izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

পেকুয়ায় প্রসূতির মৃত্যুর জন্য জেনারেল হাসপাতাল ও চিকিৎসককে দায়ী করে স্বামীর প্রেস ব্রিফিং

20180426_175757-1.jpg

নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া(২৬ এপ্রিল) :: পেকুয়ায় প্রসূতি আয়েশা বেগমের মৃত্যু জট খুলছে না। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্তান সম্ভাব্য ওই প্রসূতি হাসপাতালে মারা যায়। এ নিয়ে চিকিৎসায় ব্যর্থতা ও চিকিৎসককে দায়ী করেন এ মহিলার স্বামী। পেকুয়া জেনারেল হাসপাতালকেও আয়েশা বেগমের মৃত্যুর জন্য দায়ী করা হচ্ছে। এ হাসপাতালের চিকিৎসক রুবেল সাদাত ডিএনসি করায় এ মহিলাকে। এ সময় ভূল চিকিৎসায় তার জরায়ু ছিদ্র হয়। এমনকি প্রস্রাবের নালি কর্তন করা হয়।

এ সময় ওই মহিলার প্রচুর রক্তক্ষরন হয়েছে। এতে করে দিনমজুরের স্ত্রীর জীবন নাশ ঘটেছে বলে স্বামী দাবী করে।

এ দিকে গৃহবধূ আয়েশা বেগমের মৃত্যু নিয়ে পেকুয়ায় উদ্ভূত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। মহিলার স্বামী এ মৃত্যুর জন্য ডাক্তার রুবেল সাদাত ও পেকুয়া জেনারেল হাসপাতালকে সরাসরি দোষারোপ করছে।

চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যায় এ খবর ছড়িয়ে পড়লে মুখ খোলতে শুরু করে মহিলার স্বামী ফজল করিম। তার স্ত্রীর এ মৃত্যুর জন্য এ চিকিৎসককে দায়ী করে। এমনকি এ সম্পর্কিত বিষয়ে তারা চকরিয়া সিনিয়র জুড়িশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলার জন্য নালিশি অভিযোগ দেয়। আদালত সেটি আমলে নেয়।

আর্জিতে পেকুয়া জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক রুবেল সাদাত ও হাসপাতালটির পরিচালক কামরান জাদীদ মুকুটকে আসামী করা হয়। এ দিকে দিনমজুরের স্ত্রী আয়েশা বেগমের মৃত্যুকে সরাসরি হত্যা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে তার স্বামী।

প্রসূতির হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নিতে তার পরিবার থেকে জোরালো দাবী উঠছে। আয়েশা বেগমকে ভূল চিকিৎসায় মৃত্যুর দিকে ধাবিত করা হয়েছে। এমন দাবীতে প্রেস ব্রিফিং করে আয়েশা বেগমের স্বামী ফজল করিম।

২৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকেলে আয়েশার মৃত্যুর জন্য সরাসরি দায়ী করে এ প্রিফিং আহবান করে তার স্বামী।

রাজাখালী ইউনিয়নের হাজীরপাড়া আয়েশার বাড়িতে এ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্টিত হয়। এ সময় পেকুয়ার কর্মরত গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ব্যানার টাঙ্গানো হয় প্রেস ব্রিফিংয়ে।

এ সময় আয়েশার স্বামী ফজল করিম জানায়, আমি প্রশাসন ও সাংবাদিকদের আন্তরিক সহযোগিতা চাই। আমার স্ত্রীকে ভূল চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

জেনারেল হাসপাতালে ডাক্তার রুবেল সাদাত জরায়ুতে ডিএনসি করায়। সেখানে তার অবনতি ঘটে। তারা চিকিৎসার যাবতীয় তথ্য গোপন করে। চমেক হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে।

এ ঘটনার জন্য ওই চিকিৎসক রুবেল সাদাত ও পরিচালক কামরান জাদীদ মুকুট দায়ী। আমি একজন অসহায় ও দরিদ্র। আমার দুই সন্তান মাকে হারিয়ে প্রায় নির্বাক। তারা মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছে। আমি এ ঘটনার সুষ্টু তদন্তসহ ভূল চিকিৎসার জন্য ওই ডাক্তার ও এ হাসপাতালের পরিচালনা পরিষদের বিরুদ্ধে আইনী প্রতিকার দাবী করছি।

উত্তর রাজাখালীতে হাজীরপাড়ার বেড়িবাঁধ সংলগ্ন ফজল করিমের বসতবাড়ি। ছনের ছানি ও বাঁশের বেড়ায় ছোট্র পরিসরে আয়েশার বসতবাড়ি। বাড়ির উত্তরপাশের্^ ছনুয়া নদী। সেখানে নদীর তীরে এ দরিদ্র পরিবারটির বসবাস। স্বামী দিনমজুর।

লবণ চাষের জমিতে অন্য জনের কাছে শ্রম দিচ্ছে। ওই দিন প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রসূতি আয়েশা বেগমের দুই সন্তান আশেক উল্লাহ(৪) ও মেয়ে লাকী(৬) পিতার পাশে ছিল।

Share this post

PinIt
scroll to top