izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

টেকনাফের শীর্ষ রোহিঙ্গা ডাকাত হাকিমের অাস্তনায় অভিযান : অস্ত্র ও যুবক উদ্ধার

FB_IMG_1518354818681.jpg

হুমায়ূন রশিদ,টেকনাফ(১১ ফেব্রুয়ারী) :: টেকনাফ মডেল থানা পুলিশ অপহৃত যুবক উদ্ধার অভিযানে হাকিমের আস্তানায় অভিযানে গেলে দু‘পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ডাকাত হাকিমের আস্তানা হতে দেশীয় তৈরি অস্ত্র-বুলেট,দা সহ অপহৃত জালালকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। এতে ৩পুলিশ আহত হয়েছে।

জানা যায়, ১১ ফেব্রুয়ারী সকাল ১০টা হতে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ মাইন উদ্দিন খানের নেতৃত্বে এসআই মহির উদ্দিন খান, দিবাকর রায়, এএসআই শাহজাহান কবিরসহ স্বশস্ত্র একটি পুলিশের দল উপজেলার নাইট্যং পাড়ার অদূরে গভীর পাহাড়ে বনদস্যু, রোহিঙ্গা ডাকাত আব্দুল হাকিমের আস্তানা খ্যাত আহমদ্যা ঘোনায় অভিযানে যায়।

অপহরণকারী চক্রের সদস্যরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহৃত নাইট্যংপাড়ার জহির আহমদের পুত্র জালাল আহমদকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের ধাওয়া করে গতিরোধের চেষ্টা করলে ডাকাত দল পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। পুলিশও আতœরক্ষার্থে পাল্টা গুলিবর্ষণ করলে ডাকাত আব্দুল হাকিম গংয়ের সদস্যরা অপহৃত জালালকে পাহাড়ে ফেলে প্রাণ রক্ষার্থে পালিয়ে যায়।

এই ঘটনায় এক এসআই, ২ কনস্টেবল আহত হয়। পুলিশ উক্ত পাহাড়ী আস্তানায় অভিযান চালিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় জালাল আহমদ, দৈশীয় তৈরি ২টি অস্ত্র, ৫ রাউন্ড বুলেট, ২টি দা, ১টি চাকু উদ্ধার করে। এরপর উদ্ধার হওয়া গুরুতর জালাল ও ৩ পুলিশ সদস্যকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

এই ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ মাইন উদ্দিন খান বলেন, গত শুক্রবার রাতে রোহিঙ্গা ডাকাত হাকিম বাহিনী নাইট্যং পাড়ার জহির আহমদের পুত্র জালাল আহমদকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

এই ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করা হলে পুলিশের বিশেষ স্ট্রাইকিং ফোর্স অভিযান চালিয়ে গুরুতর আহত জালালসহ অস্ত্র, বুলেট, দা,চাকু উদ্ধার করতে সক্ষম হয় এবং ৩ পুলিশ সদস্য আহত হয় বলে জানান।

এ ঘটনায় রোহিঙ্গা ডাকাত গংয়ের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও পুলিশের উপর হামলায় ২টি পৃথক আইনে মামলা হয়ছে।

উল্লেখ্য,গত শুক্রবার রাতে বনদস্যু রোহিঙ্গা ত্রাস আব্দুল হাকিম ডাকাতের শীর্ষরা নাইট্যং পাড়ার জহির আহমদের পুত্র জালাল আহমদকে অপহরণ করে মধ্যযুগীয় কায়দায় অমানবিক নির্যাতন চালায়।

অপহৃত জালালের পিতা জহির থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ নাইট্যং পাড়ার নুর আহমদের মেয়ে আঞ্জুমান আরা (৩০), টেকনাফ চৌধুরী পাড়ার নজির আহমদের স্ত্রী রোমেনা আক্তার কাজল (৩০) ও নতুন পল্লান পাড়ার মোঃ আকবরের পুত্র মোঃ সেলিম (৪০) কে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হাকিম ডাকাতের আস্তানার চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে।

পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। এই মামলায় তাদের আদালতে প্রেরণ করা হবে।

উক্ত বনদস্যু ত্রাস আব্দুল হাকিম ডাকাতের বিরুদ্ধে আগের ১০টি মামলাসহ ডজন মামলা হয়েছে। তবুও রোহিঙ্গা ডাকাত আব্দুল হাকিম বরাবরই অধরা থাকায় জনমনে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

Share this post

PinIt
scroll to top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri