দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সর্বোচ্চ রেকর্ড

power-plant-bd-coxbangla.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(২৫ এপ্রিল) :: দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে রেকর্ড হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে ১০ হাজার ১৩৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে, যা এযাবৎকালের সর্বোচ্চ। কিন্তু মানসম্মত বিদ্যুৎ সেবা পাচ্ছেন না গ্রাহক।

খোদ রাজধানীতেই কয়েক দিন থেকে দিনে তিন-চারবার লোডশেডিং হচ্ছে। গ্রামের অবস্থা আরও খারাপ। গরমের সঙ্গে বিদ্যুতের যাওয়া-আসা মানুষের ভোগান্তিকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। কিন্তু বিদ্যুৎ বিভাগ এটিকে স্বাভাবিক লোডশেডিং বলতে নারাজ।

তারা বলছে, গত দু-তিন দিন বিদ্যুতের যে সমস্যা হচ্ছে, এটা আসলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট। কয়েক দফা কালবৈশাখীতে বিতরণ ও সঞ্চালন ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিদ্যুৎ বিতরণে সমস্যা হচ্ছে।

বিদ্যুতের রেকর্ড উৎপাদন নিয়ে বুধবার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ সচিব আহমেদ কায়কাউস সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

তিনি জানান, মঙ্গলবার রাত ১১টায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ১০ হাজার ১৩৭ মেগাওয়াট, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ উৎপাদন। এর আগে গত ১৯ মার্চ সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল ১০ হাজার ৮৪ মেগাওয়াট।

বিদ্যুৎ বিভাগের প্রাক্কলন অনুসারে, এবারের গ্রীষ্ফ্ম মৌসুমে বিদ্যুতের চাহিদা সাড়ে ১২ হাজার মেগাওয়াট। তবে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) তথ্যমতে, বুধবার দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল সাড়ে ১০ হাজার মেগাওয়াট। আর উৎপাদন হয়েছে সমপরিমাণ বিদ্যুৎ। কিন্তু গতকাল সন্ধ্যায়ও রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে লোডশেডিং হয়।

উৎপাদন বৃদ্ধির পরও লোডশেডিং কেন হচ্ছে- এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, তাদের হিসাবে গত ১৫-২০ দিন কোনো লোডশেডিং হয়নি। যেটা হয়েছে, সেটি বিদ্যুৎ বিভ্রাট। তিনি বলেন, এই মাসে ঝড়-বৃষ্টির কারণে চাহিদা কমেছিল, আরেক দিকে বিদ্যুৎ লাইনের ওপর গাছ পড়ে সরবরাহ ব্যাহত হয়েছিল।

সচিব জানান, এখন তারা বিদ্যুৎ উৎপাদনে ৯৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস পাচ্ছেন। দেশে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস-এলএনজি আসছে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের সরবরাহ বাড়বে। এতে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে। শিগগিরই বিদ্যুৎ উৎপাদন ১১ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

Share this post

PinIt
scroll to top