ঈদগাঁওতে ফোরজির প্রত্যাশিত সেবা পাচ্ছেন না গ্রাহকরা

4G-LTE-Network-619x338.jpg

মো. রেজাউল করিম, ঈদগাঁও(২৮ এপ্রিল) :: কক্সবাজারের বৃহত্তর ঈদগাঁওতে রবি-এয়ারটেলে ফোরজি চালু করা হলেও প্রত্যাশা মতে সেবা পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। গ্রাহক অনুপাতে টাওয়ার ও ক্যাপাসিটি না থাকায় এ জন ভোগান্তি বলে জানা গেছে। ফোরজিতে জন আকাঙ্খার প্রতিফলন না ঘটায় গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হচ্ছে।

জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন নামী-দামী মোবাইল অপারেটর কোম্পানীগুলো ফোরজি (চতুর্থ জেনারেশন) চালু করেছে মাস খানেক পূর্বে। এতদিন ছিল থার্ড জেনারেশন বা থ্রিজি। সর্বোচ্চ গতির ইন্টারনেট সেবা দিতে ফোরজিতে পদার্পন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রকাশ।

বৃহত্তর ঈদগাঁওতে রবি এবং এয়ারটেলের যৌথ মালিকানাধীন কোম্পানী সম্প্রতি ইন্টারনেটের সর্বোচ্চ গতি সম্পন্ন ফোরজি চালু করেছে। অন্য কোন অপারেটর এখনো এ সেবা চালু করতে পারেনি এখানে।

ভূক্তভোগীদের মতে ফোরজি সেবা চালু হলেও তা নামে মাত্র। এর গতি থ্রিজি’র চাইতে ১০/১২গুণ কম।

অথচ স্পীড হওয়ার কথা ছিল সমগুণের বেশি। কোম্পানীটি সেবাটি চালু করায় অনেকে ফোরজি সাপোর্টেড মোবাইল ও সিম কিনে প্রতারিত হচ্ছেন। কারণ এ এলাকায় প্রতিনিয়ত ফোরজির ব্যবহার বিঘিœত হচ্ছে। যারা এ সিম প্রতিস্থাপন করেছে তারাও পড়েছেন বিপাকে।

বাজারের মাল্টিমিডিয়া মোবাইল সার্ভিসিং সেন্টারের পরিচালক নুরুল হুদা জানান, এ এলাকায় ৯০ শতাংশের অধিক গ্রাহক রবি বা এয়ারটেলের। ৫ শতাংশ হচ্ছেন গ্রামীন অপারেটরের। আর বাদ বাকীরা হচ্ছেন টেলিটকসহ অন্যান্য অপারেটরের। তার মতে গ্রামাঞ্চলে এখন রবির তীব্র নেটওয়ার্ক বিপর্যয় চলছে। গ্রাহক অনুপাতে পর্যাপ্ত সংখ্যক টাওয়ার ও সেগুলোর ক্যাপাসিটি বা সক্ষমতা না থাকায় নেটওয়ার্ক কার্যক্রম প্রায় সময় ব্যস্ত থাকে। কলড্রপের কারণে গ্রাহকরা কথা শুনতে বা বুঝতে পারেন না।

অথচ সংযোগ ঘটায় তাদের টাকা কেটে যায়। তার মতে টু, থ্রি কিংবা ফোর জি তথা কোন জি-তেই প্রত্যাশিত গতি নেই। তাই গ্রাহকরা চাহিদা মতে সেবা পাচ্ছেন না। যেখানে ৪জি’র গতি ৩জি’র চেয়ে ১০ বা ১২গুণ বেশি হওয়ার কথা, সেখানে ঘটছে ঠিক তার বিপরীত।

তিনি বলেন, এখানে সরকারের ডাক ও টেলি যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের বিটিসিএল পরিচালিত টেলিটক অপারেটরের একটি মাত্র টাওয়ার রয়েছে। যা জাগির পাড়ার টিএন্ডটি অফিসের ওপরে স্থাপিত। লোডশেডিংয়ের সাথে সাথে টেলিটকের নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যায়। যার কারণে টেলিটক গ্রাহকদের ঘন্টার পর ঘন্টা চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।

Share this post

PinIt
scroll to top