buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort

কক্সবাজারের মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর নির্মাণে ঋণচুক্তি মে ও জুন মাসে

matarbari-deep-sea-port-blue-print-coxbangla.jpg

কক্সবাংলা রিপোর্ট(১৬ এপ্রিল) :: কক্সবাজারের মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর পুরোপুরি চালু হবে ২০২৩ সালে। আর এ প্রকল্পের ঋণ নেগোসিয়েশন কার্যক্রম ও ইঞ্জিনিয়ারিং ডিজাইনের ঋণচুক্তি হবে আগামী মে ও জুনে।

তবে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই, দুটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং ও একটি অ্যাপ্রাইজল মিশনের কাজ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে ।

১৬ এপ্রিল চট্টগ্রাম বন্দরের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ‘স্টেকহোল্ডার কনসালটেশন ওয়ার্কশপ অন মাতারবাড়ী পোর্ট ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক সেমিনারে এ তথ্য উঠে এসেছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) মো. জাফর আলমের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বন্দরের চেয়ারম্যান কমোডর জুলফিকার আজিজ। এ সময় চট্টগ্রাম বন্দর ও জাইকার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন ।

সেমিনারে জানানো হয়, সমুদ্রের কিনারা নয়, বরং চ্যানেল তৈরির মাধ্যমে মাতারবাড়ী বন্দরকে সমুদ্রের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। চ্যানেলে যাতে পলি জমতে না পারে, সেজন্য ব্রেক ওয়াটার নির্মাণ করে পানির প্রবাহ রোধ করা হবে।

জাইকার পক্ষ থেকে জানানো হয়, চট্টগ্রাম বন্দরে ১৯০ মিটার দৈর্ঘ্য ও সাড়ে ৯ মিটার গভীরতার বেশি ড্রাফটের জাহাজ ভিড়তে পারে না। এর ফলে ফিডার জাহাজে করে কনটেইনার আনা-নেয়া করতে হয়।

অন্যদিকে মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দরে ১৬ মিটার গভীরতার মাদার ভেসেল প্রবেশের সুযোগ থাকায় একসঙ্গে আট হাজার কনটেইনারবাহী জাহাজ ভিড়তে পারবে। এখান থেকেই ফিডার ভেসেলের মাধ্যমে দেশের অন্যান্য বন্দরে কনটেইনার পরিবহন করা যাবে।

সেমিনারে মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দরের হিন্টারল্যান্ড কানেক্টিভিটি উন্নয়নের পরিকল্পনার রূপরেখাও তুলে ধরা হয়।

এদিকে সড়কপথে পণ্য পরিবহনে জাইকার অর্থায়নে সড়ক ও জনপথ বিভাগ মাতারবাড়ী পর্যন্ত সংযোগ সড়ক ও রেলপথ বিভাগ মাতারবাড়ী থেকে ঘুনধুম পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণ করবে।

জানা গেছে, কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য আমদানিকৃত কয়লা খালাসের জন্য মাতারবাড়ীতে একটি সমুদ্রবন্দর নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

জাপান সরকারের অর্থায়নে এ সমুদ্রবন্দর দেশটির কাশিমা ও নিগাতা বন্দরের আদলে নির্মাণ করা হবে। এর পরিচালনা ও তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri