izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

পেকুয়ায় কৃষকের ফসলের সাথে এ কেমন নিষ্টুরতা

20180428_203718.jpg

নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া(২৮ এপ্রিল) :: ফসলের সাথে এ কেমন নিষ্টুরতা। এমন শক্রুতা সবজি ফসলের সাথে মানুষ কেমন করতে পারে। শুক্রবার গভীর রাতে দুবৃর্ত্তরা কৃষকের সবজি ক্ষেতে হানা দেয়। এ সময় ৪০ শতক ক্ষেতের সবজি বাগান উৎপাটন করে। জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছিল। রিজার্ভ জমির আধিপত্য নিতে শক্তিশালী পক্ষ দরিদ্র কৃষকের সবজি ক্ষেতে রাতে তান্ডব চালায়।

এ সময় উঠতি এ সব বহুমুখী সবজি ক্ষেত কেটে দেয়। উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের ছনখোলা কালিবুনিয়া দক্ষিন ঝিরি দুর্গম পাহাড়ী এলাকায় সবজি ক্ষেত কেটে দেয়ার এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানায়, পাহাড়ী দক্ষিন ঝিরিতে প্রায় ৪০ শতক জমিতে সবজি ফসল ফলায় ওই ইউনিয়নের লম্বামোড়া গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে মনজুর আলম।

চৈত্র মাসের মাঝামাঝি সময়ে ওই কৃষক জমি মাড়াই করে জমিতে বহুমুখী সবজির আবাদ করে। করলা, চিচিঙ্গা, ঢেড়স, শসা, বরবটি, লাউসহ আরও একাধিক সবজি আবাদ করতে ওই কৃষক পাহাড়ী দুর্গম এলাকায় সবজির ক্ষেত করছিলেন। পরিচর্যাসহ সবজির যাবতীয় কাজ তিনি করছিলেন। বর্তমানে বহুমুখী সবজি ক্ষেতে ফলন আসছিল।

বিশেষ করে তীত করলা, চিচিঙ্গা ক্ষেতে ফলন দেখা দেয়। তবে ওই দিন রাতে এ সব ফসলের ক্ষেতে তান্ডব চালানো হয়। প্রায় ৪০ শতক সবজি বাগান রাতের আঁধারে কেটে দেয়া হয়।

স্থানীয়রা জানায়, মনজুর আলম একজন নিতান্ত অসহায়। তিনি সবজি ফলায়। এ পরিশ্রমী কৃষক কঠোর শ্রমে সবজি আবাদ করে। বাজারে বিক্রি করে সংসার চালায়। তার মেয়ে খুরশিদা পেকুয়া জিয়া কলেজে পড়ালেখা করে। এইচ,এস,সি প্রথম বর্ষে পড়ে। দারিদ্র পিষ্ট মেয়েটি কলেজ ছুটির পর বাড়ি থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার পাহাড়ী পথ পাড়ি দিয়ে সবজি ক্ষেতে শ্রম দেয়।

মনজুর আলমের স্ত্রী সাজেদা, ছেলে সোহেল, বদি আলমসহ পরিবারের সদস্যরা এ ক্ষেতে পরিচর্যা করে। তবে স্বপ্নের সর্বনাশ ঘটাল এ কৃষকের।

সাবেক ইউপি সদস্য আবু তাহের লাল মিয়া, আ’লীগ নেতা বাহাদুর ও মছন জানায়, জায়গা নিয়ে মনজুর আলম ও নুর আহমদ গংদের বিরোধ চলছিল। পরিষদে বিচার আছে। রিজার্ভ জমি নুর আহমদ অযৌক্তিক হয়রানি করছে সেটি প্রমানিত হয়। এর আগে হাকাবকা হয়েছে। প্রতিশোধ নিতে এ তান্ডব। মানুষের রিজিকের সাথে এ শত্রুতা নিষ্টুরতার চেয়ে ভয়ংকর।

ইউপি সদস্য আবদুল মালেক জানায়, মনজুরের চোখের জলে বিষন্নতা দেখতে পেয়েছি। এ মানুষটির স্বপ্নে গোড়াবালি দিয়েছে। এটি জীবের উপর অত্যন্ত নিষ্টুরতা।

মনজুর আলম জানায়, আমি শ্রম ও অর্থ ব্যয় করেছি। দাদন নিয়ে সবজির আবাদ করি। এখন কি হবে আমার। চোখে মুখে অন্ধকার ফুল এসেছে বাগানে সবজির ফলন আস্তে শুরু হয়েছে। এখন খাব কি? আমার আর কোন সম্বল নেই। আমি এ বর্বরতার তদন্ত চাই।

Share this post

PinIt
scroll to top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri