কক্সবাজার সদরে ২৯টি কমিউনিটি ক্লিনিকে সিএইচসিপিদের কর্মবিরতি চলছে

Family-Planing-Picture.jpg

মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও(২১ জানুয়ারি) :: সারাদেশের ন্যায় কক্সবাজারেও বিভিন্ন উপজেলায় চলছে সিএইচসিপিদের কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচী পালন। চাকুরী রাজস্বকরণের দাবীতে কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত সিএইচসিপিরা এ কর্মবিরতি পালন করছে।

কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার এসোসিয়েশন কক্সবাজার সদর শাখার উদ্যোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে শনিবার থেকে শুরু হওয়া কর্ম বিরতি ও অবস্থান কর্মসূচী ২য় দিনের মত রোববার ও পালন করা হয়েছে।

সদরের ২৯টি কমিউনিটি ক্লিনিকের কর্মরত হেলথ কেয়ার প্রাভাইডার সিএইচসিপিরা এ কর্মসূচী পালন করছে।

সদর উপজেলা সিএইচসিপি এসোসিয়েশনের সভাপতি হামিদ হাসান ও সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম জানান, বর্তমানে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার সিএইচসিপিরা প্রকল্পের অধীনে কাজ করছে।

২০১৩ সালে তাদের চাকুরী রাজস্ব খাতে অন্তর্ভূক্ত করার উদ্যোগ নিলেও তা আদৌ বাস্তবায়ন হয়নি। তারা আরো বলেন, চাকুরী জাতীয়করণ না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রীয় কর্মসূচী অনুযায়ী আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা হারুনর রশিদ, মো. ছৈয়দ করিম, সহ-সভাপতি মোস্তফা কামাল, রাজপতি দে, শওকত আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাদেক, কোষাধ্যক্ষ লতিফুল হক, কার্য নির্বাহী সদস্য মো. শাহজাহান, দেবাশীষ আচার্য্য, লুলু মারজান, পাপড়ি দে, রোকেয়া বেগম, অঞ্জনা দে, কামরুল হাসান, শামসুন্নাহার, লিপি, সুমি, নারগিছ, রাজমিনা, তছলিমা, মোর্শিদা, ফয়সাল মাহমুদ প্রমুখ।

এসময় নেতৃবৃন্দ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত সিএইচসিপিরা। দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠির দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌছে দেয়। এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য দেশে ডিজিটাল স্বাস্থ্য সেবার কাঠামো নির্মিত ও পরিচালিত হলেও চাকুরী স্থায়ীকরণ না হওয়ায় নিজেদের ব্যক্তি এবং পারিবারিক জীবন এক গভীর দুশ্চিন্তা আর হতাশার মাঝে অতিবাহিত হচ্ছে।

সামগ্রিক কর্মকান্ডের সফলতা এবং ডিজিটাল স্বাস্থ্য খাতের আমূল পরিবর্তনে অগ্রণী ভূমিকা থাকায় সংশ্লিষ্টরা স্বেচ্ছায় ১৩ সালে তাদের চাকুরী রাজস্ব খাতে অন্তর্ভূক্তিকরণের উদ্যোগ নেয়।

কিন্তু ঘোষণার ৫ বছর অতিবাহিত হলেও সাড়ে ৪ হাজার মুক্তিযোদ্ধা পরিবারসহ প্রায় ১৩ হাজার সহকর্মী অদ্যাবধি ইনক্রিমেন্ট বেতন বৃদ্ধিসহ অন্যান্য মৌলিখ সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। পরে কর্মবিরতি পালনকারীরা স্থানীয় সাংসদ, উপজেলা চেয়ারম্যান, নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে স্মারক লিপি প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, ৩১ জানুয়ারী মধ্যে দাবী বাস্তবায়ন না হলে আগামী ১ ফেব্রুয়ারী থেকৈ আমরণ কর্মসূচী শুরু করবে বলে হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন বক্তারা।

 

Share this post

PinIt
scroll to top
bahis siteleri