izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

ঝুলে গেছে কারাবন্দি খালেদা জিয়ার জামিন

khaleda-zia-2-1-1.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(২৬ এপ্রিল) :: কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে পাঁচটি গ্রেফতারি পরোয়ানায় জামিন প্রক্রিয়া ঝুলে গেছে। ঢাকায় দুটি, কুমিল্লায় দুটি এবং নড়াইলে একটি দায়েরকৃত মামলায় তার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা রহাল রয়েছে। এর মধ্যে দুটি মামলায় তাকে আটকও দেখানো হয়েছে।

এই মামলাগুলোতে জামিন শুনানি হলেও সহসা সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন না আদালত। জামিনের বিষয়ে অধিকতর শুনানি ও রায় ঘোষণার জন্য লম্বা মেয়াদে তারিখ ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবীরা।

বেগম জিয়ার আইনজীবীরা বলছেন, এই মামলাগুলোতে নিম্ন আদালত জামিন প্রদান অথবা নাকচ না করার ফলে তারা উচ্চ আদালতেও যেতে পারছেন না। ফলে আগামী ৮ মে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় জামিনের যে শুনানি নির্ধারিত আছে তাতে যদি তার জামিনও হয় তাতে করে তার মুক্তির বাধা অপসারিত হবে না।

আইনজীবীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বাসে আগুন লাগিয়ে আটজন হত্যা এবং একই উপজেলার কাভার্ডভ্যান পোড়ানোর পৃথক দুটি মামলায় খালেদা জিয়ার জামিনের আবেদন গত ২৩ এপ্রিল কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে শুনানি হয়েছে। আদালতের বিচারক বেগম জেসমিন আরা বেগম এই মামলার অধিকতর জন্য শুনানির পরবর্তী তারিখ ৭ জুন নির্ধারণ করেছেন।

এদিকে, বুধবার ঢাকার দুইটি আদালতে ভুয়া জন্মদিন পালন ও মুক্তিযুদ্ধকে ‘কলঙ্কিত’ করার অভিযোগে মানহানির দুই মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার জামিন শুনানির জন্য ১৭ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত। সকালে বকশিবাজার আলিয়া মাদরাসা মাঠে ভুয়া জন্মদিন পালন মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম খুরশীদ আলম ও মুক্তিযুদ্ধকে ‘কলঙ্কিত’ করার মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম আহসান হাবীব এ দিন ধার্য করেন।

এদিন দুই মামলার গ্রেফতারসংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের দিন ছিল। খালেদা জিয়ার আইনজীবী এডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার ও সৈয়দ জয়নাল আবেদীন মেসবাহ তার জামিনের আবেদন করেন।

মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, আদালত বেগম জিয়ার জামিনের বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত না দেয়ায় আমাদের পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। আদালত যদি জামিন না দিতে চায় তাহলে জামিন নাকচ করতে পারত। কিন্তু কিছু না করে এভাবে ঝুলিয়ে রাখা হচ্ছে। ফলে আমরা খুবই হতাশ হয়েছি।

তিনি বলেন, একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জামিনের ক্ষেত্রে এধরনের হয়রানিমূলক পদক্ষেপ দু:খজনক। আদালত যদি তার জামিন আবেদন নাকচ করে দিত তাহলে আমরা উচ্চ আদালতে যেতে পারতাম। কিন্ত সেই সুযোগও দেয়া হচ্ছে না।

এদিকে স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে বক্তব্য দেয়ার অভিযোগে নড়াইলে খালেদা জিয়ার নামে দায়েরকৃত মানহানি মামলায় জামিন শুনানির দিন আগামী ৮ মে নির্ধারণ করেছেন আদালত।

বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার গত ১৬ এপ্রিল জামিনের আবেদন করলে নড়াইল সদর আমলি আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদুল আজাদ এ আদেশ দেন।

Share this post

PinIt
scroll to top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri