেশখালীতে চলছে নির্বিচারে পাহাড় কাটাঁ

24
SHARE

এম রমজান আলী,মহেশখালী(১৩ জানুয়ারী) :: মহেশখালীতে চলছে নির্বিচারে পাহাড় কাটাঁ-পরিবেশ অধিদপ্তর ও বনবিভাগ নীরব দর্শকের ভুমিকায়। পাহাড় কাটাঁর মৌসুম কে সামনে রেখে মহেশখালীতে বিভিন্ন জায়গার চলছে প্রকাশ্যে পাহাড় কাটাঁর ধুম পরিবেশ অধিদপ্তর ও বনবিভাগ নীরব দর্শকের ভুমিকা পালন করায় প্রশাসন, সচেতন মহল ও সর্বস্থরের জনসাধারনের মনে নানান কৌতুহল সৃষ্টি হচ্ছে। কেননা প্রকাশ্যে নির্বিচারে পাহাড় কাটাঁর ধুম পড়েছে।

হোয়ানক, শাপলাপুর, কালারমারছড়া ও সর্বোপুরি ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন জায়গায়-বিশেষ করে সিপাহী পাড়া এলাকার আছদতলী ছইল্যাঘোনায় আব্দুল করিমের পুত্র নাজেম উদ্দিনের নিয়ন্ত্রনাধীন পাহাড় থেকে প্রকাশ্যে পাহাড় কাটাঁর ধুম পড়েছে নাজেম উদ্দিন বনবিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর ও পুলিশ প্রশাসন কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সরকারী আইন কে অমান্য করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে প্রকাশ্যে পাহাড় কাটাঁর সুযোগ করে দিয়েছে যা দন্ডনীয় অপরাধ।

এ ব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কর্মকর্তা সাইফুল আশ্রাফ জানান, বিষয়টি আমি আগে শুনেনি এখন শুনেছি আমি ঘটনাস্থলে পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও স্টাফদের পাঠাবো পাহাড় কাটাঁর প্রমান পাওয়া গেলে যে অনুমতি দিয়েছে ও তার সাথে যারা সংশ্লিষ্ট রয়েছে তাদের বিরোদ্ধে দ্রুত গতিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং পরিবেশ আইনে মামলা করা হবে।

এ ব্যাপারে বনবিভাগের এসিএফ মোহাম্মদ হোসাইন জানান, বিষয়টি আমি খোজঁ খবর নিচ্ছি যদি পাহাড় কাটাঁর প্রমান পাওয়া যাই তখন যিনি পাহাড় কাটাঁর অনুমতি দিয়েছে ও তার সাথে যারা সংশ্লিষ্ট রয়েছে তাদের বিরোদ্ধে দ্রুত গতিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল কালাম জানান, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখব প্রমান পাওয়া গেলে দ্রুত গতিতে আইনগত ব্যবস্থা নেব।

র‌্যাঞ্জ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) তোসাদ্দেক হোসেন জানান, আমি বিট কর্মকর্তা আব্দুল জাব্বার কে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি।

বিট কর্মকর্তা আব্দুল জাব্বার জানান, আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম।

অত্র ওয়ার্ডের মেম্বার জসিম উদ্দিন জানান, পাহাড় কাটাঁর কারনে মাঠি আনা নেওয়ার ফলে রাস্তা ঘাট ও ব্রীজের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে প্রয়োজনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) স্যারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করব। মাঠি আনা নেওয়ার ফলে রাস্তা ও ব্রীজের ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার বিষয়টি নেজাম উদ্দিন কে অবহিত করেছি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত নেজাম উদ্দিন জানান, আসলে পাহাড় কাটাঁ বড় অপরাধ আমি ভুল করেছি।

সুত্রে জানাগেছে, ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য মোটা অংকের টাকার মিশনে নেমেছে। আরো বিস্তারিত ক্রমান্নয়ে প্রকাশ করা হবে।

SHARE